Shuru
Apke Nagar Ki App…
মালদার গাজোলে এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ১০ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এক হবিবপুরের বাসিন্দাকে হাই স্কুলে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়েছিলেন। চাকরি না পাওয়ার পর ওই টাকা ফেরত চাইতে গেলে অভিযোগকারীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গাজোল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত নেতা তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এই ঘটনা মালদার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে প্রশ্ন উঠছে এটি কি সত্যিই চাকরির নামে প্রতারণা নাকি নিছকই রাজনৈতিক চক্রান্ত। তদন্তের ফলাফলের দিকেই এখন সবার নজর।
Uttarbanganewslive Facebook
মালদার গাজোলে এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ১০ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এক হবিবপুরের বাসিন্দাকে হাই স্কুলে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়েছিলেন। চাকরি না পাওয়ার পর ওই টাকা ফেরত চাইতে গেলে অভিযোগকারীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গাজোল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত নেতা তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এই ঘটনা মালদার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে প্রশ্ন উঠছে এটি কি সত্যিই চাকরির নামে প্রতারণা নাকি নিছকই রাজনৈতিক চক্রান্ত। তদন্তের ফলাফলের দিকেই এখন সবার নজর।
More news from West Bengal and nearby areas
- মালদার গাজোলে এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ১০ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এক হবিবপুরের বাসিন্দাকে হাই স্কুলে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়েছিলেন। চাকরি না পাওয়ার পর ওই টাকা ফেরত চাইতে গেলে অভিযোগকারীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গাজোল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত নেতা তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এই ঘটনা মালদার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে প্রশ্ন উঠছে এটি কি সত্যিই চাকরির নামে প্রতারণা নাকি নিছকই রাজনৈতিক চক্রান্ত। তদন্তের ফলাফলের দিকেই এখন সবার নজর।1
- বৈষ্ণবনগরে এই বছরের মহরম উৎসব অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে এবং উৎসবের মেজাজে শেষ হয়েছে, যা সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বৈষ্ণবনগর থানার পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এবছর মোট আটটি মহরমের দল বৈষ্ণবনগর খেলার মাঠে এসেছিল। শুধু বৈষ্ণবনগর থেকেই নয়, আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকেও শত শত মানুষ এই ঐতিহ্যবাহী খেলা দেখতে প্রচুর ভিড় জমিয়েছিল।1
- মুর্শিদাবাদ সীমান্তে কড়া নজরদারির মাঝে আবারও পাঁচ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া এই অনুপ্রবেশকারীদের বর্তমানে হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।1
- মালদা জেলার চরসুজাপুর মন্দাই রাস্তাটির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এই বেহাল দশার কারণে বহু মানুষকে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।2
- বর্ষা শুরু হওয়ার সাথে সাথেই কৃষিকাজ শুরু হয়ে গেছে। মাঠে গরু চড়ছে এবং ঘাস খাচ্ছে। কৃষকরা এখন ধান রোপণের জন্য জমি তৈরি করছেন।1
- কালিয়াগঞ্জের পান্ডব বিল এলাকায় শ্মশান লাগোয়া জমিতে মাটি কাটার সময় মানুষের মাথার খুলি বেরিয়ে আসার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এরই মধ্যে ২৭ বছর বয়সী শচীন্দ্র সরকার নামের এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ফলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, ওই মাথার খুলি উদ্ধারের ঘটনার পর থেকেই শচীন্দ্র সরকার অত্যন্ত আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। শুক্রবার বিকেলে স্থানীয়রা তাঁদের বাড়ির অদূরে একটি আমগাছে শচীন্দ্র সরকারের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে। শনিবার ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি রায়গঞ্জ মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।1
- জলপাইগুড়ি শহরের বিবেকানন্দ পল্লীতে সম্প্রতি কিছু পোস্টারকে কেন্দ্র করে এক নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই পোস্টারগুলিতে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ তুলে কটাক্ষ করা হয়েছে। পাশাপাশি, কিছু নির্দিষ্ট নেতার নাম উল্লেখ করে তাদের 'কৃষ্ণ দাসের ছায়াসঙ্গী' বলেও চিহ্নিত করা হয়েছে। পোস্টারগুলিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে। কে বা কারা এই পোস্টারগুলি লাগিয়েছে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।1
- হেমতাবাদ থানার পুলিশ একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ উঠেছে যে ওই ব্যক্তি নিজেকে হেমতাবাদ থানার আইসি (ইন-চার্জ) হিসেবে পরিচয় দিয়ে তোলাবাজি করছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই হেমতাবাদ থানার পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করেছে।1