গোঁড়শাই মোড় সংলগ্ন এলাকায় ভ/য়া/ব/হ পথ দু/র্ঘ/ট/না, আ/হ/ত ১ আবারও পথ দুর্ঘটনার শিরোনামে বরাবাজার। বুধবার দুপুর সাড়ে ৩টা নাগাদ বরাবাজার–পুরুলিয়া ৪ নং নম্বর রাজ্য সড়কের গোঁড়শাই মোর সংলগ্ন এলাকায় ঘটে গেল ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বাইক আরোহী বাঁশবেড়া দিক থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে থাকা লোহার রেলিং কে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে বাইক আরোহী ছিটকে রাস্তার ধারে পড়ে যান এবং গুরুতর জখম হন। আহত ব্যক্তির নাম কার্তিক বাউরী, তাঁর বাড়ি বরাবাজারের গোড়সাই গ্রামে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কোথায় গেছিলেন তা জানা নেই। তবে ধাক্কা লাগায় বাইকের সামনের অংশ ভেঙে যায় এবং গুরুতর জখম হন তিনি। দুর্ঘটনার বিকট শব্দে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা ও পথচারীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বরাবাজার থানার পুলিশ ও একটি অ্যাম্বুলেন্স। জখম কার্তিক বাউরীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পুরুলিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাইকটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গোঁড়শাই মোড় সংলগ্ন এলাকায় ভ/য়া/ব/হ পথ দু/র্ঘ/ট/না, আ/হ/ত ১ আবারও পথ দুর্ঘটনার শিরোনামে বরাবাজার। বুধবার দুপুর সাড়ে ৩টা নাগাদ বরাবাজার–পুরুলিয়া ৪ নং নম্বর রাজ্য সড়কের গোঁড়শাই মোর সংলগ্ন এলাকায় ঘটে গেল ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বাইক আরোহী বাঁশবেড়া দিক থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে থাকা লোহার রেলিং কে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে বাইক আরোহী ছিটকে রাস্তার ধারে পড়ে যান এবং গুরুতর জখম হন। আহত ব্যক্তির নাম কার্তিক বাউরী, তাঁর বাড়ি বরাবাজারের গোড়সাই গ্রামে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কোথায় গেছিলেন তা জানা নেই। তবে ধাক্কা লাগায় বাইকের সামনের অংশ ভেঙে যায় এবং গুরুতর জখম হন তিনি। দুর্ঘটনার বিকট শব্দে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা ও পথচারীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বরাবাজার থানার পুলিশ ও একটি অ্যাম্বুলেন্স। জখম কার্তিক বাউরীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পুরুলিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাইকটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
- আবারও পথ দুর্ঘটনার শিরোনামে বরাবাজার। বুধবার দুপুর সাড়ে ৩টা নাগাদ বরাবাজার–পুরুলিয়া ৪ নং নম্বর রাজ্য সড়কের গোঁড়শাই মোর সংলগ্ন এলাকায় ঘটে গেল ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বাইক আরোহী বাঁশবেড়া দিক থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে থাকা লোহার রেলিং কে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে বাইক আরোহী ছিটকে রাস্তার ধারে পড়ে যান এবং গুরুতর জখম হন। আহত ব্যক্তির নাম কার্তিক বাউরী, তাঁর বাড়ি বরাবাজারের গোড়সাই গ্রামে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কোথায় গেছিলেন তা জানা নেই। তবে ধাক্কা লাগায় বাইকের সামনের অংশ ভেঙে যায় এবং গুরুতর জখম হন তিনি। দুর্ঘটনার বিকট শব্দে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা ও পথচারীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বরাবাজার থানার পুলিশ ও একটি অ্যাম্বুলেন্স। জখম কার্তিক বাউরীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পুরুলিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাইকটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।1
- Post by গ্রাম বাংলার খবরা খবর1
- রাস্তার পাশে রেলিংএ সজোরে একটি মোটরসাইকেল ধাক্কা মারলে গুরুতর জখম হয়ে পড়ে মোটরসাইকেল চালক। ঘটনাটি ঘটেছে বরাবাজারের গারসাই গ্রামের নিকট আজ বুধবার বিকেল নাগাদ। আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য পুরুলিয়া নিয়ে যাওয়া হয়।।1
- সাঁওতালডি এলাকাবাসীর জন্য সুখবর। সাঁওতালডি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কতৃপক্ষের উদ্যোগে সাঁওতালডি প্ল্যান্ট থেকে কলকাতা হয়ে হলদিয়া পর্যন্ত নতুন বাস পরিষেবার সূচনা হলো। আজ বুধবার দুপুর ১২টা নাগাদ সাঁতালডি থার্মাল পাওয়ার স্টেশন (STPS) প্ল্যান্ট গেটে পুজো করে নারকেল ফাটিয়ে ও সবুজ পতাকা দেখিয়ে বাস পরিষেবার শুভ উদ্বোধন করেন SBSTC এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রী প্রনব কুমার ঘোষ ও সাঁওতালডি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী অভিজিৎ নন্দী। এই বাসটি সাঁতালডি প্ল্যান্ট গেট থেকে কলকাতা হয়ে হলদিয়া পর্যন্ত চলাচল করবে। পথে রঘুনাথপুর, আসানসোল, দুর্গাপুর সিটি সেন্টার সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাত্রী ওঠানামার ব্যবস্থা থাকবে। প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী সাঁওতালডি থেকে বাসটি সকাল ০৫:৫০-এ ছেড়ে ২.৪৫ এ কলকাতা এবং বিকেল ৫.৪৫ এ হলদিয়া পৌঁছাবে। আবার হলদিয়া থেকে সকাল ৯.৩০ এ হলদিয়া থেকে ছেড়ে দুপুর ১.৪৫ এ কলকাতা ও রাত ৯ টায় সাঁতালডিতে পৌঁছাবে। এছাড়াও, দুর্গাপুর সিটি সেন্টার ও আসানসোলের জন্য নির্দিষ্ট সময়সূচিও নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই বাস পরিষেবা চালু হলে সাঁওতালডি ও আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ কলকাতা ও হলদিয়ায় যাতায়াতে বড় সুবিধা পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি মেনেই এই বাস পরিষেবা চালু করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।1
