logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

মুর্শিদাবাদে ফেস্টুন, ব্যানার নয়, প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি স্বচ্ছন্দ প্রার্থীরা! দিনকয়েক বাদেই রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন। যে জেলাগুলিতে প্রথম দফায় ভোট তার মধ্যে রয়েছে মুর্শিদাবাদ । প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক দলগুলিও বাড়ি বাড়ি প্রচার ও জনসংযোগে নেমে পড়েছে। শুধু তাই নয় প্রার্থীদের প্রচারে ফেস্টুন, ব্যানার, হোর্ডিংও অন্য বারের ভোটের তুলনায় এবার প্রায় চোখে না পড়ার মতোই। পাড়ার মোড়ে, রাস্তার পাশে প্রার্থীদের নামে ব্যানার ফেস্টুনও চেষ্টা করে খুঁজে নিতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, নির্বাচনের ০৭ -০৮ দিন বাকি থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলি বড় জনসভা, মেগা পদযাত্রা বা রোড শোর পরিবর্তে এখন বাইক মিছিলে আটকে রয়েছে। সঙ্গে দোসর সোশ্যাল মিডিয়া।গত বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকে রাজনৈতিক দলগুলির প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব বেড়েছে। এ বারের নির্বাচনে প্রার্থীদের কাছে সেই নির্ভরতা আরও বেড়েছে। তৃণমূল, বিজেপি থেকে বাম দলগুলির মধ্যে ডিজিটাল টিমের গুরুত্ব বেড়েছে। দলীয় ভাবে ডিজিটাল টিমের পাশাপাশি প্রার্থীদের নিজস্ব ডিজিটাল টিমও প্রচার ও জনসংযোগে নেমে পড়েছে।এ প্রসঙ্গে খড়গ্রাম ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ সদস্য শাশ্বত মুখার্জী বলেন,‘প্রতিটি মানুষের কাছে না হোক, প্রায় বাড়িতে স্মার্ট ফোন রয়েছে। এই সব মানুষদের একটা দিনের বড় অংশ সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় কাটান। এঁরা নানা কারণে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সভা এড়িয়ে গেলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর রাখেন। যে কারণে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই সব মনুষের কাছে সহজে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব।এক দিকে কদিন বাদেই নির্বাচন। তার উপরে নানা কারণে দলীয় কর্মী–সমর্থকদের অনেকেই মাঠে চাষের কাজ ফেলে প্রচারে আসতে নারাজ। তা ছাড়া স্বল্প সময়ে পোস্টার ব্যানার লাগানোর লোকের অভাবের এই বাবদ খরচও আগের তুলনায় বেড়ে গিয়েছে। তুলনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের খরচ যেমন কম। তেমনি প্রচুর মানুষে কাছে অল্প সময়ে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব।তবে এক জন সাধারণ ভোটার বলেন, ‘সরাসরি জনসংযোগ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে অনেক ফারাক। ভোট একটা উৎসবের মতো। প্রচার যার অন্যতম অংশ।’সোশ্যল মিডিয়ার প্রচারে গুরুত্ব বাড়লেও সরাসরি প্রচারের প্রভাব মানুষের মনে অনেক বেশি।’

on 14 April
user_রাজেন্দ্র নাথ দত্ত
রাজেন্দ্র নাথ দত্ত
কান্দি, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
on 14 April
a04c1704-d2b9-4092-94b0-19d1567c5ecd

