Shuru
Apke Nagar Ki App…
শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে শীতলকুচি বাজারে ভারতীয় জনতা পার্টির কিষান মোর্চা একটি ধন্যবাদ মিছিল বের করে। পিএম কিষান সম্মান নিধি যোজনার ২৩ তম কিস্তির অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানাতেই এই মিছিল করা হয়। পিএম কিষান সম্মান নিধির ২৩ তম কিস্তি উপলক্ষে বিজেপি কিষান মোর্চার পক্ষ থেকে শীতলকুচিতে এই ধন্যবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল।
SLK News সংবাদ মাধ্যম
শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে শীতলকুচি বাজারে ভারতীয় জনতা পার্টির কিষান মোর্চা একটি ধন্যবাদ মিছিল বের করে। পিএম কিষান সম্মান নিধি যোজনার ২৩ তম কিস্তির অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানাতেই এই মিছিল করা হয়। পিএম কিষান সম্মান নিধির ২৩ তম কিস্তি উপলক্ষে বিজেপি কিষান মোর্চার পক্ষ থেকে শীতলকুচিতে এই ধন্যবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে শীতলকুচি বাজারে ভারতীয় জনতা পার্টির কিষান মোর্চা একটি ধন্যবাদ মিছিল বের করে। পিএম কিষান সম্মান নিধি যোজনার ২৩ তম কিস্তির অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানাতেই এই মিছিল করা হয়। পিএম কিষান সম্মান নিধির ২৩ তম কিস্তি উপলক্ষে বিজেপি কিষান মোর্চার পক্ষ থেকে শীতলকুচিতে এই ধন্যবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল।1
- ২০২৬ সালের সিতাই বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী আশুতোষ বর্মা সিতাই ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) কার্তিক চক্রবর্তী মহাশয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিতাই ১ নং মণ্ডল সভাপতি সুকুমার বর্মন এবং অন্যান্য বিজেপি কার্যকর্তারা। এদিন বিজেপি নেতারা সিতাই বিডিও অফিস ও সিতাই থানা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের পর তাঁরা দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন। এই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভরসা ইন, ভয় আউট’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইতিবাচক বার্তা দেন তাঁরা।1
- বালির প্রাক্তন তৃণমূল ব্লক সভাপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে তাঁর বাড়ির মধ্যেই 'ডিম থেরাপি'র ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, একদল বিক্ষোভকারী তাঁর বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে দুর্নীতি, কাটমানি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এই বিক্ষোভ চলাকালীনই বাড়ির ভেতরের দিকে লক্ষ্য করে একাধিক ডিম ছোড়া হয়, যাকে বিক্ষোভকারীরা ‘ডিম থেরাপি’ বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনার সময় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে। তবে, উল্লেখ্য যে এই অভিযোগগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এগুলো কেবল অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।1
- শুক্রবার সকালে মাথাভাঙা শহরের শনি মন্দির মোড় এলাকায় সদ্যজাত এক শিশুর ভ্রূণ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা একটি রক্তাক্ত খবরের কাগজের মধ্যে ওই ভ্রূণটিকে দেখতে পেয়েছিলেন। এই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে মুহূর্তের মধ্যেই প্রচুর ভিড় জমে যায় এবং মাথাভাঙা থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সদ্যোজাত ভ্রূণটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। বর্তমানে পুলিশ এই ব্যস্ততম এলাকায় কে বা কারা ওই ভ্রূণটি ফেলে গেছে, তা খতিয়ে দেখছে।1
- এক সময় দিনহাটায় দাপুটে তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত বিশু ধরকে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজ্যে ক্ষমতার পালা বদল হতেই তাঁর এই দাপট কার্যত বিলীন হয়ে যায়। অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি দিনহাটা শিশুমঙ্গল সমিতির নামে তোলাবাজি চালাতেন। গ্রেফতারের পর পুলিশ তাঁকে কার্যত হাঁটিয়েই আদালতের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। একদা 'বাঘের' মতো দাপট দেখানো এই নেতা যেন পুলিশের হাতে পড়তেই 'বিড়ালে' পরিণত হয়েছেন। তাঁর এই গ্রেফতারি দিনহাটার এক ক্ষমতাশালী তৃণমূল নেতার দাপট কমে যাওয়ার ছবি তুলে ধরেছে।1
- কোচবিহার জেলার হলদিবাড়ি পুরসভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। যানজট মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার লক্ষ্যেই এই বৈঠকটি আয়োজন করা হয়েছিল।1
- উদয়নের ঘনিষ্ঠ বিশু ধর গ্রেপ্তার হওয়ার পরপরই একজন বিজেপি নেতা বিস্ফোরক উক্তি করেছেন।1
- শুক্রবার দুপুরে শীতলকুচি ব্লকের গাদোপোতা এলাকাজুড়ে একটি দুই বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, এদিন দুপুর প্রায় ২টা নাগাদ শিশুটি বাড়ির লোকজনের চোখ এড়িয়ে খেলতে খেলতে শৌচাগারে ঢুকে পড়ে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে যে, সেখানেই রাখা জলের বালতিতে উল্টে পড়ে গিয়েছিল শিশুটি। দীর্ঘক্ষণ শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বাড়ির চারপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে শৌচাগারের ভিতর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত শীতলকুচি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।1