সাতসকালে আগুনে পুড়ে সর্বস্ব শেষ, হরিহরপাড়া থানার গজনিপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় ৭ টি ছাগলের মৃত্যু — ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখ সাতসকালে আগুনে পুড়ে সর্বস্ব শেষ, ৭টি ছাগলের মৃত্যু — ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখ মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। রবিবার সকালে হরিহরপাড়া থানার গজনিপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে হঠাৎই আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে দাউ দাউ করে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা চিৎকার চেঁচামেচি করলে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আগুন নেভানোর চেষ্টা চালানো হলেও ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যায় একটি রান্নাঘর ও ছাগলের ঘর। ঘটনায় মৃত্যু হয় ৭টি ছাগলের এবং পুড়ে যায় একটি মোটরবাইক। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক মুসাহার। ঘটনায় পরিবারটি ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান হরিহরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নিয়ামত শেখ। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সাতসকালে আগুনে পুড়ে সর্বস্ব শেষ, হরিহরপাড়া থানার গজনিপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় ৭ টি ছাগলের মৃত্যু — ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখ সাতসকালে আগুনে পুড়ে সর্বস্ব শেষ, ৭টি ছাগলের মৃত্যু — ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখ মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। রবিবার সকালে হরিহরপাড়া থানার গজনিপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে হঠাৎই আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে দাউ দাউ করে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা চিৎকার চেঁচামেচি করলে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আগুন নেভানোর চেষ্টা চালানো হলেও ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যায় একটি রান্নাঘর ও ছাগলের ঘর। ঘটনায় মৃত্যু হয় ৭টি ছাগলের এবং পুড়ে যায় একটি মোটরবাইক। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক মুসাহার। ঘটনায় পরিবারটি ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান হরিহরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নিয়ামত শেখ। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
- আগুনে পুড়লো বাড়ি, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন হরিহরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নিয়ামত শেখ। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার গজনিপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এদিন সকালে হঠাৎ করে দাউ দাউ করে রান্নাঘরে আগুন জ্বলতে দেখে পরিবারের সদস্যরা চিৎকার চেঁচামেচি করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগালে তৎক্ষণাৎ পুড়ে ছাই হয়ে যায় একটি রান্নাঘর ও ছাগলের ঘর। মৃত্যু হয় ৭টি ছাগলের, পুড়ে ছাই হয়ে যায় একটি মোটর বাইক। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিকের নাম মুসাহার। ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটরস্থলে পৌঁছায় হরিহরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নিয়ামত শেখ। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাদেরকে সমবেদনা জানান।2
- সাতসকালে আগুনে পুড়ে সর্বস্ব শেষ, ৭টি ছাগলের মৃত্যু — ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখ মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। রবিবার সকালে হরিহরপাড়া থানার গজনিপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে হঠাৎই আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে দাউ দাউ করে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা চিৎকার চেঁচামেচি করলে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আগুন নেভানোর চেষ্টা চালানো হলেও ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যায় একটি রান্নাঘর ও ছাগলের ঘর। ঘটনায় মৃত্যু হয় ৭টি ছাগলের এবং পুড়ে যায় একটি মোটরবাইক। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক মুসাহার। ঘটনায় পরিবারটি ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান হরিহরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নিয়ামত শেখ। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।1
- সাতসকালে আগুনে পুড়ে সর্বস্ব শেষ, ৭টি ছাগলের মৃত্যু — ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখ মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। রবিবার সকালে হরিহরপাড়া থানার গজনিপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে হঠাৎই আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে দাউ দাউ করে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা চিৎকার চেঁচামেচি করলে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আগুন নেভানোর চেষ্টা চালানো হলেও ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যায় একটি রান্নাঘর ও ছাগলের ঘর। ঘটনায় মৃত্যু হয় ৭টি ছাগলের এবং পুড়ে যায় একটি মোটরবাইক। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক মুসাহার। ঘটনায় পরিবারটি ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান হরিহরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নিয়ামত শেখ। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।1
