গ্রামে চোলাই মদ বিক্রির প্রতিবাদে স্বনির্ভর দলের মহিলাদের মিছিল এবার জাগছে নারীশক্তি, মদ খেয়ে বাড়িতে এসে আর চলবে না অত্যাচার। সাবধান মদ্যপ পুরুষরা। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে একাধিক চোলাই মদের ঠেক গজিয়ে উঠেছে। অবৈধ চোলাই মদ খেয়ে একদিকে যেমন যুব সমাজ কর্ম বিমুখ হয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে ধ্বংসের দিকে, অন্যদিকে গৃহস্থের সঞ্চিত অর্থ নিয়ে বাড়ির পুরুষেরা মদ খেয়ে বাড়ির মহিলাদের উপর নির্যাতন সহ ধীরে ধীরে ও শ্রম বিমুখ হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতি ঠেকাতে গ্রামে গ্রামে জাগছে নারী শক্তি। ব্যানার, প্লেকার্ড সহকারে গ্রামে গ্রামে মিছিলে সামিল হচ্ছে শয়ে শয়ে মহিলা। জোর করে ভেঙ্গে দেওয়া হচ্ছে গ্রামে গড়ে ওঠা চোলাই মদের ভাটি। অথচ পুলিশ প্রশাসনের খুব একটা নজর নেই বিষয়গুলির উপর। জেলার বিভিন্ন গ্রামে মহিলা স্বনির্ভর দলের উদ্যোগে মদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত হলেও প্রশাসনিকভাবে গ্রামে গ্রামে গিয়ে অবৈধ ভাটি উচ্ছেদের তেমন কোন বড় ঘটনা জেলায় লক্ষ করা যায়নি। সোমবার বরাবাজার ব্লকের অন্তর্গত আমড়াবেড়া গ্রামের মহিলা স্বনির্ভর দলের প্রায় শতাধিক মহিলা প্লেকার্ড সহ গ্রামে মদ বিক্রি করা চলবে না দাবিতে সোচ্চার হয়ে এক মিছিল সংগঠিত করে। তাদের দাবি গ্রামে গ্রামে গড়ে ওঠা অবৈধ মদের ঠেকগুলো বন্ধ করতে হবে। গ্রামের ভিতরে মদ খাওয়া চলবে না। বিষয়গুলি বন্ধ না হলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামার কথা জানান।
গ্রামে চোলাই মদ বিক্রির প্রতিবাদে স্বনির্ভর দলের মহিলাদের মিছিল এবার জাগছে নারীশক্তি, মদ খেয়ে বাড়িতে এসে আর চলবে না অত্যাচার। সাবধান মদ্যপ পুরুষরা। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে একাধিক চোলাই মদের ঠেক গজিয়ে উঠেছে। অবৈধ চোলাই মদ খেয়ে একদিকে যেমন যুব সমাজ কর্ম বিমুখ হয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে ধ্বংসের দিকে, অন্যদিকে গৃহস্থের সঞ্চিত অর্থ নিয়ে বাড়ির পুরুষেরা মদ খেয়ে বাড়ির মহিলাদের উপর নির্যাতন সহ ধীরে ধীরে ও শ্রম বিমুখ হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতি ঠেকাতে গ্রামে গ্রামে জাগছে নারী শক্তি। ব্যানার, প্লেকার্ড সহকারে গ্রামে গ্রামে মিছিলে সামিল হচ্ছে শয়ে শয়ে মহিলা। জোর করে ভেঙ্গে দেওয়া হচ্ছে গ্রামে গড়ে ওঠা
চোলাই মদের ভাটি। অথচ পুলিশ প্রশাসনের খুব একটা নজর নেই বিষয়গুলির উপর। জেলার বিভিন্ন গ্রামে মহিলা স্বনির্ভর দলের উদ্যোগে মদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত হলেও প্রশাসনিকভাবে গ্রামে গ্রামে গিয়ে অবৈধ ভাটি উচ্ছেদের তেমন কোন বড় ঘটনা জেলায় লক্ষ করা যায়নি। সোমবার বরাবাজার ব্লকের অন্তর্গত আমড়াবেড়া গ্রামের মহিলা স্বনির্ভর দলের প্রায় শতাধিক মহিলা প্লেকার্ড সহ গ্রামে মদ বিক্রি করা চলবে না দাবিতে সোচ্চার হয়ে এক মিছিল সংগঠিত করে। তাদের দাবি গ্রামে গ্রামে গড়ে ওঠা অবৈধ মদের ঠেকগুলো বন্ধ করতে হবে। গ্রামের ভিতরে মদ খাওয়া চলবে না। বিষয়গুলি বন্ধ না হলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামার কথা জানান।
