*কুণাল ঘোষ* বিধানসভা প্রেস কর্ণার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পুলিশ দিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্ক স্ট্রিটের ওই পরিবারকে। শনিবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গিয়েছিলেন, সেখানে যেভাবে ধমক দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গরীব কেউ শখ করে হয় না। ভোটের আগে গরীব বাচ্ছাদের জড়িয়ে ধরে ছবি তুলতে ভাল লাগে। আর ভোটের পর ওই দাপটে সরিয়ে দেওয়া। আমাদের নেত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল(রবিবার) বলার পর সময় হল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর? শনিবারের পর রবিবার ছিল, সোমবার ছিল, কি করলেন। যেই মুহুর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন দায়িত্ব নেবেন তারপরেই পুলিশকে দিয়ে তুলে আনা হল কেন ? কেন সেদিন বলেন নি মুখ্যমন্ত্রী যে তারা দায়িত্ব নিচ্ছেন। মমতাদি বলার পর ঘুম ভাঙলো ? আপনারা একটা অমানবিক কাজ করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক মুখ দেখিয়েছেন। ক্ষমতায় থাকলেও দেখিয়েছেন, না থাকলেও দেখিয়েছেন। সোমবার অত বড় বড় কথা বললেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে বাড়ি থেকে বের হতে না পারে দেখবেন। উনি(শুভেন্দু অধিকারী) তো স্পটে যান না, পুলিশ দিয়ে তুলে আনেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষনার পর চাপে পড়ে। এর মানে একটা জিনিশ প্রমাণিত হল অগ্নি মিত্রা পাল ভুল করেছিলেন। *দ্বিতীয় বিষয়* পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যানার পিছনে নিয়ে গতকাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটা কথা বললেন যে আপনি যাতে রাস্তায় বের হতে না পারেন সেটা আমি দেখব। এটা চূড়ান্ত নারী বিদ্বেষ। এমন এর আগে কখনও হয়নি যে একজন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছেন ! মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, রাষ্ট্রপতি কোথায়? এটা তো গুণ্ডাদের ভাষা। আসলে আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামলাতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স তুলে কথা বলছেন কেন ? এটা কোনও কথা! বয়স হচ্ছে বিশ্রাম নিন। মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি *প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একটা হাঁটার কম্পিটিশন হোক* সারা পৃথিবী দেখুক। এক্সারসাইজ আর হাঁটার প্রতিযোগিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাগজে কলমে যা বয়স বাস্তবে তার থেকে বয়স অনেকটাই কম। মমতাদির থেকে তো কয়েক বছরের বড় নরেন্দ্র মোদীর আর শুভেন্দু অধিকারী ক্যাম্প করেন অমিত শাহের। *এটা নরেন্দ্র মোদীকে সরানোর জন্য অমিত শাহের ক্যাম্প থেকে করানো হচ্ছে না তো? শুভেন্দু অধিকারী হয়তো চাইছেন অমিত শাহকে প্রোজেক্ট করতে।* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে তো অনেকটাই বড় নরেন্দ্র মোদী, তাই কি নরেন্দ্র মোদী কে সরাতে চাইছেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বললেন। *২০ সাংসদদের নোটিশ। প্রসঙ্গে* সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় সবিস্তারে বলেছেন। আইনটা এতটাই আমাদের পক্ষে যে এই কুড়ি জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল থেকে জেতা, চার তারিখের পর বিজেপির সঙ্গে ঘুরছে, বলছে এনসিপিআই। গোটাটাই আইন বহির্ভূত, নীতি বহির্ভূত। *ছাত্র দিবসের প্রতিষ্ঠা দিবসের স্থান* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে, তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে। ২১ জুলাইয়েও আমরা দেখেছি কোথায় জন জোয়ারে উপচে গিয়েছিল আর কোথায় চেয়ার খালি পড়ে ছিল। বিজেপির গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব, তোলাবাজি থেকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজেদের কর্মীকেই খুনের অভিযোগ উঠছে। পুলিশের কোনও ক্ষমতাই নেই। পুলিশ অফিসাররা কাজ করতে পারছেন না। বিধায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন সারারাত তাণ্ডব চলবে, আরেক বিধায়ক থানায় গিয়ে অফিসারকে হুমকি দিচ্ছে। কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশ বিরোধী কোনও শ্লোগান উঠলে আমরা সেটা সমর্থন করি না। দিলীপ ঘোষ প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন। একটা বিয়ে করে সবাইকে আউট করে দিয়েছিলেন প্রচার থেকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্যরা যা শুরু করেছেন তাতে তিনি প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন। তাই এন কে সলিলের মত বক্তব্য বলে প্রচারে ভেসে থাকতে চাইছেন। *কুণাল ঘোষ* বিধানসভা প্রেস কর্ণার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পুলিশ দিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্ক স্ট্রিটের ওই