Shuru
Apke Nagar Ki App…
জঙ্গলমহল এলাকার প্রায় সমস্ত জমিই এক ফসলি চাষের। সৃষ্টির আদিকাল থেকেই এই অঞ্চলের মানুষজন বৃষ্টি নির্ভর এক ফসলি ধান চাষের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন এবং বছরে মাত্র একবার এই চাষের ওপর ভরসা করেই বেশিরভাগ কৃষকের দিনপাত হয়। তবে বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আওতায় আসার কারণে সাধারণ চাষী পরিবারগুলি অনেকটাই স্বচ্ছলতার মুখ দেখছে। কিন্তু এ হেন জমিতে আষাঢ় মাসের শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে বৃষ্টি না হওয়ায় এখনও ধান রোপণের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে পুরুলিয়ার ট্যাড় জমিতে এখনও চাষের কাজ থমকে রয়েছে, যার কারণে জঙ্গলমহলের চাষিরা চাষবাসের কাজে পিছিয়ে পড়ছেন। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় এ বছর যে ভালো চাষ হবে না, তা এখন থেকেই সহজে অনুমান করতে পারছে এলাকার কৃষক কুল।
Barabhum barta
জঙ্গলমহল এলাকার প্রায় সমস্ত জমিই এক ফসলি চাষের। সৃষ্টির আদিকাল থেকেই এই অঞ্চলের মানুষজন বৃষ্টি নির্ভর এক ফসলি ধান চাষের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন এবং বছরে মাত্র একবার এই চাষের ওপর ভরসা করেই বেশিরভাগ কৃষকের দিনপাত হয়। তবে বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আওতায় আসার কারণে সাধারণ চাষী পরিবারগুলি অনেকটাই স্বচ্ছলতার মুখ দেখছে। কিন্তু এ হেন জমিতে আষাঢ় মাসের শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে বৃষ্টি না হওয়ায় এখনও ধান রোপণের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে পুরুলিয়ার ট্যাড় জমিতে এখনও চাষের কাজ থমকে রয়েছে, যার কারণে জঙ্গলমহলের চাষিরা চাষবাসের কাজে পিছিয়ে পড়ছেন। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় এ বছর যে ভালো চাষ হবে না, তা এখন থেকেই সহজে অনুমান করতে পারছে এলাকার কৃষক কুল।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পুরুলিয়া জেলার বরাবাজার থানার পুলিশ এক বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ও চুরি যাওয়া ১২টি মূল্যবান সচল মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সেগুলির প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিয়েছে। সাধারণত হারিয়ে যাওয়া ফোন ফিরে পাওয়ার আশা মানুষ ছেড়ে দিলেও, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে বরাবাজার থানার পুলিশ আধিকারিকরা এই অসম্ভবকে বাস্তবে রূপ দিয়ে এক অনন্য নজির গড়েছেন। বিভিন্ন সময়ে মোবাইল হারিয়ে যাওয়া বা চুরি সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে একে একে এই ফোনগুলি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। আজ, শনিবার বরাবাজার থানার পক্ষ থেকে মোবাইলগুলির প্রকৃত মালিকদের বিশেষভাবে থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং অন্যান্য পুলিশ কর্মীদের উপস্থিতিতে একে একে তাঁদের হাতে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলি হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘদিন পর নিজের সাধের মোবাইল ফোন অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বসিত গ্রাহকরা বরাবাজার থানার পুলিশকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এক উপভোক্তা আনন্দ প্রকাশ করে জানান যে, তিনি কখনও ভাবতেই পারেননি এই মোবাইলটি আর ফিরে পাবেন। পুলিশের এই মানবিক উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষের মুখে যেমন হাসি ফিরেছে, তেমনই পুলিশের প্রতি তাঁদের আস্থা ও ভরসা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।1
- জঙ্গলমহল এলাকার প্রায় সমস্ত জমিই এক ফসলি চাষের। সৃষ্টির আদিকাল থেকেই এই অঞ্চলের মানুষজন বৃষ্টি নির্ভর এক ফসলি ধান চাষের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন এবং বছরে মাত্র একবার এই চাষের ওপর ভরসা করেই বেশিরভাগ কৃষকের দিনপাত হয়। তবে বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আওতায় আসার কারণে সাধারণ চাষী পরিবারগুলি অনেকটাই স্বচ্ছলতার মুখ দেখছে। কিন্তু এ হেন জমিতে আষাঢ় মাসের শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে বৃষ্টি না হওয়ায় এখনও ধান রোপণের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে পুরুলিয়ার ট্যাড় জমিতে এখনও চাষের কাজ থমকে রয়েছে, যার কারণে জঙ্গলমহলের চাষিরা চাষবাসের কাজে পিছিয়ে পড়ছেন। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় এ বছর যে ভালো চাষ হবে না, তা এখন থেকেই সহজে অনুমান করতে পারছে এলাকার কৃষক কুল।1