- এবার জাগছে নারীশক্তি, মদ খেয়ে বাড়িতে এসে আর চলবে না অত্যাচার। সাবধান মদ্যপ পুরুষরা। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে একাধিক চোলাই মদের ঠেক গজিয়ে উঠেছে। অবৈধ চোলাই মদ খেয়ে একদিকে যেমন যুব সমাজ কর্ম বিমুখ হয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে ধ্বংসের দিকে, অন্যদিকে গৃহস্থের সঞ্চিত অর্থ নিয়ে বাড়ির পুরুষেরা মদ খেয়ে বাড়ির মহিলাদের উপর নির্যাতন সহ ধীরে ধীরে ও শ্রম বিমুখ হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতি ঠেকাতে গ্রামে গ্রামে জাগছে নারী শক্তি। ব্যানার, প্লেকার্ড সহকারে গ্রামে গ্রামে মিছিলে সামিল হচ্ছে শয়ে শয়ে মহিলা। জোর করে ভেঙ্গে দেওয়া হচ্ছে গ্রামে গড়ে ওঠা চোলাই মদের ভাটি। অথচ পুলিশ প্রশাসনের খুব একটা নজর নেই বিষয়গুলির উপর। জেলার বিভিন্ন গ্রামে মহিলা স্বনির্ভর দলের উদ্যোগে মদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত হলেও প্রশাসনিকভাবে গ্রামে গ্রামে গিয়ে অবৈধ ভাটি উচ্ছেদের তেমন কোন বড় ঘটনা জেলায় লক্ষ করা যায়নি। সোমবার বরাবাজার ব্লকের অন্তর্গত আমড়াবেড়া গ্রামের মহিলা স্বনির্ভর দলের প্রায় শতাধিক মহিলা প্লেকার্ড সহ গ্রামে মদ বিক্রি করা চলবে না দাবিতে সোচ্চার হয়ে এক মিছিল সংগঠিত করে। তাদের দাবি গ্রামে গ্রামে গড়ে ওঠা অবৈধ মদের ঠেকগুলো বন্ধ করতে হবে। গ্রামের ভিতরে মদ খাওয়া চলবে না। বিষয়গুলি বন্ধ না হলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামার কথা জানান।2
- ৭৭ তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করল ফাইট ফর পুরুলিয়ার সদস্যগণ। আজ প্রজাতন্ত্র দিবসে দেশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনটিকে উদযাপন করলেন ফাইট ফর পুরুলিয়ার সদস্যগণ এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী নেপাল মাহাতো। পুরুলিয়ার সাহেব বাঁধের পাড়ে অবস্থিত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মর্মর মূর্তিতে মাল্যদান ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনটিকে উদযাপন করলেন ফাইট ফর পুরুলিয়ার সদস্যগণ। ১৯৩০ সালে আজকের দিনে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে যে সংবিধান তৈরি করা হয়েছিল তাই যথেষ্ট নয় বলে জানালেন সংস্থার সভাপতি প্রবীর কুমার অধিকারী।তিনি আরো বলেন সংবিধানে আরো কিছু সংযোজন দরকার,যেমন রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখতে হবে ,প্লাস্টিক বর্জন করতে হবে, যেখানে সেখানে থুতু ফেলা চলবে না।তার থেকেও বেশি গুরুত্বপুর্ণ মেয়েদের ও মায়েদের সুরক্ষা।রাস্তাঘাটে মেয়েরা সুরক্ষিত নয়।কেনো মেয়েরা রাত্রে বেলায় ঘোরাফেরা করতে পারবে না।কেনো অত্যাচারিত হয়ে চোখের জল ফেলতে হবে।যেদিন এগুলি সংবিধানে লাগু হবে সেদিন সত্যিকারের প্রজাতন্ত্র দিবস হিসাবে পালিত হবে।নতুবা এই দিনটিকে আমরা রাজতন্ত্র হিসেবেই মানি।আজকের দিনের বিশেষত্ব নিয়ে তিনি আরো কি জানালেন শুনুন বিস্তারিত।3
- হুড়া গার্লস হাই স্কুলে অনুষ্ঠান উপস্থিত হুড়া ব্লক ডেভলপমেন্ট অফিসার ছাড়াও অন্যান্যরা1
- প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে নাশকতা ঠেকাতে পুরুলিয়া GRP ও RPF এর যৌথ উদ্যোগে পুরুলিয়া রেল স্টেশন সহ রেল লাইনে তল্লাশি অভিযান চালানো হলো রবিবার রাতে।1
