Shuru
Apke Nagar Ki App…
পাঞ্জাবের বাটালায় বহুল আলোচিত জোড়া খুন কাণ্ডে জড়িত তিন শুটারকে আলিপুরদুয়ারের জয়গাঁ থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভারত-ভুটান সীমান্ত পেরিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কোনও দেশে পালানোর ছক কষেছিল তারা। পাঞ্জাব পুলিশ তাদের ট্রানজিট রিমান্ডে নিজেদের রাজ্যে নিয়ে গেছে।
Annanya Dey
পাঞ্জাবের বাটালায় বহুল আলোচিত জোড়া খুন কাণ্ডে জড়িত তিন শুটারকে আলিপুরদুয়ারের জয়গাঁ থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভারত-ভুটান সীমান্ত পেরিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কোনও দেশে পালানোর ছক কষেছিল তারা। পাঞ্জাব পুলিশ তাদের ট্রানজিট রিমান্ডে নিজেদের রাজ্যে নিয়ে গেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Ami Amar Badshah Maharashtra Kas kurte SSC 🤩🤩🤩🤩🤩😔😔🥀🥀1
- রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে, বাংলা তার শিকড় ভুলবে না এবং তা সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের পথেই এগিয়ে যাবে। তিনি সমাজগঠনের জন্য রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ, গৌড়ীয় মঠ ও ইসকনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হওয়ার ডাক দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যদি আপত্তি থাকে তবে 'হরে কৃষ্ণ' বলার প্রয়োজন নেই, কিন্তু ভালো খাবার পাওয়া যাবে। এর অংশ হিসেবে, কলকাতায় একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে ইসকনের মাধ্যমে মিড-ডে মিল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে ডিমের পরিবর্তে পুষ্টিকর নিরামিষ খাদ্যের উপর জোর দেওয়া হবে।1
- এক সময় দিনহাটায় দাপুটে তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত বিশু ধরকে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজ্যে ক্ষমতার পালা বদল হতেই তাঁর এই দাপট কার্যত বিলীন হয়ে যায়। অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি দিনহাটা শিশুমঙ্গল সমিতির নামে তোলাবাজি চালাতেন। গ্রেফতারের পর পুলিশ তাঁকে কার্যত হাঁটিয়েই আদালতের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। একদা 'বাঘের' মতো দাপট দেখানো এই নেতা যেন পুলিশের হাতে পড়তেই 'বিড়ালে' পরিণত হয়েছেন। তাঁর এই গ্রেফতারি দিনহাটার এক ক্ষমতাশালী তৃণমূল নেতার দাপট কমে যাওয়ার ছবি তুলে ধরেছে।1
- উদয়নের ঘনিষ্ঠ বিশু ধর গ্রেপ্তার হওয়ার পরপরই একজন বিজেপি নেতা বিস্ফোরক উক্তি করেছেন।1
- অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের জুলাই মাসের আর্থিক সহায়তা কবে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছাবে, তা নিয়ে বহু আবেদনকারীর মধ্যে কৌতূহল ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা নতুন আবেদন করেছেন অথবা আগের কিস্তি পেতে সমস্যায় পড়েছিলেন, তাঁরা তাঁদের আবেদনের বর্তমান অবস্থা জানতে আগ্রহী। প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে টাকা অ্যাকাউন্টে না এলেই উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। আবেদন যাচাই প্রক্রিয়া, নথি পরীক্ষণ, কিংবা ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত কিছু কারিগরি সমস্যার কারণে অর্থপ্রদানে বিলম্ব হতে পারে। আবেদনের বর্তমান অবস্থা জানতে উপভোক্তারা রাজ্যের সামাজিক সুরক্ষা পোর্টালে লগ-ইন করতে পারেন। আধার-সংযুক্ত মোবাইল নম্বরে প্রাপ্ত ওটিপি ব্যবহার করে প্রবেশ করার পর ‘Track Application’ বা আবেদনপত্রের স্থিতি সংক্রান্ত বিভাগে গিয়ে আবেদন নম্বর, আধার নম্বর অথবা নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে তথ্য দেখা সম্ভব। যদি আবেদনের স্ট্যাটাসে ‘Approved’ বা ‘Verified’ লেখা দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে আবেদনটি সফলভাবে যাচাই সম্পন্ন হয়েছে এবং তা পরবর্তী অর্থপ্রদানের পর্যায়ে রয়েছে। অন্যদিকে, যদি ‘Pending at BDO/SDO’ দেখা যায়, তবে সংশ্লিষ্ট আবেদন এখনও প্রশাসনিক স্তরে যাচাইয়ের অপেক্ষায় আছে, এবং এক্ষেত্রে কিছুদিন অপেক্ষা করে নিয়মিত স্ট্যাটাস পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সমস্যা, আধার ও ব্যাঙ্কের তথ্যের অমিল, অথবা যৌথ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের মতো কারণেও অর্থপ্রদান আটকে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনিক দপ্তরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যদি আবেদনপত্রের স্ট্যাটাসে ‘Rejected’ দেখা যায়, তবে আবেদন বাতিলের কারণ জেনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।1
- আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় উদয়ন ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা বিশু ধর এক তাৎপর্যপূর্ণ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন যে, সৎভাবে রাজনীতি করার দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। এর পাশাপাশি বিশু ধর আরও দাবি করেন যে তিনি আজীবন সৎ ছিলেন এবং সারা জীবন সৎ থাকবেন।1
- ২৬ জুন, শুক্রবার, কুচলিবাড়ির তিনবিঘা করিডর সংলগ্ন এলাকায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো তিনবিঘা শহীদ দিবস। এই উপলক্ষে শহীদ বেদিতে মাল্যদান ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক দধিরাম রায়, বিজেপির নেতৃত্ব, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য এবং এলাকার বহু মানুষ। বক্তারা এই আন্দোলনকে শুধুমাত্র একটি ভূখণ্ড রক্ষার নয়, বরং দেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্তবর্তী মানুষের অধিকার এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সংগ্রাম হিসেবে উল্লেখ করেন। বক্তারা তিনবিঘা আন্দোলনের বিস্তারিত ইতিহাস তুলে ধরেন, যেখানে ১৯৭৪ সালের ইন্দিরা–মুজিব চুক্তির পর করিডরটি বাংলাদেশের ব্যবহারের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে জমি হস্তান্তরের প্রস্তুতি শুরু হলে কুচলিবাড়ি এলাকার মানুষ এর বিরোধিতায় আন্দোলনে নামেন। এই আন্দোলনের সময়, ১৯৮১ সালের ৮ জুলাই পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সুধীর রায়। এর এক দশক পর, ১৯৯২ সালের ২৬ জুন তিনবিঘা করিডর চালুর দিন ফের পুলিশের গুলিতে শহীদ হন জিতেন রায় ও ক্ষিতেন অধিকারী। তাঁদের এই আত্মত্যাগ কুচলিবাড়ি-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে আজও সংগ্রাম, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক দধিরাম রায় শহীদ পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তিনি জানান যে, শহীদ পরিবারদের সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এই বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা মন্তব্য করেন যে, তিনবিঘা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ আগামী প্রজন্মের কাছে দেশপ্রেমের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। সে কারণেই প্রতি বছরের মতো এ বছরও পূর্ণ শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে তিনবিঘা শহীদ দিবস পালন করা হলো।1
- শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে শীতলকুচি বাজারে ভারতীয় জনতা পার্টির কিষান মোর্চা একটি ধন্যবাদ মিছিল বের করে। পিএম কিষান সম্মান নিধি যোজনার ২৩ তম কিস্তির অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানাতেই এই মিছিল করা হয়। পিএম কিষান সম্মান নিধির ২৩ তম কিস্তি উপলক্ষে বিজেপি কিষান মোর্চার পক্ষ থেকে শীতলকুচিতে এই ধন্যবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল।1
- তুফানগঞ্জ শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন ওয়ার্ড সভাপতি সুব্রত দাস ওরফে লিটনের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দারা কাটমানি আদায়, রাজনৈতিক হিংসায় মদত এবং সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ভাঙচুরে যুক্ত থাকার অভিযোগে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। শুক্রবার তুফানগঞ্জ শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মদন মোহনপাড়া এলাকায় তাঁর ওপর 'ডিম থেরাপি' চালানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, সুব্রত দাস দীর্ঘদিন ধরে কাটমানি আদায়, রাজনৈতিক হিংসায় মদত দেওয়া এবং বিরোধী মতের মানুষের বাড়িঘর ভাঙচুরে জড়িত ছিলেন। এই দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভ থেকেই এদিন স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিক্ষোভকারীরা প্রতিবাদস্বরূপ তাঁর দিকে ডিম ছুঁড়ে মারেন। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভবিষ্যতে আর কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিজেপির তুফানগঞ্জ বিধানসভা কো-কনভেনার নিখিল গাবুয়া এই ঘটনাকে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের চাপা জনরোষের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, কাটমানি, অত্যাচার ও রাজনৈতিক হিংসার বিরুদ্ধে মানুষ এখন রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এই ঘটনা তুফানগঞ্জের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং পুলিশ পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে ও স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।1