পুরুলিয়া জেলার বরাবাজার থানার পুলিশ এক বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ও চুরি যাওয়া ১২টি মূল্যবান সচল মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সেগুলির প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিয়েছে। সাধারণত হারিয়ে যাওয়া ফোন ফিরে পাওয়ার আশা মানুষ ছেড়ে দিলেও, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে বরাবাজার থানার পুলিশ আধিকারিকরা এই অসম্ভবকে বাস্তবে রূপ দিয়ে এক অনন্য নজির গড়েছেন। বিভিন্ন সময়ে মোবাইল হারিয়ে যাওয়া বা চুরি সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে একে একে এই ফোনগুলি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। আজ, শনিবার বরাবাজার থানার পক্ষ থেকে মোবাইলগুলির প্রকৃত মালিকদের বিশেষভাবে থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং অন্যান্য পুলিশ কর্মীদের উপস্থিতিতে একে একে তাঁদের হাতে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলি হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘদিন পর নিজের সাধের মোবাইল ফোন অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বসিত গ্রাহকরা বরাবাজার থানার পুলিশকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এক উপভোক্তা আনন্দ প্রকাশ করে জানান যে, তিনি কখনও ভাবতেই পারেননি এই মোবাইলটি আর ফিরে পাবেন। পুলিশের এই মানবিক উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষের মুখে যেমন হাসি ফিরেছে, তেমনই পুলিশের প্রতি তাঁদের আস্থা ও ভরসা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
পুরুলিয়া জেলার বরাবাজার থানার পুলিশ এক বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ও চুরি যাওয়া ১২টি মূল্যবান সচল মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সেগুলির প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিয়েছে। সাধারণত হারিয়ে যাওয়া ফোন ফিরে পাওয়ার আশা মানুষ ছেড়ে দিলেও, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে বরাবাজার থানার পুলিশ আধিকারিকরা এই অসম্ভবকে বাস্তবে রূপ দিয়ে এক অনন্য নজির গড়েছেন। বিভিন্ন সময়ে মোবাইল হারিয়ে যাওয়া বা চুরি সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে একে একে এই ফোনগুলি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। আজ, শনিবার বরাবাজার থানার পক্ষ থেকে মোবাইলগুলির প্রকৃত মালিকদের বিশেষভাবে থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং অন্যান্য পুলিশ কর্মীদের উপস্থিতিতে একে একে তাঁদের হাতে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলি হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘদিন পর নিজের সাধের মোবাইল ফোন অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বসিত গ্রাহকরা বরাবাজার থানার পুলিশকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এক উপভোক্তা আনন্দ প্রকাশ করে জানান যে, তিনি কখনও ভাবতেই পারেননি এই মোবাইলটি আর ফিরে পাবেন। পুলিশের এই মানবিক উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষের মুখে যেমন হাসি ফিরেছে, তেমনই পুলিশের প্রতি তাঁদের আস্থা ও ভরসা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
- পুরুলিয়ার রুপা মাটিতে নিচু বহাল জমিগুলিতে বর্তমানে বিক্ষিপ্তভাবে চাষের কাজ চলছে। ওই এলাকার এই নিচু জমিগুলিতে চাষের কাজ বেশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বা বিক্ষিপ্ত আকারেই করা হচ্ছে।1
- পুঞ্চা পঞ্চায়েত সমিতিতে অনধিকার প্রবেশ করে অন্নপূর্ণা ভান্ডারে তথ্য বিকৃতি করার অভিযোগে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একই মামলায় ধৃত তাঁর ভাইপো তথা পুঞ্চা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি কৃপাসিন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধক্ষ্য চরণ পাহাড়ি দাসকে পুরুলিয়া জেলা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক অভিযুক্তদের দুই দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এই মামলায় সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামিন মঞ্জুর করা হয়নি। পুলিশের এই দুদিনের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের ফলে শেষ পর্যন্ত কী তথ্য বেরিয়ে আসে, এখন সেদিকেই অধীর আগ্রহে মুখিয়ে রয়েছে পুরুলিয়া জেলার রাজনৈতিক অন্দরমহল।1
- পুরুলিয়ায় গ্রেপ্তার করা হলো তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা সুজয় ব্যানার্জি সহ আরও তিনজনকে। গ্রেপ্তারের পর আজই তাঁদের পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়েছে। এই গ্রেপ্তারির পর সুজয় ব্যানার্জি নিজে ঠিক কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, শুনুন।1
