শনিবার সকালে বহরমপুর শহরের সৈদাবাদ বাঙালপাড়া এলাকায় প্রশাসনের বুলডোজার অভিযানের জেরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, বহরমপুর টাউন তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি পাপাই ঘোষের একটি বাগানবাড়ি সরকারি পার্কের জমির উপর অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রশাসন উদ্যোগ নিয়ে ওই বাগানবাড়িটি ভেঙে দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, প্রভাব খাটিয়ে সরকারি জমি দখল করে সেখানে বাগানবাড়ি তৈরি করা হয়েছিল। শনিবার সকালে প্রশাসনের উপস্থিতিতে বুলডোজার ব্যবহার করে পুরো কাঠামোটি ভেঙে ফেলা হয়। এদিকে, পাপাই ঘোষের মা দাবি করেছেন যে, প্রায় ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে এই জমিটি কেনা হয়েছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, একসময় যাঁরা তাঁদের পাশে ছিলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে তাঁরাই তাঁদের বিরোধিতা করছেন। তাঁর কথায়, ওই বাগানবাড়িতে মনীন্দ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং তাঁর পুত্রবধূ সুষমা ঘোষের জন্মদিন উপলক্ষে লাগানো ছবি ও অন্যান্য সাজসজ্জাও ছিল। অন্যদিকে, এলাকার অন্য বাসিন্দাদের একটি অংশ প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ ছিল, ওই বাগানবাড়িকে কেন্দ্র করে প্রায়শই বাইরের লোকজনের আনাগোনা লেগে থাকত। কেউ কেউ আরও দাবি করেছেন যে, সন্ধ্যার পর এলাকার মহিলাদের চলাচলে অসুবিধা হতো। এছাড়াও, নিয়মিত উচ্চ শব্দে ডিজে বাজানোর কারণে স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল যুব নেতা পাপাই ঘোষের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের তরফ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
শনিবার সকালে বহরমপুর শহরের সৈদাবাদ বাঙালপাড়া এলাকায় প্রশাসনের বুলডোজার অভিযানের জেরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, বহরমপুর টাউন তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি পাপাই ঘোষের একটি বাগানবাড়ি সরকারি পার্কের জমির উপর অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রশাসন উদ্যোগ নিয়ে ওই বাগানবাড়িটি ভেঙে দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, প্রভাব খাটিয়ে সরকারি জমি দখল করে সেখানে বাগানবাড়ি তৈরি করা হয়েছিল। শনিবার সকালে প্রশাসনের উপস্থিতিতে বুলডোজার ব্যবহার করে পুরো কাঠামোটি ভেঙে ফেলা হয়। এদিকে, পাপাই ঘোষের মা দাবি করেছেন যে, প্রায় ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে এই জমিটি কেনা হয়েছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, একসময় যাঁরা তাঁদের পাশে ছিলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে তাঁরাই তাঁদের বিরোধিতা করছেন। তাঁর কথায়, ওই বাগানবাড়িতে মনীন্দ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং তাঁর পুত্রবধূ সুষমা ঘোষের জন্মদিন উপলক্ষে লাগানো ছবি ও অন্যান্য সাজসজ্জাও ছিল। অন্যদিকে, এলাকার অন্য বাসিন্দাদের একটি অংশ প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ ছিল, ওই বাগানবাড়িকে কেন্দ্র করে প্রায়শই বাইরের লোকজনের আনাগোনা লেগে থাকত। কেউ কেউ আরও দাবি করেছেন যে, সন্ধ্যার পর এলাকার মহিলাদের চলাচলে অসুবিধা হতো। এছাড়াও, নিয়মিত উচ্চ শব্দে ডিজে বাজানোর কারণে স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল যুব নেতা পাপাই ঘোষের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের তরফ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
