নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিবেশ। সোমবার সকালে ৮/১৮ নম্বর বুথ এলাকায় বিজেপির শক্তি কেন্দ্র প্রমুখ কৌশিক দাসের অভিযোগ, বিজেপির শক্তি কেন্দ্র প্রমুখ কৌশিক দাসের বাড়িকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো হলেও ভাগ্যক্রমে সেই বোমা ফাটেনি । ঘটনার পর থেকেই এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে। বিজেপির অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয়, ঘটনার পর কৌশিক দাসের বাড়ির ভিতর থেকে পুলিশ তাজা বোমা উদ্ধার করেছে বলেও জানা গেছে। বিজেপির দাবি, এই বোমাগুলি তৃণমূল কংগ্রেসই সেখানে মজুত করে রেখেছিল এবং উদ্দেশ্য ছিল বড়সড় নাশকতা ঘটানো। বিজেপি নেতৃত্বের কথায়, ভোটের আগে বিরোধী শিবিরকে ভয় দেখাতে এবং সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতেই এই ধরনের কর্মকাণ্ডে নেমেছে তৃণমূল। ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। তাদের অভিযোগ, শাসকদলের মদতেই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে, অথচ পুলিশ নিরপেক্ষভাবে পদক্ষেপ নিচ্ছে না। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে উড়িয়ে দিয়েছে। দলের ব্লক সভাপতি সিদ্ধার্থ মন্ডল স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই ঘটনা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তার দাবি, নিজেদের অন্তর্কলহ ঢাকতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস কখনওই এ ধরনের সন্ত্রাসের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ বাহিনী এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হওয়া তাজা বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করার জন্য বম্ব স্কোয়াডকে ডাকা হয়। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ, তবে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। নির্বাচনের প্রাক্কালে এ ধরনের বিস্ফোরণ ও বোমা উদ্ধারের ঘটনায় নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রশাসনের কড়া নজরদারি এবং দ্রুত পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিবেশ। সোমবার সকালে ৮/১৮ নম্বর বুথ এলাকায় বিজেপির শক্তি কেন্দ্র প্রমুখ কৌশিক দাসের অভিযোগ, বিজেপির শক্তি কেন্দ্র প্রমুখ কৌশিক দাসের বাড়িকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো হলেও ভাগ্যক্রমে সেই বোমা ফাটেনি । ঘটনার পর থেকেই এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে। বিজেপির অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয়, ঘটনার পর কৌশিক দাসের বাড়ির ভিতর থেকে পুলিশ তাজা বোমা উদ্ধার করেছে বলেও জানা গেছে। বিজেপির দাবি, এই বোমাগুলি তৃণমূল কংগ্রেসই সেখানে মজুত করে রেখেছিল এবং উদ্দেশ্য ছিল বড়সড় নাশকতা ঘটানো। বিজেপি নেতৃত্বের কথায়, ভোটের আগে বিরোধী শিবিরকে ভয় দেখাতে এবং সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতেই এই ধরনের কর্মকাণ্ডে নেমেছে তৃণমূল। ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। তাদের অভিযোগ, শাসকদলের মদতেই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে, অথচ পুলিশ নিরপেক্ষভাবে পদক্ষেপ নিচ্ছে না। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে উড়িয়ে দিয়েছে। দলের ব্লক সভাপতি সিদ্ধার্থ মন্ডল স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই ঘটনা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তার দাবি, নিজেদের অন্তর্কলহ ঢাকতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস কখনওই এ ধরনের সন্ত্রাসের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ বাহিনী এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হওয়া তাজা বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করার জন্য বম্ব স্কোয়াডকে ডাকা হয়। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ, তবে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। নির্বাচনের প্রাক্কালে এ ধরনের বিস্ফোরণ ও বোমা উদ্ধারের ঘটনায় নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রশাসনের কড়া নজরদারি এবং দ্রুত পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
