ইন্দাসে মঙ্গলপুরে খরগেশ্বর শিব মন্দিরে পূজা দিয়ে প্রচার শুরু শ্যামলী রায় বাগদীর, উচ্ছ্বাসে গ্রামবাসী ইন্দাসে মঙ্গলপুরে খরগেশ্বর শিব মন্দিরে পূজা দিয়ে প্রচার শুরু শ্যামলী রায় বাগদীর, উচ্ছ্বাসে গ্রামবাসী নিজস্ব সংবাদদাতা, ইন্দাস: বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস বিধানসভার মঙ্গলপুর গ্রামে নির্বাচনী প্রচারে এসে ধর্মীয় আচার পালন করেই সূচনা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদী। সোমবার সকালে তিনি মঙ্গলপুরের খরগেশ্বর শিব মন্দিরে পূজা দেন এবং এলাকার শান্তি ও উন্নয়নের জন্য প্রার্থনা করেন। পূজার পরই গ্রামে গ্রামে জনসংযোগ শুরু করেন তিনি। প্রার্থীকে ঘিরে গ্রামবাসীদের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস। গ্রামে প্রবেশ করতেই চন্দনের ফোঁটা, ফুলের মালা ও মিষ্টি মুখ করিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন স্থানীয় মানুষজন। শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। অনেকেই তাঁকে ‘ঘরের মেয়ে’ বলেই উল্লেখ করেন এবং কাছে পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। গ্রামবাসীদের একাংশ জানিয়েছেন, রাজ্যের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুফল তারা ইতিমধ্যেই পেয়েছেন। সেই কারণেই তারা শ্যামলী রায় বাগদীর উপর আস্থা রাখছেন এবং আসন্ন নির্বাচনে তাঁর জয় সম্পর্কে আশাবাদী। অন্যদিকে, শ্যামলী রায় বাগদী বলেন, “মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে রাজ্যে যেভাবে মহিলাদের ও যুব সমাজের উন্নয়ন হচ্ছে, তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। মানুষের এই ভালোবাসা ও সমর্থনই আমাদের আরও শক্তি জোগাচ্ছে।” তিনি আরও জানান, গ্রাম বাংলার উন্নয়নের ধারাকে বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মঙ্গলপুরে প্রচারের সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকেরা।
ইন্দাসে মঙ্গলপুরে খরগেশ্বর শিব মন্দিরে পূজা দিয়ে প্রচার শুরু শ্যামলী রায় বাগদীর, উচ্ছ্বাসে গ্রামবাসী ইন্দাসে মঙ্গলপুরে খরগেশ্বর শিব মন্দিরে পূজা দিয়ে প্রচার শুরু শ্যামলী রায় বাগদীর, উচ্ছ্বাসে গ্রামবাসী নিজস্ব সংবাদদাতা, ইন্দাস: বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস বিধানসভার মঙ্গলপুর গ্রামে নির্বাচনী প্রচারে এসে ধর্মীয় আচার পালন করেই সূচনা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদী। সোমবার সকালে তিনি মঙ্গলপুরের খরগেশ্বর শিব মন্দিরে পূজা দেন এবং এলাকার শান্তি ও উন্নয়নের জন্য প্রার্থনা করেন। পূজার পরই গ্রামে গ্রামে জনসংযোগ শুরু করেন তিনি। প্রার্থীকে ঘিরে গ্রামবাসীদের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস। গ্রামে প্রবেশ করতেই চন্দনের ফোঁটা, ফুলের মালা ও মিষ্টি মুখ করিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন স্থানীয় মানুষজন। শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। অনেকেই তাঁকে ‘ঘরের মেয়ে’ বলেই উল্লেখ করেন এবং কাছে পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। গ্রামবাসীদের একাংশ জানিয়েছেন, রাজ্যের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুফল তারা ইতিমধ্যেই পেয়েছেন। সেই কারণেই তারা শ্যামলী রায় বাগদীর উপর আস্থা রাখছেন এবং আসন্ন নির্বাচনে তাঁর জয় সম্পর্কে আশাবাদী। অন্যদিকে, শ্যামলী রায় বাগদী বলেন, “মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে রাজ্যে যেভাবে মহিলাদের ও যুব সমাজের উন্নয়ন হচ্ছে, তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। মানুষের এই ভালোবাসা ও সমর্থনই আমাদের আরও শক্তি জোগাচ্ছে।” তিনি আরও জানান, গ্রাম বাংলার উন্নয়নের ধারাকে বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মঙ্গলপুরে প্রচারের সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকেরা।
