মানুষ মানুষের জন্য—আবারও প্রমাণ করল সোনামুড়ার সামাজিক সংস্থা ৩৭ দিন পর প্রবাসী বিল্লাল মিয়ার নিথর দেহ ফিরল নিজ ভিটেতে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আগামীকাল নিজস্ব কবরস্থানে হবে দাফন। সোনামুড়া প্রতিনিধি রিপোর্ট দীর্ঘ ৩৭ দিনের অপেক্ষার অবসান। দুবাইয়ে আকস্মিক মৃত্যুর পর অবশেষে নিজ জন্মভূমি সোনামুড়ার আড়ালিয়ায় ফিরল প্রবাসী বিল্লাল মিয়ার নিথর দেহ। বিল্লাল মিয়া ছিলেন পরিবারের অন্যতম প্রধান উপার্জনকারী। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার নেমে আসে গভীর অনিশ্চয়তা ও শোকের মধ্যে। তার ওপর বিদেশ থেকে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া, নথিপত্র ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা দরিদ্র পরিবারের কাছে হয়ে ওঠে অত্যন্ত কঠিন। এই কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ায় সোনামুড়ার সামাজিক সংস্থা ‘মানুষ মানুষের জন্য’। সংস্থার উদ্যোগ এবং সমাজসেবক মান্নান চৌধুরীর নিরলস প্রচেষ্টায় দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অবশেষে বিল্লাল মিয়ার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়। মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। শেষবারের মতো প্রিয়জনকে দেখতে বাড়িতে ছুটে আসেন আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও পরিচিতজনেরা। ৩৭ দিনের অপেক্ষার অবসান হলেও প্রিয় মানুষকে হারানোর বেদনা যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামীকাল সকাল ১০টায় পূর্ব আড়ালিয়ার নিজস্ব কবরস্থানে বিল্লাল মিয়ার দাফন সম্পন্ন হবে। বিল্লাল মিয়ার মৃত্যুর পর এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—পরিবারের ভবিষ্যৎ কী? পরিবারের দাবি, বিল্লাল হোসেন ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁর আয়েই পরিবারের পাঁচ সদস্যের সংসার চলত। আজ তিনি নেই। ফলে সন্তানদের পড়াশোনা, সংসারের খরচ এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন স্বজনরা। এই পরিস্থিতিতে সরকারের কাছে কর্মসংস্থান ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে যদি একটি কর্মসংস্থানের সুযোগ বা সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে বিল্লাল মিয়ার পরিবার নতুন করে বাঁচার পথ খুঁজে পেতে পারে। একদিকে প্রিয় মানুষকে হারানোর শোক, অন্যদিকে পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে আড়ালিয়ায় নেমে এসেছে শোকের আবহ। তবে এই কঠিন সময়ে ‘মানুষ মানুষের জন্য’ সামাজিক সংস্থা যেভাবে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা আবারও মনে করিয়ে দিল— বিপদের সময় মানুষই মানুষের পাশে দাঁড়ায়। এখন বিল্লাল মিয়ার পরিবারের প্রত্যাশা, মরদেহ দেশে ফেরানোর মতোই তাঁদের ভবিষ্যৎ জীবনেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে সমাজ ও প্রশাসন। সোনামুড়া থেকে সংবাদ প্রতিনিধি,
মানুষ মানুষের জন্য—আবারও প্রমাণ করল সোনামুড়ার সামাজিক সংস্থা ৩৭ দিন পর প্রবাসী বিল্লাল মিয়ার নিথর দেহ ফিরল নিজ ভিটেতে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আগামীকাল নিজস্ব কবরস্থানে হবে দাফন। সোনামুড়া প্রতিনিধি রিপোর্ট দীর্ঘ ৩৭ দিনের অপেক্ষার অবসান। দুবাইয়ে আকস্মিক মৃত্যুর পর অবশেষে নিজ জন্মভূমি সোনামুড়ার আড়ালিয়ায় ফিরল প্রবাসী বিল্লাল মিয়ার নিথর দেহ। বিল্লাল মিয়া ছিলেন পরিবারের অন্যতম প্রধান উপার্জনকারী। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার নেমে আসে গভীর অনিশ্চয়তা ও শোকের মধ্যে। তার ওপর বিদেশ থেকে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া, নথিপত্র ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা দরিদ্র পরিবারের কাছে হয়ে ওঠে অত্যন্ত কঠিন। এই কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ায় সোনামুড়ার সামাজিক সংস্থা ‘মানুষ মানুষের জন্য’। সংস্থার উদ্যোগ এবং সমাজসেবক মান্নান চৌধুরীর নিরলস প্রচেষ্টায় দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অবশেষে বিল্লাল মিয়ার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়। মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। শেষবারের মতো প্রিয়জনকে দেখতে বাড়িতে ছুটে আসেন আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও পরিচিতজনেরা। ৩৭ দিনের অপেক্ষার অবসান হলেও প্রিয় মানুষকে হারানোর বেদনা যেন আরও গভীর হয়ে