মুর্শিদাবাদে ফেস্টুন, ব্যানার নয়, প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি স্বচ্ছন্দ প্রার্থীরা! দিনকয়েক বাদেই রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন। যে জেলাগুলিতে প্রথম দফায় ভোট তার মধ্যে রয়েছে মুর্শিদাবাদ । প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক দলগুলিও বাড়ি বাড়ি প্রচার ও জনসংযোগে নেমে পড়েছে। শুধু তাই নয় প্রার্থীদের প্রচারে ফেস্টুন, ব্যানার, হোর্ডিংও অন্য বারের ভোটের তুলনায় এবার প্রায় চোখে না পড়ার মতোই। পাড়ার মোড়ে, রাস্তার পাশে প্রার্থীদের নামে ব্যানার ফেস্টুনও চেষ্টা করে খুঁজে নিতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, নির্বাচনের ০৭ -০৮ দিন বাকি থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলি বড় জনসভা, মেগা পদযাত্রা বা রোড শোর পরিবর্তে এখন বাইক মিছিলে আটকে রয়েছে। সঙ্গে দোসর সোশ্যাল মিডিয়া।গত বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকে রাজনৈতিক দলগুলির প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব বেড়েছে। এ বারের নির্বাচনে প্রার্থীদের কাছে সেই নির্ভরতা আরও বেড়েছে। তৃণমূল, বিজেপি থেকে বাম দলগুলির মধ্যে ডিজিটাল টিমের গুরুত্ব বেড়েছে। দলীয় ভাবে ডিজিটাল টিমের পাশাপাশি প্রার্থীদের নিজস্ব ডিজিটাল টিমও প্রচার ও জনসংযোগে নেমে পড়েছে।এ প্রসঙ্গে খড়গ্রাম ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ সদস্য শাশ্বত মুখার্জী বলেন,‘প্রতিটি মানুষের কাছে না হোক, প্রায় বাড়িতে স্মার্ট ফোন রয়েছে। এই সব মানুষদের একটা দিনের বড় অংশ সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় কাটান। এঁরা নানা কারণে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সভা এড়িয়ে গেলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর রাখেন। যে কারণে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই সব মনুষের কাছে সহজে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব।এক দিকে কদিন বাদেই নির্বাচন। তার উপরে নানা কারণে দলীয় কর্মী–সমর্থকদের অনেকেই মাঠে চাষের কাজ ফেলে প্রচারে আসতে নারাজ। তা ছাড়া স্বল্প সময়ে পোস্টার ব্যানার লাগানোর লোকের অভাবের এই বাবদ খরচও আগের তুলনায় বেড়ে গিয়েছে। তুলনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের খরচ যেমন কম। তেমনি প্রচুর মানুষে কাছে অল্প সময়ে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব।তবে এক জন সাধারণ ভোটার বলেন, ‘সরাসরি জনসংযোগ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে অনেক ফারাক। ভোট একটা উৎসবের মতো। প্রচার যার অন্যতম অংশ।’সোশ্যল মিডিয়ার প্রচারে গুরুত্ব বাড়লেও সরাসরি প্রচারের প্রভাব মানুষের মনে অনেক বেশি।’

