Shuru
Apke Nagar Ki App…
রায়গঞ্জ পলিটেকনিক কলেজের ডিসিআরসি তে চলছে সিসিটিভি ফুটেজ নজর দাঁড়ির কাজ রায়গঞ্জ পলিটেকনিক কলেজের ডিসিআরসি তে চলছে সিসিটিভি ফুটেজ নজর দাঁড়ির কাজ আগামী চার তারিখে ২০২৬ শের বিধানসভার গণনা হওয়ার শেষ মুহূর্ত পযন্ত চলছে সিসিটিভির নজর দাড়ি বিজেপি, টি এম সি দু দলের পক্ষ থেকেই করা নজর দাড়ি রাখা হচ্ছে স্ট্রং রুম।
KALIYAGANJ NEWS
রায়গঞ্জ পলিটেকনিক কলেজের ডিসিআরসি তে চলছে সিসিটিভি ফুটেজ নজর দাঁড়ির কাজ রায়গঞ্জ পলিটেকনিক কলেজের ডিসিআরসি তে চলছে সিসিটিভি ফুটেজ নজর দাঁড়ির কাজ আগামী চার তারিখে ২০২৬ শের বিধানসভার গণনা হওয়ার শেষ মুহূর্ত পযন্ত চলছে সিসিটিভির নজর দাড়ি বিজেপি, টি এম সি দু দলের পক্ষ থেকেই করা নজর দাড়ি রাখা হচ্ছে স্ট্রং রুম।
More news from West Bengal and nearby areas
- *৮ই মে পরিতোষ কুমার দে’র স্মরণে বালুরঘাটে মাল্যদান-স্মরণসভা ও মোমবাতি মিছিল, প্রস্তুতি জোরকদমে :-* *বালুরঘাট, ৩০ এপ্রিল:* ২০১১ সালের ৮ মে দুষ্কৃতীদের হামলায় নিহত মৎস্য আড়ৎদার ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী ভূমিপুত্র পরিতোষ কুমার দে’র ১৪তম প্রয়াণ দিবস পালনে তৎপর বালুরঘাট মৎস্য আড়ৎদার সমিতি। আগামী ৮ মে, শুক্রবার সকালে মাল্যদান-স্মরণসভা এবং সন্ধ্যায় মোমবাতি মিছিলের আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। সমিতির সম্পাদক নীহার রঞ্জন ঘোষ জানান, শুক্রবার সকালে বালুরঘাট মাছ বাজারে প্রয়াত পরিতোষ দে’র আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য নিবেদনের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন পর্ব শুরু হবে। এরপর সেখানেই অনুষ্ঠিত হবে স্মরণসভা। এদিন সন্ধ্যায় বালুরঘাট মৎস্য আড়ৎদার সমিতির কার্যালয় থেকে পরিতোষ কুমার দে’র স্মরণে মোমবাতি মিছিল বের হবে। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান পথ পরিক্রমা করবে। তিনি বলেন, “২০১১ সালের ৮ মে দুষ্কৃতীদের আক্রমণে আমরা আমাদের অভিভাবক পরিতোষ দা’কে হারাই। সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই প্রতি বছর সকালের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও রক্তদানের পাশাপাশি সন্ধ্যায় মোমবাতি মিছিলের আয়োজন করি আমরা।” সমিতির পক্ষ থেকে শহরের সর্বস্তরের নাগরিক, ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীদের সকালের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠান এবং সন্ধ্যার মোমবাতি মিছিলে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- দক্ষিণ দিনাজপুর এর সমস্ত কৃষক দের জানানো যাচ্ছে যে সুখবর আমরা এখন ভেনিলা পৌঁছে দিচ্ছি আপনাদের ঘরে ঘরে যদি কারো লাগে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সঙ্গে===81709579911
- bad news 😔 আমাদের গ্রামে ক্রিকেট খেলতে খেলতে হারিয়ে গেল পুকুরে বল bad news1
- Kunal Ghosh: জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী কুণাল, বললেন, ‘‘তৃণমূলের ভোট বাড়বে’’ | #news1