ওঠে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামীকাল সকাল ১০টায় পূর্ব আড়ালিয়ার নিজস্ব কবরস্থানে বিল্লাল মিয়ার দাফন সম্পন্ন হবে। বিল্লাল মিয়ার মৃত্যুর পর এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—পরিবারের ভবিষ্যৎ কী? পরিবারের দাবি, বিল্লাল হোসেন ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁর আয়েই পরিবারের পাঁচ সদস্যের সংসার চলত। আজ তিনি নেই। ফলে সন্তানদের পড়াশোনা, সংসারের খরচ এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন স্বজনরা। এই পরিস্থিতিতে সরকারের কাছে কর্মসংস্থান ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে যদি একটি কর্মসংস্থানের সুযোগ বা সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে বিল্লাল মিয়ার পরিবার নতুন করে বাঁচার পথ খুঁজে পেতে পারে। একদিকে প্রিয় মানুষকে হারানোর শোক, অন্যদিকে পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে আড়ালিয়ায় নেমে এসেছে শোকের আবহ। তবে এই কঠিন সময়ে ‘মানুষ মানুষের জন্য’ সামাজিক সংস্থা যেভাবে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা আবারও মনে করিয়ে দিল— বিপদের সময় মানুষই মানুষের পাশে দাঁড়ায়। এখন বিল্লাল মিয়ার পরিবারের প্রত্যাশা, মরদেহ দেশে ফেরানোর মতোই তাঁদের ভবিষ্যৎ জীবনেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে সমাজ ও প্রশাসন। সোনামুড়া থেকে সংবাদ প্রতিনিধি,
- কৈলাশহরে সেবা সংকল্প অভিযানের নতুন উদ্যোগ আশীর্বাদ দিয়া, শ্যামাপ্রসাদ সেতু সংলগ্ন এলাকায় উদ্বোধনে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী! কৈলাশহরে সেবা সংকল্প অভিযানের নতুন উদ্যোগ আশীর্বাদ দিয়া, শ্যামাপ্রসাদ সেতু সংলগ্ন এলাকায় উদ্বোধনে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী!1
- মানুষ মানুষের জন্য—আবারও প্রমাণ করল সোনামুড়ার সামাজিক সংস্থা ৩৭ দিন পর প্রবাসী বিল্লাল মিয়ার নিথর দেহ ফিরল নিজ ভিটেতে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আগামীকাল নিজস্ব কবরস্থানে হবে দাফন। সোনামুড়া প্রতিনিধি রিপোর্ট দীর্ঘ ৩৭ দিনের অপেক্ষার অবসান। দুবাইয়ে আকস্মিক মৃত্যুর পর অবশেষে নিজ জন্মভূমি সোনামুড়ার আড়ালিয়ায় ফিরল প্রবাসী বিল্লাল মিয়ার নিথর দেহ। বিল্লাল মিয়া ছিলেন পরিবারের অন্যতম প্রধান উপার্জনকারী। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার নেমে আসে গভীর অনিশ্চয়তা ও শোকের মধ্যে। তার ওপর বিদেশ থেকে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া, নথিপত্র ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা দরিদ্র পরিবারের কাছে হয়ে ওঠে অত্যন্ত কঠিন। এই কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ায় সোনামুড়ার সামাজিক সংস্থা ‘মানুষ মানুষের জন্য’। সংস্থার উদ্যোগ এবং সমাজসেবক মান্নান চৌধুরীর নিরলস প্রচেষ্টায় দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অবশেষে বিল্লাল মিয়ার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়। মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। শেষবারের মতো প্রিয়জনকে দেখতে বাড়িতে ছুটে আসেন আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও পরিচিতজনেরা। ৩৭ দিনের অপেক্ষার অবসান হলেও প্রিয় মানুষকে হারানোর বেদনা যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামীকাল সকাল ১০টায় পূর্ব আড়ালিয়ার নিজস্ব কবরস্থানে বিল্লাল মিয়ার দাফন সম্পন্ন হবে। বিল্লাল মিয়ার মৃত্যুর পর এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—পরিবারের ভবিষ্যৎ কী? পরিবারের দাবি, বিল্লাল হোসেন ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁর আয়েই পরিবারের পাঁচ সদস্যের সংসার চলত। আজ তিনি নেই। ফলে সন্তানদের পড়াশোনা, সংসারের খরচ এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন স্বজনরা। এই পরিস্থিতিতে সরকারের কাছে কর্মসংস্থান ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে যদি একটি কর্মসংস্থানের সুযোগ বা সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে বিল্লাল মিয়ার পরিবার নতুন করে বাঁচার পথ খুঁজে পেতে পারে। একদিকে প্রিয় মানুষকে হারানোর শোক, অন্যদিকে পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে আড়ালিয়ায় নেমে এসেছে শোকের আবহ। তবে এই কঠিন সময়ে ‘মানুষ মানুষের জন্য’ সামাজিক সংস্থা যেভাবে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা আবারও মনে করিয়ে দিল— বিপদের সময় মানুষই মানুষের পাশে দাঁড়ায়। এখন বিল্লাল মিয়ার পরিবারের প্রত্যাশা, মরদেহ দেশে ফেরানোর মতোই তাঁদের ভবিষ্যৎ জীবনেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে সমাজ ও প্রশাসন। সোনামুড়া থেকে সংবাদ প্রতিনিধি,2
