কাগজে উন্নয়ন, বাস্তবে জলযন্ত্রণা খড়িবাড়ির হাওদাভিটা এলাকায় *উন্নয়নের নামে দুর্ভোগ খড়িবাড়িতে, নতুন রাস্তাই এখন ‘মরণফাঁদ’* *“আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান জলযন্ত্রণার বিরুদ্ধে সরব পশ্চিম হাউডাভিটা* শিলান্যাসের সময় ছিল উৎসবের আমেজ, ছিল উন্নয়নের স্বপ্ন। কিন্তু সেই আনন্দ ফিকে হতে সময় লাগেনি। খড়িবাড়ির পশ্চিম হাউডাভিটায় নবনির্মিত সিমেন্টের রাস্তা এখন এলাকাবাসীর কাছে আশীর্বাদ নয়, বরং আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, সম্পূর্ণ পরিকল্পনাহীনভাবে রাস্তা তৈরির ফলে মাঝখানটি নিচু হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে জল জমে তৈরি হচ্ছে বড়সড় জলাবদ্ধতা। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে সেই জল দিনের পর দিন জমে থেকে কার্যত পচা জলাশয়ে পরিণত হচ্ছে। প্রতিদিনের এই দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। খুদে স্কুল পড়ুয়ারা জুতো হাতে নিয়ে জল মাড়িয়ে স্কুলে যাচ্ছে, প্রবীণ ও অসুস্থ মানুষদের জন্য এই রাস্তা হয়ে উঠেছে বিপজ্জনক। পচা জলে বাড়ছে মশার উপদ্রব, সঙ্গে ডেঙ্গি-সহ বিভিন্ন রোগের আশঙ্কা। স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার ঠিকাদার সংস্থাকে জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি। এতে ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া। পানিশালী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পরিমল সিনহা জানিয়েছেন, “আমি জানতে পেরেছি যে পশ্চিম হাউডাভিটা এলাকায় রাস্তার একটি অংশে জল জমে থাকছে। বর্তমানে নির্বাচনের সময় চলায় নতুন করে কোনো কাজ শুরু করা সম্ভব নয়। তবে বিষয়টি বিডিও-র নজরে আনা হচ্ছে। নির্বাচন পর্ব শেষ হলেই দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ জল জমা বা ডেঙ্গির ঝুঁকি থেকে রক্ষা পান।” পঞ্চায়েত প্রধানের এই আশ্বাসে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়। তবে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত নন বাসিন্দারা। তাঁদের একটাই দাবি—প্রতিশ্রুতি যেন দ্রুত বাস্তবে রূপ নেয়। কারণ, খড়িবাড়ির পশ্চিম হাউডাভিটা এখন শুধু সমস্যার গল্প বলছে না, বরং একসুরে আওয়াজ তুলছে “আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান।”
কাগজে উন্নয়ন, বাস্তবে জলযন্ত্রণা খড়িবাড়ির হাওদাভিটা এলাকায় *উন্নয়নের নামে দুর্ভোগ খড়িবাড়িতে, নতুন রাস্তাই এখন ‘মরণফাঁদ’* *“আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান জলযন্ত্রণার বিরুদ্ধে সরব পশ্চিম হাউডাভিটা* শিলান্যাসের সময় ছিল উৎসবের আমেজ, ছিল উন্নয়নের স্বপ্ন। কিন্তু সেই আনন্দ ফিকে হতে সময় লাগেনি। খড়িবাড়ির পশ্চিম হাউডাভিটায় নবনির্মিত সিমেন্টের রাস্তা এখন এলাকাবাসীর কাছে আশীর্বাদ নয়, বরং আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, সম্পূর্ণ পরিকল্পনাহীনভাবে রাস্তা তৈরির ফলে মাঝখানটি নিচু হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে জল জমে তৈরি হচ্ছে বড়সড় জলাবদ্ধতা। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে সেই জল দিনের পর দিন জমে থেকে কার্যত পচা জলাশয়ে পরিণত হচ্ছে। প্রতিদিনের এই দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। খুদে স্কুল পড়ুয়ারা জুতো হাতে নিয়ে জল মাড়িয়ে স্কুলে যাচ্ছে, প্রবীণ ও অসুস্থ মানুষদের জন্য এই রাস্তা হয়ে উঠেছে বিপজ্জনক। পচা জলে বাড়ছে মশার উপদ্রব, সঙ্গে ডেঙ্গি-সহ বিভিন্ন রোগের আশঙ্কা। স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার ঠিকাদার সংস্থাকে জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি। এতে ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া। পানিশালী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পরিমল সিনহা জানিয়েছেন, “আমি জানতে পেরেছি যে পশ্চিম হাউডাভিটা এলাকায় রাস্তার একটি অংশে জল জমে থাকছে। বর্তমানে নির্বাচনের সময় চলায় নতুন করে কোনো কাজ শুরু করা সম্ভব নয়। তবে বিষয়টি বিডিও-র নজরে আনা হচ্ছে। নির্বাচন পর্ব শেষ হলেই দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ জল জমা বা ডেঙ্গির ঝুঁকি থেকে রক্ষা পান।” পঞ্চায়েত প্রধানের এই আশ্বাসে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়। তবে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত নন বাসিন্দারা। তাঁদের একটাই দাবি—প্রতিশ্রুতি যেন দ্রুত বাস্তবে রূপ নেয়। কারণ, খড়িবাড়ির পশ্চিম হাউডাভিটা এখন শুধু সমস্যার গল্প বলছে না, বরং একসুরে আওয়াজ তুলছে “আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান।”
- হাতির হানায় মৃত্যু!নকশালবাড়ির মারাপুর চা বাগান এলাকায় দলছুট হাতির হানায় মৃত্যু হলএক যুবক। মৃতের নাম রঞ্জিত রাই (৩৯) সে মারাপুর চাবাগানের টুকরাবস্তির বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলাবাড়ি বনাঞ্চল থেকে মোষ নিয়ে ঘরে ফিরছিলেন রঞ্জিত তার এক বন্ধু। পরে ফেরার পথে বনাঞ্চল ঘেঁষে কৃষি জমিতে দলছুট দাঁতালের মুখোমুখি পড়ে তারা। ঘটনাক্রমে এক বন্ধু পালাতে পারলেও। রঞ্জিত হাতির মুখে পড়ে। স্থানীয়রা ও পানিঘাটা রেঞ্জের বনকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে নকশালবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ইতিমধ্যে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পানিঘাটা রেঞ্জ। আগামীকাল মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ পাঠানো হবে।1
- বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির প্রচার খড়িবাড়ির চা বাগান সহ বিভিন্ন এলাকায়1
- Kapil mor Parivar Nagar matigara parking ke pass CNG available Indian oil petrol pump Toyota showroom ke pass science City ke raste Se aana padega CNG ka rate 94 rupees only per kg aap log aaiae CNG milega 24 ghanta super diesel super petrol and normal Diesel petrol and CNG available here 24 ghanta3
- उल्हासनगर-5 स्थित प्रसिद्ध चालिया मंदिर तक निकाली गई भव्य बाइक रैली में शहर की सड़कों पर जोश, उत्साह और जनसमर्थन का अनोखा नज़ारा देखने को मिला। पप्पू कलानी साहेब एवं महापौर अधीनी अश्विनी कमलेश निकम ने महेश सुखरामानी द्वारा आयोजित इस रैली में शामिल होकर कार्यकर्ताओं का उत्साह बढ़ाया। केसरिया टोपी और झंडों के साथ सैकड़ों बाइक सवारों ने शहर में शक्ति प्रदर्शन किया। रैली के दौरान नागरिकों ने जगह-जगह स्वागत कर समर्थन जताया। आयोजन के माध्यम से एकता, संगठन और मजबूत नेतृत्व का संदेश देने की कोशिश की गई। राजनीतिक गलियारों में इस रैली को आगामी रणनीति और जनसंपर्क अभियान की अहम कड़ी माना जा रहा है। 📢 आपकी जंग — सच की आवाज़, जनता के साथ!1
