Shuru
Apke Nagar Ki App…
#মালদায় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা
চোপড়ার লোকাল নিউজ
#মালদায় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- সকালেই বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় চিতাবাঘের দেখা, আতঙ্কে চা বাগান এলাকা1
- ইন্দো নেপাল সীমান্তের মেচী নদী থেকে অবৈধভাবে বালি পাচার, অভিযান চালিয়ে আটক ২ টি বালি বোঝাই ট্রাক্টর, গ্ৰেফতার ১ চালক, পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়িবাড়ির পানিট্যাঙ্কি লাগোয়া ইন্দো নেপাল সীমান্তের মেচী নদী অন্তরাম ঘাট থেকে অবৈধভাবে বালি তুলে নক্সালবাড়ির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেই মতো খবর পেয়ে খড়িবাড়ির পানিট্যাঙ্কি ফাঁড়ির পুলিশ একটি দল অভিযান চালালে ২ টি ট্রাক্টর আটক করা হয়, পুলিশ দেখে একজন পালিয়ে গেলেও এক ট্রাক্টর চালক আটক করে পুলিশ, কোনো রকম বৈধ নথি দেখাতে না পারায় বালি চুরির অভিযোগে চালকে গ্ৰেফতার করে পুলিশ, ধৃতের নাম বাবলু হাজদা, সে খড়িবাড়ির ফুলবাড়ি চা বাগানের বাসিন্দা, পরে আটক ২ টি ট্রাক্টরকে বাজেয়াপ্ত করে খড়িবাড়ির পানিট্যাঙ্কি ফাঁড়িতে নিয়ে আসে পুলিশ, ধৃতকে আজ শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হবে, রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে গ্ৰামীন রাস্তা ধরে দ্রুত গতিতে ছুটে এই ট্রাক্টর, কোনো রকম অপ্রিতীকর ঘটনা এড়াতে লাগতার অভিযান চলবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর,1
- সচরাচর দেখা যায় স্বামীর অত্যাচারে ঘর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন স্ত্রী। কিন্তু এবার একেবারে উল্টো ছবি সামনে এলো জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জে। অভিযোগ, স্ত্রীর অত্যাচারে ঘর ছেড়েছেন স্বামী এবং তাঁর বৃদ্ধা মা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজগঞ্জ ব্লকের সুখানী গ্রাম পঞ্চায়েতের দুন্দি পাড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুন্দি পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাইরুল হক তাঁর মাকে নিয়ে বসবাস করতেন। ২০২৩ সালে তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী তাঁদের উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার শুরু করেন বলে অভিযোগ সাইরুলের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিকবার সালিসি সভাও বসে। স্থানীয় পঞ্চায়েতের উদ্যোগে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত কোনও সমাধান মেলেনি বলে জানা গেছে। সাইরুল হকের দাবি, তাঁর স্ত্রী তাঁকে প্রাণে মারার হুমকিও দিয়েছেন। এমনকি তাঁকে বিষ খাইয়ে মারার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ তাঁর। প্রাণের ভয়ে তিনি বর্তমানে বাড়ি ছেড়ে রয়েছেন এবং রাজগঞ্জ থানায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ইতিমধ্যেই পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রাজগঞ্জ থানার পুলিশ।1
- বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বানভাসি এলাকার সাধারণ মানুষ। সামনেই ভোটার আর তার আগেই বানভাসি এলাকায় গিয়েছিলেন খবর নিতে জলপাইগুড়ির তৃণমূল এসি ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস। তাকে সামনে পেয়ে বানভাসি সেই এলাকার মানুষ ধূপগুড়ির বিধায়কের বিরুদ্ধে একাধিক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যখন আমরা ঘরবাড়ি সবই হারিয়েছি তখন বিধায়ক এসে শুধু হাত দেখিয়ে বলেছিলেন সব করে দিব আজ ছয় মাস কেটে গেলও দেখা মেলেনি বিধায়কের। এদিন এস সি এসটি ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস বলেন, এখানে দ্রুততার সঙ্গে দুটি কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে তবে চিন্তার কিছু নেই তিনি এলাকার বানভাসি মানুষদের পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন।2
- Post by ASHISH MITRA1
- Post by Raj roy1
- #মালদায় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা1
- “পরিবর্তন যাত্রার আগেই নকশালবাড়িতে রাজনৈতিক তরজা, পতাকা ঘিরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘাত”1
- *৯৬ রানের ঐতিহাসিক জয়, তৃতীয়বার টি–২০ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত — আনন্দে রাত জাগল শিলিগুড়ি* আইসিসি মেনস টি–২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের দুরন্ত জয়ের পর আনন্দে ভেসে গেল শিলিগুড়ি শহর। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রিকেটপ্রেমীরা ভিড় জমান হাসমি চকে। জাতীয় পতাকা হাতে উল্লাস, বাজি-পটকা ফাটানো এবং স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। ভারতের জয়ের আনন্দে মুহূর্তের মধ্যেই সেখানে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। ফাইনাল ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের নজির গড়ে। নির্ধারিত ২০ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রানের বিশাল সংগ্রহ তোলে টিম ইন্ডিয়া। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা প্রতিপক্ষের বোলিংকে চাপে ফেলে দেন এবং বড় লক্ষ্য দাঁড় করান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সেই বিশাল রান তাড়া করতে গিয়ে শুরু থেকেই সমস্যায় পড়ে নিউজিল্যান্ড। ভারতের বোলারদের ধারাবাহিক আক্রমণে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে কিউইরা। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে সমস্ত উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রানেই থেমে যায় নিউজিল্যান্ড। ফলে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে তৃতীয়বারের মতো আইসিসি মেনস টি–২০ বিশ্বকাপ ট্রফি জিতে নেয় ভারত। এই জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শিলিগুড়ির হাসমি চকে প্রায় হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন। মহিলা, পুরুষ, তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে ছোট ছোট বাচ্চারাও এই আনন্দে সামিল হন। ৮ থেকে ৮০—সব বয়সের মানুষ তিরঙ্গা হাতে নাচ-গান করেন, অনেকেই একে অপরকে মিষ্টি খাইয়ে শুভেচ্ছা জানান। ক্রিকেটপ্রেমীদের মতে, ভারতের এই জয় দেশের জন্য এক গর্বের মুহূর্ত, আর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে রইল উচ্ছ্বাসে ভরা শিলিগুড়ির রাত।1