প্রধানমন্ত্রী সভা থেকে ফেরার পথে মারুগঞ্জে বিজেপি কর্মীদের বাসে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর সভা থেকে ফেরার পথে মারুগঞ্জ এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের গাড়ির ওপর হামলার ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এবার এই ঘটনায় সরাসরি তুফানগঞ্জ ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি রাজেশ তন্ত্রীর নাম জড়িয়ে পড়ায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। অভিযোগ, সভা শেষে বিজেপি কর্মীরা যখন কনভয় নিয়ে ফিরছিলেন, তখন মারুগঞ্জ এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। বিজেপির দাবি, রাজেশ তন্ত্রীর নেতৃত্বে একদল দুষ্কৃতী রাস্তা আটকে গাড়িগুলির ওপর চড়াও হয়। ইট-পাটকেল ছোড়া হয়, একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং কর্মীদের মারধর করা হয়। এই হামলায় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত হন বলে জানা গেছে। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাস্থলে কিছু সময়ের জন্য চরম আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছড়ায় ভয়। বিজেপির তরফে এই ঘটনাকে “পরিকল্পিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস” বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, নির্বাচনের আগে বিরোধীদের ভয় দেখাতেই শাসকদলের ঘনিষ্ঠ নেতৃত্বকে সামনে রেখে এই ধরনের হামলা চালানো হচ্ছে। যদিও অভিযুক্ত রাজেশ তন্ত্রী বা শাসকদলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগ-প্রতিআভিযোগের রাজনীতি আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও হিংসার ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠছে। মারুগঞ্জের এই ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতারই অংশ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর প্রশাসনের দিকে—এই ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত হয় কি না এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, সেটাই দেখার।
প্রধানমন্ত্রী সভা থেকে ফেরার পথে মারুগঞ্জে বিজেপি কর্মীদের বাসে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর সভা থেকে ফেরার পথে মারুগঞ্জ এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের গাড়ির ওপর হামলার ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এবার এই ঘটনায় সরাসরি তুফানগঞ্জ ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি রাজেশ তন্ত্রীর নাম জড়িয়ে পড়ায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। অভিযোগ, সভা শেষে বিজেপি কর্মীরা যখন কনভয় নিয়ে ফিরছিলেন, তখন মারুগঞ্জ এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। বিজেপির দাবি, রাজেশ তন্ত্রীর নেতৃত্বে একদল দুষ্কৃতী রাস্তা আটকে গাড়িগুলির ওপর চড়াও হয়। ইট-পাটকেল ছোড়া হয়, একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং কর্মীদের মারধর করা হয়। এই হামলায় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত হন বলে জানা গেছে। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাস্থলে কিছু সময়ের জন্য চরম আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছড়ায় ভয়। বিজেপির তরফে এই ঘটনাকে “পরিকল্পিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস” বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, নির্বাচনের আগে বিরোধীদের ভয় দেখাতেই শাসকদলের ঘনিষ্ঠ নেতৃত্বকে সামনে রেখে এই ধরনের হামলা চালানো হচ্ছে। যদিও অভিযুক্ত রাজেশ তন্ত্রী বা শাসকদলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগ-প্রতিআভিযোগের রাজনীতি আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও হিংসার ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠছে। মারুগঞ্জের এই ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতারই অংশ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর প্রশাসনের দিকে—এই ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত হয় কি না এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, সেটাই দেখার।
- কোচবিহার বিমানবন্দরে নেমেই নেতাদের সঙ্গে কথা, ভিডিও শেয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি1
- তুফানগঞ্জ: কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সেরে ফেরার পথে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। অভিযোগের তির তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তুফানগঞ্জের মারুগঞ্জ ও দেওচড়াই এলাকা। দফায় দফায় হামলা এবং পথ অবরোধে চরম উত্তেজনা ছড়ায় রবিবার রাতে। অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভা শেষ করে তুফানগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি কর্মীরা যখন বাসে ও ছোট গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন তুফানগঞ্জ ১ ব্লকের মারুগঞ্জ এলাকায় তাঁদের ওপর অতর্কিতে হামলা চালানো হয়। বেশ কিছু গাড়ির কাচ ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাদের হস্তক্ষেপে আটকে পড়া গাড়িগুলো