Shuru
Apke Nagar Ki App…
মথুরাপুরের সংসদ বাপি হালদার প্রধানমন্ত্রী জন্ম দিবস পালন করলেন। সেই সাথে নিজের কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কি বললেন শুনুন!
Gopi kishor Bera
মথুরাপুরের সংসদ বাপি হালদার প্রধানমন্ত্রী জন্ম দিবস পালন করলেন। সেই সাথে নিজের কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কি বললেন শুনুন!
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মথুরাপুরের সংসদ বাপি হালদার প্রধানমন্ত্রী জন্ম দিবস পালন করলেন। সেই সাথে নিজের কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কি বললেন শুনুন!1
- বারুইপুরে ব্যাঙ্কে জাল নোট! ১২টি নকল ১০০ টাকার নোট-সহ গ্রেফতার ১ বারুইপুরে ব্যাঙ্কে জাল নোট! ১২টি নকল ১০০ টাকার নোট-সহ গ্রেফতার ১1
- ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর মোদির ৭৬তম জন্মদিন। এ বছর তাঁর ২৫ বছরের জনজীবনকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-সহ একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি সূত্র ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রদীপের আলোয় মোদির জন্মদিন পালন, জনসেবার বার্তা সুন্দরবনেও হাসান লস্কর, কুলতলী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর মোদির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন এবং তাঁর ২৫ বছরের জনজীবনকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’। এই কর্মসূচির আওতায় সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা ও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি সুন্দরবন সংলগ্ন জয়নগর দুই ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক এর দপ্তরে সহ একাধিক এলাকাতেও দিনটি ঘিরে দেখা যায় বিশেষ উৎসাহ। বিভিন্ন অঙ্গনওয়াড়ি ও আইসিডিএস কেন্দ্র, ধর্মীয় স্থান এবং দলীয় কার্যালয়কে কেন্দ্র করে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের কর্মসূচি নেওয়া হয়। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জয়নগর কুলতলী-সহ বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির উদ্যোগে সাধারণ মানুষের পরিষেবা, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা এবং জনকল্যাণমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতেও বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জয়নগর-২ ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক শ্রী মনোজ মল্লিক এর উদ্যোগে পঞ্চায়েত সমিতির মিটিং রুমে ও এলাকায় আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক। সেখানে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা কীভাবে আরও সহজে পৌঁছে দেওয়া যায় এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের কী কী করণীয়, তা নিয়ে আলোচনা হয়।রাজ্য সরকারের ঘোষিত কর্মসূচিতে অঙ্গনওয়াড়ি ও আশাকর্মীদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্য ও সামাজিক পরিষেবার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালনকে ঘিরে একদিকে যেমন উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে জনসেবামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর মোদির ৭৬তম জন্মদিন। এ বছর তাঁর ২৫ বছরের জনজীবনকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-সহ একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি সূত্র ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রদীপের আলোয় মোদির জন্মদিন পালন, জনসেবার বার্তা সুন্দরবনেও হাসান লস্কর, কুলতলী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর মোদির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন এবং তাঁর ২৫ বছরের জনজীবনকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’। এই কর্মসূচির আওতায় সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা ও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি সুন্দরবন সংলগ্ন জয়নগর দুই ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক এর দপ্তরে সহ একাধিক এলাকাতেও দিনটি ঘিরে দেখা যায় বিশেষ উৎসাহ। বিভিন্ন অঙ্গনওয়াড়ি ও আইসিডিএস কেন্দ্র, ধর্মীয় স্থান এবং দলীয় কার্যালয়কে কেন্দ্র করে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের কর্মসূচি নেওয়া হয়। