Shuru
Apke Nagar Ki App…
শান্তিপুর কালনা ফেরিঘাটে নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চলছে গাড়ি পারাবার শান্তিপুর ও নদীয়া জেলার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা যাতায়াত ব্যবস্থা শান্তিপুর কানলা ফেরিঘাট। এই ফেরিঘাট নিয়ে অনেক সময় অনেক অভিযোগ থাকলেও বর্তমানে স্বাচ্ছন্দভাবে যাত্রী পরিষেবা দিতে অভ্যস্ত ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার যাত্রীর পারাপার এই ফেরিঘাট দিয়ে কয়েক হাজার ট্রাক ও ছোট গাড়ি যাতায়াত করে এই গঙ্গাভুক্ত।
Raja Murad sheikh
শান্তিপুর কালনা ফেরিঘাটে নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চলছে গাড়ি পারাবার শান্তিপুর ও নদীয়া জেলার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা যাতায়াত ব্যবস্থা শান্তিপুর কানলা ফেরিঘাট। এই ফেরিঘাট নিয়ে অনেক সময় অনেক অভিযোগ থাকলেও বর্তমানে স্বাচ্ছন্দভাবে যাত্রী পরিষেবা দিতে অভ্যস্ত ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার যাত্রীর পারাপার এই ফেরিঘাট দিয়ে কয়েক হাজার ট্রাক ও ছোট গাড়ি যাতায়াত করে এই গঙ্গাভুক্ত।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- নদীয়ার বীরনগর খড়দা পাড়ায় ভর সন্ধ্যায় ভয়াবহ চু*রি!!! দেখুন বিস্তারিত।। #election2026 #NewsUpdate #BreakingNews #viralnews Nadia time news live @top fans1
- গাংনাপুর আঁইসমালি থেকে ৪ টি সকেড বোম ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক ব্যক্তি ধৃত1
- Post by Sohel bhai1
- কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন কে অনর্থ মন্ত্রী বলে কটাক্ষ মমতার রাজ কুমার ঘোষ। কালনা:- আগামী ২৩ তারিখ বাংলায় প্রথম দফা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে বেরিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনায় দলের প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন কালনার বৈদ্যপুর মিরাট কোলের মাঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা করেন।সভায় উপস্থিত ছিলেন কালনা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী দেবপ্রসাদ বাগ,এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিদায়ী মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ কাটোয়া বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, কালনা ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রণব রায়, তৃণমূল নেতা দেবু টুডু, সাংসদ শর্মিলা সরকার সহ জেলা নেতৃত্ব। মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্ধমান জেলা হল শস্য ভান্ডারের জায়গা। বর্ধমানের মাটিতেই সোনা ফলে।বর্ধমান জেলার কৃষকরা যে ধান উৎপন্ন করে। সেই ধান থেকে তৈরি চালের ভাত খেয়েই মানুষ বেঁচে থাকে। পাশাপাশি বর্ধমান জেলার কালনা এলাকার তাঁত শিল্প জগত বিখ্যাত। তিনি তাঁত সাথী প্রকল্প চালু করেছিলেন। ধাত্রীগ্রামে এখনো পর্যন্ত তাঁত সাথী প্রকল্পের জায়গা রয়েছে। সেই প্রকল্পে তাঁত শিল্পীদের যন্ত্রপাতি ও মেশিন দেওয়া হয়েছিল বিনা পয়সায়। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে কালনায় এসে অর্থমন্ত্রী কার্ড বিতরণ করে গেছেন। যেটা পুরোপুরি বেআইনি। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। যারা অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে কার্ড সংগ্রহ করেছেন তাদের সাবধান করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন গোটাটাই বিজেপির ভাঁওতাবাজি ছাড়া আর কিছুই না। এই সুযোগে আপনাদের নাম ঠিকানা আপনাদের পরিবারের তথ্য, ব্যাংক একাউন্ট সব কিছুই নিয়ে নিয়েছে। যে সমস্ত মহিলারা লক্ষীর ভান্ডার পান তাদেরও নাম কেটে বাদ দিয়ে সব লুটে নেবে। এরপর ৩০০০ টাকার লোভ দেখিয়ে ফর্ম ফিলাপ করানো করাবে। তাই সকলকে এই বিষয়ে সাবধান করেন তিনি। তিনি বলেন বিজেপি বলেছিল বছরে দু