Shuru
Apke Nagar Ki App…
সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে পালিত হল বিশেষ সড়ক নিরাপত্তা সপ্তাহ
Sangbad Medinipur
সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে পালিত হল বিশেষ সড়ক নিরাপত্তা সপ্তাহ
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বৃষ্টি মাথায় নয়াগ্রাম ব্লকের বড়শোল গ্রামে দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত স্বর্ণা কালিন্দীর ছেলের সঙ্গে দেখা করলেন ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আকাঙ্ক্ষা ভাস্কর বৃদ্ধার মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। সোমবার বৃষ্টি মাথায় নয়াগ্রাম ব্লকের বড়শোল গ্রামে যান জেলাশাসক আকাঙ্ক্ষা ভাস্কর। সঙ্গে ছিলেন নয়াগ্রামের বিডিও শান্তনু সরকার। বৃষ্টির জেরে মাটির বাড়ির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে স্বর্ণা কালিন্দী নয়াগ্রাম থানার বড়নিগুই অঞ্চলের বড়শোল গ্রামের ঘটনা। স্থানীয় অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়ে পরিবারগুলি। শনিবার ঘটনার সময় অধিকাংশ মানুষ দিনমজুরের কাজে বাইরে ছিলেন। বিকেলে বাড়ি ফিরে তারা দেখেন, প্রবল বৃষ্টির জেরে একাধিক বাড়িতে জল ঢুকে পড়েছে। ওই সময় স্বর্ণা কালিন্দী নিজের বাড়ির ভেতরেই ছিলেন। মুহূর্তের মধ্যেই ভেঙে পড়ে মাটির দেওয়াল। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে নয়াগ্রাম থানার পুলিশ এবং প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। ঝুঁকিপূর্ণ বাড়িগুলি পরিদর্শন করেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। ওই ঘটনার পর বড়শোল গ্রামের বহু পরিবার আতঙ্কে অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্র ও অস্থায়ী আশ্রয় শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। গ্রামবাসীদের দাবি, বর্তমানে ২৬টি পরিবারের প্রায় ১৬২ জন মানুষ সেখানে রয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্য, পানীয় জল, শিশুদের পোশাকসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। এদিন জেলাশাসক সেই গ্রাম পরিদর্শন করেন। দেখেন বৃষ্টির জল জমে যাচ্ছে। কোনও নিকাশী ব্যবস্থা নেই। যারফলে মাটির বাড়ি ভেঙে পড়ছে। মৃত বৃদ্ধার ছেলের সঙ্গে দেখা করেন জেলাশাসক। জেলাশাসক বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় পাকা বাড়ি করে দেওয়া হবে। বাড়ি বরাদ্দ হলেই সেই টাকা রখচ না করে তাড়াতাড়ি বাড়ি বানাবেন। বাচ্চাদের বাইরে বেশি পাঠাবেন না। একটি স্বাস্থ্য শিবির করা হবে। বাথরুম ব্যবহার করবেন।2
- নাগপঞ্চমী তিথিতে রতুয়া ১ ব্লকের রঘুবাটি গ্রামের মনসা মন্দিরে ভক্তদের উপচেপড়া ভীড় দেখার মতো1
- আলু চাষীদের নিয়ে বড় বার্তা দিলেন ঝাড় গ্রামের বিধায়ক লক্ষীকান্ত সাউ আলু চাষীদের নিয়ে বড় বার্তা দিলেন ঝাড় গ্রামের বিধায়ক লক্ষীকান্ত সাউ1
- ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে সোমবার থেকে সমগ্র জেলাজুড়ে শুরু হলো পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ1
- বড়শোল গ্রামে মাটির ঘর ভেঙে মৃত্যু হয় এক মহিলার ঘটনাস্থলে বিডিও গেলে তাকে ঘিরে বিক্ষোভ এলাকাবাসীর মাটির বাড়ি চাপা পড়ে মৃত্য হয়েছে স্বর্ন কালিন্দীর। আর তার জেরেই ফের আবাস যোজনার এক বড় দূর্নীতি সামনে চলে এলো। ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের বড়নিগুই অঞ্চল এর বড়শোল গ্রামের ঘটনা। সোমবার ঘটনাস্থলে নয়াগ্রামের বিডিও গেলে তাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান এলাকায় মানুষজন। দ্রুত সমাধানের আশ্বাস ও দেন তিনি।2
- আরামবাগে যুবককে লক্ষ্য করে গুলি, কাঠগড়ায় খোদ বিজেপি নেতা! নেপথ্যে কি দলেরই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব? রাতের অন্ধকারে যুবককে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল আরামবাগের ৪ নম্বর মণ্ডল এলাকায়। গুলিবিদ্ধ যুবকের নাম সুজন গড়ায়। তিনি নিজেকে বিজেপির যুব মোর্চার সক্রিয় কর্মী বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনায় পুলিশ মূল অভিযুক্ত হিসেবে সাঁলাপুর ২ নম্বর অঞ্চলের বিজেপি কনভেনর দীপঙ্কর হাজরাকে গ্রেফতার করে আজ আরামবাগ মহকুমা আদালতে পেশ করেছে। ঘটনাটি বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল, নাকি নিছকই ব্যক্তিগত শত্রুতা— তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ডোঙ্গল এলাকা থেকে কার্পাটি বাজারে নিজের বাড়ি ফিরছিলেন সুজন গড়ায়। অভিযোগ, পথিমধ্যেই তাঁকে লক্ষ্য করে আচমকা গুলি চালানো হয়। গুলি তাঁর পা ফুঁড়ে বেরিয়ে যায়। রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতাল শয্যা থেকেই সুজন ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ স্থানীয় বিজেপি নেতা দীপঙ্কর হাজরাকে গ্রেফতার করলেও, তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পুলিশি হেফাজতে তিনি পালটা চক্রান্তের অভিযোগ তুলে বলেন, "তৃণমূলের লোকজন রাতের অন্ধকারে বিজেপির ছদ্মবেশে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। আমি বাড়িতে না থাকায় আমার স্ত্রীর ওপর অত্যাচার করা হয় এবং পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়।" শুধু তাই নয়, নিজের শারীরিক অক্ষমতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, "আমার একটা হাত কাটা। এই অবস্থায় আমি কীভাবে বন্দুক ধরে গুলি চালাব?" অভিযোগকারীদের তিনি 'ভোটের সময় তৈরি হওয়া ভণ্ড' বলেও কটাক্ষ করেছেন। আরামবাগ ৪ নম্বর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি সুশোভন রায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, আহত যুবক দলের সক্রিয় কর্মীই নন। আর্থিক দেনা-পাওনা বা ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টিকে অহেতুক রাজনৈতিক রং দেওয়া হচ্ছে। আরামবাগ থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার সবকটি দিক খতিয়ে দেখছে। এটি সত্যিই কোনো রাজনৈতিক সংঘর্ষ, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক বিবাদ—তা স্পষ্ট করতে তদন্ত চলছে। এলাকায় নতুন করে যাতে কোনো উত্তেজনা না ছড়ায়, তার জন্য পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে।1