পরিবারকে। শনিবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গিয়েছিলেন, সেখানে যেভাবে ধমক দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গরীব কেউ শখ করে হয় না। ভোটের আগে গরীব বাচ্ছাদের জড়িয়ে ধরে ছবি তুলতে ভাল লাগে। আর ভোটের পর ওই দাপটে সরিয়ে দেওয়া। আমাদের নেত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল(রবিবার) বলার পর সময় হল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর? শনিবারের পর রবিবার ছিল, সোমবার ছিল, কি করলেন। যেই মুহুর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন দায়িত্ব নেবেন তারপরেই পুলিশকে দিয়ে তুলে আনা হল কেন ? কেন সেদিন বলেন নি মুখ্যমন্ত্রী যে তারা দায়িত্ব নিচ্ছেন। মমতাদি বলার পর ঘুম ভাঙলো ? আপনারা একটা অমানবিক কাজ করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক মুখ দেখিয়েছেন। ক্ষমতায় থাকলেও দেখিয়েছেন, না থাকলেও দেখিয়েছেন। সোমবার অত বড় বড় কথা বললেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে বাড়ি থেকে বের হতে না পারে দেখবেন। উনি(শুভেন্দু অধিকারী) তো স্পটে যান না, পুলিশ দিয়ে তুলে আনেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষনার পর চাপে পড়ে। এর মানে একটা জিনিশ প্রমাণিত হল অগ্নি মিত্রা পাল ভুল করেছিলেন। *দ্বিতীয় বিষয়* পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যানার পিছনে নিয়ে গতকাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটা কথা বললেন যে আপনি যাতে রাস্তায় বের হতে না পারেন সেটা আমি দেখব। এটা চূড়ান্ত নারী বিদ্বেষ। এমন এর আগে কখনও হয়নি যে একজন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছেন ! মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, রাষ্ট্রপতি কোথায়? এটা তো গুণ্ডাদের ভাষা। আসলে আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামলাতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স তুলে কথা বলছেন কেন ? এটা কোনও কথা! বয়স হচ্ছে বিশ্রাম নিন। মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি *প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একটা হাঁটার কম্পিটিশন হোক* সারা পৃথিবী দেখুক। এক্সারসাইজ আর হাঁটার প্রতিযোগিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাগজে কলমে যা বয়স বাস্তবে তার থেকে বয়স অনেকটাই কম। মমতাদির থেকে তো কয়েক বছরের বড় নরেন্দ্র মোদীর আর শুভেন্দু অধিকারী ক্যাম্প করেন অমিত শাহের। *এটা নরেন্দ্র মোদীকে সরানোর জন্য অমিত শাহের ক্যাম্প থেকে করানো হচ্ছে না তো? শুভেন্দু অধিকারী হয়তো চাইছেন অমিত শাহকে প্রোজেক্ট করতে।* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে তো অনেকটাই বড় নরেন্দ্র মোদী, তাই কি নরেন্দ্র মোদী কে সরাতে চাইছেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বললেন। *২০ সাংসদদের নোটিশ। প্রসঙ্গে* সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় সবিস্তারে বলেছেন। আইনটা এতটাই আমাদের পক্ষে যে এই কুড়ি জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল থেকে জেতা, চার তারিখের পর বিজেপির সঙ্গে ঘুরছে, বলছে এনসিপিআই। গোটাটাই আইন বহির্ভূত, নীতি বহির্ভূত। *ছাত্র দিবসের প্রতিষ্ঠা দিবসের স্থান* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে, তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে। ২১ জুলাইয়েও আমরা দেখেছি কোথায় জন জোয়ারে উপচে গিয়েছিল আর কোথায় চেয়ার খালি পড়ে ছিল। বিজেপির গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব, তোলাবাজি থেকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজেদের কর্মীকেই খুনের অভিযোগ উঠছে। পুলিশের কোনও ক্ষমতাই নেই। পুলিশ অফিসাররা কাজ করতে পারছেন না। বিধায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন সারারাত তাণ্ডব চলবে, আরেক বিধায়ক থানায় গিয়ে অফিসারকে হুমকি দিচ্ছে। কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশ বিরোধী কোনও শ্লোগান উঠলে আমরা সেটা সমর্থন করি না। দিলীপ ঘোষ প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন। একটা বিয়ে করে সবাইকে আউট করে দিয়েছিলেন প্রচার থেকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্যরা যা শুরু করেছেন তাতে তিনি প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন। তাই এন কে সলিলের মত বক্তব্য বলে প্রচারে ভেসে থাকতে চাইছেন।