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভার ত্রিমোহনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে ঐতিহাসিক এমএলএ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর মঞ্চ থেকে নেমে ফিতে কেটে এবং পায়রা উড়িয়ে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন।
    1
    মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভার ত্রিমোহনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে ঐতিহাসিক এমএলএ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর মঞ্চ থেকে নেমে ফিতে কেটে এবং পায়রা উড়িয়ে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন।
    user_নওদা নিউজ
    নওদা নিউজ
    Local News Reporter নওদা, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    22 hrs ago
  • ৮ জানুয়ারি ২০২৫ সালে সাগরপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোঃ খোরশেদ আলম শুধু একজন পুলিশ অফিসার হিসেবেই নন, বরং একজন অভিভাবক, একজন বন্ধু এবং আপন মানুষ হিসেবে সাগরপাড়ার মানুষের হৃদয়ে এক গভীর স্থান করে নিয়েছেন। অপরাধ দমনে তাঁর কঠোরতা, সাধারণ মানুষের সমস্যায় দ্রুত সাড়া প্রদান, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। তিনি থানার চার দেওয়ালের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়েছেন এবং বিপদের সময় ছুটে গিয়েছেন তাদের দরজায়, যার কারণে তিনি সাগরপাড়ার মানুষের পরিবারের একজন সদস্য হয়ে উঠেছিলেন। প্রায় দেড় বছর ধরে সাগরপাড়াকে নিজের পরিবারের মতো আগলে রেখেছিলেন তিনি। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এলাকার মানুষ নিরাপত্তার অনুভূতি পেয়েছে এবং একজন মানবিক প্রশাসকের পরিচয় লাভ করেছে। আজ তাঁর বিদায়ের খবরে সাগরপাড়ার অসংখ্য মানুষের মন ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে, অনেকের চোখে জল এবং কণ্ঠে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার প্রকাশ দেখা যাচ্ছে। তাঁর কর্ম, ব্যবহার, মানবিকতা এবং মানুষের প্রতি আন্তরিকতা সাগরপাড়ার মানুষের মনে চিরকাল অমলিন হয়ে থাকবে। সাগরপাড়ার মানুষ তাঁকে কখনো ভুলবে না এই অঙ্গীকার নিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে যে, তিনি যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন এবং নতুন কর্মস্থলেও যেন মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান অর্জন করতে পারেন। এই বিদায় আসলে একটি নতুন দেখা হওয়ার প্রতিশ্রুতি, কারণ সাগরপাড়া তাঁকে চিরকাল মনে রাখবে।
    1
    ৮ জানুয়ারি ২০২৫ সালে সাগরপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোঃ খোরশেদ আলম শুধু একজন পুলিশ অফিসার হিসেবেই নন, বরং একজন অভিভাবক, একজন বন্ধু এবং আপন মানুষ হিসেবে সাগরপাড়ার মানুষের হৃদয়ে এক গভীর স্থান করে নিয়েছেন।

অপরাধ দমনে তাঁর কঠোরতা, সাধারণ মানুষের সমস্যায় দ্রুত সাড়া প্রদান, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। তিনি থানার চার দেওয়ালের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়েছেন এবং বিপদের সময় ছুটে গিয়েছেন তাদের দরজায়, যার কারণে তিনি সাগরপাড়ার মানুষের পরিবারের একজন সদস্য হয়ে উঠেছিলেন।

প্রায় দেড় বছর ধরে সাগরপাড়াকে নিজের পরিবারের মতো আগলে রেখেছিলেন তিনি। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এলাকার মানুষ নিরাপত্তার অনুভূতি পেয়েছে এবং একজন মানবিক প্রশাসকের পরিচয় লাভ করেছে। আজ তাঁর বিদায়ের খবরে সাগরপাড়ার অসংখ্য মানুষের মন ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে, অনেকের চোখে জল এবং কণ্ঠে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার প্রকাশ দেখা যাচ্ছে।

