Shuru
Apke Nagar Ki App…
জনতার রায় জনতার মুখে,জনতার কথা কি ভাবছেন বলাগড়ের জনগন? দেখতে থাকুন ভোটের আর মাত্র 7 দিন লক্ষ্য রাখুন প্রতিদিন প্রচারের হাওয়া! কার প্রচার? কতোটা জমজমাট? ইস্যু বনাম প্রতিশ্রুতি! বলাগড়ের ইস্যু গুলি কি কি? বাস্তবায়নের পথেই বা কোন কোন প্রতিশ্রুতি?? শুরু নিউজ এর সঙ্গে মিডিয়া সহযোগী স্কাই নিউজ এর বিশেষ প্রতিবেদন সাংবাদিক চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় WhatsApp 7059664100 Media Centre 9732590104
Journalist Chiranjib Chatter
জনতার রায় জনতার মুখে,জনতার কথা কি ভাবছেন বলাগড়ের জনগন? দেখতে থাকুন ভোটের আর মাত্র 7 দিন লক্ষ্য রাখুন প্রতিদিন প্রচারের হাওয়া! কার প্রচার? কতোটা জমজমাট? ইস্যু বনাম প্রতিশ্রুতি! বলাগড়ের ইস্যু গুলি কি কি? বাস্তবায়নের পথেই বা কোন কোন প্রতিশ্রুতি?? শুরু নিউজ এর সঙ্গে মিডিয়া সহযোগী স্কাই নিউজ এর বিশেষ প্রতিবেদন সাংবাদিক চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় WhatsApp 7059664100 Media Centre 9732590104
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- দেখতে থাকুন ভোটের আর মাত্র 7 দিন লক্ষ্য রাখুন প্রতিদিন প্রচারের হাওয়া! কার প্রচার? কতোটা জমজমাট? ইস্যু বনাম প্রতিশ্রুতি! বলাগড়ের ইস্যু গুলি কি কি? বাস্তবায়নের পথেই বা কোন কোন প্রতিশ্রুতি?? শুরু নিউজ এর সঙ্গে মিডিয়া সহযোগী স্কাই নিউজ এর বিশেষ প্রতিবেদন সাংবাদিক চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় WhatsApp 7059664100 Media Centre 97325901041
- যত দিন যাচ্ছে পাল্টাচ্ছে সমীকরণ। কার্যতজয়ের দোরগোড়ায় নির্দল প্রার্থী অরিন্দম ভট্টাচার্য। প্রধান দুই দল অর্থাৎ তৃণমূল এবং বিজেপির দুই প্রার্থীর দমবন্ধ পরিস্থিতি। তার কারণ ঘন্টায় ঘন্টায় বিভিন্ন দল ছেড়ে সকলেই নির্দলে যোগদান করছে।। এবার সেই ধারাকে অব্যাহত রেখে এদিন শান্তিপুর বিধানসভার বাগাছড়া বাজারপাড়া থেকে প্রায় শতাধিক তৃণমূল কর্মী এবং তাদের পরিবার নির্দল প্রার্থী অরিন্দম ভট্টাচার্যের হাত ধরে নৌকা প্রতীক চিহ্ন হাতে তুলে নিলেন। তার কারণ দীর্ঘদিন ধরে তারা তৃণমূল করলেও কোনরকম সাহায্য পায়নি। এ দরজায় ও দরজায় ঘোরানো হয়েছে তাদের। এবার সঠিক উন্নয়ন জাতি আগামী দিনে হয় সেই লক্ষ্যে অরিন্দম ভট্টাচার্যের হাত ধরে দলে যোগদান করলেন তারা1
- সুন্দর সুন্দর ফার্নিচার1
- Post by Memari Update News1
- Post by Swapan Halder1
- উত্তর ২৪ পরগনা হাড়োয়া বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী আবহে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ধর্ম ও রাজনীতির মেলবন্ধন নিয়ে সরব হলেন তৃণমূলের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মাতিন। হাড়োয়া বিধানসভার গোপালপুর ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ভবানীপুর এলাকায় আয়োজিত এক কর্মীসভা থেকে তিনি সরাসরি আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুফতি আব্দুল মাতিন বলেন, "ধর্মাচরণ ব্যক্তিগত বিষয়। এটি মানুষের বিশ্বাস ও সংস্কৃতির অংশ। কিন্তু সেই ধর্মকেই রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে দেশজুড়ে