রাখি পূর্ণিমা উপলক্ষে ধর্মরাজ পূজায় ছড়রা গ্রামে উপচে পড়া পুণ্যার্থীর ঢল। রাখি পূর্ণিমা উপলক্ষে পুরুলিয়া দু নম্বর ব্লকের ছড়রা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ও সুপ্রাচীন ধর্ম পূজার মেলাতে হাজারো পুণ্যার্তির ঢল নামলো। জেলার অন্যতম প্রসিদ্ধ এই মেলায় ফি বছর পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন এলাকাসহ প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খন্ড থেকে হাজারো হাজারো পুন্যার্থীর আগমন ঘটে। দুইদিনব্যাপী চলা এই মেলা সূচনা হয় আজ বৃহস্পতিবার।প্রসঙ্গত প্রাচীন এই মেলাকত বছর ধরে চলে আসছে সে বিষয়ে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পরিসংখ্যান নেই বললেই চলে। গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তিরাও বাল্যকাল থেকে পূর্বপুরুষদের কাছে মেলার বিষয়ে শুনে আসছেন। এই মেলার ধর্মরাজ পুজোর মূল মন্দিরে পূজারীর দায়িত্বে থাকেন গ্রামের বাদ্যকার সমাজ। রীতি মেনে বহকাল থেকে বংশপরম্পরায় তারা এ কাজ করে আসছেন। তবে মন্দিরের বাইরে ব্রাহ্মণ এবং গ্রহাচার্য জাতির পুরোহিত থাকে। তারা শুধুমাত্র ভক্তদের ধর্মরাজ পূজার পর সূর্য সাক্ষ্য মন্ত্র পাঠ করেন। পুরুলিয়া জেলার বঙ্গভুক্তির আগেও তৎকালীন বিহার রাজ্যের অবিভক্ত মানভূম জেলায় রাখি পূর্ণিমা দিন ধর্মরাজ পূজার এই মেলা খ্যাতি লাভ করে। সেই প্রথা মেনে পরম্পরাগতভাবে পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খন্ড দুই রাজ্যের অগণিত ভক্তের সমাগম ঘটে থাকে। রাখি পূর্ণিমার সময় এই মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ায় দোকানে দোকানে পসরা সাজিয়ে রাখি বিক্রি এই মেলার অন্যতম মূল আকর্ষণ।
রাখি পূর্ণিমা উপলক্ষে ধর্মরাজ পূজায় ছড়রা গ্রামে উপচে পড়া পুণ্যার্থীর ঢল। রাখি পূর্ণিমা উপলক্ষে পুরুলিয়া দু নম্বর ব্লকের ছড়রা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ও সুপ্রাচীন ধর্ম পূজার মেলাতে হাজারো পুণ্যার্তির ঢল নামলো। জেলার অন্যতম প্রসিদ্ধ এই মেলায় ফি বছর পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন এলাকাসহ প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খন্ড থেকে হাজারো হাজারো পুন্যার্থীর আগমন ঘটে। দুইদিনব্যাপী চলা এই মেলা সূচনা হয় আজ বৃহস্পতিবার।প্রসঙ্গত প্রাচীন এই মেলাকত বছর ধরে চলে আসছে সে বিষয়ে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পরিসংখ্যান নেই বললেই চলে। গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তিরাও বাল্যকাল থেকে পূর্বপুরুষদের কাছে মেলার বিষয়ে শুনে আসছেন। এই মেলার ধর্মরাজ পুজোর মূল মন্দিরে পূজারীর দায়িত্বে থাকেন গ্রামের বাদ্যকার সমাজ। রীতি মেনে বহকাল থেকে বংশপরম্পরায় তারা এ কাজ করে আসছেন। তবে মন্দিরের বাইরে ব্রাহ্মণ এবং গ্রহাচার্য জাতির পুরোহিত থাকে। তারা শুধুমাত্র ভক্তদের ধর্মরাজ পূজার পর সূর্য সাক্ষ্য মন্ত্র পাঠ করেন। পুরুলিয়া জেলার বঙ্গভুক্তির আগেও তৎকালীন বিহার রাজ্যের অবিভক্ত মানভূম জেলায় রাখি পূর্ণিমা দিন ধর্মরাজ পূজার এই মেলা খ্যাতি লাভ করে। সেই প্রথা মেনে পরম্পরাগতভাবে পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খন্ড দুই রাজ্যের অগণিত ভক্তের সমাগম ঘটে থাকে। রাখি পূর্ণিমার সময় এই মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ায় দোকানে দোকানে পসরা সাজিয়ে রাখি বিক্রি এই মেলার অন্যতম মূল আকর্ষণ।
