কেন্দায় রেশন না মেলায় পথ অবরোধ দীর্ঘ তিন মাস রেশন থেকে বঞ্চিত এলাকার মানুষেরা এমনই অভিযোগ তুলে মানবাজার টামনা রাজ্য সড়ক অবরোধ করলো কেন্দা এলাকার কয়েকশো গ্রামবাসী।মঙ্গলবার আনুমানিক বেলা ১১ টা থেকে এই অবরোধের জেরে আটকে পড়ে রাস্তার দু'পাশে বহু যানবাহন।অবরোধকারীদের দাবি দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে তারা এখন রেশন সামগ্রী পাননি কেন্দা গ্রামের সংশ্লিষ্ট ডিলারের কাছ থেকে। ডিলার এর কাছে গেলেই নানান অজুহাত দেখান। গরিব মানুষ তাই পেটের দায়ে পথ অবরোধের নামতে বাধ্য হয়েছি। এদিন অবরোধের খবর পেয়ে অন্যদিকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চলায় তড়িঘড়ি অবরোধস্থানে পৌঁছায় কেন্দা থানার পুলিশ।পরবর্তীকালে অবরোধকারীদের সাথে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে অবরোধকারীরা পথ অবরোধ ছেড়ে দিয়ে রেশন ডিলারের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেন।এদিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুঞ্চা ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক,খাদ্য নিয়ামক আধিকারিক,মানবাজার সিআই ও কেন্দা থানার ওসি।এরপর খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক দফায় দফায় বুধবার থেকে রেশনের মাল প্রাপকদের বিতরণ করার ঘোষণা করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।এবিষয়ে পুঞ্চা খাদ্য নিয়ামক আধিকারিক সুমিত মন্ডল বলেন,গ্রামবাসীরা ওই রেশন ডিলার এর কাছে আগে থেকে বায়োমেট্রিক দিয়েছিলেন এবং রেশন ডিলার ও তাদের রেশন সামগ্রী সরবরাহ করেনি সুতরাং উভয় পক্ষের দোষ রয়েছে এখানে।এরপর যাতে না আর রেশনের সামগ্রী নিতে সমস্যা না হয়,তাঁর জন্য গ্রামবাসীদের সামনে থেকে বিডিও এবং পুলিশের উপস্থিতিতে ব্যাবস্থা করা হয়েছে।রেশন ডিলারের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। মহকুমা পুলিশের এক আধিকারিক জানান,উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চললেও পথ অবরোধের জেরে কোন পরীক্ষার্থী অসুবিধায় পড়েন নি।যথা সময়ে সবাই পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে পেরেছেন।
কেন্দায় রেশন না মেলায় পথ অবরোধ দীর্ঘ তিন মাস রেশন থেকে বঞ্চিত এলাকার মানুষেরা এমনই অভিযোগ তুলে মানবাজার টামনা রাজ্য সড়ক অবরোধ করলো কেন্দা এলাকার কয়েকশো গ্রামবাসী।মঙ্গলবার আনুমানিক বেলা ১১ টা থেকে এই অবরোধের জেরে আটকে পড়ে রাস্তার দু'পাশে বহু যানবাহন।অবরোধকারীদের দাবি দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে তারা এখন রেশন সামগ্রী পাননি কেন্দা গ্রামের সংশ্লিষ্ট ডিলারের কাছ থেকে। ডিলার এর কাছে গেলেই নানান অজুহাত দেখান। গরিব মানুষ তাই পেটের দায়ে পথ অবরোধের নামতে বাধ্য হয়েছি। এদিন অবরোধের খবর পেয়ে অন্যদিকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চলায় তড়িঘড়ি অবরোধস্থানে পৌঁছায় কেন্দা থানার পুলিশ।পরবর্তীকালে অবরোধকারীদের সাথে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে অবরোধকারীরা পথ অবরোধ ছেড়ে দিয়ে রেশন ডিলারের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেন।এদিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুঞ্চা ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক,খাদ্য নিয়ামক আধিকারিক,মানবাজার সিআই ও কেন্দা থানার ওসি।এরপর খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক দফায় দফায় বুধবার থেকে রেশনের মাল প্রাপকদের বিতরণ করার ঘোষণা করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।এবিষয়ে পুঞ্চা খাদ্য নিয়ামক আধিকারিক সুমিত মন্ডল বলেন,গ্রামবাসীরা ওই রেশন ডিলার এর কাছে আগে থেকে বায়োমেট্রিক দিয়েছিলেন এবং রেশন ডিলার ও তাদের রেশন সামগ্রী সরবরাহ করেনি সুতরাং উভয় পক্ষের দোষ রয়েছে এখানে।এরপর যাতে না আর রেশনের সামগ্রী নিতে সমস্যা না হয়,তাঁর জন্য গ্রামবাসীদের সামনে থেকে বিডিও এবং পুলিশের উপস্থিতিতে ব্যাবস্থা করা হয়েছে।রেশন ডিলারের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। মহকুমা পুলিশের এক আধিকারিক জানান,উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চললেও পথ অবরোধের জেরে কোন পরীক্ষার্থী অসুবিধায় পড়েন নি।যথা সময়ে সবাই পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে পেরেছেন।