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জয়নগর কুলতলী-সহ বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির উদ্যোগে সাধারণ মানুষের পরিষেবা, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা এবং জনকল্যাণমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতেও বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জয়নগর-২ ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক শ্রী মনোজ মল্লিক এর উদ্যোগে পঞ্চায়েত সমিতির মিটিং রুমে ও এলাকায় আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক। সেখানে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা কীভাবে আরও সহজে পৌঁছে দেওয়া যায় এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের কী কী করণীয়, তা নিয়ে আলোচনা হয়।রাজ্য সরকারের ঘোষিত কর্মসূচিতে অঙ্গনওয়াড়ি ও আশাকর্মীদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্য ও সামাজিক পরিষেবার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালনকে ঘিরে একদিকে যেমন উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে জনসেবামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।1
- বারুইপুরে জাল নোট কাণ্ডে ধৃত ব্যক্তিকে ৩ দিনের পুলিশি হেফাজতে থাকা নির্দেশ দেন আদালতের মহামান্য বিচারক। বারুইপুর থানার অন্তর্গত হরিহরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার শাখাতে ডিহি এলাকা নিবাসী শুভঙ্কর চট্টোপাধ্যায় টাকা জমা দিতে গিয়ে ১২ টি ১০০ টাকার জাল নোট পাওয়া যায় তার কাছ থেকে। ব্যাংক ম্যানেজার থানায় খবর দিলে,পুলিশ শুভঙ্কর চট্টোপাধ্যায় কে গ্রেফতার করে এবং জাল টাকা গুলি উদ্ধার করে। বুধবার ধৃত ব্যক্তিকে পুলিশ বারুইপুর মহাকুমা আদালতে তুললে, মহামান্য বিচারক ৩ দিনে পুলিশের হেফাজতে থাকা নির্দেশ ধৃত ব্যক্তি কে।1
- সেরামপুর সাংগঠনিক জেলা: ২৫ নং ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্ম দিন উদ্যাপনে সেরামপুর মণ্ডল-২, নেতৃত্বে উত্তম ভৌমিক (ধনা দা)1
- বলিষ্ঠ কণ্ঠে মোদী সরকারকে বিদ্ধ করেন মহম্মদ ইরফান! শুনুন | দৈনিক সমাচার1
- প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে রাজনগরে সেবামূলক উদ্যোগ, উদ্বোধন ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবা কেন্দ্রের’ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে রাজনগরে সেবামূলক উদ্যোগ, উদ্বোধন ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবা কেন্দ্রের’1
- বিশ্বকর্মা পুজো ও অরন্ধন উৎসব: মৃৎশিল্পীদের কর্মব্যস্ততা ও বাঙালির উনুনে ঐতিহ্যের ছোঁয়া নিজস্ব সংবাদদাতা: রাত পোহালেই ভাদ্র সংক্রান্তি। একদিকে কারিগরি বিদ্যার দেবতা দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার আবাহন, অন্যদিকে সনাতন বাংলার লোকসংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ 'অরন্ধন' বা 'রান্নাপুজো'। এই দুই উৎসবকে কেন্দ্র করে রাজ্যের মৃৎশিল্পীদের পাড়া থেকে শুরু করে গৃহস্থের রান্নাঘর—সর্বত্রই চরম ব্যস্ততা তুঙ্গে। মৃৎশিল্পীদের কর্মশালাগুলিতে এখন আর এক মুহূর্ত জিরোনোর ফুরসত নেই। বিশ্বকর্মা প্রতিমায় শেষ তুলির টান দিতে নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন কারিগরেরা। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা; ভোরের আলো ফুটতেই মণ্ডপে মণ্ডপে কিংবা কলকারখানায় প্রতিমা পৌঁছে দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিমা সাজিয়ে বায়নাদারের হাতে তুলে দিতে না পারলে কপালে পড়বে চিন্তার ভাঁজ। শেষ মুহূর্তে রং শুকানো, শোলার গয়না ও জরি পরানো এবং প্রতিমার বাহন হাতিকে নিখুঁত রূপ দেওয়ার কাজে হাত লাগিয়েছেন পরিবারের ছোট-বড় সকলেই। অন্যদিকে, এই সংক্রান্তির রাতের প্রধান আকর্ষণ ‘অরন্ধন ব্রত’। বাংলার চিরাচরিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র সংক্রান্তির এই তিথিতে দেবী মনসার উদ্দেশ্যে উনুন নিবেদন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, সংক্রান্তির রাতে রান্না শেষ করে উনুন ঠান্ডা করা হয় এবং পরদিন অর্থাৎ বিশ্বকর্মা পুজোর দিন উনুনে আগুন জ্বালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে। সেই কারণে আজ রাতভর চলবে নানা পদের রান্নার তোড়জোড়। রান্নাপুজোর এই আয়োজনে থাকে হরেক রকমের নিরামিষ বা আমিষ পদ—বিশেষ করে চালতার ডাল, কচুশাক, ইলিশ মাছ, নানা রকমের ভাজাভুজি ও পায়েস। সংক্রান্তির রাতে রান্না হওয়া এই সব সুস্বাদু পদ পরদিন সকালে ভক্তিভরে দেবীকে নিবেদন করে বাসি মুখে গ্রহণ করার নিয়ম। গরমের ভাপ ছাড়া ঠান্ডা বাসি খাবারের এই তৃপ্তি যেন বাংলার রসনা ও লোকধর্মের মেলবন্ধন। শিল্পীর হাতের মাটির প্রতিমায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি এবং ঘরে ঘরে হাতা-খুন্তির শব্দ—উভয় মিলেই জানান দিচ্ছে উৎসবের আগমনী বার্তা। শ্রম, নিষ্ঠা ও ঐতিহ্যের এমন যুগলবন্দি বঙ্গ সংস্কৃতির এক অনন্য রূপ তুলে ধরে। বিশ্বকর্মা পুজো ও অরন্ধন উৎসব: মৃৎশিল্পীদের কর্মব্যস্ততা ও বাঙালির উনুনে ঐতিহ্যের ছোঁয়া নিজস্ব সংবাদদাতা: রাত পোহালেই ভাদ্র সংক্রান্তি। একদিকে কারিগরি বিদ্যার দেবতা দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার আবাহন, অন্যদিকে সনাতন বাংলার লোকসংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ 'অরন্ধন' বা 'রান্নাপুজো'। এই দুই উৎসবকে কেন্দ্র করে রাজ্যের মৃৎশিল্পীদের পাড়া থেকে শুরু করে গৃহস্থের রান্নাঘর—সর্বত্রই চরম ব্যস্ততা তুঙ্গে। মৃৎশিল্পীদের কর্মশালাগুলিতে এখন আর এক মুহূর্ত জিরোনোর ফুরসত নেই। বিশ্বকর্মা প্রতিমায় শেষ তুলির টান দিতে নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন কারিগরেরা। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা; ভোরের আলো ফুটতেই মণ্ডপে মণ্ডপে কিংবা কলকারখানায় প্রতিমা পৌঁছে দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিমা সাজিয়ে বায়নাদারের হাতে তুলে দিতে না পারলে কপালে পড়বে চিন্তার ভাঁজ। শেষ মুহূর্তে রং শুকানো, শোলার গয়না ও জরি পরানো এবং প্রতিমার বাহন হাতিকে নিখুঁত রূপ দেওয়ার কাজে হাত লাগিয়েছেন পরিবারের ছোট-বড় সকলেই। অন্যদিকে, এই সংক্রান্তির রাতের প্রধান আকর্ষণ ‘অরন্ধন ব্রত’। বাংলার চিরাচরিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র সংক্রান্তির এই তিথিতে দেবী মনসার উদ্দেশ্যে উনুন নিবেদন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, সংক্রান্তির রাতে রান্না শেষ করে উনুন ঠান্ডা করা হয় এবং পরদিন অর্থাৎ বিশ্বকর্মা পুজোর দিন উনুনে আগুন জ্বালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে। সেই কারণে আজ রাতভর চলবে নানা পদের রান্নার তোড়জোড়। রান্নাপুজোর এই আয়োজনে থাকে হরেক রকমের নিরামিষ বা আমিষ পদ—বিশেষ করে চালতার ডাল, কচুশাক, ইলিশ মাছ, নানা রকমের ভাজাভুজি ও পায়েস। সংক্রান্তির রাতে রান্না হওয়া এই সব সুস্বাদু পদ পরদিন সকালে ভক্তিভরে দেবীকে নিবেদন করে বাসি মুখে গ্রহণ করার নিয়ম। গরমের ভাপ ছাড়া ঠান্ডা বাসি খাবারের এই তৃপ্তি যেন বাংলার রসনা ও লোকধর্মের মেলবন্ধন। শিল্পীর হাতের মাটির প্রতিমায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি এবং ঘরে ঘরে হাতা-খুন্তির শব্দ—উভয় মিলেই জানান দিচ্ছে উৎসবের আগমনী বার্তা। শ্রম, নিষ্ঠা ও ঐতিহ্যের এমন যুগলবন্দি বঙ্গ সংস্কৃতির এক অনন্য রূপ তুলে ধরে।1