Shuru
Apke Nagar Ki App…
বারুইপুর শিখরবালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় উন্নয়নের পাঁচালি ও পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তা উদ্বোধন করলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ
Baruipur বার্তা
বারুইপুর শিখরবালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় উন্নয়নের পাঁচালি ও পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তা উদ্বোধন করলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- I-PAC অফিসে ইডি হানার প্রতিবাদে উত্তাল হরিপালের জেজুর হাটতলায়, নেতৃত্বে বিধায়ক ডাঃ করবী মান্না1
- মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় তৃণমূল নেতাদের মদতেই পুকুর ভরাটের এত রমরমা বললেন অর্জুন সিং --------------------------------------------- জল সংরক্ষনের লক্ষে জলাশয় ভরাটের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারংবার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। অথচ মুখ্যমন্ত্রীর সেই হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করেই জলাভূমি ভরাটের মতো বেআইনি কাজ দেদার চলছে। অভিযোগ উঠেছে, শাসকদল এবং প্রশাসনের মদতেই জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে জলাশয় কিংবা পুকুর ভরাটের কাজ অবাধে চলছে।কয়েকদিন আগে ভাটপাড়া পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্মবিল ভরাটের অভিযোগ উঠেছিল। আপাতত: পদ্মবিল ভরাটের কাজ স্থগিত রয়েছে। এবার জমি মাফিয়ারা থাবা বসাল ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কেউটিয়ায়। সেখানে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের তীরবর্তী সুবিশাল জলাভূমি ভরাটের কাজ চলছে দ্রুত গতিতে চলছে। এলাকাবাসীর যাতে ওদিকে নজর না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রেখে জমিটার চারদিক সবুজ রঙের চট দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। যদিও জলাভূমি ভরাট নিয়ে সরব হয়েছেন ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তিনি বলেন, ভরাটের ক্ষেত্রে মমতা ব্যানার্জি তৃণমূলের নেতা-সহ প্রশাসনিক কর্তাদের নৈতিক অধিকার দিয়ে দিয়েছেন। জল সংরক্ষনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 'জল ধরো, জল ভরো' প্রকল্প চালু করেছেন। অথচ 'জল ধরো, জল ভরো' স্লোগান উঠিয়ে দিয়ে বাজারে এখন চলছে 'তৃণমূল জিন্দাবাদ, পুকুর ভরাট জিন্দাবাদ' এখন এই স্লোগান বাজারে চলছে। তাঁর অভিযোগ, পুকুর বুজিয়ে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে শুধু নৈহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে ১৬ টি 'বার' গজিয়ে উঠেছে। মমতা ব্যানার্জির অনুপ্রেরণায় তৃণমূল নেতাদের মদতে বারগুলো রমরমিয়ে চলছে। কেউটিয়ায় জলাভূমি ভরাট নিয়ে ভাটপাড়ার উপ-পুরপ্রধান দেবজ্যোতি ঘোষ বলেন, এই বিষয়ে তাঁর কিছুই জানা নেই। এমনকি পুরসভায় কোনও অভিযোগ জমাও পড়ে নি। তবে তিনি বিষয়টি নিয়ে চেয়ারপার্সনের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন।3
- কেমিক্যালের গাড়ি থেকে একাধিক গাড়িতে আগুন, ভষ্মীভূত বেশ কয়েকটি গাড়ি1
- বারাসাত থানার অন্তর্গত নেতাজীপল্লীতে গতকালকে একটি গর্ভবতী গো মাতাকে প্রথমে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়,,,এবং গাড়িতে করে গরুটিকে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে গ্রামবাসী তাদের আটক করে,,,এরপর রাতে বারাসাত থানায় FIR করা হয়,,,সেই FIR এর ভিত্তিতে গতকাল রাতেই বারাসাত থানা তাদের গ্রেফতার করে,,,,,1
