মঙ্গলবার সকালে প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে মালদা শহরের নজরুল সরণিতে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৮তম জন্মজয়ন্তী পালন করা হয়েছে। ইংরেজবাজার পৌরসভা এবং মালদা শিল্পী সংসদ যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সকাল আটটা নাগাদ ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বিদ্রোহী কবির আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই অনুষ্ঠানে মালদা শিল্পী সংসদের সম্পাদক মলয় সাহা সহ জেলার বহু বিশিষ্ট শিল্পী উপস্থিত ছিলেন। কাজী নজরুল ইসলাম পরাধীন ভারতে হিন্দু মুসলিম একতার বার্তা দিয়েছিলেন, যা আজও সমস্ত শ্রেণীর মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে। বাংলার সংস্কৃতিতে যেমন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শ্রদ্ধা জানানো হয়, তেমনই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকেও সমানভাবে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী এবং মালদা শিল্পী সংসদের সম্পাদক মলয় শাহা জানান যে তাদের সংগঠনের পক্ষ থেকেই কবির ১২৮তম জন্মজয়ন্তী পালন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে মালদা শহরের নজরুল সরণিতে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৮তম জন্মজয়ন্তী পালন করা হয়েছে। ইংরেজবাজার পৌরসভা এবং মালদা শিল্পী সংসদ যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সকাল আটটা নাগাদ ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বিদ্রোহী কবির আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই অনুষ্ঠানে মালদা শিল্পী সংসদের সম্পাদক মলয় সাহা সহ জেলার বহু বিশিষ্ট শিল্পী উপস্থিত ছিলেন। কাজী নজরুল ইসলাম পরাধীন ভারতে হিন্দু মুসলিম একতার বার্তা দিয়েছিলেন, যা আজও সমস্ত শ্রেণীর মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে। বাংলার সংস্কৃতিতে যেমন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শ্রদ্ধা জানানো হয়, তেমনই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকেও সমানভাবে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী এবং মালদা শিল্পী সংসদের সম্পাদক মলয় শাহা জানান যে তাদের সংগঠনের পক্ষ থেকেই কবির ১২৮তম জন্মজয়ন্তী পালন করা হয়েছে।
- মালদার হবিবপুর ব্লকের আইহো এবং ঋষিপুর অঞ্চলের মাঝামাঝি বুড়িতলা এলাকায় রাজ্য সড়কের একটি অংশ বৃষ্টিতে জমে থাকা মাটি কাদায় পরিণত হওয়ায় বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে এমনই পরিস্থিতির ছবি ধরা পড়েছে, যেখানে এই পিচ্ছিল সড়কের উপর দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ছোটোখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা একরাশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকদের অভিযোগ অনুযায়ী, এই পথ দিয়ে প্রচুর ট্রাক্টর চলাচল করে, যা জমি থেকে ফসল তুলে আইহো-সিঙ্গাবাদ রাজ্য সড়কে ওঠে। ট্রাক্টরের চাকার সাথে লেগে থাকা কাদামাটি এভাবেই প্রতিদিন রাজ্য সড়কে এসে জমা হয়, যা দিনে দিনে একটি পুরু আস্তরণ তৈরি করেছে। বৃষ্টির কারণে এই পুরু মাটির আস্তরণই পিচ্ছিল কাদায় রূপান্তরিত হচ্ছে, যার ফলে যানবাহনের চাকা পিছলে যাচ্ছে। তাদের দাবি, সোমবার সকাল থেকেই বেশ কয়েকটি ছোটোখাটো দুর্ঘটনা ঘটেছে এই পিচ্ছিল কাদার কারণে। তাই এ বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত দৃষ্টি দেওয়া উচিত বলে তাঁরা জানিয়েছেন, অন্যথায় আগামীতে বড়ো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।1
- বাঁকুড়ার ওন্দা থানার অন্তর্গত অঙ্গদপুর গ্রামে একটি মর্মস্পর্শী ঘটনা ঘটেছে। সদ্যই সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি আসা গৃহবধূ মমতা চৌধুরী পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। বাইক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়, অন্যদিকে তাঁর ছেলে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।1
- উত্তর চন্ডিপুর নাজির উদ্দিন তলা1
- সোমবার গভীর রাতে মালদার হবিবপুর থানার বুলবুলচন্ডী অঞ্চলের তালপুকুর এলাকায় প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে এক গৃহস্থের বাড়ি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পেশায় কাঠমিস্ত্রি গৌতম মজুমদারের ঘরের টিনের চালা ঝড়ে উড়ে যায়। এই সময় উপরের অংশ থেকে ইট ভেঙে তাঁর মাথায় পড়লে তিনি জখম হন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বুলবুলচন্ডী গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। গৌতম মজুমদারের পরিবারে তাঁর বৃদ্ধা মা, এক মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছেন এবং ঝড়ে বাড়িরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িতে যান হবিবপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি স্বপন সরকার ও বুলবুলচন্ডী অঞ্চল সভাপতি রাজিব ডাগা। তাঁরা ওই পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।4
- রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই বিভিন্ন সরকারি ক্ষেত্র থেকে 'বিশ্ব বাংলা' লোগো সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান শহরেও বিভিন্ন জায়গা থেকে এই লোগো ভাঙতে ও সরাতে দেখা যায়। দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলা ভারতীয় জনতা পার্টির সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ জানান, এই পদক্ষেপ সরকারের তরফ থেকে নেওয়া হয়েছে এবং এটি একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তাঁর মতে, এই লোগোটি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বার্তা বহন করত, যা সাধারণ মানুষের কাছে 'বিশ্ব বাংলা'র প্রকৃত রূপ ছিল না। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই লোগোর পরিবর্তে ভারতের জাতীয় প্রতীক 'অশোক স্তম্ভ' বা এই জাতীয় কোনো চিহ্ন ব্যবহার করা হোক। মিলন ঘোষ আরও জানান যে, এই বিষয়ে তাঁরা দলীয় নেতাকর্মী ও জেলা নেতৃত্বকে সাথে নিয়ে ধুলিয়ান পৌরসভায় গিয়ে ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যানের কাছে তাঁদের দাবি উত্থাপন করেন। চেয়ারম্যান তাঁদের এই দাবিতে সম্মতি জানান এবং দ্রুততার সাথে লোগোটি ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা করেন। সরকারি নির্দেশে ধুলিয়ানে 'বিশ্ব বাংলা' লোগো ভাঙা এবং দ্রুত পদক্ষেপে বিজেপি নেতৃত্ব সাধুবাদ জানিয়েছে।1
- বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায় গঙ্গারামপুর হাসপাতালের উন্নয়নের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা প্রদান করেছেন।1
- দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর থানার নয়াবাজার এলাকার গোপালপুর গ্রামে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা ডুবে যাওয়ায় জল নিকাশির দাবিতে সোমবার রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। রবিবার রাতভর বৃষ্টির পর সোমবার সকাল থেকেই গোপালপুর গ্রামের বিভিন্ন রাস্তায় জল জমে যায়, যার জেরে স্থানীয় বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে এই অবরোধে সামিল হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গঙ্গারামপুর ব্লকের নয়াবাজার গোপালপুর গ্রামে কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। এলাকার জল নিকাশির জন্য কয়েক বছর আগে একটি ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সেই ড্রেন অপরিকল্পিতভাবে তৈরি হওয়ায় রাস্তা আগের তুলনায় নীচু হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় জল জমে যায় এবং যাতায়াতে চরম সমস্যার সৃষ্টি হয়। এই অবরোধের জেরে তপন-গঙ্গারামপুর রুটের নয়াবাজার এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তপন, গঙ্গারামপুর, বালুরঘাট সহ দূরদূরান্তে যাতায়াতকারী বহু যানবাহন আটকে পড়ায় সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। খবর পেয়ে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের আশ্বাসে প্রায় এক ঘণ্টা পর বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলে নেন। অবরোধকারীদের মধ্যে গোপাল অধিকারী ও এক মহিলা নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন।1
- মালদার হবিবপুর ব্লকের আইহো এবং ঋষিপুর অঞ্চলের মাঝামাঝি অবস্থিত বুড়িতলা এলাকায় রাজ্য সড়কের কিছুটা অংশ জমে থাকা মাটিতে বৃষ্টিতে কাদায় পরিণত হয়ে বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে এমনই বিপজ্জনক পরিস্থিতির ছবি ধরা পড়েছে, যার ফলে এই অংশ দিয়ে বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে ছোটোখাটো দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা সহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, এলাকা দিয়ে প্রচুর ট্রাক্টর যাতায়াত করে। জমি থেকে ফসল তুলে ট্রাক্টরগুলি আইহো-সিঙ্গাবাদ রাজ্য সড়কে ওঠার সময় তাদের চাকার সঙ্গে লেগে থাকা কাদা মাটি রাস্তায় পড়ে যায়। এই মাটি দিনের পর দিন জমে সড়কের উপর একটি পুরু আস্তরণ তৈরি করেছে, যা বৃষ্টি পড়লেই পিচ্ছিল কাদায় রূপান্তরিত হয়। এর ফলস্বরূপ, পিচ্ছিল কাদার উপর দিয়ে কোনও যানবাহন চলাচল করলেই তার চাকা পিছলে যাচ্ছে। চালকরা জানিয়েছেন, এর কারণে সোমবার সকাল থেকেই বেশ কয়েকটি ছোটোখাটো দুর্ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকদের দাবি, এই বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত দৃষ্টি দেওয়া উচিত। অন্যথায়, আগামীতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।1