*কুণাল ঘোষ* বিধানসভা প্রেস কর্ণার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পুলিশ দিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্ক স্ট্রিটের ওই পরিবারকে। শনিবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গিয়েছিলেন, সেখানে যেভাবে ধমক দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গরীব কেউ শখ করে হয় না। ভোটের আগে গরীব বাচ্ছাদের জড়িয়ে ধরে ছবি তুলতে ভাল লাগে। আর ভোটের পর ওই দাপটে সরিয়ে দেওয়া। আমাদের নেত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল(রবিবার) বলার পর সময় হল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর? শনিবারের পর রবিবার ছিল, সোমবার ছিল, কি করলেন। যেই মুহুর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন দায়িত্ব নেবেন তারপরেই পুলিশকে দিয়ে তুলে আনা হল কেন ? কেন সেদিন বলেন নি মুখ্যমন্ত্রী যে তারা দায়িত্ব নিচ্ছেন। মমতাদি বলার পর ঘুম ভাঙলো ? আপনারা একটা অমানবিক কাজ করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক মুখ দেখিয়েছেন। ক্ষমতায় থাকলেও দেখিয়েছেন, না থাকলেও দেখিয়েছেন। সোমবার অত বড় বড় কথা বললেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে বাড়ি থেকে বের হতে না পারে দেখবেন। উনি(শুভেন্দু অধিকারী) তো স্পটে যান না, পুলিশ দিয়ে তুলে আনেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষনার পর চাপে পড়ে। এর মানে একটা জিনিশ প্রমাণিত হল অগ্নি মিত্রা পাল ভুল করেছিলেন। *দ্বিতীয় বিষয়* পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যানার পিছনে নিয়ে গতকাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটা কথা বললেন যে আপনি যাতে রাস্তায় বের হতে না পারেন সেটা আমি দেখব। এটা চূড়ান্ত নারী বিদ্বেষ। এমন এর আগে কখনও হয়নি যে একজন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছেন ! মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, রাষ্ট্রপতি কোথায়? এটা তো গুণ্ডাদের ভাষা। আসলে আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামলাতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স তুলে কথা বলছেন কেন ? এটা কোনও কথা! বয়স হচ্ছে বিশ্রাম নিন। মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি *প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একটা হাঁটার কম্পিটিশন হোক* সারা পৃথিবী দেখুক। এক্সারসাইজ আর হাঁটার প্রতিযোগিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাগজে কলমে যা বয়স বাস্তবে তার থেকে বয়স অনেকটাই কম। মমতাদির থেকে তো কয়েক বছরের বড় নরেন্দ্র মোদীর আর শুভেন্দু অধিকারী ক্যাম্প করেন অমিত শাহের। *এটা নরেন্দ্র মোদীকে সরানোর জন্য অমিত শাহের ক্যাম্প থেকে করানো হচ্ছে না তো? শুভেন্দু অধিকারী হয়তো চাইছেন অমিত শাহকে প্রোজেক্ট করতে।* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে তো অনেকটাই বড় নরেন্দ্র মোদী, তাই কি নরেন্দ্র মোদী কে সরাতে চাইছেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বললেন। *২০ সাংসদদের নোটিশ। প্রসঙ্গে* সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় সবিস্তারে বলেছেন। আইনটা এতটাই আমাদের পক্ষে যে এই কুড়ি জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল থেকে জেতা, চার তারিখের পর বিজেপির সঙ্গে ঘুরছে, বলছে এনসিপিআই। গোটাটাই আইন বহির্ভূত, নীতি বহির্ভূত। *ছাত্র দিবসের প্রতিষ্ঠা দিবসের স্থান* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে, তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে। ২১ জুলাইয়েও আমরা দেখেছি কোথায় জন জোয়ারে উপচে গিয়েছিল আর কোথায় চেয়ার খালি পড়ে ছিল। বিজেপির গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব, তোলাবাজি থেকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজেদের কর্মীকেই খুনের অভিযোগ উঠছে। পুলিশের কোনও ক্ষমতাই নেই। পুলিশ অফিসাররা কাজ করতে পারছেন না। বিধায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন সারারাত তাণ্ডব চলবে, আরেক বিধায়ক থানায় গিয়ে অফিসারকে হুমকি দিচ্ছে। কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশ বিরোধী কোনও শ্লোগান উঠলে আমরা সেটা সমর্থন করি না। দিলীপ ঘোষ প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন। একটা বিয়ে করে সবাইকে আউট করে দিয়েছিলেন প্রচার থেকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্যরা যা শুরু করেছেন তাতে তিনি প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন। তাই এন কে সলিলের মত বক্তব্য বলে প্রচারে ভেসে থাকতে চাইছেন। *কুণাল ঘোষ* বিধানসভা প্রেস কর্ণার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পুলিশ দিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্ক স্ট্রিটের ওই পরিবারকে। শনিবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গিয়েছিলেন, সেখানে যেভাবে ধমক দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গরীব কেউ শখ করে হয় না। ভোটের আগে গরীব বাচ্ছাদের জড়িয়ে ধরে ছবি তুলতে ভাল লাগে। আর ভোটের পর ওই দাপটে সরিয়ে দেওয়া। আমাদের নেত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল(রবিবার) বলার পর