- বেহুলা লখিন্দরের কাহিনী বিজড়িত পুরাতন মালদার দেবকুন্ডকে ঘিরে এবারও বুদ্ধ পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিতে ঢল নামল ভক্তদের।জমে উঠল দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলা। যাকে কেন্দ্র করে আনন্দ মুখরিত হয়ে উঠল পুরাতন মালদার নারায়ণপুর বিএসএফ-এর ৮৮নং ব্যাটেলিয়নের ক্যাম্প এলাকা। দীর্ঘ কয়েক দশকের ধর্মীয় ঐতিহ্য-পরম্পরা মেনে প্রতি বছর বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন পুরাতন মালদার নারায়ণপুরে বিএসএফ-এর ৮৮নং ক্যাম্প এলাকায় হয়ে আসছে দেবকুন্ডের পুজো ও মেলা। সেই মতো শুক্রবার গুরু পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে এই পুজো ও মেলা শুরু হয় নারায়ণপুর বিএসএফ ক্যাম্পে। এই উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই বিএসএফ ক্যাম্প প্রাঙ্গণে অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। আগত ভক্তরা বেহুলা নদী সংলগ্ন বেহুলা-লখিনন্দরের কাহিনী বিজড়িত দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সেরে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী মাতার মন্দিরে পুজো দেন। পুজো ও মেলা পর্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বতোভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বিএসএফ। দেবকুন্ডের পুজো ও মেলার প্রচলন সম্পর্কে নানান কল্পকাহিনী প্রচলিত রয়েছে। ভক্তদের কারও মতে বেহুলা তার মৃত স্বামী লক্ষিন্দরের প্রাণ ফিরাতে এই স্থানে পদার্পণ করেছিলেন। সেখানেই তিনি নাকি নেতো ধোপানীর সাক্ষাৎ পেয়ে তার সঙ্গে স্বর্গে দিয়ে লক্ষীন্দরের প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন। তাই ভক্তদের বিশ্বাস দেবকুন্ডে পুজো দিয়ে মানত করলে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী কালীমাতা ভক্তদের সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ করেন। সেই কারণেই প্রতি বছর এই মেলায় অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। সেই ছবিই ধরা পড়ে এবারও।দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলাকে ঘিরে অসংখ্য নব দম্পতির আগমণ চোখে পড়ে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যান্ডবাদ্দি বাজিয়ে মেলায় এসে দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সারেন। এবং দীর্ঘদিনের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী তারা বিয়ের ফুল, মালা, টোপর সহ যাবতীয় উপকরণ দেবকুন্ডের জলে ভাসিয়ে দেন।তাদের বিশ্বাস এই রীতি পালন করে পুণ্যস্নান সেরে শুদ্ধচিত্তে মা গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিলে নব দম্পতির বৈবাহিক জীবন সুখের হয়।1
- কলকাতা: গতকাল রাত্রে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে স্টং রুমের ভেতর কেউ রয়েছে এই অভিযোগ কুনাল ঘোষ এবং শশী পাঁজা ধরনায় বসে ছিলেন, আজকে সেখানে কড়া নিরাপত্তা।।1
- বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে রায়গঞ্জ পলিটেকনিক কলেজ ও ইসলামপুর কলেজ কাউন্টিং ভেন্যুতে বি.এন.এস.এস-এর ১৬৩ ধারা জারি করলেন জেলাশাসক। শুক্রবার জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের আধিকারিক শুভম চক্রবর্তী জানান, কাউন্টিং কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে রাজনৈতিক ক্যাম্প, পাঁচজনের বেশি জমায়েত, অনুমতি ছাড়া যানবাহন চলাচল ও রাজনৈতিক মাইকিং নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ভোট গণনার দিন আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।1