তাঁর কর্ম, ব্যবহার, মানবিকতা এবং মানুষের প্রতি আন্তরিকতা সাগরপাড়ার মানুষের মনে চিরকাল অমলিন হয়ে থাকবে। সাগরপাড়ার মানুষ তাঁকে কখনো ভুলবে না এই অঙ্গীকার নিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে যে, তিনি যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন এবং নতুন কর্মস্থলেও যেন মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান অর্জন করতে পারেন। এই বিদায় আসলে একটি নতুন দেখা হওয়ার প্রতিশ্রুতি, কারণ সাগরপাড়া তাঁকে চিরকাল মনে রাখবে।
    user_রাসেল শাহ
    রাসেল শাহ
    জলঙ্গি, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    1 hr ago
  • নদিয়ার নবদ্বীপের বড়ালঘাটে একটি ক্লাবঘর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত জনবিক্ষোভ, পুলিশি তৎপরতা এবং রাজনৈতিক তরজায় নবদ্বীপ সরগরম ছিল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা নাগাদ নবদ্বীপ থানার পুলিশ বড়ালঘাট স্পোর্টিং ক্লাবে অভিযান চালায়। অভিযোগের ভিত্তিতে ক্লাবের প্রায় দশটি ঘরে তল্লাশি চালিয়ে সরকারি ত্রাণের ত্রিপল, শীতবস্ত্র হিসেবে বিতরণের কম্বল এবং তন্তুজের বিভিন্ন প্রকল্পের শাড়ি সহ বিপুল পরিমাণ সরকারি সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শাড়িগুলির মধ্যে ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের সরকারি প্রকল্পের শাড়িও ছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য সংরক্ষিত একাধিক সামগ্রী সেখানে মজুত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই ক্লাবঘরটি নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার পাড়াতেই অবস্থিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের আবাসনের পাশের ওই ক্লাব দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি সামগ্রী মজুত রাখার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, সাধারণ মানুষ ও বিজেপির নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভ দেখান। রাত বাড়ার সাথে সাথে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। অবশেষে শনিবার ভোররাত আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিট নাগাদ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশাল দল চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার বাসভবনে পৌঁছে তাঁকে আটক করে। একইসঙ্গে অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকেও আটক করা হয়। চেয়ারম্যানকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার একাংশের বাসিন্দা ক্ষোভে ফেটে পড়েন, তাঁকে লক্ষ্য করে জলের বোতল ও জুতো ছোড়া হয় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মৃদু লাঠিচার্জও করতে হয় বলে অভিযোগ। তবে গ্রেপ্তারের সময় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিমানকৃষ্ণ সাহা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন যে, তিনি রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া ত্রাণসামগ্রী বিধায়ক তহবিলের আওতায় ছিল এবং তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। শনিবার ধৃত চেয়ারম্যানকে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে পেশ করা হলে সেখানেও উত্তেজনার আবহ দেখা যায় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা এবং অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে, যদিও তদন্তকারী সংস্থা ১০ দিনের হেফাজত চেয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ৩১৪, ৩১৬ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। বর্তমানে তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর উৎস, কীভাবে সেগুলি ক্লাবঘরে এলো এবং কার নির্দেশে মজুত রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন। এছাড়াও সরকারি ত্রাণ বণ্টন ব্যবস্থায় কোনও দুর্নীতি বা অনিয়মের যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। বড়ালঘাটের এই ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার কাণ্ড নবদ্বীপের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে বিরোধীরা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ তুলছে এবং চেয়ারম্যান নিজেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বলে দাবি করছেন। ফলে তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন প্রশাসন, রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নজর।
    1
    নদিয়ার নবদ্বীপের বড়ালঘাটে একটি ক্লাবঘর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত জনবিক্ষোভ, পুলিশি তৎপরতা এবং রাজনৈতিক তরজায় নবদ্বীপ সরগরম ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা নাগাদ নবদ্বীপ থানার পুলিশ বড়ালঘাট স্পোর্টিং ক্লাবে অভিযান চালায়। অভিযোগের ভিত্তিতে ক্লাবের প্রায় দশটি ঘরে তল্লাশি চালিয়ে সরকারি ত্রাণের ত্রিপল, শীতবস্ত্র হিসেবে বিতরণের কম্বল এবং তন্তুজের বিভিন্ন প্রকল্পের শাড়ি সহ বিপুল পরিমাণ সরকারি সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শাড়িগুলির মধ্যে ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের সরকারি প্রকল্পের শাড়িও ছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য সংরক্ষিত একাধিক সামগ্রী সেখানে মজুত অবস্থায় পাওয়া যায়।

ঘটনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই ক্লাবঘরটি নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার পাড়াতেই অবস্থিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের আবাসনের পাশের ওই ক্লাব দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি সামগ্রী মজুত রাখার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, সাধারণ মানুষ ও বিজেপির নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভ দেখান। রাত বাড়ার সাথে সাথে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। অবশেষে শনিবার ভোররাত আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিট নাগাদ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশাল দল চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার বাসভবনে পৌঁছে তাঁকে আটক করে। একইসঙ্গে অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকেও আটক করা হয়। চেয়ারম্যানকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার একাংশের বাসিন্দা ক্ষোভে ফেটে পড়েন, তাঁকে লক্ষ্য করে জলের বোতল ও জুতো ছোড়া হয় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মৃদু লাঠিচার্জও করতে হয় বলে অভিযোগ।