সময় হল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর? শনিবারের পর রবিবার ছিল, সোমবার ছিল, কি করলেন। যেই মুহুর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন দায়িত্ব নেবেন তারপরেই পুলিশকে দিয়ে তুলে আনা হল কেন ? কেন সেদিন বলেন নি মুখ্যমন্ত্রী যে তারা দায়িত্ব নিচ্ছেন। মমতাদি বলার পর ঘুম ভাঙলো ? আপনারা একটা অমানবিক কাজ করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক মুখ দেখিয়েছেন। ক্ষমতায় থাকলেও দেখিয়েছেন, না থাকলেও দেখিয়েছেন। সোমবার অত বড় বড় কথা বললেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে বাড়ি থেকে বের হতে না পারে দেখবেন। উনি(শুভেন্দু অধিকারী) তো স্পটে যান না, পুলিশ দিয়ে তুলে আনেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষনার পর চাপে পড়ে। এর মানে একটা জিনিশ প্রমাণিত হল অগ্নি মিত্রা পাল ভুল করেছিলেন। *দ্বিতীয় বিষয়* পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যানার পিছনে নিয়ে গতকাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটা কথা বললেন যে আপনি যাতে রাস্তায় বের হতে না পারেন সেটা আমি দেখব। এটা চূড়ান্ত নারী বিদ্বেষ। এমন এর আগে কখনও হয়নি যে একজন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছেন ! মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, রাষ্ট্রপতি কোথায়? এটা তো গুণ্ডাদের ভাষা। আসলে আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামলাতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স তুলে কথা বলছেন কেন ? এটা কোনও কথা! বয়স হচ্ছে বিশ্রাম নিন। মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি *প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একটা হাঁটার কম্পিটিশন হোক* সারা পৃথিবী দেখুক। এক্সারসাইজ আর হাঁটার প্রতিযোগিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাগজে কলমে যা বয়স বাস্তবে তার থেকে বয়স অনেকটাই কম। মমতাদির থেকে তো কয়েক বছরের বড় নরেন্দ্র মোদীর আর শুভেন্দু অধিকারী ক্যাম্প করেন অমিত শাহের। *এটা নরেন্দ্র মোদীকে সরানোর জন্য অমিত শাহের ক্যাম্প থেকে করানো হচ্ছে না তো? শুভেন্দু অধিকারী হয়তো চাইছেন অমিত শাহকে প্রোজেক্ট করতে।* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে তো অনেকটাই বড় নরেন্দ্র মোদী, তাই কি নরেন্দ্র মোদী কে সরাতে চাইছেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বললেন। *২০ সাংসদদের নোটিশ। প্রসঙ্গে* সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় সবিস্তারে বলেছেন। আইনটা এতটাই আমাদের পক্ষে যে এই কুড়ি জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল থেকে জেতা, চার তারিখের পর বিজেপির সঙ্গে ঘুরছে, বলছে এনসিপিআই। গোটাটাই আইন বহির্ভূত, নীতি বহির্ভূত। *ছাত্র দিবসের প্রতিষ্ঠা দিবসের স্থান* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে, তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে। ২১ জুলাইয়েও আমরা দেখেছি কোথায় জন জোয়ারে উপচে গিয়েছিল আর কোথায় চেয়ার খালি পড়ে ছিল। বিজেপির গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব, তোলাবাজি থেকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজেদের কর্মীকেই খুনের অভিযোগ উঠছে। পুলিশের কোনও ক্ষমতাই নেই। পুলিশ অফিসাররা কাজ করতে পারছেন না। বিধায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন সারারাত তাণ্ডব চলবে, আরেক বিধায়ক থানায় গিয়ে অফিসারকে হুমকি দিচ্ছে। কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশ বিরোধী কোনও শ্লোগান উঠলে আমরা সেটা সমর্থন করি না। দিলীপ ঘোষ প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন। একটা বিয়ে করে সবাইকে আউট করে দিয়েছিলেন প্রচার থেকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্যরা যা শুরু করেছেন তাতে তিনি প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন। তাই এন কে সলিলের মত বক্তব্য বলে প্রচারে ভেসে থাকতে চাইছেন।
- *কুণাল ঘোষ* বিধানসভা প্রেস কর্ণার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পুলিশ দিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্ক স্ট্রিটের ওই পরিবারকে। শনিবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গিয়েছিলেন, সেখানে যেভাবে ধমক দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গরীব কেউ শখ করে হয় না। ভোটের আগে গরীব বাচ্ছাদের জড়িয়ে ধরে ছবি তুলতে ভাল লাগে। আর ভোটের পর ওই দাপটে সরিয়ে দেওয়া। আমাদের নেত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল(রবিবার) বলার পর সময় হল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর? শনিবারের পর রবিবার ছিল, সোমবার ছিল, কি করলেন। যেই মুহুর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন দায়িত্ব নেবেন তারপরেই