কোটি করে চাকরি দেবে। সবার একাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেবে। কিন্তু কেউ কিছুই পায়নি। মানুষ তাদের ভাঁওতাগিরি বুঝে গিয়েছে। উল্টে বিজেপি সরকার চল্লিশ শতাংশ বেকার সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে। আগে প্লাটফর্মের টিকিটের দাম, গ্যাসের দাম, ট্রেনের টিকিটের দাম কত ছিল আর এখন কত হয়েছে। বিজেপিকে বিদায় না দিলে মানুষ আর কিছুই পাবে না। নির্বাচনের সময় আসলেই বিজেপি বসন্তের কোকিলের মত উড়ে আসে এবং কাকের বাসায় ডিম পেড়ে চলে যায়। এরপর বাংলায় যখন ঝড়-বৃষ্টি বন্যা হয় তখন আর তাদের দেখা পাওয়া যায় না।। তিনি বলেন কৃষক মৃত্যুর ঘটনায় ভারতবর্ষ প্রথম সারিতে কিন্তু বাংলায় কৃষক মৃত্যুর ঘটনা কমে গিয়েছে। বাংলার কৃষকরা এখন সুখে শান্তিতে রয়েছে। একমাত্র বাংলায় রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা চাকরির শেষে পেনশন পান। ২৫ শতাংশ ডি এ দিয়ে দেওয়া হয়েছে বাকি ৪ শতাংশ ডি এ দিয়ে দেওয়া হবে। দূরদর্শন সরকারি প্রচারকেন্দ্র। সেখান থেকে এখন প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক প্রচার করছেন। তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানানো উচিত। এই বিষয়ে তারা দ্রুত অভিযোগ জানাবেন। বাংলার বাইরে গিয়ে বাংলার মানুষরা যখন বাংলায় কথা বলে। তখন বিজেপি তাদের ওপর অত্যাচার চালায় বিজেপি। বাংলাকে টার্গেট করলে আমরা দিল্লি কেও টার্গেট করি। কথায় কথায় বিজেপি শুধু ইডি-সিবিআই পাঠিয়ে দিচ্ছে। প্রার্থী থেকে শুরু করে দলীয় কার্যালয় কোনো কিছুই বাদ দিচ্ছে না তারা। ভয় দেখিয়ে বলছে বাংলা ছেড়ে চলে যেতে। তারা বলছেন ভালোভাবে বাংলা ছেড়ে চলে যাক, নাড়ু দেবো এক বোতল করে। আগামী দিন বিজেপি থাকবেনা। আমরাও সবার নাম ঠিকানা সবকিছুই রেকর্ড করে রাখছি। সময় হলে আইনি ব্যবস্থা তারা নেবেন। তৃণমূলের সরকার থাকলে লক্ষীর ভান্ডার আজীবন চলবে এটা তারা জোর গলায় বলে যাচ্ছেন। কারণ তারা ভোটের সময় কাগজে সই করিয়ে প্রতিশ্রুতি দেন না। আবাস যোজনার টাকা বিজেপি দিক বা না দিক বাংলার সরকার বাংলার মানুষের কাঁচা বাড়ি পাকা করে দেবে। এতদিন বাংলার মানুষ দুয়ারে সরকারের সুবিধা লাভ করেছে। এবার দুয়ারে স্বাস্থ্য শিবির হবে।। সেখানে গ্রামের মানুষেরা উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন তার তার নিরাপত্তা রক্ষীদের ইডি দেখিয়ে তাকে খুন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কোথায় তাকে খুন করা হবে সেটা বিজেপি বলে দিক। তিনি একা সেই স্থানে গিয়ে হাজির থাকবেন। বন্ধক উঁচিয়ে তার বুকে গুলি করা হোক, তিনি মেনে নেবেন। কিন্তু মাথা নত করবেন না। সুপ্রিম কোর্টে টাইট দিয়ে ৩২লক্ষ নাম উঠানো হয়েছে। বাকিদেরও ভোটের পরে তোলা হবে। বাংলায় কোনো বিজেপি, সিপিএম, বা কংগ্রেসের নেতার বাড়িতে ইডি সিবিআই পাঠিয়ে রেড করা হয়নি। কিন্তু তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে ঘনঘন ইডি সিবিআই পাঠানো হচ্ছে। আগামী দিন বিচুতি পাতার নাড়ু করে খাওয়ানো হবে। বাংলা কখনো মাথা নত করেনি আর কোনো দিনও করবেও না।।1
- Post by Memari Update News1
- কোটরা থেকে সরাসরি পীরের ছেলে রাজনীতি করবে কেন খেটে কাহা মেহনতি মানুষদের পাশে গিয়ে দাঁড়াও ইসলাম এটাই বলে সে হতে পারে দলিত আদিবাসী যেকোনো ধর্মের মানুষ উপস্থিত আছেন দেগঙ্গা বিধানসভার আইএসএফের প্রার্থী মিন্টু সাহাজি1
- শান্তিপুর ও নদীয়া জেলার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা যাতায়াত ব্যবস্থা শান্তিপুর কানলা ফেরিঘাট। এই ফেরিঘাট নিয়ে অনেক সময় অনেক অভিযোগ থাকলেও বর্তমানে স্বাচ্ছন্দভাবে যাত্রী পরিষেবা দিতে অভ্যস্ত ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার যাত্রীর পারাপার এই ফেরিঘাট দিয়ে কয়েক হাজার ট্রাক ও ছোট গাড়ি যাতায়াত করে এই গঙ্গাভুক্ত।1
- Post by Sohel bhai1
- Post by Memari Update News1