- রাখি পূর্ণিমা উপলক্ষে ধর্মরাজ পূজায় ছড়রা গ্রামে উপচে পড়া পুণ্যার্থীর ঢল। রাখি পূর্ণিমা উপলক্ষে পুরুলিয়া দু নম্বর ব্লকের ছড়রা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ও সুপ্রাচীন ধর্ম পূজার মেলাতে হাজারো পুণ্যার্তির ঢল নামলো। জেলার অন্যতম প্রসিদ্ধ এই মেলায় ফি বছর পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন এলাকাসহ প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খন্ড থেকে হাজারো হাজারো পুন্যার্থীর আগমন ঘটে। দুইদিনব্যাপী চলা এই মেলা সূচনা হয় আজ বৃহস্পতিবার।প্রসঙ্গত প্রাচীন এই মেলাকত বছর ধরে চলে আসছে সে বিষয়ে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পরিসংখ্যান নেই বললেই চলে। গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তিরাও বাল্যকাল থেকে পূর্বপুরুষদের কাছে মেলার বিষয়ে শুনে আসছেন। এই মেলার ধর্মরাজ পুজোর মূল মন্দিরে পূজারীর দায়িত্বে থাকেন গ্রামের বাদ্যকার সমাজ। রীতি মেনে বহকাল থেকে বংশপরম্পরায় তারা এ কাজ করে আসছেন। তবে মন্দিরের বাইরে ব্রাহ্মণ এবং গ্রহাচার্য জাতির পুরোহিত থাকে। তারা শুধুমাত্র ভক্তদের ধর্মরাজ পূজার পর সূর্য সাক্ষ্য মন্ত্র পাঠ করেন। পুরুলিয়া জেলার বঙ্গভুক্তির আগেও তৎকালীন বিহার রাজ্যের অবিভক্ত মানভূম জেলায় রাখি পূর্ণিমা দিন ধর্মরাজ পূজার এই মেলা খ্যাতি লাভ করে। সেই প্রথা মেনে পরম্পরাগতভাবে পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খন্ড দুই রাজ্যের অগণিত ভক্তের সমাগম ঘটে থাকে। রাখি পূর্ণিমার সময় এই মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ায় দোকানে দোকানে পসরা সাজিয়ে রাখি বিক্রি এই মেলার অন্যতম মূল আকর্ষণ।1
- জেলা যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তরের আয়োজনে ও জেলা তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের সহযোগিতায় রাখি বন্ধন উৎসব পুরুলিয়ার রবীন্দ্রভবনে জেলা যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তরের আয়োজনে ও জেলা তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের সহযোগিতায় রাখি বন্ধন উৎসব পুরুলিয়ার রবীন্দ্রভবনে। উপস্থিত জেলাশাসক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থেকে শুরু করে প্রশাসনে আধিকারিকরা ও বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি রাখি বন্ধন উৎসব ঘিরে নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় রবীন্দ্রভবনে।1
- সার-বালি-হাসপাতাল-রাস্তা থেকে ভাতা—একাধিক দাবিতে বলরামপুর BDO-কে SUCI-এর স্মারকলিপি, দ্রুত সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি! বলরামপুর এলাকার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানের দাবিতে বৃহস্পতিবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হল SUCI (কমিউনিস্ট পার্টি)। এদিন দুপুর ২টা নাগাদ দলের বলরামপুর ইউনিটের পক্ষ থেকে BDO-র কাছে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়। এই কর্মসূচিতে এলাকার কৃষি, চিকিৎসা, নির্মাণকাজ, রাস্তা ও সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত একাধিক বিষয় সামনে আনা হয়। SUCI-এর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ইউরিয়া সারের পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় কৃষকদের সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। সারের কালোবাজারি বন্ধ করে কৃষকদের কাছে ন্যায্য দামে প্রয়োজনীয় সার পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে বালির জোগান নিয়ে তৈরি হওয়া সমস্যার কারণে নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে বলেও দাবি করা হয়। দ্রুত বালি সরবরাহের স্বাভাবিক ব্যবস্থা করার আবেদন জানানো হয়েছে। চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রেও একাধিক দাবি জানায় সংগঠনটি। বলরামপুর ও আশপাশের এলাকার গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্র বাঁশগড় হাসপাতালে প্রয়োজনের তুলনায় চিকিৎসক ও নার্সের ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহের দাবিও জানানো হয়। এলাকার বিভিন্ন বেহাল রাস্তা সংস্কারের পাশাপাশি ভোটার তালিকায় নাম না থাকা যোগ্য নাগরিকদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা এবং বিধবা ও প্রবীণ নাগরিকদের ভাতা চালুর দাবিও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। কর্মসূচিতে SUCI নেতা দীপক কুমার বলেন, সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলি দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকলে তা মেনে নেওয়া হবে না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর গণআন্দোলনের কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।1