পুলিশকে দিয়ে তুলে আনা হল কেন ? কেন সেদিন বলেন নি মুখ্যমন্ত্রী যে তারা দায়িত্ব নিচ্ছেন। মমতাদি বলার পর ঘুম ভাঙলো ? আপনারা একটা অমানবিক কাজ করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক মুখ দেখিয়েছেন। ক্ষমতায় থাকলেও দেখিয়েছেন, না থাকলেও দেখিয়েছেন। সোমবার অত বড় বড় কথা বললেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে বাড়ি থেকে বের হতে না পারে দেখবেন। উনি(শুভেন্দু অধিকারী) তো স্পটে যান না, পুলিশ দিয়ে তুলে আনেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষনার পর চাপে পড়ে। এর মানে একটা জিনিশ প্রমাণিত হল অগ্নি মিত্রা পাল ভুল করেছিলেন। *দ্বিতীয় বিষয়* পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যানার পিছনে নিয়ে গতকাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটা কথা বললেন যে আপনি যাতে রাস্তায় বের হতে না পারেন সেটা আমি দেখব। এটা চূড়ান্ত নারী বিদ্বেষ। এমন এর আগে কখনও হয়নি যে একজন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছেন ! মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, রাষ্ট্রপতি কোথায়? এটা তো গুণ্ডাদের ভাষা। আসলে আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামলাতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স তুলে কথা বলছেন কেন ? এটা কোনও কথা! বয়স হচ্ছে বিশ্রাম নিন। মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি *প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একটা হাঁটার কম্পিটিশন হোক* সারা পৃথিবী দেখুক। এক্সারসাইজ আর হাঁটার প্রতিযোগিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাগজে কলমে যা বয়স বাস্তবে তার থেকে বয়স অনেকটাই কম। মমতাদির থেকে তো কয়েক বছরের বড় নরেন্দ্র মোদীর আর শুভেন্দু অধিকারী ক্যাম্প করেন অমিত শাহের। *এটা নরেন্দ্র মোদীকে সরানোর জন্য অমিত শাহের ক্যাম্প থেকে করানো হচ্ছে না তো? শুভেন্দু অধিকারী হয়তো চাইছেন অমিত শাহকে প্রোজেক্ট করতে।* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে তো অনেকটাই বড় নরেন্দ্র মোদী, তাই কি নরেন্দ্র মোদী কে সরাতে চাইছেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বললেন। *২০ সাংসদদের নোটিশ। প্রসঙ্গে* সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় সবিস্তারে বলেছেন। আইনটা এতটাই আমাদের পক্ষে যে এই কুড়ি জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল থেকে জেতা, চার তারিখের পর বিজেপির সঙ্গে ঘুরছে, বলছে এনসিপিআই। গোটাটাই আইন বহির্ভূত, নীতি বহির্ভূত। *ছাত্র দিবসের প্রতিষ্ঠা দিবসের স্থান* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে, তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে। ২১ জুলাইয়েও আমরা দেখেছি কোথায় জন জোয়ারে উপচে গিয়েছিল আর কোথায় চেয়ার খালি পড়ে ছিল। বিজেপির গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব, তোলাবাজি থেকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজেদের কর্মীকেই খুনের অভিযোগ উঠছে। পুলিশের কোনও ক্ষমতাই নেই। পুলিশ অফিসাররা কাজ করতে পারছেন না। বিধায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন সারারাত তাণ্ডব চলবে, আরেক বিধায়ক থানায় গিয়ে অফিসারকে হুমকি দিচ্ছে। কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশ বিরোধী কোনও শ্লোগান উঠলে আমরা সেটা সমর্থন করি না। দিলীপ ঘোষ প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন। একটা বিয়ে করে সবাইকে আউট করে দিয়েছিলেন প্রচার থেকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্যরা যা শুরু করেছেন তাতে তিনি প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন। তাই এন কে সলিলের মত বক্তব্য বলে প্রচারে ভেসে থাকতে চাইছেন। *কুণাল ঘোষ* বিধানসভা প্রেস কর্ণার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পুলিশ দিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্ক স্ট্রিটের ওই পরিবারকে। শনিবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গিয়েছিলেন, সেখানে যেভাবে ধমক দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গরীব কেউ শখ করে হয় না। ভোটের আগে গরীব বাচ্ছাদের জড়িয়ে ধরে ছবি তুলতে ভাল লাগে। আর ভোটের পর ওই দাপটে সরিয়ে দেওয়া। আমাদের নেত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল(রবিবার) বলার পর সময় হল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর? শনিবারের পর রবিবার ছিল, সোমবার ছিল, কি করলেন। যেই মুহুর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন দায়িত্ব নেবেন তারপরেই পুলিশকে দিয়ে তুলে আনা হল কেন ? কেন সেদিন বলেন নি মুখ্যমন্ত্রী যে তারা দায়িত্ব নিচ্ছেন। মমতাদি বলার পর ঘুম ভাঙলো ? আপনারা একটা অমানবিক কাজ করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক মুখ দেখিয়েছেন। ক্ষমতায় থাকলেও দেখিয়েছেন, না থাকলেও দেখিয়েছেন। সোমবার অত বড় বড় কথা বললেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে বাড়ি থেকে বের হতে না পারে দেখবেন। উনি(শুভেন্দু অধিকারী) তো স্পটে যান না, পুলিশ দিয়ে তুলে আনেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষনার পর চাপে পড়ে। এর মানে একটা জিনিশ প্রমাণিত হল অগ্নি মিত্রা পাল ভুল করেছিলেন। *দ্বিতীয় বিষয়* পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যানার পিছনে নিয়ে গতকাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটা কথা বললেন যে আপনি যাতে রাস্তায় বের হতে না পারেন সেটা আমি দেখব। এটা চূড়ান্ত নারী বিদ্বেষ। এমন এর আগে কখনও হয়নি যে একজন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছেন ! মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, রাষ্ট্রপতি কোথায়? এটা তো গুণ্ডাদের ভাষা। আসলে আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামলাতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স তুলে কথা বলছেন কেন ? এটা কোনও কথা! বয়স হচ্ছে বিশ্রাম নিন। মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি *প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একটা হাঁটার কম্পিটিশন হোক* সারা পৃথিবী দেখুক। এক্সারসাইজ আর হাঁটার প্রতিযোগিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাগজে কলমে যা বয়স বাস্তবে তার থেকে বয়স অনেকটাই কম। মমতাদির থেকে তো কয়েক বছরের বড় নরেন্দ্র মোদীর আর শুভেন্দু অধিকারী ক্যাম্প করেন অমিত শাহের। *এটা নরেন্দ্র মোদীকে সরানোর জন্য অমিত শাহের ক্যাম্প থেকে করানো হচ্ছে না তো? শুভেন্দু অধিকারী হয়তো চাইছেন অমিত শাহকে প্রোজেক্ট করতে।* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে তো অনেকটাই বড় নরেন্দ্র মোদী, তাই কি নরেন্দ্র মোদী কে সরাতে চাইছেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বললেন। *২০ সাংসদদের নোটিশ। প্রসঙ্গে* সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় সবিস্তারে বলেছেন। আইনটা এতটাই আমাদের পক্ষে যে এই কুড়ি জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল থেকে জেতা, চার তারিখের পর বিজেপির সঙ্গে ঘুরছে, বলছে এনসিপিআই। গোটাটাই আইন বহির্ভূত, নীতি বহির্ভূত। *ছাত্র দিবসের প্রতিষ্ঠা দিবসের স্থান* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে, তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে। ২১ জুলাইয়েও আমরা দেখেছি কোথায় জন জোয়ারে উপচে গিয়েছিল আর কোথায় চেয়ার খালি পড়ে ছিল। বিজেপির গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব, তোলাবাজি থেকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজেদের কর্মীকেই খুনের অভিযোগ উঠছে। পুলিশের কোনও ক্ষমতাই নেই। পুলিশ অফিসাররা কাজ করতে পারছেন না। বিধায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন সারারাত তাণ্ডব চলবে, আরেক বিধায়ক থানায় গিয়ে অফিসারকে হুমকি দিচ্ছে। কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশ বিরোধী কোনও শ্লোগান উঠলে আমরা সেটা সমর্থন করি না। দিলীপ ঘোষ প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন। একটা বিয়ে করে সবাইকে আউট করে দিয়েছিলেন প্রচার থেকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্যরা যা শুরু করেছেন তাতে তিনি প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন। তাই এন কে সলিলের মত বক্তব্য বলে প্রচারে ভেসে থাকতে চাইছেন।1
- পার্কস্ট্রিটে দুধ বিতর্কে মহিলার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস।1
- অনেক বড় খুশির খবর কেন্দ্র থেকে সুনীল বানসন জিকে মধ্যপ্রদেশ তেলেঙ্গানা উড়িষ্যা এবং পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। শ্রীরামপুর সংগঠনিক জেলা কার্যালয় বিজেপি শ্রীরামপুর মন্ডল১ এস সি মোর্চা সোশ্যাল মিডিয়া পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই🙏4
- বিহার পুলিশের বর্বরতা! বিজেপি সরকারের নির্দেশে আন্দোলনরত ছাত্রদের বেধড়ক মার | দৈনিক সমাচার1
- চোখের ব্যায়াম এতে রক্তচরণ সঞ্চালন ভালো থাকবে সুস্থ থাকবে চোখ1
- ভাঙড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা ভগবানপুর হাই স্কুলে খুশীর উল্লাস। শিক্ষকদের ফুটবল টুর্নামেন্টের জয়ী। 👬⚽🇮🇳1
- ন্যাশনাল একাডেমি অফ সাক্ষরতা এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ন্যাশনাল একাডেমি অফ সাক্ষরতা এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ৮০তম স্বাধীনতা দিবস মহতী সম্মাননা ২০২৬ মধ্যমগ্রাম ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ (রবিবার) সকাল ১১:টায় শুরু – বিকেল ৪:টা পর্যন্ত মধ্যমগ্রাম চিত্রাঙ্গদা হলে অনুষ্ঠিত হলো , ৮০তম স্বাধীনতা দিবস মহতী সম্মাননা ২০২৬।হিরণ্ময় গোস্বামী মহারাজ এখানে প্রধান অতিথি হিসেবে আসছিলেন এছাড়াও সুরকার মোল্লার ঘোষ ছিলেন। বহু সমাজ কর্মী এখানে পুরস্কার পেয়ে সম্মানিত হয়েছেন।ন্যাশনাল একাডেমি অফ সাক্ষরতা এই পুরস্কার দিয়েছে।4
