শেষ মুহূর্তে বাবর আলীর শক্তি প্রদর্শন! সাগরপাড়ায় তৃণমূলের মহামিছিল, রাস্তায় জনস্রোত। #TMC #Jalangi #Murshidabad Alokito Bangla শেষ মুহূর্তেTMC প্রার্থী বাবর আলীর প্রচার ঝড়। জলঙ্গীতে ‘বাবর ঝড়’! সাগরপাড়ায় তৃণমূলের বিশাল মিছিলে জনজোয়ার, গর্জে উঠল ঘাসফুল শিবির 🌼 সাগরপাড়া: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জলঙ্গী ৭৬ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রে শক্তি প্রদর্শনে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় প্রার্থী বাবর আলী-এর সমর্থনে সাগরপাড়া জুড়ে আজ দেখা গেল নজিরবিহীন জনসমাগম—মিছিল, স্লোগান আর একাধিক পথসভায় কার্যত কাঁপল এলাকা! 🚩🔥 🚶♂️ সাগরপাড়া হাসপাতাল মোড় থেকে রক্সির মোড়—মানুষে মানুষে ভরে গেল রাস্তা দিনের শুরুতেই সাগরপাড়া হাসপাতাল মোড় থেকে শুরু হয় বিশাল মিছিল। হাতে দলীয় পতাকা, মুখে উন্নয়নের স্লোগান—শত শত কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে মিছিলটি রক্সির মোড় পর্যন্ত পৌঁছালে এলাকা কার্যত উৎসবের চেহারা নেয়। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নজর কাড়ে সকলের। 📢 একের পর এক পথসভা—বাজার থেকে দেবীপুর পর্যন্ত জনতার ঢল ভোটের আগে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ এই বিশাল কর্মসূচিকে ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে দেখা গেছে প্রবল উৎসাহ। ভোটের আগে জলঙ্গীর রাজনৈতিক পারদ যে দ্রুত চড়ছে—সাগরপাড়ার এই জনজোয়ার তারই স্পষ্ট ইঙ্গিত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। জলঙ্গীর প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এমন বাস্তব ও এক্সক্লুসিভ খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক 👍, শেয়ার 🔁 এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না! 🔔 আলোকিত বাংলা সত্যের সাথে মানুষের পাশে
শেষ মুহূর্তে বাবর আলীর শক্তি প্রদর্শন! সাগরপাড়ায় তৃণমূলের মহামিছিল, রাস্তায় জনস্রোত। #TMC #Jalangi #Murshidabad Alokito Bangla শেষ মুহূর্তেTMC প্রার্থী বাবর আলীর প্রচার ঝড়। জলঙ্গীতে ‘বাবর ঝড়’! সাগরপাড়ায় তৃণমূলের বিশাল মিছিলে জনজোয়ার, গর্জে উঠল ঘাসফুল শিবির 🌼 সাগরপাড়া: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জলঙ্গী ৭৬ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রে শক্তি প্রদর্শনে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় প্রার্থী বাবর আলী-এর সমর্থনে সাগরপাড়া জুড়ে আজ দেখা গেল নজিরবিহীন জনসমাগম—মিছিল, স্লোগান আর একাধিক পথসভায় কার্যত কাঁপল এলাকা! 🚩🔥 🚶♂️ সাগরপাড়া হাসপাতাল মোড় থেকে রক্সির মোড়—মানুষে মানুষে ভরে গেল রাস্তা দিনের শুরুতেই সাগরপাড়া হাসপাতাল মোড় থেকে শুরু হয় বিশাল মিছিল। হাতে দলীয় পতাকা, মুখে উন্নয়নের স্লোগান—শত শত কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে মিছিলটি রক্সির মোড় পর্যন্ত পৌঁছালে এলাকা কার্যত উৎসবের চেহারা নেয়। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নজর কাড়ে সকলের। 📢 একের পর এক পথসভা—বাজার থেকে দেবীপুর পর্যন্ত জনতার ঢল ভোটের আগে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ এই বিশাল কর্মসূচিকে ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে দেখা গেছে প্রবল উৎসাহ। ভোটের আগে জলঙ্গীর রাজনৈতিক পারদ যে দ্রুত চড়ছে—সাগরপাড়ার এই জনজোয়ার তারই স্পষ্ট ইঙ্গিত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। জলঙ্গীর প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এমন বাস্তব ও এক্সক্লুসিভ খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক 👍, শেয়ার 🔁 এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না! 🔔 আলোকিত বাংলা সত্যের সাথে মানুষের পাশে
