শিক্ষক নিয়োগ ও স্কুল সচল রাখার দাবিতে ঝাড়গ্রামে এআইডিএসও-র ডিআই অফিস অভিযান। বিভিন্ন শিক্ষা-সংক্রান্ত দাবি নিয়ে আজ ঝাড়গ্রাম শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করল ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন (AIDSO)। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে জেলা ডেপুটি ইন্সপেক্টর অফ স্কুলস (ডিআই) অফিসে গিয়ে একটি স্মারকলিপি প্রদান করে।আজ সকাল ১১ টা নাগাদ ঝাড়গ্রাম শহরের পাঁচমাথা মোড়ে থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল শহর পরিক্রমা করে ডিআই অফিসের সামনে পৌঁছায়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা সভাপতি তাপস জানা, জেলা সম্পাদক অনিন্দিতা বেরা এবং নেত্রী চন্দনা মাহাতো সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব।বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে প্রধানত তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ভোটকে কেন্দ্র করে স্কুলগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছে সংগঠনটি। তাদের দাবি, এর ফলে আগামী ২-৩ মাস স্কুল বন্ধ থাকবে, যা পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের জন্য চরম ক্ষতিকর।জেলার প্রায় প্রতিটি স্কুলে শিক্ষকের অভাবে দিনের পর দিন ক্লাস বন্ধ থাকছে। অবিলম্বে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।পরিকাঠামো ছাড়াই স্কুল স্তরে তড়িঘড়ি সেমিস্টার পদ্ধতি চালু করার প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা ।আন্দোলন প্রসঙ্গে জেলা সম্পাদিকা অনিন্দিতা বেরা বলেন,ঝাড়গ্রাম জেলার স্কুলগুলো শিক্ষকের অভাবে ধুঁকছে। একদিকে ক্লাস হচ্ছে না, অন্যদিকে পরিকাঠামোহীন অবস্থায় সেমিস্টার চালু করে শিক্ষার সর্বনাশ করা হচ্ছে। তার ওপর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ ছিল। এখন আবার ভোটের নামে আড়াই মাস স্কুল বন্ধ রেখে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আমরা দাবি করছি, কোনো অজুহাতে স্কুল বন্ধ রাখা চলবে না। বাহিনীর জন্য প্রশাসন বিকল্প ব্যবস্থা করুক। ডিআই অফিসের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে AIDSO সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে জেলাজুড়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তারা।
শিক্ষক নিয়োগ ও স্কুল সচল রাখার দাবিতে ঝাড়গ্রামে এআইডিএসও-র ডিআই অফিস অভিযান। বিভিন্ন শিক্ষা-সংক্রান্ত দাবি নিয়ে আজ ঝাড়গ্রাম শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করল ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন (AIDSO)। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে জেলা ডেপুটি ইন্সপেক্টর অফ স্কুলস (ডিআই) অফিসে গিয়ে একটি স্মারকলিপি প্রদান করে।আজ সকাল ১১ টা নাগাদ ঝাড়গ্রাম শহরের পাঁচমাথা মোড়ে থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল শহর পরিক্রমা করে ডিআই অফিসের সামনে পৌঁছায়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা সভাপতি তাপস জানা, জেলা সম্পাদক অনিন্দিতা বেরা এবং নেত্রী চন্দনা মাহাতো সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব।বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে প্রধানত তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ভোটকে কেন্দ্র করে স্কুলগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছে সংগঠনটি। তাদের দাবি, এর ফলে আগামী ২-৩ মাস স্কুল বন্ধ থাকবে, যা পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের জন্য চরম ক্ষতিকর।জেলার প্রায় প্রতিটি স্কুলে শিক্ষকের অভাবে দিনের পর দিন ক্লাস বন্ধ থাকছে। অবিলম্বে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।পরিকাঠামো ছাড়াই স্কুল স্তরে তড়িঘড়ি সেমিস্টার পদ্ধতি চালু করার প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা ।আন্দোলন প্রসঙ্গে জেলা সম্পাদিকা অনিন্দিতা বেরা বলেন,ঝাড়গ্রাম জেলার স্কুলগুলো শিক্ষকের অভাবে ধুঁকছে। একদিকে ক্লাস হচ্ছে না, অন্যদিকে পরিকাঠামোহীন অবস্থায় সেমিস্টার চালু করে শিক্ষার সর্বনাশ করা হচ্ছে। তার ওপর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ ছিল। এখন আবার ভোটের নামে আড়াই মাস স্কুল বন্ধ রেখে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আমরা দাবি করছি, কোনো অজুহাতে স্কুল বন্ধ রাখা চলবে না। বাহিনীর জন্য প্রশাসন বিকল্প ব্যবস্থা করুক। ডিআই অফিসের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে AIDSO সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে জেলাজুড়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তারা।