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিষ্ণুপুরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়াল দলবদলের ঘটনায়। আজ বিষ্ণুপুর হাই স্কুল গ্রাউন্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর জনসভা মঞ্চ থেকেই বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন দেখা গেল। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তন্ময় ঘোষের সমর্থনে আয়োজিত এই জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চে ওঠার আগেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন অযোধ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তথা বিষ্ণুপুর বিজেপির মণ্ডল ওয়ানের সহ-সভাপতি শ্যামল ব্যানার্জি। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের হাত ধরে তাঁর এই যোগদান রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে অযোধ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিডরা ৪৬ নম্বর বুথ থেকে জয়লাভ করেছিলেন শ্যামল ব্যানার্জি। পরবর্তীতে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন এবং সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদও পান। তবে তাঁর অভিযোগ, বিজেপিতে থেকে তিনি এলাকার উন্নয়নের কাজে বাধার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। শ্যামল ব্যানার্জির কথায়, “এলাকার মানুষ আমাকে উন্নয়নের জন্য ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু বিজেপিতে থেকে সেই কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই মানুষের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত।” অন্যদিকে, বিজেপির তরফে কটাক্ষ করে দাবি করা হয়েছে, “দলে এসে কোনও ‘কাট মানি’ না পাওয়ায় তিনি বিজেপিতে থাকতে পারেননি, সেই কারণেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।” নির্বাচনের মুখে এই দলবদল স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসকে বাড়তি রাজনৈতিক অক্সিজেন জোগাবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।2
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- আসন্ন কোতুলপুর বিধানসভা নির্বাচনে 2026 তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হরকালী প্রতিহার মহাশয় এর সমর্থনে কোতুলপুর ব্লকে কোতুলপুর অঞ্চলে D2D তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট প্রচার।1
- ইন্দাস বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নির্মল ধারা লাউগ্রামে প্রচারে বের হলে তৃণমূল পক্ষ থেকে জয় বাংলা ধনী দেওয়া হয়। পাল্টা বিজেপির পক্ষ থেকেও জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা।1
- অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় এর নিথর দেহ কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে তার বন্ধু বান্ধব সহ আত্মীয় স্বজনেরা। এলাকা জুড়ে নেমেছে শোকের ছায়া।1
- Post by Spreading News Bangla (MEMARI)1
- সরবেড়িয়া দুই অঞ্চলের মকরামপুর কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার ও জনসংযোগ করলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী শীতল কপাট1
- ইন্দাসে মঙ্গলপুরে খরগেশ্বর শিব মন্দিরে পূজা দিয়ে প্রচার শুরু শ্যামলী রায় বাগদীর, উচ্ছ্বাসে গ্রামবাসী নিজস্ব সংবাদদাতা, ইন্দাস: বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস বিধানসভার মঙ্গলপুর গ্রামে নির্বাচনী প্রচারে এসে ধর্মীয় আচার পালন করেই সূচনা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদী। সোমবার সকালে তিনি মঙ্গলপুরের খরগেশ্বর শিব মন্দিরে পূজা দেন এবং এলাকার শান্তি ও উন্নয়নের জন্য প্রার্থনা করেন। পূজার পরই গ্রামে গ্রামে জনসংযোগ শুরু করেন তিনি। প্রার্থীকে ঘিরে গ্রামবাসীদের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস। গ্রামে প্রবেশ করতেই চন্দনের ফোঁটা, ফুলের মালা ও মিষ্টি মুখ করিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন স্থানীয় মানুষজন। শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। অনেকেই তাঁকে ‘ঘরের মেয়ে’ বলেই উল্লেখ করেন এবং কাছে পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। গ্রামবাসীদের একাংশ জানিয়েছেন, রাজ্যের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুফল তারা ইতিমধ্যেই পেয়েছেন। সেই কারণেই তারা শ্যামলী রায় বাগদীর উপর আস্থা রাখছেন এবং আসন্ন নির্বাচনে তাঁর জয় সম্পর্কে আশাবাদী। অন্যদিকে, শ্যামলী রায় বাগদী বলেন, “মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে রাজ্যে যেভাবে মহিলাদের ও যুব সমাজের উন্নয়ন হচ্ছে, তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। মানুষের এই ভালোবাসা ও সমর্থনই আমাদের আরও শক্তি জোগাচ্ছে।” তিনি আরও জানান, গ্রাম বাংলার উন্নয়নের ধারাকে বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মঙ্গলপুরে প্রচারের সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকেরা।1