পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি থানার পুলিশ ওড়িশা থেকে এক নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তাঁর পরিবারের কাছে নিরাপদে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মধুসূদন কুমার, যিনি পুরুলিয়া জেলার লালদিহ এলাকার বাসিন্দা। গত ২১ মে ২০২৬ তারিখে ঝাড়খণ্ডের চান্ডিল রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন। দীর্ঘ দিনের ধারাবাহিক অনুসন্ধান, আন্তঃরাজ্য সমন্বয় এবং নিরলস প্রচেষ্টার পর ওড়িশার ঢেঙ্কানাল জেলার কাকনাহাড় এলাকায় তাঁকে শনাক্ত করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁকে নিরাপদে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই সাফল্য প্রসঙ্গে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ নিখোঁজদের দ্রুত খুঁজে বের করতে এবং বিপর্যস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে, "আপনার নিরাপত্তাই আমাদের অঙ্গীকার। পুরুলিয়া জেলা পুলিশ – সর্বদা আপনার পাশে।"
পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি থানার পুলিশ ওড়িশা থেকে এক নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তাঁর পরিবারের কাছে নিরাপদে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মধুসূদন কুমার, যিনি পুরুলিয়া জেলার লালদিহ এলাকার বাসিন্দা। গত ২১ মে ২০২৬ তারিখে ঝাড়খণ্ডের চান্ডিল রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন। দীর্ঘ দিনের ধারাবাহিক অনুসন্ধান, আন্তঃরাজ্য সমন্বয় এবং নিরলস প্রচেষ্টার পর ওড়িশার ঢেঙ্কানাল জেলার কাকনাহাড় এলাকায় তাঁকে শনাক্ত করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁকে নিরাপদে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই সাফল্য প্রসঙ্গে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ নিখোঁজদের দ্রুত খুঁজে বের করতে এবং বিপর্যস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে, "আপনার নিরাপত্তাই আমাদের অঙ্গীকার। পুরুলিয়া জেলা পুলিশ – সর্বদা আপনার পাশে।"
- পুরুলিয়ার জে কে কলেজে এবিভিপি এবং এস এফ আই-এর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এই দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।1
- পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি থানার পুলিশ ওড়িশা থেকে এক নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তাঁর পরিবারের কাছে নিরাপদে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মধুসূদন কুমার, যিনি পুরুলিয়া জেলার লালদিহ এলাকার বাসিন্দা। গত ২১ মে ২০২৬ তারিখে ঝাড়খণ্ডের চান্ডিল রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন। দীর্ঘ দিনের ধারাবাহিক অনুসন্ধান, আন্তঃরাজ্য সমন্বয় এবং নিরলস প্রচেষ্টার পর ওড়িশার ঢেঙ্কানাল জেলার কাকনাহাড় এলাকায় তাঁকে শনাক্ত করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁকে নিরাপদে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই সাফল্য প্রসঙ্গে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ নিখোঁজদের দ্রুত খুঁজে বের করতে এবং বিপর্যস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে, "আপনার নিরাপত্তাই আমাদের অঙ্গীকার। পুরুলিয়া জেলা পুলিশ – সর্বদা আপনার পাশে।"1
- দীর্ঘ দুই বছর পর নিজের জন্মভূমি পুরুলিয়ায় ফিরে এলেন জেলার প্রথম কমার্শিয়াল পাইলট ভাস্কর দাস। দীর্ঘ বিরতির পর নিজের এলাকায় পা রেখে তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন।1
- জঙ্গলমহল এলাকার প্রায় সমস্ত জমিই এক ফসলি চাষের। সৃষ্টির আদিকাল থেকেই এই অঞ্চলের মানুষজন বৃষ্টি নির্ভর এক ফসলি ধান চাষের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন এবং বছরে মাত্র একবার এই চাষের ওপর ভরসা করেই বেশিরভাগ কৃষকের দিনপাত হয়। তবে বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আওতায় আসার কারণে সাধারণ চাষী পরিবারগুলি অনেকটাই স্বচ্ছলতার মুখ দেখছে। কিন্তু এ হেন জমিতে আষাঢ় মাসের শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে বৃষ্টি না হওয়ায় এখনও ধান রোপণের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে পুরুলিয়ার ট্যাড় জমিতে এখনও চাষের কাজ থমকে রয়েছে, যার কারণে জঙ্গলমহলের চাষিরা চাষবাসের কাজে পিছিয়ে পড়ছেন। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় এ বছর যে ভালো চাষ হবে না, তা এখন থেকেই সহজে অনুমান করতে পারছে এলাকার কৃষক কুল।1
- পুরুলিয়ার জেকে কলেজে পোস্টার দ্বন্দ্ব নিয়ে এবার পাল্টা বক্তব্য পেশ করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন এসএফআই (SFI) জেলা সম্পাদক সায়ন্তন ঘোষ। এই বিতর্কিত পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে তিনি জোরালো দাবি তুলেছেন যে, এই ঘটনার জন্য এবিভিপি-কে (ABVP) অবিলম্বে ক্ষমা চাইতে হবে।1
- পুরুলিয়া শহরের জগন্নাথ কিশোর মহাবিদ্যালয়ের (জে কে কলেজ) গেটে রাজনৈতিক পোস্টার লাগানো এবং তা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ ও বচসা সৃষ্টি হয়, যার জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলেজ চত্বর। অভিযোগ উঠেছে যে, এসএফআই কর্মীরা কলেজ গেটে আরএসএস বিরোধী পোস্টার লাগাতে গেলে এবিভিপি-র কয়েকজন সদস্য তাতে বাধা দেন এবং সেই পোস্টারগুলি ছিঁড়ে ফেলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুই ছাত্র সংগঠনের বিরোধিতায় অশান্তি ছড়ায়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে এবিভিপি ছাত্র সংগঠনের আচরণ এবং পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন পুরুলিয়া জেলা এসএফআই সম্পাদক সায়ন্তন ঘোষ। জে কে কলেজের এই পোস্টার বিতর্ককে কেন্দ্র করে দুই ছাত্র সংগঠন এবিভিপি ও এসএফআই-এর মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।1