- বিভিন্ন শিক্ষা-সংক্রান্ত দাবি নিয়ে আজ ঝাড়গ্রাম শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করল ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন (AIDSO)। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে জেলা ডেপুটি ইন্সপেক্টর অফ স্কুলস (ডিআই) অফিসে গিয়ে একটি স্মারকলিপি প্রদান করে।আজ সকাল ১১ টা নাগাদ ঝাড়গ্রাম শহরের পাঁচমাথা মোড়ে থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল শহর পরিক্রমা করে ডিআই অফিসের সামনে পৌঁছায়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা সভাপতি তাপস জানা, জেলা সম্পাদক অনিন্দিতা বেরা এবং নেত্রী চন্দনা মাহাতো সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব।বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে প্রধানত তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ভোটকে কেন্দ্র করে স্কুলগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছে সংগঠনটি। তাদের দাবি, এর ফলে আগামী ২-৩ মাস স্কুল বন্ধ থাকবে, যা পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের জন্য চরম ক্ষতিকর।জেলার প্রায় প্রতিটি স্কুলে শিক্ষকের অভাবে দিনের পর দিন ক্লাস বন্ধ থাকছে। অবিলম্বে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।পরিকাঠামো ছাড়াই স্কুল স্তরে তড়িঘড়ি সেমিস্টার পদ্ধতি চালু করার প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা ।আন্দোলন প্রসঙ্গে জেলা সম্পাদিকা অনিন্দিতা বেরা বলেন,ঝাড়গ্রাম জেলার স্কুলগুলো শিক্ষকের অভাবে ধুঁকছে। একদিকে ক্লাস হচ্ছে না, অন্যদিকে পরিকাঠামোহীন অবস্থায় সেমিস্টার চালু করে শিক্ষার সর্বনাশ করা হচ্ছে। তার ওপর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ ছিল। এখন আবার ভোটের নামে আড়াই মাস স্কুল বন্ধ রেখে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আমরা দাবি করছি, কোনো অজুহাতে স্কুল বন্ধ রাখা চলবে না। বাহিনীর জন্য প্রশাসন বিকল্প ব্যবস্থা করুক। ডিআই অফিসের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে AIDSO সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে জেলাজুড়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তারা।1
- Post by ঝাড়গ্রাম আপডেট1
- Post by JHARGRAM NEWS UPDATE1
- News Bangla 24x7 Online নিজস্ব সংবাদদাতা: হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের গার্ডওয়াল। বুধবার দেউলমোড় এলাকায় এই ঘটনার জেরে আপাতত কলকাতা–বর্ধমান লেনে সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে যান চলাচল। ফলে সার্ভিস রোড দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে গাড়ি, আর তাতেই চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন নিত্যযাত্রীরা। বুধবার সকালে জাতীয় সড়ক দিয়ে দ্রুত গতিতে যানবাহন চলাচল করছিল। সেই সময় আচমকাই ধসে পড়ে ফ্লাইওভারের গার্ডওয়ালের একটি অংশ। ঘটনাটি প্রথম নজরে আসে কর্তব্যরত হোমগার্ড নিখিলেশ দাস ও শেখ বাপ্পার। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে তাঁরা দ্রুত ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারী গাড়িগুলির গতিপথ পরিবর্তনের ব্যবস্থা করেন। তাঁদের তৎপরতায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মীরা। আপাতত নিরাপত্তার স্বার্থে ওই অংশে গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব ক্ষতিগ্রস্ত অংশের মেরামতির কাজ শুরু করা হবে। ততদিন পর্যন্ত ফ্লাইওভারের কলকাতা–বর্ধমান লেনে যান চলাচল বন্ধই থাকবে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় আট মাস আগেই জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ হয়েছিল এবং তখনই নতুন করে গার্ডওয়ালটি তৈরি করা হয়। এত অল্প সময়ের মধ্যে গার্ডওয়াল ভেঙে পড়ায় নির্মাণের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের ফলেই এই ঘটনা ঘটেছে এবং সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, ঘটনাটি অন্য সময়ে ঘটলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত এবং বহু মানুষের প্রাণহানি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। যদিও এই ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। #জাতীয়_সড়ক #দেউলমোড় #রাস্তার_ধস #কলকাতা_বর্ধমান_রুট #যানজট #নির্মাণ_দুর্নীতি #পথনিরাপত্তা #WestBengalNews #HighwayCollapse #TrafficAlert1
- মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে উত্তেজনা। ইরানের রাজধানী তেহরানে একটি ব্যাংকে হামলার খবর প্রকাশ্যে আসতেই আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও তার প্রভাব পড়তে পারে। খড়গপুর জাগরণ🌍🛢️📺 🔖 #MiddleEastTension #IranNews #Tehran #WorldNews #OilMarket #EnergyCrisis #BreakingNews #InternationalNews #KharagpurJagoran1
- আলুর দাম নিয়ন্ত্রণ সহ একাধিক দাবি দাওয়া নিয়ে বিজেপির পথ অবরোধ কর্মসূচি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা রোডে। উপস্থিত ছিলেন জেলা বিজেপি নেতৃত্ব ঝারগ্রাম সাংগঠনিক জেলার এলাকার বিজেপি কর্মী সমর্থকরা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ প্রশাসন।1
- #kharagpurgascrisis : खड़गपुर में गैस को लेकर हड़कंप, डिस्ट्रीब्यूशन काउंटर के सामने लंबी लाइन। #kharagpurmalincha #GasAgency #bigcustomerslines #gascrisis #publicproblems #kharagpurnews91
- Post by ঝাড়গ্রাম আপডেট1