পাড়ায় কৃষকদের বৈজ্ঞানিক চাষাবাদ ও পশুপালনে প্রশিক্ষণ পাড়া ব্লকের কৃষকদের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ ও উন্নত পদ্ধতিতে পশুপালনে উৎসাহিত করতে একদিনে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হলো। বুধবার দুপুর বারোটা নাগাদ পাড়া কৃষক বাজারে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পাড়া ব্লক কৃষি দপ্তর এর উদ্যোগে এবং গোয়াই ও হাড়াই ওয়াটারশেড প্রকল্পের অধীনে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে পাড়া ব্লক এলাকার প্রায় 100 জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে সবজি চাষ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং পশু পালনের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়াও রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে চাষীদের অবগত করানো হয়। উপস্থিত ছিলেন পাড়া ব্লকের মুখ্য কৃষি অধিকর্তা মহম্মদ আজহারউদ্দিন, পাড়া ভেটেরিনারি অফিসার হাসমত আনসারী, এসিস্ট্যান্ট ফার্ম ম্যানেজার সলিল কুমার দেওঘরিয়া, অ্যাসিস্ট্যান্ট এগ্রিকালচার এক্সটেনশন অফিসার মনোজ দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী দীনেশ চৌধুরী সহ অন্যান্যরা।
পাড়ায় কৃষকদের বৈজ্ঞানিক চাষাবাদ ও পশুপালনে প্রশিক্ষণ পাড়া ব্লকের কৃষকদের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ ও উন্নত পদ্ধতিতে পশুপালনে উৎসাহিত করতে একদিনে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হলো। বুধবার দুপুর বারোটা নাগাদ পাড়া কৃষক বাজারে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পাড়া ব্লক কৃষি দপ্তর এর উদ্যোগে এবং গোয়াই ও হাড়াই ওয়াটারশেড প্রকল্পের অধীনে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে পাড়া ব্লক এলাকার প্রায় 100 জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে সবজি চাষ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং পশু পালনের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়াও রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে চাষীদের অবগত করানো হয়। উপস্থিত ছিলেন পাড়া ব্লকের মুখ্য কৃষি অধিকর্তা মহম্মদ আজহারউদ্দিন, পাড়া ভেটেরিনারি অফিসার হাসমত আনসারী, এসিস্ট্যান্ট ফার্ম ম্যানেজার সলিল কুমার দেওঘরিয়া, অ্যাসিস্ট্যান্ট এগ্রিকালচার এক্সটেনশন অফিসার মনোজ দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী দীনেশ চৌধুরী সহ অন্যান্যরা।
- পাড়ায় কৃষকদের বৈজ্ঞানিক চাষাবাদ ও পশুপালনে প্রশিক্ষণ পাড়া ব্লকের কৃষকদের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ ও উন্নত পদ্ধতিতে পশুপালনে উৎসাহিত করতে একদিনে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হলো। বুধবার দুপুর বারোটা নাগাদ পাড়া কৃষক বাজারে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পাড়া ব্লক কৃষি দপ্তর এর উদ্যোগে এবং গোয়াই ও হাড়াই ওয়াটারশেড প্রকল্পের অধীনে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে পাড়া ব্লক এলাকার প্রায় 100 জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে সবজি চাষ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং পশু পালনের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়াও রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে চাষীদের অবগত করানো হয়। উপস্থিত ছিলেন পাড়া ব্লকের মুখ্য কৃষি অধিকর্তা মহম্মদ আজহারউদ্দিন, পাড়া ভেটেরিনারি অফিসার হাসমত আনসারী, এসিস্ট্যান্ট ফার্ম ম্যানেজার সলিল কুমার দেওঘরিয়া, অ্যাসিস্ট্যান্ট এগ্রিকালচার এক্সটেনশন অফিসার মনোজ দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী দীনেশ চৌধুরী সহ অন্যান্যরা।1
- **কুড়মিদের ST তালিকাভুক্তির বিরোধিতা, মঙ্গলবার পুরুলিয়া জেলাশাসকের দপ্তরে মাঝি পারগানা মহলের বিক্ষোভ-ডেপুটেশন**1
- পুরুলিয়ার জয়পুর কৃষি উন্নয়ন সমিতিতে গচ্ছিত জনসাধারণের আমানত ফেরতের দাবিতে পুরুলিয়ার জেলা দপ্তরে আধিকারিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ পুরুলিয়ার জয়পুর কৃষি উন্নয়ন সমিতিতে গচ্ছিত জনসাধারণের আমানত ফেরতের দাবিতে পুরুলিয়ার জেলা দপ্তরে আধিকারিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ। অবিলম্বে তাদের টাকা ফেরত দিতে হবে এই দাবিতে তারা আন্দোলন শুরু করেছেন বিষয়টি নিয়ে তারা উদ্বোধন ও কর্তৃপক্ষ এমনকি রাজ্যের মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী কেউ বিষয়টি নিয়ে তারা জানিয়েছেন তাদের টাকা যেন অবিলম্বে ফেরত দেওয়া হয়।1
- প্রীতিকা খুনে পুনর্নির্মাণ প্রস্তুত টামনা ও বলরামপুর থানার পুলিশ বেশ কয়েকদিন আগে নাকা চেকিং এর সময় বলরামপুর থানার পুলিশ বস্তাবন্দী দেহ উদ্ধার করেন পুলিশ সূত্রে জানা যায় রাত্রি দেড়টা নাগাদ এক ব্যক্তি বস্তাবন্দি করে মোটরসাইকেলের পিছনে মৃতদেহটি লোপাটের জন্য নিয়ে যায় পুলিশের নজরে পড়তেই সেই মোটরসাইকেল কে আটক করেছিলেন।1
