ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ময়নাগুড়ি : ময়নাগুড়িতে জাতীয় সড়ক অবরোধকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা একাধিক ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটার পর থেকেই চূড়াভান্ডার এলাকায় জাতীয় সড়কের ওপর অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ধীরে ধীরে এই বিক্ষোভ অবরোধে পরিণত হয় এবং টানা প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত থাকে। অবরোধের জেরে জাতীয় সড়কের টোল গেট সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অসংখ্য পণ্যবাহী ট্রাক রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে পড়েছে, ফলে ব্যবসায়িক পরিবহণেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে যাত্রীবাহী বাস, ছোট গাড়ি আটকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ। অনেকেই বিকল্প বা ঘুরপথ ব্যবহার করে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছালেও এখনও পর্যন্ত অবরোধ তুলতে সক্ষম হয়নি। অবরোধকারীরা সাফ জানান, জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক বা নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে এসে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না দেওয়া পর্যন্ত তারা রাস্তা ছাড়বেন না। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের তরফে আলোচনা চালানোর চেষ্টা শুরু হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সদর মহকুমা শাসক মঈন আহমেদ। তিনি অবরোধকারীদের আশ্বস্ত করলে অবরোধ তুলে নেন। পরবর্তীতে পুলিশের সহায়তায় রাস্তায় যানজট মুক্ত করা হয়।
ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ময়নাগুড়ি : ময়নাগুড়িতে জাতীয় সড়ক অবরোধকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা একাধিক ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটার পর থেকেই চূড়াভান্ডার এলাকায় জাতীয় সড়কের ওপর অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ধীরে ধীরে এই বিক্ষোভ অবরোধে পরিণত হয় এবং টানা প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত থাকে। অবরোধের জেরে জাতীয় সড়কের টোল গেট সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অসংখ্য পণ্যবাহী ট্রাক রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে পড়েছে, ফলে ব্যবসায়িক পরিবহণেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে যাত্রীবাহী বাস, ছোট গাড়ি আটকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ। অনেকেই বিকল্প বা ঘুরপথ ব্যবহার করে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছালেও এখনও পর্যন্ত অবরোধ তুলতে সক্ষম হয়নি। অবরোধকারীরা সাফ জানান, জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক বা নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে এসে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না দেওয়া পর্যন্ত তারা রাস্তা ছাড়বেন না। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের তরফে আলোচনা চালানোর চেষ্টা শুরু হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সদর মহকুমা শাসক মঈন আহমেদ। তিনি অবরোধকারীদের আশ্বস্ত করলে অবরোধ তুলে নেন। পরবর্তীতে পুলিশের সহায়তায় রাস্তায় যানজট মুক্ত করা হয়।
- ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ময়নাগুড়ি : ময়নাগুড়িতে জাতীয় সড়ক অবরোধকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা একাধিক ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটার পর থেকেই চূড়াভান্ডার এলাকায় জাতীয় সড়কের ওপর অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ধীরে ধীরে এই বিক্ষোভ অবরোধে পরিণত হয় এবং টানা প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত থাকে। অবরোধের জেরে জাতীয় সড়কের টোল গেট সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অসংখ্য পণ্যবাহী ট্রাক রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে পড়েছে, ফলে ব্যবসায়িক পরিবহণেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে যাত্রীবাহী বাস, ছোট গাড়ি আটকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ। অনেকেই বিকল্প বা ঘুরপথ ব্যবহার করে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছালেও এখনও পর্যন্ত অবরোধ তুলতে সক্ষম হয়নি। অবরোধকারীরা সাফ জানান, জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক বা নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে এসে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না দেওয়া পর্যন্ত তারা রাস্তা ছাড়বেন না। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের তরফে আলোচনা চালানোর চেষ্টা শুরু হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সদর মহকুমা শাসক মঈন আহমেদ। তিনি অবরোধকারীদের আশ্বস্ত করলে অবরোধ তুলে নেন। পরবর্তীতে পুলিশের সহায়তায় রাস্তায় যানজট মুক্ত করা হয়।1
