Shuru
Apke Nagar Ki App…
আগামীকাল কোচবিহার জেলার হলদিবাড়িতে শ্রাবনী উৎসব উদযাপন কমিটির কার্যালয় উদ্বোধন করা হবে।
Amit mitra
আগামীকাল কোচবিহার জেলার হলদিবাড়িতে শ্রাবনী উৎসব উদযাপন কমিটির কার্যালয় উদ্বোধন করা হবে।
More news from Coochbehar and nearby areas
- আগামীকাল কোচবিহার জেলার হলদিবাড়িতে শ্রাবনী উৎসব উদযাপন কমিটির কার্যালয় উদ্বোধন করা হবে।1
- চ্যাংড়াবান্ধায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে লোটাস ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্ট আজ সোমবার শেষ হয়েছে। এই টুর্নামেন্টে এলাকার আটটি দল অংশগ্রহণ করেছিল। এক রোমাঞ্চকর ফাইনাল ম্যাচে ডাঙ্গাপাড়া দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে, যেখানে পশ্চিমপাড়া দল রানার্স-আপ হয়। বহু ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক মাঠে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন এবং খেলোয়াড়দের উৎসাহ ও তাঁদের উচ্ছ্বাসে ফাইনাল ম্যাচটি জমে ওঠে। আয়োজকরা জানিয়েছেন যে, যুব সমাজকে খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তোলা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল। খেলা শেষে বিজয়ী ডাঙ্গাপাড়া ও রানার্স-আপ পশ্চিমপাড়া দলের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।1
- পাহাড়ে টানা অতিবৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর জলস্তর বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় মেখলিগঞ্জ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই নদী তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় মাইকের মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি রাখতে এবং নদীর ধারে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এর মধ্যেই কুচলিবাড়ির ফকতের চরে নদীভাঙনের ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকালের হালকা বন্যার কারণে চরের অন্তত ৯টি বসতবাড়ি তিস্তার গর্ভে তলিয়ে গেছে। প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার নদীপথ পেরিয়ে অবস্থিত ফকতের চরের বাসিন্দাদের কাছে আদৌ এই সতর্কবার্তা পৌঁছাচ্ছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়রা নদীঘেরা এই দুর্গম এলাকায় মাইক প্রচারের আওয়াজ পৌঁছানো নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন। ফলস্বরূপ, সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতিতে চরের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন মহলে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।1
- অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য বারবার আবেদন করতে গিয়ে মহিলারা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। একাধিকবার আবেদন প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হওয়ায় তাঁদের অবস্থা অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।1
- অম্বুবাচী উৎসব উপলক্ষে ধুপগুড়ি ব্লকের একদল পুণ্যার্থী ও সাধুসন্ত আসামের কামাখ্যা ধামে রওনা হয়েছেন। তাঁরা মা কামাখ্যার দর্শন ও পুজো দিতে কামাখ্যা ধামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন।1
- একটি দীর্ঘ বিরতির পর কারো সাথে দেখা হওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করা হয়েছে। পোস্টে দুই হাত ধরে 'লাইক', 'শেয়ার' এবং 'কমেন্ট' করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে, যা এক ধরনের যোগাযোগ বজায় রাখার আহ্বান। বার্তাটি 'টাটা বাইবাই' বলে শেষ হয়েছে এবং এই একই আবেগ পুনরায় প্রকাশ করা হয়েছে।2
- পাহাড়ে লাগাতার বৃষ্টির কারণে জলঢাকা নদীর জলস্তর বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করায় ময়নাগুড়ি ব্লকের বন্যা কবলিত এলাকার বাসিন্দারা গভীর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। নদী থেকে জল বিভিন্ন নিচু এলাকায় ঢুকে পড়ায় স্থানীয়দের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সোমবার, অর্থাৎ ২২শে জুন, আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের খাটোরবাড়ি এলাকার নতুন বাঁধে একটি গর্ত তৈরি হয়, যেখান দিয়ে দ্রুত জল বের হতে শুরু করে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাবাসীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে, গ্রামবাসীরাই দ্রুত মাটি এবং প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহার করে অস্থায়ীভাবে গর্তটি মেরামত করেন। উল্লেখ্য, গত বছরের ভয়াবহ বন্যায় এই এলাকার বাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই মর্মান্তিক স্মৃতি এখনও মানুষের মনে টাটকা থাকায় নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্ক বহুগুণ বেড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বহু পরিবার এখনও তাদের ঘর সম্পূর্ণভাবে তৈরি করতে পারেনি বলেও অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এরপর ময়নাগুড়ি ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এবং সিভিল ডিফেন্স কর্মীরাও এলাকায় পৌঁছান। স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, জলস্তর আরও বাড়লে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। তাই, তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত বাঁধ মজবুত করা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।1
- অম্বুবাচী উৎসব উপলক্ষে আসামের কামাখ্যা ধামে মা কামাখ্যার দর্শন ও পুজো দিতে ধুপগুড়ি ব্লক থেকে রওনা হলেন একদল পুণ্যার্থী ও সাধুসন্ত। তাঁদের আসামগামী ট্রেনে ধুপগুড়ি রেল স্টেশন থেকে ওঠার কথা ছিল। তবে ট্রেন কিছুটা বিলম্বে চলায়, স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি হয়। সময় নষ্ট না করে, প্রায় ৫০ জনের এই সাধুসন্ত ও পুণ্যার্থীর দলটি তাঁদের খোল, করতাল ও বাঁশি বের করে গান শুরু করেন। এর ফলে স্টেশনের ব্যস্ত পরিবেশ নিমেষের মধ্যে ভক্তিগীতি ও আধ্যাত্মিক সুরের মূর্ছনায় মুখরিত হয়ে ওঠে। ট্রেনের জন্য অপেক্ষার একঘেয়েমি ভুলে তাঁরা নিজেদের আধ্যাত্মিক জীবনের আনন্দ উপস্থিত অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গেও ভাগ করে নেন। পুণ্যার্থীরা জানান যে, প্রতি বছরের মতো এবারও অম্বুবাচীর পুণ্যলগ্নে মায়ের আশীর্বাদ লাভ করতে তাঁরা কামাখ্যা ধামে যাচ্ছেন। ট্রেন দেরিতে এলেও, মায়ের নাম সংকীর্তন ও বাঁশির সুরে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মকেই তাঁরা সাময়িকভাবে ভক্তিধামে পরিণত করেন, যা উপস্থিত সকল মানুষের মন কেড়ে নেয়।1