Shuru
Apke Nagar Ki App…
sushil Singh durgapur YouTube channel Thank you lord jesus christ name Amen Benachity durgapur
User5654
sushil Singh durgapur YouTube channel Thank you lord jesus christ name Amen Benachity durgapur
More news from Paschim Bardhaman and nearby areas
- দুর্গাপুরের দমকলে বাড়ল সক্ষমতা, এল অত্যাধুনিক বড় ল্যাডার বহুতলে অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলায় আরও শক্তিশালী হল দুর্গাপুরের দমকল বাহিনী। প্রথমবারের জন্য দুর্গাপুরের দমকল বিভাগের হাতে এল অত্যাধুনিক বড় ল্যাডার। বহুতলের উঁচু তলায় আগুন লাগলে দ্রুত অগ্নিনির্বাপণ ও আটকে পড়া বাসিন্দাদের উদ্ধারে এই ল্যাডার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে। দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে গত কয়েক বছরে একাধিকবার বহুতল আবাসনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সেই সময় উঁচু তলায় পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ এবং বাসিন্দাদের উদ্ধারে সমস্যায় পড়তে হয়েছে দমকল কর্মীদের। দুর্গাপুর দমকলের নিজস্ব বড় ল্যাডার না থাকায় প্রয়োজনে কখনও দুর্গাপুর বিমানবন্দর, আবার কখনও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা থেকে ল্যাডার এনে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়েছে। ফলে ঘটনাস্থলে ল্যাডার পৌঁছতে দেরি হওয়ায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গাপুর দমকলের জন্য নিজস্ব বড় ল্যাডারের দাবি ছিল। অবশেষে সেই দাবি পূরণ হওয়ায় বহুতল আবাসন, বাণিজ্যিক ভবন কিংবা উঁচু নির্মাণে অগ্নিকাণ্ডের ক্ষেত্রে দ্রুত উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণের সক্ষমতা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন ল্যাডার টি দেখতে বৃহস্পতিবার দুপুর দুটোর সময় দুর্গাপুরের দমকল কেন্দ্রে পৌঁছন দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দমকল আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নতুন পরিকাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেন।1
- কোতুলপুর নেতাজি মোড়ে, রাখি বন্ধন উৎসব পালন করছেন কোতুলপুর যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর1
- একটি যাত্রীবাহী টোটো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাইকে সজোরে ধাক্কা মারে। #RoadAccident #CCTV #NewsUpdate1
- মানুষটা কি কারো কোন ক্ষতি করেছে প্রতিবাদ চাই এবং বিচার চাই মানুষটা কি কারো কোন ক্ষতি করেছে1
- সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে নবদ্বীপে পালিত রাখিবন্ধন উৎসব: সম্প্রীতির বন্ধনে সবাইকে বাঁধার বার্তা বিধায়কের সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে নবদ্বীপে পালিত রাখিবন্ধন উৎসব: সম্প্রীতির বন্ধনে সবাইকে বাঁধার বার্তা বিধায়কের ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে সমাজের সকল মানুষকে একসূত্রে বাঁধার অঙ্গীকার নিয়ে সাড়ম্বরে পালিত হলো রাখিবন্ধন উৎসব। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবকল্যাণ দফতরের উদ্যোগে সমগ্র রাজ্য জুড়ে আয়োজিত এই উৎসবের অংশ হিসেবে নবদ্বীপেও এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সম্প্রীতি ও সর্বজনীন ঐক্যের তাৎপর্য তুলে ধরেন স্থানীয় বিধায়ক। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, রাজ্য সরকারের যুবকল্যাণ দফতরের পক্ষ থেকে সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে এই রাখিবন্ধন উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একত্রিত করা। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের অবস্থান সবসময় জনগণের সঙ্গে এবং জনগণও যেন সরকারের সঙ্গে একত্রিত হয়ে একাত্ম বোধ করে—সেই ‘সবকা সাথ’ ভাবনাই এই উদ্যোগের ভিত্তি। জাতি, বর্ণ ও ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্মে আনাই রাখিবন্ধনের মূল লক্ষ্য। রাখিবন্ধন উৎসবের ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিধায়ক বলেন, এই উৎসবের শিকড় প্রোথিত রয়েছে প্রাচীন পৌরাণিক যুগে, যা ‘রক্ষাবন্ধন’ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের উত্তাল সময়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই রাখিবন্ধনকে নতুনভাবে উজ্জীবিত করে তুলেছিলেন। এর অন্তর্নিহিত দর্শন ছিল সমস্ত মানুষকে ভালোবাসার ও আত্মীয়তার অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করা। ‘বন্ধন’ কেবল একটি সুতো বাঁধার আচার নয়, বরং হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের গভীর সংযোগ তৈরি করার এক অঙ্গীকার। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নবদ্বীপের সমাজসেবীরাও সরকারের এই মহতী উদ্যোগকে সাফল্যমণ্ডিত করতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছেন। দীর্ঘ প্রায় ৪৯ বছর ধরে চলে আসা নানা বিভেদ ও বৈষম্য দূর করে সকলকে অন্তরের নিবিড় বন্ধনে যুক্ত করতেই এই রাখিবন্ধন উৎসবের আয়োজন। সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্বের বাতাবরণ গড়ে তুলতে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করতে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন। স্থানীয় মানুষ ও সমাজসেবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সম্প্রীতির এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।1
- রাখি পূর্ণিমা উপলক্ষে ধর্মরাজ পূজায় ছড়রা গ্রামে উপচে পড়া পুণ্যার্থীর ঢল। রাখি পূর্ণিমা উপলক্ষে পুরুলিয়া দু নম্বর ব্লকের ছড়রা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ও সুপ্রাচীন ধর্ম পূজার মেলাতে হাজারো পুণ্যার্তির ঢল নামলো। জেলার অন্যতম প্রসিদ্ধ এই মেলায় ফি বছর পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন এলাকাসহ প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খন্ড থেকে হাজারো হাজারো পুন্যার্থীর আগমন ঘটে। দুইদিনব্যাপী চলা এই মেলা সূচনা হয় আজ বৃহস্পতিবার।প্রসঙ্গত প্রাচীন এই মেলাকত বছর ধরে চলে আসছে সে বিষয়ে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পরিসংখ্যান নেই বললেই চলে। গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তিরাও বাল্যকাল থেকে পূর্বপুরুষদের কাছে মেলার বিষয়ে শুনে আসছেন। এই মেলার ধর্মরাজ পুজোর মূল মন্দিরে পূজারীর দায়িত্বে থাকেন গ্রামের বাদ্যকার সমাজ। রীতি মেনে বহকাল থেকে বংশপরম্পরায় তারা এ কাজ করে আসছেন। তবে মন্দিরের বাইরে ব্রাহ্মণ এবং গ্রহাচার্য জাতির পুরোহিত থাকে। তারা শুধুমাত্র ভক্তদের ধর্মরাজ পূজার পর সূর্য সাক্ষ্য মন্ত্র পাঠ করেন। পুরুলিয়া জেলার বঙ্গভুক্তির আগেও তৎকালীন বিহার রাজ্যের অবিভক্ত মানভূম জেলায় রাখি পূর্ণিমা দিন ধর্মরাজ পূজার এই মেলা খ্যাতি লাভ করে। সেই প্রথা মেনে পরম্পরাগতভাবে পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খন্ড দুই রাজ্যের অগণিত ভক্তের সমাগম ঘটে থাকে। রাখি পূর্ণিমার সময় এই মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ায় দোকানে দোকানে পসরা সাজিয়ে রাখি বিক্রি এই মেলার অন্যতম মূল আকর্ষণ।1
- sushil Singh durgapur YouTube channel Thank you lord jesus christ name Amen Benachity durgapur1
- নেপাল বিপর্যয়ে নিখোঁজ দুর্গাপুরের দম্পতি, উদ্বেগে পরিবার-পরিজন নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর থেকেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গাপুরের অম্বুজা টাউনশিপের বাসিন্দা এক দম্পতি চলতি মাসের ২১ তারিখ একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে কৈলাস-মানস সরোবর ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলেন দেবাশিস ব্যানার্জি (৬২) এবং তাঁর স্ত্রী সংঘমিত্রা ব্যানার্জি (৫৯)। নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের খবর সামনে আসার পর থেকেই তাঁদের সঙ্গে আর কোনওভাবে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। নিখোঁজ দম্পতিকে ঘিরে উদ্বেগে রয়েছেন তাঁদের পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় অম্বুজা টাউনশিপ এলাকাতেও ছড়িয়েছে উৎকণ্ঠা। তাঁরা কোথায় রয়েছেন এবং বর্তমানে তাঁদের পরিস্থিতি কী, তা নিয়ে পরিবারের সদস্যরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। জানা গিয়েছে, দেবাশিস ব্যানার্জি দুর্গাপুর ইস্পাত হাসপাতালের কর্মী ছিলেন। তাঁর স্ত্রী সংঘমিত্রা ব্যানার্জি শিক্ষকতা করতেন। অবসর সময়ে কৈলাস-মানস সরোবর ভ্রমণের উদ্দেশ্যেই তাঁরা ওই যাত্রায় বেরিয়েছিলেন। নেপালের বিপর্যয়ের পর তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত পরিবার। দম্পতি যাতে সুস্থ ও নিরাপদে বাড়ি ফিরে আসেন, সেই প্রার্থনাই করছেন আত্মীয়স্বজন থেকে শুরু করে প্রতিবেশীরা।1
- বাড়ি ফিরলেও ঘরে ঢোকার উপায় নেই! উত্তর নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়, হড়পা বানে নিশ্চিহ্ন একাধিক গ্রাম |1