- শিলিগুড়ি: দোকানের মালিকানা জটিলতা, পার্কিংয়ের অভাব এবং দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যায় নাকাল শিলিগুড়ির বিধান মার্কেটের ব্যবসায়ীরা। বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যাগুলির সমাধানের দাবিতে আন্দোলন, ধর্না ও প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েও কোনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি বলে অভিযোগ তাদের। ব্যবসায়ীদের দাবি, শুধু মালিকানার অনিশ্চয়তাই নয়, বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। বিধান মার্কেটের ব্যবসায়ী মিঠু বোস জানান, “একটু বৃষ্টি হলেই হাঁটু পর্যন্ত জল জমে যায়। দোকানের ভিতরে জল ঢুকে মালপত্র নষ্ট হয়ে যায়। এতে আমাদের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।” অন্যদিকে ব্যবসায়ী তপন সরকার, গৌতম প্রামাণিক এবং রতন সাহারা জানান, বাজার এলাকায় পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের অভাবের কারণে প্রতিদিনই যানজট তৈরি হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে ব্যবসায়। তারা আগামী বিধায়কের কাছে পার্কিং সমস্যার স্থায়ী সমাধান, দোকানের পাট্টা বা মালিকানা প্রদান এবং উন্নত নিকাশি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য অসিত দে বলেন, “বহুবার আবেদন জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমরা চাই, যে দলই ভোটে জিতুক না কেন, তারা যেন বিধান মার্কেটের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্ব দেয়।” আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তাই নতুন করে আশায় বুক বেঁধেছেন বিধান মার্কেটের ব্যবসায়ীরা। তাদের একটাই দাবি—দীর্ঘদিনের সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধান।1
- *নিজের মা কে পূজো দিলেন কৃষ্ণ।* *মন্দিরে গিয়ে দেবতাকে নয়। বদলে নিজের মা কে ফুল, চন্দন দিয়ে পূজো দিয়ে প্রচারে নামলেন জলপাইগুড়ি সদর বিধানসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ দাস।* *শুক্রবার দুপুরে বাড়ির সকল সদস্যের সামনে তিনি সবার প্রথমে তিনি তার মায়ের পা ধুইয়ে দিয়ে ফুল দিয়ে পূজো দেন।এরপর মা কে মিষ্টি মুখ করান।পরে সেই প্রসাদ পরিবারের সকলের মুখে তুলে দেন।* *ভোটের বাজারে সব দলের প্রার্থীরাই যখন মন্দিরে পূজো দিয়ে প্রচারে নামছে।কিন্তু এই দাপুটে তৃণমূল নেতার ক্ষেত্রে ভিন্ন দৃশ্য দেখা গেলো। মাতৃ ভক্তির বিরল দৃষ্টান্তের ছবি দেখা গেলো জলপাইগুড়িতে।* *কৃষ্ণ দাস বলেন মায়ের জন্য আমি এই পৃথিবীতে এসেছি।কথায় বলে প্রথম গুরু মাতাপিতা। দ্বিতীয় গুরু শিক্ষাদাতা।তাই ভোটের প্রচারে নামার আগে আমার প্রথম গুরু মা কে পূজো দিলাম। মায়ের আশীর্বাদ সাথে নিয়ে আমি প্রচারে নামলাম।জয় আমার নিশ্চিত।*1
- ইসলামপুরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের টাউন সভাপতির উপর ছুরি হামলা, চাঞ্চল্য শহরজুড়ে ইসলামপুর শহরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের টাউন সভাপতি শিব শংকর মন্ডলের উপর ছুরি হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। জানা গিয়েছে শুক্রবার বিকালে, নিজের ভাড়াটিয়াকে ড্রাগসহ বিভিন্ন নেশা করা থেকে বিরত থাকতে বলা এবং ঘর খালি করার কথা বলতেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ভাড়াটিয়া শিবজি সাও আচমকাই ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিব শংকর মন্ডলের উপর হামলা চালায়। এতে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসলামপুর শহরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ইসলামপুর থানার পুলিশ। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বর্তমানে পলাতক বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা পঙ্কজ ভগত জানান, অভিযুক্ত শিবজি সাও দীর্ঘদিন ধরে ড্রাগসহ বিভিন্ন নেশায় আসক্ত। তিনি বলেন, “গতকাল পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে গিয়েছিল। আজ সকালে থানা থেকে ছাড়া পায়। এর আগেও স্থানীয়রা বহুবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। আজ ঘর খালি করতে বলতেই ছুরি দিয়ে হামলা চালায়।” এই ঘটনায় শিব শংকর মন্ডলের পরিবারের পক্ষ থেকে ইসলামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিবজি সাও-এর আসল বাড়ি বিহারের সমস্তিপুর এলাকায় বলে জানা গেছে। ঘটনার পিছনে অন্য কোনো কারণ বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে ইসলামপুর থানার পুলিশ।1
- *উন্নয়নের নামে দুর্ভোগ খড়িবাড়িতে, নতুন রাস্তাই এখন ‘মরণফাঁদ’* *“আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান জলযন্ত্রণার বিরুদ্ধে সরব পশ্চিম হাউডাভিটা* শিলান্যাসের সময় ছিল উৎসবের আমেজ, ছিল উন্নয়নের স্বপ্ন। কিন্তু সেই আনন্দ ফিকে হতে সময় লাগেনি। খড়িবাড়ির পশ্চিম হাউডাভিটায় নবনির্মিত সিমেন্টের রাস্তা এখন এলাকাবাসীর কাছে আশীর্বাদ নয়, বরং আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, সম্পূর্ণ পরিকল্পনাহীনভাবে রাস্তা তৈরির ফলে মাঝখানটি নিচু হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে জল জমে তৈরি হচ্ছে বড়সড় জলাবদ্ধতা। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে সেই জল দিনের পর দিন জমে থেকে কার্যত পচা জলাশয়ে পরিণত হচ্ছে। প্রতিদিনের এই দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। খুদে স্কুল পড়ুয়ারা জুতো হাতে নিয়ে জল মাড়িয়ে স্কুলে যাচ্ছে, প্রবীণ ও অসুস্থ মানুষদের জন্য এই রাস্তা হয়ে উঠেছে বিপজ্জনক। পচা জলে বাড়ছে মশার উপদ্রব, সঙ্গে ডেঙ্গি-সহ বিভিন্ন রোগের আশঙ্কা। স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার ঠিকাদার সংস্থাকে জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি। এতে ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া। পানিশালী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পরিমল সিনহা জানিয়েছেন, “আমি জানতে পেরেছি যে পশ্চিম হাউডাভিটা এলাকায় রাস্তার একটি অংশে জল জমে থাকছে। বর্তমানে নির্বাচনের সময় চলায় নতুন করে কোনো কাজ শুরু করা সম্ভব নয়। তবে বিষয়টি বিডিও-র নজরে আনা হচ্ছে। নির্বাচন পর্ব শেষ হলেই দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ জল জমা বা ডেঙ্গির ঝুঁকি থেকে রক্ষা পান।” পঞ্চায়েত প্রধানের এই আশ্বাসে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়। তবে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত নন বাসিন্দারা। তাঁদের একটাই দাবি—প্রতিশ্রুতি যেন দ্রুত বাস্তবে রূপ নেয়। কারণ, খড়িবাড়ির পশ্চিম হাউডাভিটা এখন শুধু সমস্যার গল্প বলছে না, বরং একসুরে আওয়াজ তুলছে “আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান।”1