- *কুণাল ঘোষ* বিধানসভা প্রেস কর্ণার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পুলিশ দিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্ক স্ট্রিটের ওই পরিবারকে। শনিবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গিয়েছিলেন, সেখানে যেভাবে ধমক দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গরীব কেউ শখ করে হয় না। ভোটের আগে গরীব বাচ্ছাদের জড়িয়ে ধরে ছবি তুলতে ভাল লাগে। আর ভোটের পর ওই দাপটে সরিয়ে দেওয়া। আমাদের নেত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল(রবিবার) বলার পর সময় হল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর? শনিবারের পর রবিবার ছিল, সোমবার ছিল, কি করলেন। যেই মুহুর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন দায়িত্ব নেবেন তারপরেই পুলিশকে দিয়ে তুলে আনা হল কেন ? কেন সেদিন বলেন নি মুখ্যমন্ত্রী যে তারা দায়িত্ব নিচ্ছেন। মমতাদি বলার পর ঘুম ভাঙলো ? আপনারা একটা অমানবিক কাজ করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক মুখ দেখিয়েছেন। ক্ষমতায় থাকলেও দেখিয়েছেন, না থাকলেও দেখিয়েছেন। সোমবার অত বড় বড় কথা বললেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে বাড়ি থেকে বের হতে না পারে দেখবেন। উনি(শুভেন্দু অধিকারী) তো স্পটে যান না, পুলিশ দিয়ে তুলে আনেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষনার পর চাপে পড়ে। এর মানে একটা জিনিশ প্রমাণিত হল অগ্নি মিত্রা পাল ভুল করেছিলেন। *দ্বিতীয় বিষয়* পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যানার পিছনে নিয়ে গতকাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটা কথা বললেন যে আপনি যাতে রাস্তায় বের হতে না পারেন সেটা আমি দেখব। এটা চূড়ান্ত নারী বিদ্বেষ। এমন এর আগে কখনও হয়নি যে একজন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছেন ! মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, রাষ্ট্রপতি কোথায়? এটা তো গুণ্ডাদের ভাষা। আসলে আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামলাতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স তুলে কথা বলছেন কেন ? এটা কোনও কথা! বয়স হচ্ছে বিশ্রাম নিন। মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি *প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একটা হাঁটার কম্পিটিশন হোক* সারা পৃথিবী দেখুক। এক্সারসাইজ আর হাঁটার প্রতিযোগিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাগজে কলমে যা বয়স বাস্তবে তার থেকে বয়স অনেকটাই কম। মমতাদির থেকে তো কয়েক বছরের বড় নরেন্দ্র মোদীর আর শুভেন্দু অধিকারী ক্যাম্প করেন অমিত শাহের। *এটা নরেন্দ্র মোদীকে সরানোর জন্য অমিত শাহের ক্যাম্প থেকে করানো হচ্ছে না তো? শুভেন্দু অধিকারী হয়তো চাইছেন অমিত শাহকে প্রোজেক্ট করতে।* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে তো অনেকটাই বড় নরেন্দ্র মোদী, তাই কি নরেন্দ্র মোদী কে সরাতে চাইছেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বললেন। *২০ সাংসদদের নোটিশ। প্রসঙ্গে* সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় সবিস্তারে বলেছেন। আইনটা এতটাই আমাদের পক্ষে যে এই কুড়ি জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল থেকে জেতা, চার তারিখের পর বিজেপির সঙ্গে ঘুরছে, বলছে এনসিপিআই। গোটাটাই আইন বহির্ভূত, নীতি বহির্ভূত। *ছাত্র দিবসের প্রতিষ্ঠা দিবসের স্থান* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে, তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে। ২১ জুলাইয়েও আমরা দেখেছি কোথায় জন জোয়ারে উপচে গিয়েছিল আর কোথায় চেয়ার খালি পড়ে ছিল। বিজেপির গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব, তোলাবাজি থেকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজেদের কর্মীকেই খুনের অভিযোগ উঠছে। পুলিশের কোনও ক্ষমতাই নেই। পুলিশ অফিসাররা কাজ করতে পারছেন না। বিধায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন সারারাত তাণ্ডব চলবে, আরেক বিধায়ক থানায় গিয়ে অফিসারকে হুমকি দিচ্ছে। কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশ বিরোধী কোনও শ্লোগান উঠলে আমরা সেটা সমর্থন করি না। দিলীপ ঘোষ প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন। একটা বিয়ে করে সবাইকে আউট করে দিয়েছিলেন প্রচার থেকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্যরা যা শুরু করেছেন তাতে তিনি প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন। তাই এন কে সলিলের মত বক্তব্য