আরামবাগে মন্দিরে পূজো দিয়ে জনসংযোগে জোর ভারতীয় জনতা পার্টি প্রার্থী হেমন্ত বাগের আরামবাগ বিধানসভার নির্বাচনী প্রচারে নতুন গতি আনতে গৌহাটি ১ নম্বর পঞ্চায়েতের পৈশারা কৃষ্ণ মন্দিরে পূজো দিয়ে জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করলেন ভারতীয় জনতা পার্টি-র প্রার্থী হেমন্ত বাগ। মঙ্গলবার সকালে মন্দিরে পূজো অর্চনার মাধ্যমে নিজের প্রচার সূচনা করেন তিনি। এরপর খাড়োল, পৈশারা, গৌরী ও শুভয় গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। গ্রামবাসীদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন হেমন্ত বাগ। স্থানীয় রাস্তা, পানীয় জল, কৃষি এবং কর্মসংস্থানের মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন তিনি। তাঁর এই জনসংযোগে দলের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। হেমন্ত বাগ জানান, এলাকার সার্বিক উন্নয়নই তাঁর মূল লক্ষ্য। মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সমস্যার সমাধান করাই তাঁর অঙ্গীকার। আসন্ন নির্বাচনে এলাকার মানুষ তাঁকে সমর্থন করবেন বলেও তিনি আশাবাদী। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে। নির্বাচনের আগে এভাবেই গ্রামে গ্রামে পৌঁছে মানুষের মন জয় করতে মরিয়া সব রাজনৈতিক দল।
আরামবাগে মন্দিরে পূজো দিয়ে জনসংযোগে জোর ভারতীয় জনতা পার্টি প্রার্থী হেমন্ত বাগের আরামবাগ বিধানসভার নির্বাচনী প্রচারে নতুন গতি আনতে গৌহাটি ১ নম্বর পঞ্চায়েতের পৈশারা কৃষ্ণ মন্দিরে পূজো দিয়ে জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করলেন ভারতীয় জনতা পার্টি-র প্রার্থী হেমন্ত বাগ। মঙ্গলবার সকালে মন্দিরে পূজো অর্চনার মাধ্যমে নিজের প্রচার সূচনা করেন তিনি। এরপর খাড়োল, পৈশারা, গৌরী ও শুভয় গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। গ্রামবাসীদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন হেমন্ত বাগ। স্থানীয় রাস্তা, পানীয় জল, কৃষি এবং কর্মসংস্থানের মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন তিনি। তাঁর এই জনসংযোগে দলের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। হেমন্ত বাগ জানান, এলাকার সার্বিক উন্নয়নই তাঁর মূল লক্ষ্য। মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সমস্যার সমাধান করাই তাঁর অঙ্গীকার। আসন্ন নির্বাচনে এলাকার মানুষ তাঁকে সমর্থন করবেন বলেও তিনি আশাবাদী। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে। নির্বাচনের আগে এভাবেই গ্রামে গ্রামে পৌঁছে মানুষের মন জয় করতে মরিয়া সব রাজনৈতিক দল।
- Post by News Arambagh Town1
- Post by Sk insan ali3
- অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় এর নিথর দেহ কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে তার বন্ধু বান্ধব সহ আত্মীয় স্বজনেরা। এলাকা জুড়ে নেমেছে শোকের ছায়া।1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- সরবেড়িয়া দুই অঞ্চলের মকরামপুর কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার ও জনসংযোগ করলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী শীতল কপাট1
- Post by JBP NEWS BANGLA1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিষ্ণুপুরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়াল দলবদলের ঘটনায়। আজ বিষ্ণুপুর হাই স্কুল গ্রাউন্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর জনসভা মঞ্চ থেকেই বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন দেখা গেল। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তন্ময় ঘোষের সমর্থনে আয়োজিত এই জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চে ওঠার আগেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন অযোধ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তথা বিষ্ণুপুর বিজেপির মণ্ডল ওয়ানের সহ-সভাপতি শ্যামল ব্যানার্জি। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের হাত ধরে তাঁর এই যোগদান রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে অযোধ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিডরা ৪৬ নম্বর বুথ থেকে জয়লাভ করেছিলেন শ্যামল ব্যানার্জি। পরবর্তীতে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন এবং সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদও পান। তবে তাঁর অভিযোগ, বিজেপিতে থেকে তিনি এলাকার উন্নয়নের কাজে বাধার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। শ্যামল ব্যানার্জির কথায়, “এলাকার মানুষ আমাকে উন্নয়নের জন্য ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু বিজেপিতে থেকে সেই কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই মানুষের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত।” অন্যদিকে, বিজেপির তরফে কটাক্ষ করে দাবি করা হয়েছে, “দলে এসে কোনও ‘কাট মানি’ না পাওয়ায় তিনি বিজেপিতে থাকতে পারেননি, সেই কারণেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।” নির্বাচনের মুখে এই দলবদল স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসকে বাড়তি রাজনৈতিক অক্সিজেন জোগাবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।2
- Post by মুখার্জী নিউজ1