- পুরুলিয়া মফস্বল থানা হারানো ৪২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সেগুলি আবার তাদের আসল মালিকদের হাতে তুলে দিয়েছে। নিজেদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত মালিকরা, আর এভাবেই তাঁদের মুখে পুনরায় হাসি ফুটিয়েছে মফস্বল থানা।1
- পুরুলিয়ার জে কে কলেজে এবিভিপি এবং এস এফ আই-এর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এই দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।1
- পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি থানার পুলিশ ওড়িশা থেকে এক নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তাঁর পরিবারের কাছে নিরাপদে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মধুসূদন কুমার, যিনি পুরুলিয়া জেলার লালদিহ এলাকার বাসিন্দা। গত ২১ মে ২০২৬ তারিখে ঝাড়খণ্ডের চান্ডিল রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন। দীর্ঘ দিনের ধারাবাহিক অনুসন্ধান, আন্তঃরাজ্য সমন্বয় এবং নিরলস প্রচেষ্টার পর ওড়িশার ঢেঙ্কানাল জেলার কাকনাহাড় এলাকায় তাঁকে শনাক্ত করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁকে নিরাপদে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই সাফল্য প্রসঙ্গে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ নিখোঁজদের দ্রুত খুঁজে বের করতে এবং বিপর্যস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে, "আপনার নিরাপত্তাই আমাদের অঙ্গীকার। পুরুলিয়া জেলা পুলিশ – সর্বদা আপনার পাশে।"1
- সংবাদ মাধ্যমের গভীর সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য নজির সৃষ্টি করে পুরুলিয়ার বরাবাজার ব্লকের মুরগাবনি গ্রামে ফিরে এসেছে হারিয়ে যাওয়া হাসি। 'বরাবাজার নিউজ'-এর খবরের জেরে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে সুস্থ শরীরে নিজের বাড়িতে ফিরে এসেছেন শিবু বাস্কে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আনন্দের জোয়ার বইছে গোটা মুরগাবনি গ্রামে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১লা জুলাই মহারাষ্ট্রের নাসিক স্টেশন থেকে ট্রেনে চেপে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন মুরগাবনি গ্রামের বাসিন্দা শিবু বাস্কে। কিন্তু পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়ি পৌঁছাননি, বন্ধ ছিল তাঁর ফোনও। চারদিকে খোঁজ করেও হদিশ না মেলায় কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। এরপর গত ৬ই জুলাই শিবুর ভাইপো পরেশ বাস্কে বরাবাজার থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। শুধু প্রশাসনের ওপর ভরসা না রেখে, পরিবারটি ছুটে আসে 'বরাবাজার নিউজ'-এর ক্যামেরার সামনে এবং দর্শকদের কাছে কাতর আবেদন জানায়। চ্যানেলের পর্দায় সেই আকুল আবেদন ফুটে ওঠার পর সমাজমাধ্যমে খবরটি ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং হাজার হাজার দর্শক তা শেয়ার করে খোঁজ শুরু করেন। অবশেষে সেই সংবাদের জেরেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে গত ১০ই জুলাই সন্ধ্যা নাগাদ শিবু বাস্কে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় নিজের পরিবারের কাছে ফিরে আসেন। এই খুশির মুহূর্তে শিবুর পরিবার ও গ্রামবাসী ধন্যবাদ জানিয়েছেন বরাবাজার নিউজ এবং সেই সমস্ত দর্শকদের, যাঁরা খবরটি শেয়ার করে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে দেয় যে, সংবাদ মাধ্যম শুধু রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি বা পথদুর্ঘটনার খবর পরিবেশন করে না, বরং মানুষের সংকটে পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতা পূরণেও সবসময় সচেষ্ট থাকে।1
- পুরুলিয়ার এক নম্বর ব্লকের মানাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শিদপুর গ্রামে নিজের পোষা কাড়ার (মহিষ) নৃশংস হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন স্বপন মাহাতো নামে এক যুবক। শনিবার সকালে নিজের পালিত কাড়াটিকে নিয়ে প্রতিদিনের মতোই মাঠে চরাতে গিয়েছিলেন ৩৫ বছরের ওই যুবক। কিন্তু সেখানে নিজের পোষা পশুর আকস্মিক ও নৃশংস হামলার শিকার হন তিনি। এই অতর্কিত হামলায় রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন স্বপনবাবু। পরবর্তীতে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিজের পোষা পশুর এমন নির্মম আচরণ ও যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গোটা শিদপুর গ্রাম তথা এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।1