- নদীয়ার কৃষ্ণনগরের ম্যাক (MAC) সংগঠনের সদস্যরা হিমাচল প্রদেশের ৬০৬৯ মিটার উচ্চতার মুকার বে পর্বত শৃঙ্গ জয় করে এক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছেন। গত ২৩শে জুন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে দলনেতা, ৬৫ বছর বয়সী এভারেস্ট জয়ী বসন্ত সিংহ রায়ের নেতৃত্বে বিশ্বনাথ সাহা, পার্থসারথি লাইক এবং প্রশান্ত সিংহ এই কঠিন শৃঙ্গে আরোহণ করেন। এই অভিযানের যাত্রা শুরু হয়েছিল গত ৬ই জুন, কৃষ্ণনগর থেকে। হাওড়া ও চন্ডিগড় হয়ে দলটি মানালি পৌঁছায়, সেখান থেকে হুন্ডার পর্যন্ত গাড়িতে এবং এরপর দুইদিন পায়ে হেঁটে বিয়াস কুন্ডু (বিপাশা নদীর উৎস) পৌঁছায়। হিমাচল প্রদেশের মানালি ও সোলাং ভ্যালি পেরিয়ে এই অভিযান শুরু হয়। জানা গেছে, মুকার বে শৃঙ্গটি ৬৫ বছর আগে আরোহণ করা হয়েছিল, যার পর আর সে অর্থে কোনো অভিযান হয়নি। কারণ এই শৃঙ্গে পৌঁছতে হলে প্রথমে শৃতিধর, দ্বিতীয়ত লাদাকি এবং তৃতীয়ত মানালি – এই তিনটি পর্বতশৃঙ্গ আরোহণ করতে হয়। ম্যাকের সদস্যরা সাফল্যের সাথে এই কঠিন, কষ্টকর ও ট্যাকনিক্যাল শৃঙ্গগুলি জয় করেছেন। অভিযানের সদস্য এবং নদীয়ার বামুনপুকুর হাই স্কুলের ভূগোল শিক্ষক, কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা প্রশান্ত সিংহ জানান যে, মুকার বে শৃঙ্গের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় প্রচণ্ড হিমবাহের ফাটল (ক্রেভাস) এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে বরফ গলে পাথরের কর্নিস বেরিয়ে আসায় গত ৬০ বছরে শৃঙ্গটি এক ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। মানালি শৃঙ্গ অভিযান করতে তাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে, প্রায় ২০০০ মিটার দড়ি ব্যবহার করে খাড়া কর্নিস ধরে বরফের ঢাল বেয়ে এবং আলগা পাথুরে অংশের মধ্যে দিয়ে রক ক্লাইমিং করে আরোহণ করতে হয়েছে। ভারী জুতোর তলায় লাগানো কাঁটার সাহায্যে আরোহণ করা কষ্টকর ছিল এবং আবহাওয়াও প্রতিকূল ছিল, যার ফলে সামিট ক্যাম্পে একটানা প্রায় ২৭ ঘণ্টা তাঁবুতে আটকে থাকতে হয়েছিল। তিনি জানান যে, তিনটি শৃঙ্গে বিদ্যালয়ের পতাকা তুলে ধরলেও চতুর্থ শৃঙ্গে (মুকার বে) পতাকা তোলা একরকম অধরা থেকে যায়। এই পর্বত শৃঙ্গ জয় করতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। ৬০৬৯ মিটারের মুকার বে পর্বত শৃঙ্গ জয় নদীয়ার নবদ্বীপের এই শিক্ষকের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রশান্ত সিংহ এর আগেও মাউন্ট কালানাগ, মাউন্ট চ্যাঙাব্যাঙ, কারাকোরামের সাসের কাঙরি- ৪, নেপালের মাউন্ট মানাসলু, হিমাচলের মাউন্ট রামজাক, অরুণাচল প্রদেশের গোরিচেন শৃঙ্গ, হিমাচলের কোয়ারং ২ সহ একাধিক শৃঙ্গ অভিযান করেছেন, যা তাদের এই কঠিন অভিযানে সফল হতে সহায়ক হয়েছে।1
- বীরভূম প্রতিবন্ধী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট কেন্দ্র সরকারের সহযোগিতায় বীরভূমে একটি মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী মানুষদের স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে ট্রাই সাইকেল ও বিভিন্ন সহায়ক সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। এই বিশেষ বিতরণ অনুষ্ঠানটি নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিস সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত হয়, যেখানে নলহাটি ১ ও ২ নম্বর ব্লক এবং মুরারই ১ ও ২ নম্বর ব্লকের দুঃস্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা উপকৃত হয়েছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এর আগে চারটি ব্লকজুড়ে বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছিল। সেই তালিকার ভিত্তিতেই এই সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ করা সরঞ্জামগুলির মধ্যে রয়েছে ৫৬ জনকে ট্রাই সাইকেল, ৩৬ জনকে ব্যাটারি চালিত ট্রাই সাইকেল, ৩৩ জনকে হুইলচেয়ার, ১৫ জনকে শ্রবণযন্ত্র (কানের মেশিন), এবং ১০ জন দৃষ্টিহীন ব্যক্তিকে সাদা লাঠি ও হ্যান্ড ক্র্যাচসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়ক সামগ্রী। এই অনুষ্ঠানে রামপুরহাটের বিজেপি বিধায়ক শ্রী ধ্রুব সাহা, বিজেপির স্টেট কাউন্সিলিং মেম্বার বিপ্লব কুমার ওঝা, বীরভূম জেলা কমিটির সদস্য সেন্টু ঘোষ, সংস্থার সভাপতি হারাধন ঘোষ এবং সম্পাদক সাদিকুল শেখ উপস্থিত