- প্রতি বছরের মতো এবছরও ২৬শে জানুয়ারি সাঁওতালডি সেন্ট জেভিয়ার্স ইনস্টিটিউটে মহা সমারোহে পালিত হলো সাধারণতন্ত্র দিবস। সোমবার সকাল প্রায় দশটা নাগাদ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন সাঁওতালডি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এজিএম শ্রী গণেশ চন্দ্র মাজী মহাশয়। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রী নেপাল চন্দ্র প্রামাণিক। পতাকা উত্তোলনের পর জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর উদ্বোধনী বক্তব্যে সাধারণতন্ত্র দিবসের তাৎপর্য, সংবিধানের গুরুত্ব এবং দেশের প্রতি নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন আমন্ত্রিত অতিথি ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্বে ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় মার্চ পাস্ট, পিটি প্রদর্শনী, দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্য অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি অভিভাবক-অভিভাবিকারাও উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি দেশাত্মবোধক আবহে সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়।1
- Post by Shantanu Rajak Shantanu Rajak2
- ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে উদযাপিত হল ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস। ঝাড়গ্রাম জেলাতে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ও স্বগৌরবের সাথে পালন করা হল ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের তরফে। অভিবাদন নেন ঝাড়গ্রাম জেলার জেলা শাসক আকাঙ্খা ভাষ্কর এবং পুলিশ সুপার মানব সিংলা। আজ কুচকাওয়াজে গান স্যালুট, বিভিন্ন ট্যাবলো প্রদর্শিত হয়। বিভিন্ন স্কুল সহ ২২টি টিম প্যারেডে অংশ নেয়। বিভিন্ন প্রকল্প সহ ২৩ টি ট্যাবলো এবং ৯টি কালচারাল টিম অংশ নেয় কুচকাওয়াজ এ। ভারতের জাতীয় জীবনে ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গর্বের ও ঐতিহাসিক দিন। ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আকাঙ্খা ভাস্কর বলেন আমাদের সংবিধান আমাদের আত্মা, লাল মাটির জেলা ঝাড়গ্রাম, এখানকার মাটি শ্রম ও ত্যাগের প্রতীক। পাহাড়, জঙ্গল তার সৌন্দর্য বহন করে। ২০২৬ সালে ভারত তার ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন করবে, যা আবারও আমাদের সাংবিধানিক মূল্যবোধ ও গণতন্ত্রের শক্তিকে স্মরণ করিয়ে দেবে।3
- पश्चिम बर्धमान के रानीगंज:- भारतीय जनता पार्टी के नवनियुक्त राष्ट्रीय अध्यक्ष नितिन नवीन 28 जनवरी को रानीगंज के दौरे पर आ रहे हैं। इससे पहले आज भाजपा के आसनसोल जिला सांगठनिक के रानीगंज विधानसभा नेतृत्व की ओर से एक प्रेस कॉन्फ्रेंस का आयोजन किया गया। प्रेस वार्ता में जिला इंचार्ज विवेक रंगा, विधानसभा संयोजक दिनेश सोनी, विधानसभा इंचार्ज मृत्युंजय चंद, विधानसभा प्रभारी सागर राय और मंडल अध्यक्ष शमशेर सिंह मौजूद थे। भाजपा नेताओं ने बताया कि राष्ट्रीय अध्यक्ष बनने के बाद नितिन नवीन का यह पहला पश्चिम बंगाल दौरा है। नितिन नवीन पहले दुर्गापुर में संगठनात्मक बैठक करेंगे, उसके बाद रानीगंज के स्पोर्ट्स असेंबली हॉल में पार्टी कार्यकर्ताओं और नेताओं के साथ बैठक करेंगे। इस दौरे का उद्देश्य 2026 विधानसभा चुनाव से पहले संगठन को मजबूत करना बताया गया है। भाजपा नेताओं का दावा है कि नितिन नवीन के दौरे से कार्यकर्ताओं में उत्साह है, वहीं तृणमूल कांग्रेस में बेचैनी देखी जा रही है। भाजपा का कहना है कि 2026 में प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी के नेतृत्व में बंगाल में बदलाव तय है।1