- ঝড়ো বৃষ্টি পাতে মুরগির ফার্মের দেওয়াল ও চালা পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি চৌপদ গ্ৰামের যুবকের। ঝালদা ১ নম্বর ব্লকের তুলিনের চৌপদ গ্রামের বাসিন্দা গণেশ মাহাতো মঙ্গলবার বিকেল চারটা নাগাদ জানান গতকাল ঝড় বৃষ্টিপাতের তাণ্ডবে এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাঁর মধ্যে অন্যতম তাঁর পোল্ট্রি ফার্মের দেওয়াল এবং চালা পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যেমন বাড়িটি নষ্ট হয়েছে। তেমনি পোল্ট্রি বাচ্চার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে । সব মিলে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তার দাবি। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পুরুলিয়া জেলা কংগ্রেস সভাপতি নেপাল মাহাতো তিনি ওই যুবকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বিষয়টি জানেন কি হয়েছিল। প্রশাসনের কাছে সাহায্যের আর্জি তিনি জানিয়েছেন।1
- বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে টোটো। ঘটনায় টোটো চালক সহ আহত তিন। পুরুলিয়া:- বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরার পথে গরতে পড়ে দুর্ঘটনার কবলে একটি টোটো। ঘটনা বুধবার সন্ধ্যে নাগাদ বলরামপুর থানার অন্তর্গত জুগিডি গ্রাম সংলগ্ন এলাকায়। ঘটনার বিবরণে জানা গিয়েছে, টামনা থানার অন্তর্গত পিচাষি গ্রাম থেকে ১৩ জন যাত্রী নিয়ে বিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে বলরামপুর থানার অন্তর্গত জভিবাদ গ্রামে আসে। বিয়ে বাড়ি থেকে বাড়ি ফেরার পথে জুগিডি গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় যাত্রি বাহি টোটো টি গর্তের মধ্যে পড়ে গেলে দুর্ঘটনার পড়ে। ঠিক ওই সময় বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরার পথে জুগিডি গ্রামের কয়েকজন যুবক দুর্ঘটনা কবলিত টোটোর সঙ্গে ঘটনায় আহতদের দেখতে পান। দেরি না করে তাদের গাড়ি থামিয়ে ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে তড়িঘড়ি বলরামপুর বাঁশগড় হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্মরত চিকিৎসকেরা তিনজন আহতদের মধ্যে দুইজনকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করেন এবং আরেকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনায় আহতরা হল টোটো চালক বাপি গরাই, কার্তিক লোহার এবং একটি বাচ্চা মেয়ে। তাদের সকলের বাড়ি টামনা থানার অন্তর্গত পিচাষী গ্রামে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলরামপুর থানার পুলিশ।1
- বরিষ্ঠ সাংবাদিক প্রয়াত রমেন গুপ্তের স্মরণসভা পুরুলিয়া জার্নালিস্টস ক্লাবে। আজকের এই স্মরন সভায় ক্লাবের প্রায় সমস্ত সদস্যই উপস্থিত ছিলেন1
- সোমবার রাতের আকাশ ভেঙে পড়া দুর্যোগে কার্যত দিশেহারা পুরুলিয়ার মানবাজার ১ নম্বর ব্লকের কামতা জাঙ্গীদিরি অঞ্চলের কুদা ও ডাকাকেন্দু গ্রামের কৃষকরা। আচমকা প্রবল শিলাবৃষ্টির দাপটে বিঘার পর বিঘা জমির সবজি চাষ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। মাঠ ভরা ফসল হারিয়ে এখন চোখের জল ফেলছেন একাধিক কৃষক পরিবার। সোমবার রাতের শিলাবৃষ্টিতে গাছের ডগা ভেঙে যাওয়া থেকে শুরু করে ফলন ছিদ্র হয়ে যাওয়া— বাদ যায়নি কিছুই। কৃষকদের দাবি, যেভাবে ফসল নষ্ট হয়েছে, তাতে লাভের মুখ দেখা তো দূরের কথা, চাষের আসল খরচটুকুও উঠবে না।ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের পক্ষ থেকে কুদা গ্রামের চাষি সত্যবান মাহাতো ও ডাকাকেন্দু গ্রামের চাষি অনুপ রুহিদাস সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের ক্ষোভ ও দুঃখ উগরে দেন। তারা জানান "আমরা ধারদেনা করে এই চাষ করেছিলাম। সোমবার রাতের শিলাবৃষ্টিতে আমাদের সব শেষ হয়ে গেল। তরমুজ, খিরা আর টমেটোর মাঠ এখন ধ্বংসস্তূপ। প্রায় 140 বিঘা জমির ফসল এখন মাটির সঙ্গে মিশে গিয়েছে। আমরা এখন কী করে এই ঋণ শোধ করব আর কীভাবেই বা সংসার চালাব, তা ভেবেই কূল পাচ্ছি না।" চাষীদের অভিযোগ, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এলাকার কৃষিজীবী মানুষজন এখন সরকারি সাহায্যের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। সঠিক সময়ে ক্ষতিপূরণ বা সরকারি বিমার সুবিধা না পেলে আগামী দিনে তাঁদের ঘুরে দাঁড়ানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।1