- নাগুর হাটের শালবাড়ী এলাকায় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে সজোরে ধাক্কা মারায় ঘটল ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এক যুবকের, গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন আরেকজন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এদিন দুপুরের দিকে দুই যুবক একটি মোটরসাইকেলে করে দ্রুতগতিতে শালবাড়ী রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি রাস্তার ধারে থাকা একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে একজন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। অন্যজন গুরুতর জখম অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকেন। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে আহত যুবককে উদ্ধার করে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠান। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। মৃত যুবকের পরিচয় এখনও পর্যন্ত স্পষ্টভাবে জানা যায়নি বলে খবর। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি ও নিয়ন্ত্রণ হারানোই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মূল কারণ। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় বেপরোয়া গতিতে যান চলাচলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের কাছে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।1
- বুড়িরহাটের পথসভা থেকে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়1
- 📍শীতলখুচি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হরিহর দাসের সমর্থনে শাকাতির হাটে কর্মীসভা তৃণমূল কংগ্রেসের1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- গাঁজা পাচারের আগেই বড়সড় সাফল্য পেল দিনহাটা থানার পুলিশ। রবিবার দুপুরে দিনহাটা রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতের নাম দীপক শীল, তার বাড়ি নদীয়া জেলায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দিনহাটা থানার একটি দল স্টেশন চত্বরে নজরদারি শুরু করে। সেই সময় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার কাছে থাকা দুটি ব্যাগ তল্লাশি চালাতেই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। ব্যাগের ভিতর থেকে মোট ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়। পরবর্তীতে দিনহাটা থানার আইসি বুধাদিত্য রায়ের উপস্থিতিতে উদ্ধার হওয়া গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা চেষ্টা চলছে, এই বিপুল পরিমাণ গাঁজা কোথা থেকে আনা হচ্ছিল এবং কোথায় পাচার করার পরিকল্পনা ছিল। এই ঘটনায় একটি বড় পাচার চক্রের যোগ থাকতে পারে বলে অনুমান করছে পুলিশ। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।1
- বর্তমান মানুষের কাঁথাপটন1
- রবিবারের ভোট প্রচারে গান ও প্রধানমন্ত্রী মোদির গলা অনুকরণে জমিয়ে দিলেন যুব তৃণমন্ত্রী তথা সাংসদ সায়নী ঘোষ। কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের মাঘপালায় তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিকের সমর্থনে জনসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি।সাংসদ ও অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে দেখতে মাঘপালা এপি বিদ্যালয় মাঠে উপচে পড়ে ভিড়। বক্তৃতায় সায়নী বলেন, দিল্লিতে লড়াই শুরু হয়েছে এবং বাংলাতেও এবার চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে। পাশাপাশি ২০২৯ লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে দেশের প্রধানমন্ত্রী করার লক্ষ্যের কথাও জানান। এদিন প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, “এই নির্বাচনে জিততে হলে কঠিন লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।”1
- বারোকোদালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩২ নম্বর বুথকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, তাদের নির্বাচনী ফ্লেক্স ও দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে, এবং এই ঘটনার জন্য সরাসরি বিজেপি কর্মীদের দায়ী করা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এবং দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব দাবি করেছে, পরিকল্পিতভাবেই তাদের প্রচারের সামগ্রী নষ্ট করা হয়েছে যাতে ভোটের আগে সংগঠনের শক্তি দুর্বল করা যায়। তাদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীরাই এই কাজ করেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, বিজেপি এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, তারা এই ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই জড়িত নয়। বরং তাদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঢাকতে বিজেপির উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। বিজেপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের অভিযোগ রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তারের একটি কৌশল মাত্র। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়, তবে বারোকোদালি এলাকার এই ঘটনায় রাজনৈতিক পারদ আরও চড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের তদন্তে ঠিক কী উঠে আসে এবং এই ঘটনায় কারা দোষী প্রমাণিত হয়।1