উদ্ধার করা হয়। মারুগঞ্জের রেশ কাটতে না কাটতেই পুনরায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দেওচড়াই মোড় টোল গেট এলাকা। অভিযোগ, সেখানে বিজেপি কর্মীদের গাড়ি লক্ষ্য করে নতুন করে ঢিল ছোড়া হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। তাঁরা গাড়ি থামিয়ে রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং পথ অবরোধ করেন। দীর্ঘক্ষণ চলে এই অবরোধ। পরে পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। হামলায় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দু'জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতরা হলেন বিশ্বেশ্বর বর্মন ও গোপাল রাভা উভয়কেই উদ্ধার করে দ্রুত তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। বিজেপির তোলা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রাজেশ তন্ত্রী। তিনি বলেন, “তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আজ সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিয়ে মারুগঞ্জ এলাকায় তৃণমূলের একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল ছিল। অভিযোগ, সেই মিছিলকে টার্গেট করে ফালাকাটার বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মন নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বিজেপি কর্মীদের গাড়ি থামিয়ে মিছিলে হামলার চেষ্টা করেন।” তিনি আরও দাবি করেন, “গত সাড়ে তিন বছর ধরে মারুগঞ্জ এলাকায় কোনো রাজনৈতিক অশান্তি হয়নি। শান্ত মারুগঞ্জকে অশান্ত করতে বিজেপিই প্ররোচনা দিচ্ছে। মারুগঞ্জের সাধারণ মানুষ এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। আমরা পুরো ঘটনার ভিডিওগ্রাফি করেছি এবং বিধায়ক দীপক বর্মনের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছি।” বর্তমানে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি থমথমে থাকলেও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।4
- প্রধানমন্ত্রীর সভা থেকে ফেরার পথে মারুগঞ্জ এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের গাড়ির ওপর হামলার ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এবার এই ঘটনায় সরাসরি তুফানগঞ্জ ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি রাজেশ তন্ত্রীর নাম জড়িয়ে পড়ায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। অভিযোগ, সভা শেষে বিজেপি কর্মীরা যখন কনভয় নিয়ে ফিরছিলেন, তখন মারুগঞ্জ এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। বিজেপির দাবি, রাজেশ তন্ত্রীর নেতৃত্বে একদল দুষ্কৃতী রাস্তা আটকে গাড়িগুলির ওপর চড়াও হয়। ইট-পাটকেল ছোড়া হয়, একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং কর্মীদের মারধর করা হয়। এই হামলায় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত হন বলে জানা গেছে। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাস্থলে কিছু সময়ের জন্য চরম আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছড়ায় ভয়। বিজেপির তরফে এই ঘটনাকে “পরিকল্পিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস” বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, নির্বাচনের আগে বিরোধীদের ভয় দেখাতেই শাসকদলের ঘনিষ্ঠ নেতৃত্বকে সামনে রেখে এই ধরনের হামলা চালানো হচ্ছে। যদিও অভিযুক্ত রাজেশ তন্ত্রী বা শাসকদলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগ-প্রতিআভিযোগের রাজনীতি আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও হিংসার ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠছে। মারুগঞ্জের এই ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতারই অংশ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর প্রশাসনের দিকে—এই ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত হয় কি না এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, সেটাই দেখার।1
- পায়ে হেঁটে দিনহাটা শহরে জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী উদয়ন গুহ। রবিবার দিনহাটার মদনমোহন বাড়ি থেকে শুরু করে চওড়া হাট পর্যন্ত পদযাত্রা করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন তিনি। এদিন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে এই জনসংযোগ কর্মসূচিতে অংশ নেন তৃণমূল প্রার্থী। পথে পথে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও পথচারীদের সঙ্গে কথা বলে ভোটের আবেদন জানান উদয়ন গুহ। অনেকেই তাকে ফুল ও মালা পরিয়ে স্বাগত জানান, যা পুরো কর্মসূচিতে উৎসবের আবহ তৈরি করে। জনসংযোগ প্রসঙ্গে উদয়ন গুহ বলেন, শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসছেন। তাঁদের এই সমর্থনই ইঙ্গিত দিচ্ছে, মানুষ ইতিমধ্যেই ঠিক করে ফেলেছেন কাকে ভোট দেবেন।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- Post by Jakir Islam1
- *প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার সময় বিজেপির বুথ সভাপতিকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য।*1
- কোচবিহারে নির্বাচনী জনসভা করতে আসছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়1