- ভোট গণনার দোরগোড়ায় ইসলামপুরে বোমাতঙ্কের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী। খবর দেওয়া হয়েছে বোম স্কোয়াড এবং সিআইডি-কে। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে দাড়িভিট এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ভিড় জামান স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ওই এলাকার চা বাগানে কাজ করতে গিয়েছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। চা বাগানের ভিতরে একটি পরিত্যক্ত ব্যাগ দেখতে পান তারা। সন্দেহ হওয়ায় ব্যাগটি খুলতেই চক্ষু চরক গাছ হয়ে যায় তাদের। কারণ ব্যাগের ভেতরে বোমার মতো একাধিক বস্তু দেখতে পান তারা। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি জানানো হয় ইসলামপুর থানার পুলিশকে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ বাহিনী। ইতিমধ্যেই পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে যেই বস্তু উদ্ধার হয়েছে তা আদৌ বোমা নাকি অন্যকিছু সেটি খতিয়ে দেখতে বোম স্কোয়াড এবং সিআইডি-কে খবর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসলামপুর পুলিশ জেলার আধিকারিকরা।1
- বেহুলা লখিন্দরের কাহিনী বিজড়িত পুরাতন মালদার দেবকুন্ডকে ঘিরে এবারও বুদ্ধ পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিতে ঢল নামল ভক্তদের।জমে উঠল দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলা। যাকে কেন্দ্র করে আনন্দ মুখরিত হয়ে উঠল পুরাতন মালদার নারায়ণপুর বিএসএফ-এর ৮৮নং ব্যাটেলিয়নের ক্যাম্প এলাকা। দীর্ঘ কয়েক দশকের ধর্মীয় ঐতিহ্য-পরম্পরা মেনে প্রতি বছর বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন পুরাতন মালদার নারায়ণপুরে বিএসএফ-এর ৮৮নং ক্যাম্প এলাকায় হয়ে আসছে দেবকুন্ডের পুজো ও মেলা। সেই মতো শুক্রবার গুরু পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে এই পুজো ও মেলা শুরু হয় নারায়ণপুর বিএসএফ ক্যাম্পে। এই উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই বিএসএফ ক্যাম্প প্রাঙ্গণে অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। আগত ভক্তরা বেহুলা নদী সংলগ্ন বেহুলা-লখিনন্দরের কাহিনী বিজড়িত দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সেরে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী মাতার মন্দিরে পুজো দেন। পুজো ও মেলা পর্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বতোভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বিএসএফ। দেবকুন্ডের পুজো ও মেলার প্রচলন সম্পর্কে নানান কল্পকাহিনী প্রচলিত রয়েছে। ভক্তদের কারও মতে বেহুলা তার মৃত স্বামী লক্ষিন্দরের প্রাণ ফিরাতে এই স্থানে পদার্পণ করেছিলেন। সেখানেই তিনি নাকি নেতো ধোপানীর সাক্ষাৎ পেয়ে তার সঙ্গে স্বর্গে দিয়ে লক্ষীন্দরের প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন। তাই ভক্তদের বিশ্বাস দেবকুন্ডে পুজো দিয়ে মানত করলে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী কালীমাতা ভক্তদের সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ করেন। সেই কারণেই প্রতি বছর এই মেলায় অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। সেই ছবিই ধরা পড়ে এবারও।দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলাকে ঘিরে অসংখ্য নব দম্পতির আগমণ চোখে পড়ে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যান্ডবাদ্দি বাজিয়ে মেলায় এসে দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সারেন। এবং দীর্ঘদিনের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী তারা বিয়ের ফুল, মালা, টোপর সহ যাবতীয় উপকরণ দেবকুন্ডের জলে ভাসিয়ে দেন।তাদের বিশ্বাস এই রীতি পালন করে পুণ্যস্নান সেরে শুদ্ধচিত্তে মা গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিলে নব দম্পতির বৈবাহিক জীবন সুখের হয়।1