ছিলেন। বিধায়ক ধ্রুব সাহা জানান যে, ২০২১ সালে তিনি এই সংস্থার মাধ্যমে এলাকার প্রতিবন্ধীদের সাহায্যের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সুপারিশ করেছিলেন এবং সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এই অনুদান এসেছে। তিনি আগামী দিনেও সংস্থার পাশে থাকার এবং বৃহত্তর পরিসরে এই ধরনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন। এই উদ্যোগের ফলে বহু প্রতিবন্ধী ব্যক্তি উপকৃত হয়েছেন, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও স্বনির্ভর করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।1
- অযোধ্যায় রাম মন্দিরের প্রনামীর অর্থ লুট হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, যেখানে অনুদানের অর্থের কোনো সঠিক হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। এই বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হচ্ছে। অনুদানের অর্থ গায়েব হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।1
- মুর্শিদাবাদ সীমান্তে কড়া নজরদারির মাঝে আবারও পাঁচ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া এই অনুপ্রবেশকারীদের বর্তমানে হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।1
- রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের নির্দেশ মেনে গুসকরা মহাবিদ্যালয়ে 'ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় স্মৃতিপক্ষ' শুরু হয়েছে। ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত চলা এই বিশেষ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের মধ্যে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, কর্ম ও দেশের প্রতি তাঁর অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এই উপলক্ষ্যে, শনিবার আনুমানিক দুপুর আড়াইটা নাগাদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় রিসার্চ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডঃ অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আবাসন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী কলিতা মাজি উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের বক্তব্যে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ, জাতীয়তাবোধ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর ভাবনার গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।1
- মালদা জেলার চরসুজাপুর মন্দাই রাস্তাটির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এই বেহাল দশার কারণে বহু মানুষকে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।2
- বিজেপির শাসনের মোকাবিলায় বিধায়ক হুমায়ুন কর্তৃক ‘সাঁটা’ রাজনীতির হুমকির ফলে রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে। বিধায়ক হুমায়ুনের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ভরতপুরের বিজেপি প্রার্থী অনামিকা ঘোষ পাল্টা জবাব দিয়েছেন।1
- গুপ্তিপাড়ার টেংরি পাড়া মোড় এলাকায় প্রতি বছরের মতো এই বছরও বহু প্রতীক্ষিত গ্রহরাজ পুজো উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উৎসব জুন মাসের শেষ শনিবার উদযাপিত হয়।2
- মালদার গাজোলে এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ১০ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এক হবিবপুরের বাসিন্দাকে হাই স্কুলে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়েছিলেন। চাকরি না পাওয়ার পর ওই টাকা ফেরত চাইতে গেলে অভিযোগকারীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গাজোল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত নেতা তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এই ঘটনা মালদার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে প্রশ্ন উঠছে এটি কি সত্যিই চাকরির নামে প্রতারণা নাকি নিছকই রাজনৈতিক চক্রান্ত। তদন্তের ফলাফলের দিকেই এখন সবার নজর।1