- আজকে বহরমপুরে অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা, গো ব্ল্যাক শ্লোগান তৃণমূলের। বহরমপুর পৌর এলাকায় প্রচারের সময় অধীর চৌধুরীকে ঘিরে বিক্ষোভ। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।1
- সাগরপাড়া অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন জলঙ্গীর সিপিআইএম প্রার্থী ইয়ানুস সরকার। সিপিআইএম কর্মী সমর্থকরা দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। রবিবার সকাল থেকেই চার বারের প্রাক্তন সিপিআইএম বিধায়ক ইউনুস সরকার গ্রামীণ এলাকায় জনসংযোগ শুরু করেছেন। তিনি যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা চোখে পড়ছে। রবিবার সকাল থেকে সাগরপাড়া অঞ্চলের সাগরপাড়া,চকচৈতন, খাসমহল,শালবাগান,সিংপাড়া, উদয়নগর কলোনি, নীলাম্বরপাড়া,আজমপুর,পুলপাড়া,নবীনগ্রাম সহ অন্যান্য এলাকায় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ভোট প্রচার করলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করে ভোট চাইছেন। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে পথ চলতি মানুষ,দোকানদার, মাঠেঘাটে থাকা মানুষের সঙ্গে করমর্দন করে নিজের জন্য সমর্থন চাইছেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা, বেকারদের কর্মসংস্থান,রাস্তাঘাট, পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ভোট চাইছেন। বিপুল সাড়াও পাচ্ছেন সিপিআইএম প্রার্থী ইয়ানুস সরকার। সেইজন্য সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের জোরালো দাবি,এবার জলঙ্গীতে জিতবেন ইয়ানুস সরকারই।1
- জনজোয়ার আর উৎসবের আমেজে মনোনয়ন জমা দিলেন : ভরতপুরের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে, আর এরই মাঝে উৎসবের আমেজ ও কর্মী-সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে কান্দি এসডিও অফিসে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন ৬৯ নম্বর ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। শনিবার সকালে সালার কিষান মান্ডি থেকে শুরু হওয়া এক বিশাল মোটরসাইকেল মিছিলের অগ্রভাগে হুডখোলা গাড়িতে চড়ে প্রার্থী মহকুমা শাসকের দপ্তরে পৌঁছান। মনোনয়ন জমা দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আবেগঘন কণ্ঠে মুস্তাফিজুর রহমান জানান, এটি সত্যিই এক অনন্য অনুভূতি। আগে দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে তৃণমূল স্তরে কাজ করেছি, আর দল আজ সেই কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ আমাকে প্রার্থী করেছে। তবে আমি আজও একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবেই নিজেকে মনে করি। জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী এই নেতা আরও বলেন যে, আগামী ২৩শে এপ্রিলের ভোটে ভরতপুরে ঘাসফুল শিবিরের জয়জয়কার হবে এবং ৪ঠা মে ফলাফল ঘোষণার পর মানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে। বিপুল জনসমর্থন আর অগণিত দলীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এদিনের এই কর্মসূচিটি কার্যত এক বিশাল রাজনৈতিক উৎসবে পরিণত হয়।1
- বিরোধীশূন্য টার্গেটের লক্ষ্যে তৃণমূল! আর সেই লক্ষ্য ভেদ করতে চমক দিল শাসক শিবির। রীতিমতো ঝটিকা সফরে এদিন মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভগবানগোলা বিধানসভা কেন্দ্র ও পরবর্তীতে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের অধীন বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে হাজির হন টলিউড সুপার স্টার দেব। সাংসদ দেব এদিন রীতিমতো রাজনীতির আঙিনা ছাড়িয়ে আট সকল বয়সের মানুষের মন জয় করে নেন।2
- হরিহরপাড়ায় তৃণমূলে ভরসা বাড়ছে, সিপিআইএম-কংগ্রেস ছেড়ে ২৫০ পরিবার যোগ দিল শাসক দলে : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে হরিহরপাড়ায় ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। বেশ কিছুদিন আগেই মালোপাড়া অঞ্চল থেকে কংগ্রেসের একাধিক কর্মী-সমর্থক বুথ সভাপতি রা তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। সেই ধারা বজায় রেখে শনিবার বিকেলে ফের বড়সড় ভাঙন দেখা গেল বিরোধী শিবিরে। এদিন হরিহরপাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে সিপিআইএম ও কংগ্রেস ছেড়ে বিরোধী দলনেতা সহ প্রায় ২৫০টি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন । তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখের হাত ধরে নতুন সদস্যরা শাসক দলে নাম লেখান। এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হরিহরপাড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জসিমউদ্দিন শেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর পলাশ সহ ব্লকের অন্যান্য নেতৃত্বরা। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, উন্নয়নের স্বার্থে এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজের প্রতি আস্থা রেখেই সাধারণ মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরে এই ভাঙন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।1