উন্মাদনার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।" তার অভিযোগ, বিজেপি পরিকল্পিত ভাবে ধর্মকে হাতিয়ার করে বিভাজনের রাজনীতি করছে এবং বাংলার বহুত্ববাদী সংস্কৃতিকে আঘাত করছে। তিনি আরও দাবি করেন, "বাংলার সংস্কৃতি সবসময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের প্রতীক। এই বাংলায় হিন্দু-মুসলিম, শিখ-খ্রিস্টান সকলেই মিলেমিশে থেকেছে। কিন্তু এখন বাইরে থেকে বিভেদের রাজনীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।" তার মতে, ধর্মের নামে বিদ্বেষ ছড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করে দেয়। সভায় উপস্থিত তৃণমূলের হাড়োয়া ব্লক ১ সভাপতি শফিক আহমেদও একই সুরে বিজেপিকে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “বাংলার মাটি কখনও ঘৃণার রাজনীতি মেনে নেয় না। এখানে উৎসব মানে সবার উৎসব। কিন্তু বিজেপি সেই সংস্কৃতিকে বিকৃত করে মানুষে মানুষে দূরত্ব বাড়াতে চাইছে।” তিনি অভিযোগ করেন, তথ্য-সহ একাধিক উদাহরণে দেখা যাচ্ছে কীভাবে ধর্মীয় ইস্যুকে উস্কে দিয়ে রাজনৈতিক মেরুকরণ করার চেষ্টা চলছে। শফিক আহমেদ আরও বলেন, "উন্নয়নের প্রশ্নে ব্যর্থতা ঢাকতেই বিজেপি ধর্মীয় আবেগকে সামনে আনছে।" তার দাবি, মানুষের মৌলিক সমস্যা চাকরি, মূল্যবৃদ্ধি, কৃষকদের দুর্দশা এসব থেকে নজর ঘোরাতেই এই ধরনের রাজনীতি করা হচ্ছে। এই কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের হাড়োয়া ১ নম্বর ব্লকের যুব সাধারণ সম্পাদক তথা গোপালপুর ২ অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আমিন বুলবুল, গোপালপুর ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল সাধারণ সম্পাদক আশাদুল মন্ডল এবং যুব সভাপতি কামারুল সরদার। তারা প্রত্যেকেই নিজেদের বক্তব্যে ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষার বার্তা দেন এবং তৃণমূলের পক্ষে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ডাক দেন। সভা থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয় হাড়োয়া বিধানসভায় নির্বাচনী লড়াই শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের নয়, বরং বাংলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার লড়াই। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, মানুষ ধর্মের নামে বিভাজন নয়, উন্নয়ন ও শান্তির পক্ষে রায় দেবে।1
- Post by N18 Bangla1
- যত দিন যাচ্ছে পাল্টাচ্ছে সমীকরণ। কার্যতজয়ের দোরগোড়ায় নির্দল প্রার্থী অরিন্দম ভট্টাচার্য। প্রধান দুই দল অর্থাৎ তৃণমূল এবং বিজেপির দুই প্রার্থীর দমবন্ধ পরিস্থিতি। তার কারণ ঘন্টায় ঘন্টায় বিভিন্ন দল ছেড়ে সকলেই নির্দলে যোগদান করছে।। এবার সেই ধারাকে অব্যাহত রেখে এদিন শান্তিপুর বিধানসভার বাগাছড়া বাজারপাড়া থেকে প্রায় শতাধিক তৃণমূল কর্মী এবং তাদের পরিবার নির্দল প্রার্থী অরিন্দম ভট্টাচার্যের হাত ধরে নৌকা প্রতীক চিহ্ন হাতে তুলে নিলেন। তার কারণ দীর্ঘদিন ধরে তারা তৃণমূল করলেও কোনরকম সাহায্য পায়নি। এ দরজায় ও দরজায় ঘোরানো হয়েছে তাদের। এবার সঠিক উন্নয়ন জাতি আগামী দিনে হয় সেই লক্ষ্যে অরিন্দম ভট্টাচার্যের হাত ধরে দলে যোগদান করলেন তারা1