- বন্দুক ও তাজা বোমা উদ্ধার করল তারকেশ্বর থানার পুলিশ। গ্রেপ্তার ১। #newsupdate #hooghly #Tarakeswar #tdbangla1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা বিধানসভার অযোধ্যাপুরে,তৃণমূল সরকারের অপশাসন,বেকারত্ব,দুর্নীতি,লুট,নারী নির্যাতন,আইন শৃঙ্খলা তলানিতে তারই প্রতিবাদে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভা। এদিন পরিবর্তন সংকল্প সভায় বিরোধী দলনেতার হাত থেকে গেরুয়া পতাকা তুলে নেন সবং বিধানসভার হেভি ওয়েট তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন জেলা সভাপতি অমল পন্ডা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তিনি সবং বিধানসভা সহ জেলা রাজনৈতিক পটচিত্রে শাসকদলের একদা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনের জেলার চেয়ারপারসন সহ জেলা ও সবং বিধানসভার সাংগঠনিক নেতৃত্ব সামলেছেন। ঘাসফুল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান এদিনের পরিবর্তন সভায় আগামী নির্বাচনে বড়ো প্রভাব ফেলবে আশা গেরুয়া শিবিরের। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর স্বভাব সিদ্ধ ভঙ্গিতেই রাজ্য সরকারকে একের পর এক তোপ দাগেন। বিরোধী দলনেতা বলেন,তৃণমূলের চোরেরা আজ ডেবরার সভায় আসার আগে তারা কালো পতাকা দেখাবে ঠিক করেছিল,আমিও প্রস্তুত করে এসেছিলাম,কিন্তু সামনে কাউকে দেখতে পায়নি।আর এপ্রিল মাসের পরে এই পরিবারবাদী তোষনবাদী চোরের দল সম্পূর্ণ নির্মূল হবে। আপনারা জানেন যে দেশের যশোশ্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমাদের ফুল বেঁধে দিয়েছেন ছাব্বিশের পরিবর্তনে জয়ের লক্ষ্য পরিবর্তনের সংকল্প।গোটা রাজ্যে ইতিমধ্যে শতাধিক সভা হয়েছে।ভারতীয় জনতা পার্টির 15 কুড়ি জন নেতৃত্ব সাংসদ বিধায়ক, রাজ্য সভাপতি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমরা জনতার দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে এই ধরনের বিধানসভা ভিত্তিক সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই বাংলার পরিবর্তনকে সুনিশ্চিত করার কাজ করছি এবং নরেন্দ্র মোদীকে বাংলা ফিরিয়ে দেব।।1
- হাওড়া ধুলাগড়ে ১৬ নং জাতীয় সড়কে কেমিক্যালের গাড়ি থেকে একাধিক গাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড।1
- মল্লিক পটল চারা সেন্টার.যোগাযোগ নম্বর -8327317301,এখানে সব ধরণের পটল চারা পাওয়া যায়1
- ব্যস্ততম ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়ক। দুর্ঘটনা মানেই ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়ক। ট্রাফিক ব্যবস্থা আরও জোরালো করতেই হয়তো সম্প্রতি ডি এস পি ট্রাফিক টু বা ট্রাফিক ওসি জেলা পুলিশ থেকে নিযুক্ত। এই সড়কে বকুলতলার ট্রাফিক কন্ট্রোলটা ঠিক কোন জায়গায়? এখানে আদৌও যান চলাচল নিরাপদ এবং নিয়ম মাফিক? এই বকুলতলা থেকেই ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়ক ও ঘাটাল মেদিনীপুর সড়ক ৪ ভাগে বিভক্ত হয়েছে। পাঁশকুড়ার দিকে অর্থাৎ দক্ষিণ অংশের ট্রাফিক বিভাজন দেখলে দেখা যাচ্ছে পাঁশকুড়ার দিক থেকে আসা রাস্তাটাকে মাত্র একটা ব্যারিকেড দুভাগে ভাগ করেছে। সামনেই যাত্রী বোঝাই বাস ওই রাস্তার বাম পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠা নামা করায়। আবার বাম পাশ দিয়েই পাঁশকুড়া থেকে আসা মেদিনীপুর গামী যানবাহনকে পাঠানো হচ্ছে আবার ওদিক থেকে পাঁশকুড়া সড়কে ওঠানো হচ্ছে। এদিকে আবার ঘাটালের দিক থেকে পাঁশকুড়ার দিকে যানবাহন ছুটছে। এবার৷ উত্তর দিকে অর্থাৎ দাসপুরের দিকের ট্রাফিক বিভাজন দেখলে দেখবেন এদিক দিক থেকে মেদিনীপুরের যানবাহনের যাতায়াত ওদিক থেকে ঘাটাল মেদিনীপুর গামী যানবাহনের যাতায়াত এই যাতায়াতকে নাকি কন্ট্রোল করছে এক প্লাস্টিক রেলিং। সেই জোরে ওই জংসনে যাতায়াত আবার ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়কের হাজার হাজার যানবাহনের। ঘাটালের দিক থেকে যারা মেদিনীপুরের রাস্তা এই বকুলতলায় ধরছেন বা মেদিনীপুরের দিক থেকে এসে দাসপুরের দিকে যারা যাবেন তাঁরা প্রাণ হাতে করে ওই বিভাজনে পা রাখেন। এই বকুলতলার ট্রাফিক কন্ট্রোল কতটা নিরাপদ বা আপনার অভিজ্ঞতা কী বলছে জানাবেন।1