Shuru
Apke Nagar Ki App…
মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সহকারি সভাপতির বিরুদ্ধে অপসারণ প্রক্রিয়া শেষে কি বললেন শুনুন
MD ENAUR RAHMAN
মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সহকারি সভাপতির বিরুদ্ধে অপসারণ প্রক্রিয়া শেষে কি বললেন শুনুন
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- হারুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে ভেস্তে গেল অনাস্থা ভোট, পদে বহাল প্রধান রাখি রবিদাস।1
- লালগোলায় দেদার চলছে মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম! আতঙ্কে স্থানীয়রা। জনহিতকর নতুন সরকারের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের একাংশ মাটি মাফিয়াদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সীমান্ত শহর মুর্শিদাবাদের লালগোলার বুকে দেদার চালাচ্ছে দৌরাত্ম! আর তাতেই আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে স্থানীয়দের। প্রতিবাদ করলেই পাল্টা হুমকি আর সাশনী। সব মিলিয়ে সীমান্ত শহর লালগোলার বুকে চলতে থাকা মাটি মাফিদের দাপাদাপিতে স্থানীয়দের জীবন রীতিমতো আতঙ্কগ্রস্থ বলেই অভিযোগ । সেক্ষেত্রে এলাকাবাসীরা জানান, স্থানীয় প্রশাসনকে বারংবার জানিয়েও কোনো কাজ হচ্ছেনা। এমনকি সরকারের দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত যে নির্দেশ রয়েছে যে কোনো রকমের মাফিয়া রাজ রুখবার জন্য তাতেও কর্ণপাত করছে না স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ,বলেই নিজেদের ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা।1
- রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার বিধায় আখরুজ্জামান পরিদর্শনে গিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি নিজস্ব প্রতিনিধি, মুর্শিদাবাদ: রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত হলেও প্রশাসনিকভাবে লালগোলা থানার অধীনে থাকা রাধাকৃষ্ণপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে এ বছরের প্রথম বড় পদ্মা ভাঙনের ঘটনা ঘটে। ভাঙনের পর শুক্রবার সকাল থেকেই সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন রোধের কাজ শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে দপ্তরের কর্মীরা পৌঁছে বোল্ডার ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে ভাঙন আটকানোর উদ্যোগ নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অতীতে যে অংশে নদীর পাড় বাঁধানোর কাজ করা হয়েছিল, সেই অংশ এখনও অক্ষত রয়েছে। কিন্তু যে অংশে কোনও প্রতিরোধমূলক কাজ করা হয়নি, সেখানেই পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ওই অংশেও আগে থেকেই বাঁধ নির্মাণ করা হলে এত বড় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হতো। ভাঙনের জেরে একাধিক কৃষকের পাটক্ষেত পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। বহু দিনের পরিশ্রমে ফলানো ফসল চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় হতাশ কৃষকরা। পাশাপাশি নদীর ধার ঘেঁষে থাকা বসতবাড়ির বাসিন্দারাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের আশঙ্কা, ভাঙন অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে আরও কৃষিজমি ও বসতভিটে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এলাকাবাসীর দাবি, শুধু জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করলেই হবে না, দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। বর্তমানে এলাকায় সেচ দপ্তর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং ভাঙন রোধে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।1
- "CM-এর উপর হামলা হলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়: প্রশ্ন অধীরের"।1
- রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভায় পদ্মার ভয়াল ভাঙন, লালগোলা থানার রাধাকৃষ্ণপুরে শুরু সেচ দপ্তরের কাজ—তলিয়ে গেল পাটক্ষেত, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ নিজস্ব প্রতিনিধি, মুর্শিদাবাদ: রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত হলেও প্রশাসনিকভাবে লালগোলা থানার অধীনে থাকা রাধাকৃষ্ণপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে এ বছরের প্রথম বড় পদ্মা ভাঙনের ঘটনা ঘটে। ভাঙনের পর শুক্রবার সকাল থেকেই সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন রোধের কাজ শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে দপ্তরের কর্মীরা পৌঁছে বোল্ডার ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে ভাঙন আটকানোর উদ্যোগ নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অতীতে যে অংশে নদীর পাড় বাঁধানোর কাজ করা হয়েছিল, সেই অংশ এখনও অক্ষত রয়েছে। কিন্তু যে অংশে কোনও প্রতিরোধমূলক কাজ করা হয়নি, সেখানেই পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ওই অংশেও আগে থেকেই বাঁধ নির্মাণ করা হলে এত বড় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হতো। ভাঙনের জেরে একাধিক কৃষকের পাটক্ষেত পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। বহু দিনের পরিশ্রমে ফলানো ফসল চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় হতাশ কৃষকরা। পাশাপাশি নদীর ধার ঘেঁষে থাকা বসতবাড়ির বাসিন্দারাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের আশঙ্কা, ভাঙন অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে আরও কৃষিজমি ও বসতভিটে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এলাকাবাসীর দাবি, শুধু জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করলেই হবে না, দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। বর্তমানে এলাকায় সেচ দপ্তর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং ভাঙন রোধে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।1
- নবগ্রামে অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৩, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বড়সড় অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ কার্তুজসহ তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল এসওজি, মুর্শিদাবাদ এবং নবগ্রাম থানার যৌথ পুলিশ দল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চানাক বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় ইব্রাহিম মণ্ডল (৫২), সাইদুল মণ্ডল (৬৪) এবং মোঃ সাব্বির আলি (৩১)-কে। ধৃতদের মধ্যে ইব্রাহিম ও সাইদুলের বাড়ি মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থানার এলাকায়, অপরদিকে সাব্বির আলির বাড়ি বিহারের মুঙ্গের জেলায়।1