- Post by Utpal Roy MNG1
- জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে বড় সড় সাফল্য পেল আরপিএফ। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আরপিএফ ইন্সপেক্টর বিপ্লব দত্ত জানান, স্টেশনে তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। সেই সময় তাদের কাছে থাকা আধার কার্ড খতিয়ে দেখে আরপিএফের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়, কারণ প্রাথমিকভাবে সেগুলি জাল বলে মনে হয়েছে। পরবর্তীতে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ধৃতরা স্বীকার করে যে, তারা বাংলাদেশি নাগরিক। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, নর্থ ইস্ট এক্সপ্রেসে চেপে তাদের দিল্লি যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। শুধু তাই নয়, দিল্লি থেকে পরবর্তী গন্তব্য হিসেবে জম্মু ও কাশ্মীর যাওয়ারও ছক কষেছিল তারা। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে ধৃতদের আরও বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আরপিএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, তাদের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল—সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার করা হয়েছে।1
- মেখলিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায় বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে নমিনেশন জমা দিলেন। এদিন প্রার্থীকে ঘিরে মেখলিগঞ্জ শহরে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়, যা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে মহকুমা শাসকের দপ্তরে পৌঁছায়। শোভাযাত্রায় দলীয় পতাকা ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ির সাংসদ ডক্টর জয়ন্ত কুমার রায়, অর্ঘ্য রায় প্রধানসহ দলের একাধিক নেতৃত্ব। এই কর্মসূচিকে ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।1
- মেখলিগঞ্জে আজ মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেন বিজেপির প্রার্থী দধিরাম রায়। তার আগেই এদিন গোটা পৌরসভা শহরে কয়েক হাজার কর্মী সমর্থকদের ভীড় লক্ষ করা যায়। এদিন দধিরাম রায়ের সাথে ছিলেন জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জয়ন্ত কুমার রায় সহ অন্যান্যরা।3
- Post by DTD News Bangla1
- একদিকে ২০২৬-এর নির্বাচনী দামামা, আর অন্যদিকে সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই। সরকারি দপ্তরে দপ্তরে ঘুরেও মেলেনি বিচার, তাই শেষমেশ প্রতিবাদের চরম পথ বেছে নিলেন এক ব্যক্তি। মালবাজারের সুভাষ মোড়ে জাতীয় সড়কের ওপর শুয়ে পড়ে চলল বিক্ষোভ। অভিযোগ, নর্দমার জায়গা দখল করে তোলা হয়েছে সীমানা পাঁচিল। যার জেরে নিকাশি ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে মালবাজার পুরসভা থেকে শুরু করে মহকুমা শাসকের দপ্তর— একাধিক জায়গায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন তারামনি কর্মকার। কিন্তু অভিযোগকারীর দাবি, প্রশাসনের তরফে কোনো পদক্ষেপই নেওয়া হয়নি।1
- মনোনয়ন জমা করলেন ময়নাগুড়ি বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামমোহন রায় ময়নাগুড়ি: বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে মনোনয়নপত্র জমা করলেন ময়নাগুড়ি বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী রামমোহন রায়। বুধবার সকালে জল্পেশ মন্দির ও হনুমান মন্দিরে পুজো দিয়ে তিনি জলপাইগুড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এরপর জলপাইগুড়ি র জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় থেকে ঢাক ঢোল সহযোগে মিছিল করে মনোনয়ন জমা করা হয়। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামমোহন রায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী মহুয়া গোপ, তৃণমূল ক্ষেত মজদুর ইউনিয়নের জেলা সভাপতি দুলাল দেবনাথ, ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুমুদ রঞ্জন রায়, ময়নাগুড়ি এক, দুই ও টাউন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি যথাক্রমে বাবলু রায়, শিবশঙ্কর দত্ত ও বিশ্বজিৎ সেন, পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সোমেশ সান্যাল সহ প্রমূখরা। এদিনের এই মনোনয়ন জমার সময় প্রচুর কর্মী সমর্থক উল্লাস মিছিল করতে করতে জেলা শাসকের দপ্তরে পৌঁছান।1