আবর্জনার স্তুপে ঢাকছে বলরামপুর শহর! টাটা রোডেও ছড়িয়ে বর্জ্য, প্রশ্নের মুখে স্বচ্ছতার কাজ আবর্জনার স্তুপে ঢাকা পড়তে চলেছে বলরামপুর শহর। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে যত্রতত্র জমছে বাড়ির ময়লা ও পরিত্যক্ত বর্জ্য। কোথাও রাস্তার ধারে পড়ে রয়েছে কঠিন বর্জ্য, আবার কোথাও সেই আবর্জনা থেকে বেরিয়ে আসা নোংরা জল গড়িয়ে পড়ছে রাস্তায়। অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে বাড়ির আবর্জনা ঝাড়ু দিয়ে রাস্তার মাঝেই ফেলে রাখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বর্তমানে শহরের একাধিক এলাকায় স্বচ্ছতার চিত্র যথেষ্ট উদ্বেগজনক। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বলরামপুরের গুরুত্বপূর্ণ টাটা রোডের উপরেও ছড়িয়ে পড়েছে বর্জ্য। এর ফলে একদিকে যেমন পথচারীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে, তেমনই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়েও তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ। স্বচ্ছ ভারত মিশনের আওতায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে বলেও জানা যায়। গড়ে উঠেছে কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন ইউনিট, রয়েছে ই-কার্টসহ বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, সেই পরিকাঠামোর যথাযথ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবস্থাগুলি কার্যত অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ। স্বচ্ছ ভারত মিশনের আওতায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার জন্য সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও বাস্তবে শহরের এই চিত্র কেন—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ, রাস্তা পরিষ্কার এবং কঠিন বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার দাবি উঠছে। বাসিন্দাদের একাংশের প্রশ্ন, স্বচ্ছতার জন্য পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও যদি শহরের রাস্তার উপরেই আবর্জনা পড়ে থাকে, তাহলে সেই ব্যবস্থার কার্যকারিতা কতটা? বলরামপুর শহরকে ফের পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর করে তুলতে প্রশাসন কবে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আমজনতা
আবর্জনার স্তুপে ঢাকছে বলরামপুর শহর! টাটা রোডেও ছড়িয়ে বর্জ্য, প্রশ্নের মুখে স্বচ্ছতার কাজ আবর্জনার স্তুপে ঢাকা পড়তে চলেছে বলরামপুর শহর। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে যত্রতত্র জমছে বাড়ির ময়লা ও পরিত্যক্ত বর্জ্য। কোথাও রাস্তার ধারে পড়ে রয়েছে কঠিন বর্জ্য, আবার কোথাও সেই আবর্জনা থেকে বেরিয়ে আসা নোংরা জল গড়িয়ে পড়ছে রাস্তায়। অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে বাড়ির আবর্জনা ঝাড়ু দিয়ে রাস্তার মাঝেই ফেলে রাখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বর্তমানে শহরের একাধিক এলাকায় স্বচ্ছতার চিত্র যথেষ্ট উদ্বেগজনক। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বলরামপুরের গুরুত্বপূর্ণ টাটা রোডের উপরেও ছড়িয়ে পড়েছে বর্জ্য। এর ফলে একদিকে যেমন পথচারীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে, তেমনই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়েও তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ। স্বচ্ছ ভারত মিশনের আওতায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে বলেও জানা যায়। গড়ে উঠেছে কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন ইউনিট, রয়েছে ই-কার্টসহ বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, সেই পরিকাঠামোর যথাযথ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবস্থাগুলি কার্যত অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ। স্বচ্ছ ভারত মিশনের আওতায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার জন্য সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও বাস্তবে শহরের এই চিত্র কেন—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ, রাস্তা পরিষ্কার এবং কঠিন বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার দাবি উঠছে। বাসিন্দাদের একাংশের প্রশ্ন, স্বচ্ছতার জন্য পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও যদি শহরের রাস্তার উপরেই আবর্জনা পড়ে থাকে, তাহলে সেই ব্যবস্থার কার্যকারিতা কতটা? বলরামপুর শহরকে ফের পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর করে তুলতে প্রশাসন কবে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আমজনতা