- তৃণমূলের সভা থেকে সিপিআইএম এবং কংগ্রেস কর্মীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন ডোমকলের তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবির। শনিবার এক কর্মীসভায় যদি হুমায়ুন কবির বলেন,সিপিআইএম বা কংগ্রেসের লোকজন যদি আমাদের কর্মীদের মারে তাহলে আপনারা মারবেন না। আমাকে ফোন করবেন বা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করবেন। আমি গিয়ে এমন মার মারবো। ওর পেছনের চামড়া ছাড়িয়ে ডুগডুগি তৈরি করে ওর বাড়ির সামনে বাজিয়ে আসবো। ডোমকল টাউন এবং ব্লক যুব কংগ্রেসের ডাকে নির্বাচনী সভা থেকে এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। তার এই মন্তব্যের পর উপস্থিত তৃণমূল কর্মীরা তাকে হাততালি দিয়ে উৎসাহিত করেন। যদিও হুমায়ুন কবিরের এমন মন্তব্য করা নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। একজন প্রার্থী হয়ে কিভাবে তিনি বিরোধী শিবিরের কর্মীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করতে পারেন তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। হুমায়ুন কবিরের এমন মন্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন কোন ব্যবস্থা নেয় কিনা সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।1
- শ্বশুরবাড়িতে জামাই প্রার্থীকে ঘিরে আবেগের জোয়ার : সালারে পুনাশি গ্রামে জনসংযোগের নয়া নজির সুমনের। রাজ্যের প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনের রণভেরি বাজতে আর মাত্র চারদিন বাকি, তার আগেই প্রচারের শেষ লগ্নে ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্র চষে বেড়াচ্ছেন। বিশেষ করে ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের শিমুলিয়া পঞ্চায়েতের পুনাসি ও সোনারুন্দি গ্রামে তাঁর উপস্থিতি এক অন্য মাত্রা যোগ করেছে। পুনাসি গ্রাম প্রার্থীর নিজস্ব শ্বশুরবাড়ি হওয়ায় এদিন প্রচারের মেজাজ ছিল উৎসবের মতো। গোটা গ্রামের মানুষের কণ্ঠে তখন একটাই ধ্বনি, সব ভোট জামাইকে দিন। এলাকার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাসে আপ্লুত প্রার্থী সুমন। হুডখোলা গাড়ির প্রথাগত আড়ম্বর ছেড়ে বেছে নিয়েছেন নিবিড় জনসংযোগের পথ। প্রার্থীর কথায়, সাধারণত অন্যান্য প্রার্থীরা গাড়িতে চেপে প্রচার করেন, কিন্তু আমার লক্ষ্য ছিল প্রতিটি অলিতে-গলিতে পৌঁছে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা। প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা পায়ে হেঁটে কভার করেছি, বাকিটুকুও এই ক’দিনে শেষ হবে। ঘরের ছেলেকে কাছে পেয়ে ভোটারদের এই উন্মাদনা ভরতপুরের নির্বাচনী লড়াইয়ে তৃণমূল প্রার্থীকে যে বাড়তি অক্সিজেন জোগাচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।1
- নাকাশীপাড়া পুলিশের বেথুয়াডহরী এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে রুটমার্চ1
- বৈশাখে ধর্মরাজ, শিবের গাজন ও পুজোয় ঢাক বাজিয়ে কিছু টাকা আয় করেন মুর্শিদাবাদ জেলার ঢাকিরা। এই সময় বাদ দিয়ে বছরের অন্য সময় অন্যের জমিতে চাষ করে তাঁরা দিন গুজরান করেন। তবে এবার নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দলের প্রচারে ঢাকিদের ডাক পড়ছে। ফলে কিছুটা বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন তাঁরা। ঢাকিরা জানান, একসময় শুধু বিজয় মিছিলেই ডাক আসত। তবে, গত কয়েক বছরে নির্বাচনি প্রচারে ও গণনার দিনেও ডাক আসে। সব দলই তাঁদের প্রচারে নিয়ে যাওয়ার জন্য বায়না করে যাচ্ছে।গাজন ও অন্য ধর্মীয় উৎসবে বছরভর তাঁদের ডাক আসে। চৈত্র থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত আমাদের বরাত মেলে। সারা বছরের রোজগারের অনেকটাই এই সময় হয়। দুর্গাপুজোর সময়ও এত রোজগার হয় না। গাজনে গেলে থাকা ও খাওয়া বাদে একজনের প্রায় হাজার চারেক টাকা আয় হয়। এবছর নির্বাচন থাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলই ঢাকিদের প্রচারে নিয়ে যাচ্ছে। কীরকম পারিশ্রমিক মেলে? এক জন ঢাকি বলেন, গত বিধানসভা ভোটেও আমাদের প্রচারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।সেবার যাতায়াত ও খাওয়ার খরচ বাদ দিয়ে ৮০০-১০০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল।সোমনাথ দাস বলেন, আমাদের ছোটোবেলায় ভোটের সময় কোনো রাজনৈতিক দলের এত বর্ণাঢ্য প্রচার দেখা যেত না। তবে, এখন ঢাক সহ তাসাপার্টি থাকছে। ফলে, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলির কয়েকদিন ভালো রোজগার হচ্ছে। বিভিন্ন দলের প্রার্থীর প্রচারে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা ঢাকিদেরও ডাকা হচ্ছে। তবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাক বাজানোয় অনেক বদল আসছে। নিত্যানন্দ পাল বলেন,গাজনের বাজনা, আরতির বাজনা আর নির্বাচনি প্রচারের বাজনা এক নয়। প্রতিটির পৃথক ধারা বা তাল আছে। গাজন,ভোট উৎসবের কারণে আমাদের রোজগার বাড়বে। তবে, ভোট তো আর প্রতি বছর থাকে না।1
- Post by Sarmita Biswas2
- কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত মা মাটি মানুষের প্রার্থী সোমনাথ দত্তের সমর্থনে কৃষ্ণনগর শহরে নামলো টোটো, উদ্দেশ্য দলীয় প্রচার আরও বেশি তরান্বিত করা। বারটি টোটো মাইক লাগিয়ে শহর জুড়ে সোমনাথ দত্তের নির্বাচনী প্রচারের কাজ করবে।1
- কাটোয়া বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী সঞ্জীব কুমার দাসের সমর্থনে একটি পথনাটিকা অনুষ্ঠিত হলো ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় কাটোয়া পানুহাট ইদারাপারে। এই পথনাটিকার মধ্য দিয়ে সাম্প্রতিক সময়ের বেশ কিছু টুকরো টুকরো ঘটনাকে এক ফ্রেমে কোলাজ করে পরিবেশন করা হয়। ব্যবসায়ী দোকানদার থেকে শুরু করে পথ চলতি মানুষ রাস্তার দু'ধারে দাঁড়িয়ে উপভোগ করেন এই নাটক।1
- *নবদ্বীপে অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার বিবস্ত্র দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য এলাকায়।* নির্বাচনের আবহেই নবদ্বীপে এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার বিবস্ত্র অবস্থায় দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকালে নবদ্বীপ বিষ্ণুপ্রিয়া হল্ট স্টেশনের আপ প্লাটফর্মের শেষের দিকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় নবদ্বীপ থানার ও রেল পুলিশ, তারা গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় ঐ এলাকায় একটি দেশি মদের দোকান আছে তার পাসেই জঙ্গলে এদিন সকালে স দেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়, তবে মহিলাটি স্থানীয় নয়, স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে খবর মহিলার বয়স আনুমানিক ৪০-৪২,। প্রশাসন সুত্রে খবর মহিলার নাম পরিচয় জানতে ও ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে, পাশাপাশি মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে, ময়না তদন্তের পরেই মৃত্যুর আসল কারন জানা যাবে। পাশাপাশি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় নবদ্বীপের বিজেপি প্রার্থী শ্রুতি শেখর গোস্বামী, কথা বলেন স্থানীয়দের সাথে, পাশাপাশি তিনি বলেন এই তো নবদ্বীপের শান্তির ছবি, নবদ্বীপে হয়তো এখন দিন রাত বোম পরে না কিন্তু একটা চাপা সন্ত্রাশ চলছে, মানুষ এর জবাব দেবে, পাশাপাশি এই মৃত্যুর তদন্তেরও দাবী করেন। নির্বাচনের আগে এহেনো ঘটনায় এলাকায় ছড়ায় চাঞ্চল্য।1
- হাতে মাত্র আর তিন দিন বাকি বঙ্গে প্রথম দফা নির্বাচনের । তাই রবিবাসরীয় প্রচারে ঝাপিয়ে পরেছেন মালদহের মালতি পুর বিধান সভার কংগ্রেসের প্রার্থী মৌসম নুর এদিন তিনি তার বিধানসভা কেন্দ্রের চন্দ্র পাড়া পঞ্চায়েত এলাকায় বিভিন্ন গ্রামে মোটর সাইকেলে করে এক বিশাল মিছিল করেন তিনি। তবে প্রার্থী নিজে হুড খোলা গাড়িতে চেপে প্রচার করেন।প্রার্থীকে গ্রামের রাস্তা দিয়ে যেতে দেখে বাড়ির মহিলারা ঘর থেকে বেরিয়ে প্রার্থীকে একঝলক দেখার জন্য ছুটে আসেন। মৌসম নুর রাস্তায় সাধারণ মানুষ কে দেখতে পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌছে ভোট প্রার্থনা করেন। এদিনের মৌসুমের প্রচারে কার্যত কংগ্রেস কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। রবিবাসরীয় দিনে চন্দ্র পাড়ার একের পর এক গ্রামে প্রচারে ঝড় তুলেন কংগ্রেসের প্রার্থী মৌসম নুর।3