তবে গ্রেপ্তারের সময় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিমানকৃষ্ণ সাহা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন যে, তিনি রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া ত্রাণসামগ্রী বিধায়ক তহবিলের আওতায় ছিল এবং তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। শনিবার ধৃত চেয়ারম্যানকে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে পেশ করা হলে সেখানেও উত্তেজনার আবহ দেখা যায় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা এবং অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে, যদিও তদন্তকারী সংস্থা ১০ দিনের হেফাজত চেয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ৩১৪, ৩১৬ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

বর্তমানে তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর উৎস, কীভাবে সেগুলি ক্লাবঘরে এলো এবং কার নির্দেশে মজুত রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন। এছাড়াও সরকারি ত্রাণ বণ্টন ব্যবস্থায় কোনও দুর্নীতি বা অনিয়মের যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। বড়ালঘাটের এই ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার কাণ্ড নবদ্বীপের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে বিরোধীরা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ তুলছে এবং চেয়ারম্যান নিজেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বলে দাবি করছেন। ফলে তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন প্রশাসন, রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নজর।
    user_Gopal Biswas
    Gopal Biswas
    Newsagent নবদ্বীপ, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    18 hrs ago
  • মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজধানী ছিল কৃষ্ণনগর, যার রাজবাড়ীকে ঘিরে এক বিশাল দীঘি অবস্থিত। কৃষ্ণনগরের বাসিন্দাদের কাছে এটি রাজদীঘি নামেই পরিচিত। কথিত আছে যে এই দীঘি জলঙ্গী নদীর সাথে সংযুক্ত ছিল, এবং মহারাজা স্বয়ং এই জলপথ ব্যবহার করে রাজকার্যে এবং রাজ্য ভ্রমণে যেতেন। এই রাজদীঘি আজও মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের স্মৃতি বহন করে চলেছে, যা তাঁর শাসনামলের এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
    1
    মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজধানী ছিল কৃষ্ণনগর, যার রাজবাড়ীকে ঘিরে এক বিশাল দীঘি অবস্থিত। কৃষ্ণনগরের বাসিন্দাদের কাছে এটি রাজদীঘি নামেই পরিচিত। কথিত আছে যে এই দীঘি জলঙ্গী নদীর সাথে সংযুক্ত ছিল, এবং মহারাজা স্বয়ং এই জলপথ ব্যবহার করে রাজকার্যে এবং রাজ্য ভ্রমণে যেতেন। এই রাজদীঘি আজও মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের স্মৃতি বহন করে চলেছে, যা তাঁর শাসনামলের এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
    user_Jayanta Biswas
    Jayanta Biswas
    সাংবাদিক Krishnagar - I, Nadia•
    3 hrs ago
  • রঘুনাথগঞ্জে ২০১৭ সালের একটি পুরনো খুনের মামলায় তৃণমূল নেতা ইলিয়াস চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রঘুনাথগঞ্জের সেকেন্দ্রার এই তৃণমূল নেতাকে শনিবার রাতে সেকেন্দ্র থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে খুন সহ একাধিক ধারায় মামলা রয়েছে। রবিবার ধৃত ইলিয়াস চৌধুরীকে জঙ্গিপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক ৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। আগামী ৪ঠা জুন তাকে ফের আদালতে পেশ করা হবে।
    1
    রঘুনাথগঞ্জে ২০১৭ সালের একটি পুরনো খুনের মামলায় তৃণমূল নেতা ইলিয়াস চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রঘুনাথগঞ্জের সেকেন্দ্রার এই তৃণমূল নেতাকে শনিবার রাতে সেকেন্দ্র থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে খুন সহ একাধিক ধারায় মামলা রয়েছে।

রবিবার ধৃত ইলিয়াস চৌধুরীকে জঙ্গিপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক ৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। আগামী ৪ঠা জুন তাকে ফের আদালতে পেশ করা হবে।
    user_Chiranjit ghosh
    Chiranjit ghosh
    Newsagent বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    57 min ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.