বলে প্রচারে ভেসে থাকতে চাইছেন। *কুণাল ঘোষ* বিধানসভা প্রেস কর্ণার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পুলিশ দিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্ক স্ট্রিটের ওই পরিবারকে। শনিবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গিয়েছিলেন, সেখানে যেভাবে ধমক দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গরীব কেউ শখ করে হয় না। ভোটের আগে গরীব বাচ্ছাদের জড়িয়ে ধরে ছবি তুলতে ভাল লাগে। আর ভোটের পর ওই দাপটে সরিয়ে দেওয়া। আমাদের নেত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল(রবিবার) বলার পর সময় হল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর? শনিবারের পর রবিবার ছিল, সোমবার ছিল, কি করলেন। যেই মুহুর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন দায়িত্ব নেবেন তারপরেই পুলিশকে দিয়ে তুলে আনা হল কেন ? কেন সেদিন বলেন নি মুখ্যমন্ত্রী যে তারা দায়িত্ব নিচ্ছেন। মমতাদি বলার পর ঘুম ভাঙলো ? আপনারা একটা অমানবিক কাজ করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক মুখ দেখিয়েছেন। ক্ষমতায় থাকলেও দেখিয়েছেন, না থাকলেও দেখিয়েছেন। সোমবার অত বড় বড় কথা বললেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে বাড়ি থেকে বের হতে না পারে দেখবেন। উনি(শুভেন্দু অধিকারী) তো স্পটে যান না, পুলিশ দিয়ে তুলে আনেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষনার পর চাপে পড়ে। এর মানে একটা জিনিশ প্রমাণিত হল অগ্নি মিত্রা পাল ভুল করেছিলেন। *দ্বিতীয় বিষয়* পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যানার পিছনে নিয়ে গতকাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটা কথা বললেন যে আপনি যাতে রাস্তায় বের হতে না পারেন সেটা আমি দেখব। এটা চূড়ান্ত নারী বিদ্বেষ। এমন এর আগে কখনও হয়নি যে একজন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছেন ! মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, রাষ্ট্রপতি কোথায়? এটা তো গুণ্ডাদের ভাষা। আসলে আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামলাতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স তুলে কথা বলছেন কেন ? এটা কোনও কথা! বয়স হচ্ছে বিশ্রাম নিন। মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি *প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একটা হাঁটার কম্পিটিশন হোক* সারা পৃথিবী দেখুক। এক্সারসাইজ আর হাঁটার প্রতিযোগিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাগজে কলমে যা বয়স বাস্তবে তার থেকে বয়স অনেকটাই কম। মমতাদির থেকে তো কয়েক বছরের বড় নরেন্দ্র মোদীর আর শুভেন্দু অধিকারী ক্যাম্প করেন অমিত শাহের। *এটা নরেন্দ্র মোদীকে সরানোর জন্য অমিত শাহের ক্যাম্প থেকে করানো হচ্ছে না তো? শুভেন্দু অধিকারী হয়তো চাইছেন অমিত শাহকে প্রোজেক্ট করতে।* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে তো অনেকটাই বড় নরেন্দ্র মোদী, তাই কি নরেন্দ্র মোদী কে সরাতে চাইছেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বললেন। *২০ সাংসদদের নোটিশ। প্রসঙ্গে* সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় সবিস্তারে বলেছেন। আইনটা এতটাই আমাদের পক্ষে যে এই কুড়ি জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল থেকে জেতা, চার তারিখের পর বিজেপির সঙ্গে ঘুরছে, বলছে এনসিপিআই। গোটাটাই আইন বহির্ভূত, নীতি বহির্ভূত। *ছাত্র দিবসের প্রতিষ্ঠা দিবসের স্থান* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে, তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে। ২১ জুলাইয়েও আমরা দেখেছি কোথায় জন জোয়ারে উপচে গিয়েছিল আর কোথায় চেয়ার খালি পড়ে ছিল। বিজেপির গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব, তোলাবাজি থেকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজেদের কর্মীকেই খুনের অভিযোগ উঠছে। পুলিশের কোনও ক্ষমতাই নেই। পুলিশ অফিসাররা কাজ করতে পারছেন না। বিধায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন সারারাত তাণ্ডব চলবে, আরেক বিধায়ক থানায় গিয়ে অফিসারকে হুমকি দিচ্ছে। কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশ বিরোধী কোনও শ্লোগান উঠলে আমরা সেটা সমর্থন করি না। দিলীপ ঘোষ প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন। একটা বিয়ে করে সবাইকে আউট করে দিয়েছিলেন প্রচার থেকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্যরা যা শুরু করেছেন তাতে তিনি প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন। তাই এন কে সলিলের মত বক্তব্য বলে প্রচারে ভেসে থাকতে চাইছেন।1
- “জেলে যাব, লাঠি খাব, গুলি খাব, তবু দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে উপড়ে ফেলব” — হুঙ্কার বিহারী ক্ষুদের | দৈনিক সমাচার1