- আবর্জনার স্তুপে ঢাকছে বলরামপুর শহর! টাটা রোডেও ছড়িয়ে বর্জ্য, প্রশ্নের মুখে স্বচ্ছতার কাজ আবর্জনার স্তুপে ঢাকা পড়তে চলেছে বলরামপুর শহর। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে যত্রতত্র জমছে বাড়ির ময়লা ও পরিত্যক্ত বর্জ্য। কোথাও রাস্তার ধারে পড়ে রয়েছে কঠিন বর্জ্য, আবার কোথাও সেই আবর্জনা থেকে বেরিয়ে আসা নোংরা জল গড়িয়ে পড়ছে রাস্তায়। অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে বাড়ির আবর্জনা ঝাড়ু দিয়ে রাস্তার মাঝেই ফেলে রাখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বর্তমানে শহরের একাধিক এলাকায় স্বচ্ছতার চিত্র যথেষ্ট উদ্বেগজনক। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বলরামপুরের গুরুত্বপূর্ণ টাটা রোডের উপরেও ছড়িয়ে পড়েছে বর্জ্য। এর ফলে একদিকে যেমন পথচারীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে, তেমনই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়েও তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ। স্বচ্ছ ভারত মিশনের আওতায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে বলেও জানা যায়। গড়ে উঠেছে কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন ইউনিট, রয়েছে ই-কার্টসহ বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, সেই পরিকাঠামোর যথাযথ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবস্থাগুলি কার্যত অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ। স্বচ্ছ ভারত মিশনের আওতায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার জন্য সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও বাস্তবে শহরের এই চিত্র কেন—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ, রাস্তা পরিষ্কার এবং কঠিন বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার দাবি উঠছে। বাসিন্দাদের একাংশের প্রশ্ন, স্বচ্ছতার জন্য পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও যদি শহরের রাস্তার উপরেই আবর্জনা পড়ে থাকে, তাহলে সেই ব্যবস্থার কার্যকারিতা কতটা? বলরামপুর শহরকে ফের পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর করে তুলতে প্রশাসন কবে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আমজনতা1
- **কুড়মিদের ST তালিকাভুক্তির বিরোধিতা, মঙ্গলবার পুরুলিয়া জেলাশাসকের দপ্তরে মাঝি পারগানা মহলের বিক্ষোভ-ডেপুটেশন**1
- পুরুলিয়ার জয়পুর কৃষি উন্নয়ন সমিতিতে গচ্ছিত জনসাধারণের আমানত ফেরতের দাবিতে পুরুলিয়ার জেলা দপ্তরে আধিকারিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ পুরুলিয়ার জয়পুর কৃষি উন্নয়ন সমিতিতে গচ্ছিত জনসাধারণের আমানত ফেরতের দাবিতে পুরুলিয়ার জেলা দপ্তরে আধিকারিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ। অবিলম্বে তাদের টাকা ফেরত দিতে হবে এই দাবিতে তারা আন্দোলন শুরু করেছেন বিষয়টি নিয়ে তারা উদ্বোধন ও কর্তৃপক্ষ এমনকি রাজ্যের মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী কেউ বিষয়টি নিয়ে তারা জানিয়েছেন তাদের টাকা যেন অবিলম্বে ফেরত দেওয়া হয়।1
- প্রীতিকা খুনে পুনর্নির্মাণ প্রস্তুত টামনা ও বলরামপুর থানার পুলিশ বেশ কয়েকদিন আগে নাকা চেকিং এর সময় বলরামপুর থানার পুলিশ বস্তাবন্দী দেহ উদ্ধার করেন পুলিশ সূত্রে জানা যায় রাত্রি দেড়টা নাগাদ এক ব্যক্তি বস্তাবন্দি করে মোটরসাইকেলের পিছনে মৃতদেহটি লোপাটের জন্য নিয়ে যায় পুলিশের নজরে পড়তেই সেই মোটরসাইকেল কে আটক করেছিলেন।1
- যুবতীকে খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য গ্রেফতার যুবককে সঙ্গে নিয়ে পুরুলিয়ার টামনা থানা এলাকার ঘটনাস্থল মেসে নিয়ে এলো পুলিশ । সঙ্গে রয়েছেন ফরেনসিক দলের সদস্যরা। যুবতীকে খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য গ্রেফতার যুবককে সঙ্গে নিয়ে পুরুলিয়ার টামনা থানা এলাকার ঘটনাস্থল মেসে নিয়ে এলো পুলিশ । সঙ্গে রয়েছেন ফরেনসিক দলের সদস্যরা।1
- পাড়ায় কৃষকদের বৈজ্ঞানিক চাষাবাদ ও পশুপালনে প্রশিক্ষণ পাড়া ব্লকের কৃষকদের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ ও উন্নত পদ্ধতিতে পশুপালনে উৎসাহিত করতে একদিনে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হলো। বুধবার দুপুর বারোটা নাগাদ পাড়া কৃষক বাজারে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পাড়া ব্লক কৃষি দপ্তর এর উদ্যোগে এবং গোয়াই ও হাড়াই ওয়াটারশেড প্রকল্পের অধীনে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে পাড়া ব্লক এলাকার প্রায় 100 জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে সবজি চাষ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং পশু পালনের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়াও রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে চাষীদের অবগত করানো হয়। উপস্থিত ছিলেন পাড়া ব্লকের মুখ্য কৃষি অধিকর্তা মহম্মদ আজহারউদ্দিন, পাড়া ভেটেরিনারি অফিসার হাসমত আনসারী, এসিস্ট্যান্ট ফার্ম ম্যানেজার সলিল কুমার দেওঘরিয়া, অ্যাসিস্ট্যান্ট এগ্রিকালচার এক্সটেনশন অফিসার মনোজ দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী দীনেশ চৌধুরী সহ অন্যান্যরা।1
- তামাকমুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গঠনের লক্ষ্যে বিনপুর-II চক্রে সচেতনতামূলক কর্মশালা1
- তীব্র দাবদাহ কাটিয়ে নয়াগ্রাম ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হলো প্রবল বৃষ্টি তীব্র দাবদাহ কাটিয়ে নয়াগ্রাম ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হলো প্রবল বৃষ্টি। তীব্র দাবদাহ থেকে কিছুটা মুক্তি সাধারণ মানুষের।1