- মোবাইলের টর্চের আলোয় ইমার্জেন্সি চিকিৎসা! ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, রোগী-পরিজনদের মধ্যে উদ্বেগ। জরুরি মুহূর্তে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জেরে মোবাইল ফোনের টর্চের আলো ব্যবহার করে চিকিৎসা পরিষেবা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় এমন দৃশ্য ধরা পড়ার পর হাসপাতালের জরুরি পরিষেবা ও বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর পর্যাপ্ত বিকল্প আলোর ব্যবস্থা না থাকায় মোবাইল ফোনের টর্চের আলো ব্যবহার করে রোগী দেখাশোনা ও চিকিৎসা পরিষেবা চালাতে হয়। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের জরুরি বিভাগে এমন পরিস্থিতি কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রোগীর পরিজন ও স্থানীয়রা। ইমার্জেন্সি বিভাগে রোগীর শারীরিক পরীক্ষা, চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত আলোর প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর যদি বিকল্প আলোর ব্যবস্থা কার্যকর না থাকে, তাহলে জরুরি পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা নতুন নয়। মাঝেমধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে জরুরি পরিষেবা সচল রাখার জন্য হাসপাতালের জেনারেটর বা অন্যান্য ব্যাকআপ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়ভাবে এমন অভিযোগও উঠেছে যে, হাসপাতালের অভ্যন্তরে থাকা কিছু ব্যক্তি বর্তমান বিধায়ক জহর চক্রবর্তীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে পরিস্থিতিকে ব্যবহার করছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও প্রশাসনিক তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। তবে রাজনৈতিক অভিযোগের বাইরে রোগী ও পরিজনদের মূল প্রশ্ন—হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে চিকিৎসা পরিষেবা যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, তার জন্য কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা কোথায়? সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় মোবাইলের টর্চের আলোয় চিকিৎসা পরিষেবা চালানোর ছবি সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতের সময়ে গুরুতর অবস্থায় কোনো রোগী ইমার্জেন্সিতে এলে পর্যাপ্ত আলো ও বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলে পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সেই প্রশ্নও উঠছে। ঘটনার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ, কতক্ষণ পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল এবং বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কেন কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়নি—এসব বিষয় এখন স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধে হাসপাতালের জরুরি বিদ্যুৎ ও ব্যাকআপ ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হবে কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে সাধারণ মানুষের। কারণ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কোনো সাধারণ বিষয় নয়। জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে পর্যাপ্ত আলো ও কার্যকর ব্যাকআপ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি।4
- বিশ্বকর্মার পুজোর আগের দিন পূর্ব থানার পুলিশ বহু মদসহ আটক দুজন বিশ্বকর্মার পুজোর আগের দিন বহু মদসহ আটক দুজন। পৃথক অভিযানে ২৩০ বোতল বিলিতি মদসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য এক লক্ষ টাকা।1
- ⭕ অনলাইন পেমেন্টের ভেলকিতে দোকান থেকে পণ্য হাতানো, এনসিসি পুলিশের জালে ‘ডিজিটাল চোর’ ✍️ মুদি দোকান থেকে বিভিন্ন সামগ্রী কিনে অনলাইন পেমেন্টের নামে প্রতারণার অভিযোগে জনৈক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন স্থানীয়রা। ধৃত যুবকের নাম অভয় হরিজন। তাঁর বাড়ি আগরতলা শহরের ৭৯ টিলা এলাকায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর এনসিসি থানাধীন কুঞ্জবন কলোনি এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।1
- = পৃথক দুটি চুরির মামলায় তদন্তে নেমে বৃহস্পতিবার তিন চোরকে আটক করলো এনসিসি থানার পুলিশ।বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্তারিত বলেন এনসিসি থানার ওসি পরিতোষ দাস1
- ব্যাঙ্গালোরে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! গুরুতর আহত কৈলাশহরের যুবক ইয়াহিয়া খান! ব্যাঙ্গালোরে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! গুরুতর আহত কৈলাশহরের যুবক ইয়াহিয়া খান! কর্মসূত্রে ব্যাঙ্গালোরে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার কৈলাশহরের যুবক ইয়াহিয়া খান। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই কৈলাশহরে তাঁর পরিবার ও পরিচিতদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।1
- একলব্য মডেল স্কুলের শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে অশোভন আচরণের অভিযোগ, আদালতে পেশ শ্রীনগর থানার অন্তর্গত গাবদ্দি এলাকার একলব্য মডেল রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের এক ছাত্রীর সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে স্কুলের শিক্ষক প্রশান্ত এর বিরুদ্ধে।1