মুর্শিদাবাদে ফেস্টুন, ব্যানার নয়, প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি স্বচ্ছন্দ প্রার্থীরা! দিনকয়েক বাদেই রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন। যে জেলাগুলিতে প্রথম দফায় ভোট তার মধ্যে রয়েছে মুর্শিদাবাদ । প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক দলগুলিও বাড়ি বাড়ি প্রচার ও জনসংযোগে নেমে পড়েছে। শুধু তাই নয় প্রার্থীদের প্রচারে ফেস্টুন, ব্যানার, হোর্ডিংও অন্য বারের ভোটের তুলনায় এবার প্রায় চোখে না পড়ার মতোই। পাড়ার মোড়ে, রাস্তার পাশে প্রার্থীদের নামে ব্যানার ফেস্টুনও চেষ্টা করে খুঁজে নিতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, নির্বাচনের ০৭ -০৮ দিন বাকি থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলি বড় জনসভা, মেগা পদযাত্রা বা রোড শোর পরিবর্তে এখন বাইক মিছিলে আটকে রয়েছে। সঙ্গে দোসর সোশ্যাল মিডিয়া।গত বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকে রাজনৈতিক দলগুলির প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব বেড়েছে। এ বারের নির্বাচনে প্রার্থীদের কাছে সেই নির্ভরতা আরও বেড়েছে। তৃণমূল, বিজেপি থেকে বাম দলগুলির মধ্যে ডিজিটাল টিমের গুরুত্ব বেড়েছে। দলীয় ভাবে ডিজিটাল টিমের পাশাপাশি প্রার্থীদের নিজস্ব ডিজিটাল টিমও প্রচার ও জনসংযোগে নেমে পড়েছে।এ প্রসঙ্গে খড়গ্রাম ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ সদস্য শাশ্বত মুখার্জী বলেন,‘প্রতিটি মানুষের কাছে না হোক, প্রায় বাড়িতে স্মার্ট ফোন রয়েছে। এই সব মানুষদের একটা দিনের বড় অংশ সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় কাটান। এঁরা নানা কারণে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সভা এড়িয়ে গেলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর রাখেন। যে কারণে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই সব মনুষের কাছে সহজে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব।এক দিকে কদিন বাদেই নির্বাচন। তার উপরে নানা কারণে দলীয় কর্মী–সমর্থকদের অনেকেই মাঠে চাষের কাজ ফেলে প্রচারে আসতে নারাজ। তা ছাড়া স্বল্প সময়ে পোস্টার ব্যানার লাগানোর লোকের অভাবের এই বাবদ খরচও আগের তুলনায় বেড়ে গিয়েছে। তুলনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের খরচ যেমন কম। তেমনি প্রচুর মানুষে কাছে অল্প সময়ে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব।তবে এক জন সাধারণ ভোটার বলেন, ‘সরাসরি জনসংযোগ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে অনেক ফারাক। ভোট একটা উৎসবের মতো। প্রচার যার অন্যতম অংশ।’সোশ্যল মিডিয়ার প্রচারে গুরুত্ব বাড়লেও সরাসরি প্রচারের প্রভাব মানুষের মনে অনেক বেশি।’
মুর্শিদাবাদে ফেস্টুন, ব্যানার নয়, প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি স্বচ্ছন্দ প্রার্থীরা! দিনকয়েক বাদেই রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন। যে জেলাগুলিতে প্রথম দফায় ভোট তার মধ্যে রয়েছে মুর্শিদাবাদ । প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক দলগুলিও বাড়ি বাড়ি প্রচার ও জনসংযোগে নেমে পড়েছে। শুধু তাই নয় প্রার্থীদের প্রচারে ফেস্টুন, ব্যানার, হোর্ডিংও অন্য বারের ভোটের তুলনায় এবার প্রায় চোখে না পড়ার মতোই। পাড়ার মোড়ে, রাস্তার পাশে প্রার্থীদের নামে ব্যানার ফেস্টুনও চেষ্টা করে খুঁজে নিতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, নির্বাচনের ০৭ -০৮ দিন বাকি থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলি বড় জনসভা, মেগা পদযাত্রা বা রোড শোর পরিবর্তে এখন বাইক মিছিলে আটকে রয়েছে। সঙ্গে দোসর সোশ্যাল মিডিয়া।গত বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকে রাজনৈতিক দলগুলির প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব বেড়েছে। এ বারের নির্বাচনে প্রার্থীদের কাছে সেই নির্ভরতা আরও বেড়েছে। তৃণমূল, বিজেপি থেকে বাম দলগুলির মধ্যে ডিজিটাল টিমের গুরুত্ব বেড়েছে। দলীয় ভাবে ডিজিটাল টিমের পাশাপাশি প্রার্থীদের নিজস্ব ডিজিটাল টিমও প্রচার ও জনসংযোগে নেমে পড়েছে।এ প্রসঙ্গে খড়গ্রাম ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ সদস্য শাশ্বত মুখার্জী বলেন,‘প্রতিটি মানুষের কাছে না হোক, প্রায় বাড়িতে স্মার্ট ফোন রয়েছে। এই সব মানুষদের একটা দিনের বড় অংশ সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় কাটান। এঁরা নানা কারণে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সভা এড়িয়ে গেলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর রাখেন। যে কারণে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই সব মনুষের কাছে সহজে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব।এক দিকে কদিন বাদেই নির্বাচন। তার উপরে নানা কারণে দলীয় কর্মী–সমর্থকদের অনেকেই মাঠে চাষের কাজ ফেলে প্রচারে আসতে নারাজ। তা ছাড়া স্বল্প সময়ে পোস্টার ব্যানার লাগানোর লোকের অভাবের এই বাবদ খরচও আগের তুলনায় বেড়ে গিয়েছে। তুলনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের খরচ যেমন কম। তেমনি প্রচুর মানুষে কাছে অল্প সময়ে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব।তবে এক জন সাধারণ ভোটার বলেন, ‘সরাসরি জনসংযোগ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে অনেক ফারাক। ভোট একটা উৎসবের মতো। প্রচার যার অন্যতম অংশ।’সোশ্যল মিডিয়ার প্রচারে গুরুত্ব বাড়লেও সরাসরি প্রচারের প্রভাব মানুষের মনে অনেক বেশি।’
- Post by Jayashree Mondal1
- মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা! লরির ধাক্কায় এক যুবকের মৃত্যু, গুরুতর আহত বন্ধু মঙ্গলবার ভর সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া এলাকায় ঘটে গেল এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মোটরবাইকে চড়ে দুই বন্ধু হরিহরপাড়া থেকে গজনীপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। চোয়া নতুনপাড়া এলাকায় পৌঁছাতেই উল্টো দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইকটিকে সজোরে ধাক্কা মারে এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় রবিউল নামে এক যুবকের। জানা গেছে, তার বাড়ি শ্রীপুরা নামুপাড়া এলাকায়। গুরুতর আহত হন তার বন্ধু রিয়াজ শেখ। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হরিহরপাড়া থানার পুলিশ। আহত ও মৃত দুজনকেই উদ্ধার করে হরিহরপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আহত রিয়াজ শেখের চিকিৎসা চলছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং পলাতক লরির খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।1
- গত ডিসেম্বরে ঘরে ফিরেছেন বীরভূমের সোনালি খাতুন। তাঁর স্বামী দানিশ শেখ এখনও বাংলাদেশে আটকে। তাঁকে দেশে ফেরানোর আশায় ভোট দিলেন সোনালির মা-বাবা।সরকার যেই আসুক তাদের যেন ন্যায় বিচার দেয়1
- দ্রুতগতির বাইকের ধাক্কায় খুঁটি ভাঙল, গুরুতর জখম দুই যুবক—জলঙ্গিতে চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির জোড়তলার বাঁকে ভয়াবহ বাইক দুর্ঘটনা। দ্রুতগতিতে আসা একটি বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিমেন্টের খুঁটিতে ধাক্কা মারে। ঘটনায় খুঁটি ভেঙে যায় এবং বাইকে থাকা দুই যুবক গুরুতর জখম হন। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পুলিশ বাইকটি উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে।1
- সুন্দর হলে বলবেন ও বাচ্চা ছেলে সুন্দর একটি ডান্স1
- gopinath pur1
- Post by রাজেন্দ্র নাথ দত্ত1
- ভোটের লাইনে দাঁড়াতে অনীহা, তাই বিশেষভাবে সক্ষম সাজার নাটক! হাড়োয়ায় ভোট দিয়ে বেরোনোর পর সাবান আলীর দিব্যি হেঁটে চলে যেতেই তাজ্জব হয়ে গেলেন অন্যান্যরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাবান আলী নামে এক ব্যক্তি নিজেকে বিশেষভাবে সক্ষম হিসেবে তুলে ধরে ভোটকেন্দ্রে লাইনে দাঁড়ানো সাধারণ ভোটারদের পিছনে ফেলে আগে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। তার এই অবস্থায় সহানুভূতি দেখিয়ে কর্তব্যরত কর্মীরাও তাকে অগ্রাধিকার দেন। কিন্তু আসল ‘টুইস্ট’ আসে তার পরেই। ভোট দিয়ে বুথের বাইরে বেরোতেই আচমকাই তার হাঁটার ভঙ্গিতে বদল! যিনি কিছুক্ষণ আগেও ধীরে-সুস্থে এগোচ্ছিলেন, তিনিই হঠাৎ স্বাভাবিক গতিতে হাঁটতে শুরু করতেই। বুথ থেকে বেরিয়ে তিনি হঠাৎই স্বাভাবিক মানুষের মতো হাঁটতে শুরু করেন, যা দেখে উপস্থিত অনেকেরই মধ্যে বিস্ময় ছড়িয়ে পড়ে।1
- চক্ষু চড়ক গাছ! নুন আনতে পান্তা ফুরনো পরিবার, ভাঙা ঘর পাকা করতে গিয়েই মেঝের মাটি খুঁড়ে নগদ গুপ্তধন।আর তাতেই ৮ থেকে ৮০ এর উপচে পড়ছে ভিড়। এমন অবাক করা কাণ্ডের ছবি ধরা পড়ল পড়ে মুর্শিদাবাদের নওদা লাগোয়া এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের বাসিন্দা হতদরিদ্র সিতারাম পাল কোনরকমে দিনমজুরের কাজ করেন।থাকার আস্তানা বলতে এক চিলতে কুঁড়েঘর। মিস্ত্রি লাগিয়ে ঘরের মাটির মেঝে খুঁড়তে কাজ শুরু করেন। কাজ শুরু পরে হঠাৎই সাবলের আওয়াজে খানিকটা কানে খটকা লাগে সীতারামের। এরপরই কয়েক হাত ঘুরতেই চোখ চরকগাছে উঠে। মাটির নিচ থেকে উদ্ধার হয় নগদ।1