- যুবতীকে খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য গ্রেফতার যুবককে সঙ্গে নিয়ে পুরুলিয়ার টামনা থানা এলাকার ঘটনাস্থল মেসে নিয়ে এলো পুলিশ । সঙ্গে রয়েছেন ফরেনসিক দলের সদস্যরা। যুবতীকে খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য গ্রেফতার যুবককে সঙ্গে নিয়ে পুরুলিয়ার টামনা থানা এলাকার ঘটনাস্থল মেসে নিয়ে এলো পুলিশ । সঙ্গে রয়েছেন ফরেনসিক দলের সদস্যরা।1
- চিচুড়িয়ায় পঞ্চায়েত অফিসে ‘মদের আসর’! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর জামুড়িয়া -: সরকারি পঞ্চায়েত ভবনের ভিতরে বসে কয়েকজনের খাওয়া-দাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জামুড়িয়ার চিচুড়িয়া এলাকায়। ভাইরাল ভিডিওটি ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। যদিও ভিডিওটির সত্যতা এবং সেখানে থাকা পানীয় আদৌ মদ কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, চিচুড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরে একটি ঘরে কয়েকজন বসে রয়েছেন। সামনে খাবার ও পানীয় রাখা রয়েছে। তাঁদের হাতে গ্লাসও দেখা যাচ্ছে। এই দৃশ্যকে ঘিরেই মদের আসর বসানোর অভিযোগ উঠেছে। তবে ভিডিওটি কখনকার এবং ঠিক কী পরিস্থিতিতে সেটি ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভিডিওতে দেখা কয়েকজনের মধ্যে কেউ বিজেপির সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজন সম্প্রতি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। যদিও তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং ভিডিওতে তাঁদের উপস্থিতির বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ছাড়া স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি পঞ্চায়েত ভবনে কীভাবে এমন জমায়েত হল এবং অফিস বন্ধ থাকার সময় সেখানে কারা প্রবেশের অনুমতি পেলেন? প্রশাসনের তরফে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হলে ভিডিওটির সত্যতা, ঘটনার সময় এবং সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের ভূমিকা স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল।1
- আবর্জনার স্তুপে ঢাকছে বলরামপুর শহর! টাটা রোডেও ছড়িয়ে বর্জ্য, প্রশ্নের মুখে স্বচ্ছতার কাজ আবর্জনার স্তুপে ঢাকা পড়তে চলেছে বলরামপুর শহর। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে যত্রতত্র জমছে বাড়ির ময়লা ও পরিত্যক্ত বর্জ্য। কোথাও রাস্তার ধারে পড়ে রয়েছে কঠিন বর্জ্য, আবার কোথাও সেই আবর্জনা থেকে বেরিয়ে আসা নোংরা জল গড়িয়ে পড়ছে রাস্তায়। অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে বাড়ির আবর্জনা ঝাড়ু দিয়ে রাস্তার মাঝেই ফেলে রাখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বর্তমানে শহরের একাধিক এলাকায় স্বচ্ছতার চিত্র যথেষ্ট উদ্বেগজনক। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বলরামপুরের গুরুত্বপূর্ণ টাটা রোডের উপরেও ছড়িয়ে পড়েছে বর্জ্য। এর ফলে একদিকে যেমন পথচারীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে, তেমনই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়েও তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ। স্বচ্ছ ভারত মিশনের আওতায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে বলেও জানা যায়। গড়ে উঠেছে কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন ইউনিট, রয়েছে ই-কার্টসহ বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, সেই পরিকাঠামোর যথাযথ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবস্থাগুলি কার্যত অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ। স্বচ্ছ ভারত মিশনের আওতায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার জন্য সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও বাস্তবে শহরের এই চিত্র কেন—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ, রাস্তা পরিষ্কার এবং কঠিন বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার দাবি উঠছে। বাসিন্দাদের একাংশের প্রশ্ন, স্বচ্ছতার জন্য পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও যদি শহরের রাস্তার উপরেই আবর্জনা পড়ে থাকে, তাহলে সেই ব্যবস্থার কার্যকারিতা কতটা? বলরামপুর শহরকে ফের পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর করে তুলতে প্রশাসন কবে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আমজনতা1
- দুর্গাপূজা কমিটিগুলির সঙ্গে প্রশাসনিক সমন্বয় বৈঠক কোক ওভেন থানার আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে কোক ওভেন থানার উদ্যোগে দুর্গাপূজা কমিটিগুলিকে নিয়ে প্রশাসনিক সমন্বয় বৈঠক মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় অনুষ্ঠিত হল। দুর্গাপুরের স্থানীয় শ্রেয়সী লজে আয়োজিত এই বৈঠকে থানা এলাকার প্রায় সমস্ত দুর্গাপূজা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘড়ুই। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি দুর্গাপুর সুবীর রায়, কোক ওভেন থানার আধিকারিকরা, ট্রাফিক বিভাগ এবং দমকল বিভাগের প্রতিনিধিরা। আসন্ন পুজোকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যান চলাচল এবং অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে পুজো কমিটিগুলিকে একাধিক নির্দেশিকা দেওয়া হয়।1