- পুরুলিয়ার কংগ্রেস ভবনে এক প্রেস মিটের আয়োজন করলেন কংগ্রেসের জেলা সভাপতি নেপাল মাহাত।1
- পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি থানার পুলিশ ওড়িশা থেকে এক নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তাঁর পরিবারের কাছে নিরাপদে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মধুসূদন কুমার, যিনি পুরুলিয়া জেলার লালদিহ এলাকার বাসিন্দা। গত ২১ মে ২০২৬ তারিখে ঝাড়খণ্ডের চান্ডিল রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন। দীর্ঘ দিনের ধারাবাহিক অনুসন্ধান, আন্তঃরাজ্য সমন্বয় এবং নিরলস প্রচেষ্টার পর ওড়িশার ঢেঙ্কানাল জেলার কাকনাহাড় এলাকায় তাঁকে শনাক্ত করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁকে নিরাপদে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই সাফল্য প্রসঙ্গে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ নিখোঁজদের দ্রুত খুঁজে বের করতে এবং বিপর্যস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে, "আপনার নিরাপত্তাই আমাদের অঙ্গীকার। পুরুলিয়া জেলা পুলিশ – সর্বদা আপনার পাশে।"1
- পুরুলিয়া জেলার বরাবাজার থানার পুলিশ এক বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ও চুরি যাওয়া ১২টি মূল্যবান সচল মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সেগুলির প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিয়েছে। সাধারণত হারিয়ে যাওয়া ফোন ফিরে পাওয়ার আশা মানুষ ছেড়ে দিলেও, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে বরাবাজার থানার পুলিশ আধিকারিকরা এই অসম্ভবকে বাস্তবে রূপ দিয়ে এক অনন্য নজির গড়েছেন। বিভিন্ন সময়ে মোবাইল হারিয়ে যাওয়া বা চুরি সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে একে একে এই ফোনগুলি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। আজ, শনিবার বরাবাজার থানার পক্ষ থেকে মোবাইলগুলির প্রকৃত মালিকদের বিশেষভাবে থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং অন্যান্য পুলিশ কর্মীদের উপস্থিতিতে একে একে তাঁদের হাতে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলি হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘদিন পর নিজের সাধের মোবাইল ফোন অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বসিত গ্রাহকরা বরাবাজার থানার পুলিশকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এক উপভোক্তা আনন্দ প্রকাশ করে জানান যে, তিনি কখনও ভাবতেই পারেননি এই মোবাইলটি আর ফিরে পাবেন। পুলিশের এই মানবিক উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষের মুখে যেমন হাসি ফিরেছে, তেমনই পুলিশের প্রতি তাঁদের আস্থা ও ভরসা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।1
- পঞ্চায়েত সমিতিতে ঢুকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের নথি বিকৃতি করার দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি তথা তৃণমূলের দাপুটে নেতা সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শনিবার গভীর রাতে তাঁর নিজের জন্মদিনের রাতেই ভাইপোসহ তাঁকে তাঁর বাসভবন পুঞ্চা থানার লাখরা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। আজ তাঁকে পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়েছে। তৃণমূলের এই নেতার গ্রেপ্তারের ঘটনায় জেলার রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।1
- পুরুলিয়া মফস্বল থানা হারানো ৪২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সেগুলি আবার তাদের আসল মালিকদের হাতে তুলে দিয়েছে। নিজেদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত মালিকরা, আর এভাবেই তাঁদের মুখে পুনরায় হাসি ফুটিয়েছে মফস্বল থানা।1
- পুরুলিয়ার এক নম্বর ব্লকের মানাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শিদপুর গ্রামে নিজের পোষা কাড়ার (মহিষ) নৃশংস হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন স্বপন মাহাতো নামে এক যুবক। শনিবার সকালে নিজের পালিত কাড়াটিকে নিয়ে প্রতিদিনের মতোই মাঠে চরাতে গিয়েছিলেন ৩৫ বছরের ওই যুবক। কিন্তু সেখানে নিজের পোষা পশুর আকস্মিক ও নৃশংস হামলার শিকার হন তিনি। এই অতর্কিত হামলায় রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন স্বপনবাবু। পরবর্তীতে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিজের পোষা পশুর এমন নির্মম আচরণ ও যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গোটা শিদপুর গ্রাম তথা এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।1