- দীর্ঘ তিন মাস রেশন থেকে বঞ্চিত এলাকার মানুষেরা এমনই অভিযোগ তুলে মানবাজার টামনা রাজ্য সড়ক অবরোধ করলো কেন্দা এলাকার কয়েকশো গ্রামবাসী।মঙ্গলবার আনুমানিক বেলা ১১ টা থেকে এই অবরোধের জেরে আটকে পড়ে রাস্তার দু'পাশে বহু যানবাহন।অবরোধকারীদের দাবি দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে তারা এখন রেশন সামগ্রী পাননি কেন্দা গ্রামের সংশ্লিষ্ট ডিলারের কাছ থেকে। ডিলার এর কাছে গেলেই নানান অজুহাত দেখান। গরিব মানুষ তাই পেটের দায়ে পথ অবরোধের নামতে বাধ্য হয়েছি। এদিন অবরোধের খবর পেয়ে অন্যদিকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চলায় তড়িঘড়ি অবরোধস্থানে পৌঁছায় কেন্দা থানার পুলিশ।পরবর্তীকালে অবরোধকারীদের সাথে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে অবরোধকারীরা পথ অবরোধ ছেড়ে দিয়ে রেশন ডিলারের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেন।এদিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুঞ্চা ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক,খাদ্য নিয়ামক আধিকারিক,মানবাজার সিআই ও কেন্দা থানার ওসি।এরপর খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক দফায় দফায় বুধবার থেকে রেশনের মাল প্রাপকদের বিতরণ করার ঘোষণা করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।এবিষয়ে পুঞ্চা খাদ্য নিয়ামক আধিকারিক সুমিত মন্ডল বলেন,গ্রামবাসীরা ওই রেশন ডিলার এর কাছে আগে থেকে বায়োমেট্রিক দিয়েছিলেন এবং রেশন ডিলার ও তাদের রেশন সামগ্রী সরবরাহ করেনি সুতরাং উভয় পক্ষের দোষ রয়েছে এখানে।এরপর যাতে না আর রেশনের সামগ্রী নিতে সমস্যা না হয়,তাঁর জন্য গ্রামবাসীদের সামনে থেকে বিডিও এবং পুলিশের উপস্থিতিতে ব্যাবস্থা করা হয়েছে।রেশন ডিলারের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। মহকুমা পুলিশের এক আধিকারিক জানান,উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চললেও পথ অবরোধের জেরে কোন পরীক্ষার্থী অসুবিধায় পড়েন নি।যথা সময়ে সবাই পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে পেরেছেন।1
- बांकुरा के लड़के भी दिए गए तिथि पर आकर आवेदन कर सकते हैं!2
- যোগার কিছু মূহুর্ত চিত্র শেয়ার করলাম 🚩 🚩 🚩 🙏 🙏 🙏4
- জেলার প্রখ্যাত লোক শিল্পীদের মানপত্রসহ সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে। বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি সহ একাধিক ব্যক্তির উপস্থিতিতে বাড়িতে পৌঁছানো হচ্ছে মানপত্র। সে মতো বরাবাজার ব্লকের অন্তর্গত হে র বনা গ্রামের শংকর তন্তু বাইকে তার বাড়িতে গিয়ে মালপত্র এবং সংবর্ধনা প্রদান করে মানভূম কালচারাল একাডেমীর চেয়ারপারসন তথা। পুরুলিয়া জেলা পরিষদের পূর্ত কার্য ও পরিবহন স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ হংসেশ্বর মাহাতো। এদিন সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সুমিতা সিংহ মল্ল, সিন্দরী গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বিশ্বজিৎ মাহাতো, বরাবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মিনতি হাসদা ছাড়াও একাধিক ব্যক্তি1
- Post by Sangbadbangla24X71
- বলরামপুর ব্লকের বড়উরমা অঞ্চল থেকে ১৬৪ নম্বর বুথে রাজনৈতিক সমীকরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেল। বড়উরমা অঞ্চলের অঞ্চল সভাপতি বিন্দাবন মাহাতোর নেতৃত্বে এবং বলরামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুমিত পান্ডার হাত ধরে বিজেপি ছেড়ে তৃনমূল কংগ্রেসে এ যোগদান করল প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি পরিবার। তৃণমূল সূত্রে জানা গেছে, এই যোগদান কর্মসূচিতে আনুমানিক ১৩০ থেকে ১৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলরামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুমিত পান্ডা সহ দলের অন্যান্য কর্মী ও নেতৃত্ব। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। অন্যদিকে, বিজেপির জেলা সেক্রেটারি বিরিঞ্চি কুমার এই যোগদানকে “পরিকল্পনাভাবে সাজানো ঘটনা” বলে দাবি করেছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই যোগদান আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির জন্য যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও এই রাজনৈতিক রদবদলের প্রকৃত প্রভাব কতটা পড়বে, তা বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই স্পষ্ট হবে বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।1
- ২০২৬-২৭ বর্ষের ব্যাজেট পেশ হলো পুরুলিয়া জেলা পরিষদের, ২৫৮,৪৬,৭৭৪৩.৫১ টাকার কাজ হবে জেলার কুড়িটি ব্লকে, উপস্থিত জেলার নির্বাচিত জন প্রতিনিধিরা।1
- পুরুলিয়া জেলার রূপকার সাংসদ দেবেন্দ্রনাথ মাহাতোর ৫১ তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে জেলা জুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে জাতীয় কংগ্রেস সেই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে দলের বান্দোয়ান বিধানসভা কমিটিও বান্দোয়ান ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে দুস্থ রোগীদের ফল বিতরণ করে মঙ্গলবার2