- সরকার নির্ধারিত মূল্যে এবং সঠিক সময়ে সার না পেয়ে মানপুরে পথ অবরোধ করল চাষিরা ইউরিয়া সারের চড়া দাম ও কালোবাজারির অভিযোগে উত্তাল মণপুর মোড়। মজুত সার থাকা সত্ত্বেও নানা টালবাহানা করে চাষিদের ঘোরানো এবং সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগে শুক্রবার সকালে পথ অবরোধে সামিল হলেন এলাকার পাঁচশোরও বেশি চাষি। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী এবং কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা। প্রশাসনের আশ্বাসে অবশেষে অবরোধ ওঠে। এরপর টোকেন নিয়ে সার পাওয়ার আশায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন চাষিরা। নাহ্য মূল্যে সার পাওয়ার দাবিতে শুক্রবার সকালে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মণপুর মোড়। চাষিদের অভিযোগ, বাজারে সার মজুত থাকলেও নানা অজুহাতে তাঁদের ঘোরানো হচ্ছে। কোথাও দেওয়া হচ্ছে না সার, আবার কোথাও সরকার নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ উঠছে। এই অভিযোগেই এদিন সকাল থেকে মণপুর মোড়ে জড়ো হতে শুরু করেন এলাকার চাষিরা। একসময় ক্ষোভ চরমে পৌঁছলে পাঁচশোরও বেশি চাষি রাস্তায় নেমে পথ অবরোধ শুরু করেন। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। যার জেরে ব্যাহত হয় যান চলাচল। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বড়বাজার থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। পাশাপাশি উপস্থিত হন বড়বাজার কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরাও। চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। সরকার নির্ধারিত মূল্যে ইউরিয়া সার দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় তাঁদের। প্রশাসনের আশ্বাসে অবশেষে ওঠে অবরোধ। এরপর সার বিক্রেতার পক্ষ থেকে চাষিদের হাতে দেওয়া হয় টোকেন। সেই টোকেন হাতে নিয়েই সার পাওয়ার আশায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন চাষিরা। মণপুর মোড়ে তখন একটাই ছবি— সঠিক দামে ইউরিয়া সার পাওয়ার আশায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা চাষিদের। তবে প্রশাসনের আশ্বাস কতটা বাস্তবে কার্যকর হয়, নির্ধারিত দামে পর্যাপ্ত সার হাতে পান কি না চাষিরা—এখন সেদিকেই নজর সকলের।1
- Bankura Express : রাখি পূর্ণিমায় সচেতনতার বার্তা সোনামুখী পুলিশের, পথচারীদের রাখি পরিয়ে মিষ্টিমুখ1
- sushil Singh durgapur YouTube channel Thank you lord jesus christ name Amen Benachity durgapur1
- নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর থেকেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গাপুরের বামুনারার এক দম্পতি মানস সরোবর বেড়াতে গিয়ে নেপাল হয়ে যাওয়ার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু বিপর্যয়ের পর থেকেই মৌসুমী গঙ্গোপাধ্যায় ও অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে দাবি প্রতিবেশীদের। বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় দম্পতির খোঁজ না মেলায় উদ্বেগে পরিবার, আত্মীয়স্বজন থেকে শুরু করে গোটা তপবন সিটি এলাকা।চলতি মাসের ২১ তারিখ একটি সংস্থার সঙ্গে মানস সরোবর ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন বামুনারার তপবন সিটির বাসিন্দা মৌসুমী গঙ্গোপাধ্যায় ও অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁদের নেপাল হয়ে মানস সরোবর যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। ভ্রমণে বেরোনোর পর দু’দিন ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বেজে গেলেও সাড়া মেলেনি বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দার।1
- sushil Singh durgapur YouTube channel Thank you lord jesus christ name Amen Benachity durgapur1