Shuru
Apke Nagar Ki App…
পুরুলিয়ার রুপা মাটিতে নিচু বহাল জমিগুলিতে বর্তমানে বিক্ষিপ্তভাবে চাষের কাজ চলছে। ওই এলাকার এই নিচু জমিগুলিতে চাষের কাজ বেশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বা বিক্ষিপ্ত আকারেই করা হচ্ছে।
Barabhum barta
পুরুলিয়ার রুপা মাটিতে নিচু বহাল জমিগুলিতে বর্তমানে বিক্ষিপ্তভাবে চাষের কাজ চলছে। ওই এলাকার এই নিচু জমিগুলিতে চাষের কাজ বেশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বা বিক্ষিপ্ত আকারেই করা হচ্ছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- স্বামী বিবেকানন্দের কালজয়ী আদর্শ 'শিব জ্ঞানে জীব সেবা'-কে পাথেয় করে বরাবাজার ব্লকের ধেলাতবামু এবং গোঁসাইডি গ্রামের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এক অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেলুড় মঠের প্রবীণ সন্ন্যাসী স্বামী ঈশাতমানন্দজী মহারাজের পুণ্য অনুপ্রেরণায় গড়ে ওঠা স্বামী বিবেকানন্দ ত্রিশূল সেবা ট্রাস্ট এবং সমাজসেবী রবিন পান্ডে প্রতিষ্ঠিত 'প্রাণ কৃষ্ণ পাণ্ডে মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন'-এর সক্রিয় সহযোগিতায় এই দুই গ্রামে বহুমুখী সেবামূলক কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। এর লক্ষ্য গ্রামীণ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির সামগ্রিক উন্নয়ন ঘটানো। গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং সাধারণ মানুষকে স্বাবলম্বী করতে বিগত জানুয়ারি মাস থেকেই এখানে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পশুপালনের ওপর জোর দিয়ে গ্রামের অত্যন্ত সাধারণ ও দুস্থ পরিবারগুলোর হাতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ছাগল তুলে দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করতে পারে। শুধু তাই নয়, আগামী দিনে এখানকার পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের জন্য উন্নত মানের কোচিং সেন্টার চালুর পাশাপাশি গ্রামীণ মানুষের দোরগোড়ায় জরুরি স্বাস্থ্যপরিষেবা পৌঁছে দিতে একটি আধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র বা হেলথ সেন্টার স্থাপনের রূপরেখাও তৈরি করা হয়েছে। এই মানবিক উদ্যোগ প্রসঙ্গে প্রাণ কৃষ্ণ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা রবিন পান্ডে জানান, পিছিয়ে পড়া এই গ্রামগুলোকে সব দিক থেকে এগিয়ে নিয়ে যেতেই তিনি স্বামী ঈশাতমানন্দজী মহারাজের শরণাপন্ন হয়েছিলেন এবং তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে মহারাজ এই কর্মযজ্ঞের সূচনা করেছেন। অন্যদিকে, বিবেকানন্দ ত্রিশূল সেবা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অনুপ পান জানিয়েছেন, মহারাজের সমস্ত শিষ্যরা একত্রিত হয়ে ধেলাতবামু ও গোঁসাইডি গ্রামকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে স্বাবলম্বী করে তোলার ব্রত গ্রহণ করেছেন।1
- পুরুলিয়ার রুপা মাটিতে নিচু বহাল জমিগুলিতে বর্তমানে বিক্ষিপ্তভাবে চাষের কাজ চলছে। ওই এলাকার এই নিচু জমিগুলিতে চাষের কাজ বেশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বা বিক্ষিপ্ত আকারেই করা হচ্ছে।1
- পুরুলিয়া জেলা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জী। অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পে কারচুপির ঘটনায় তার নাম জড়ানোর পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে পুঞ্চা ব্লক অফিসে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে কারচুপি করার অভিযোগে পুঞ্চা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি, পুঞ্চা পঞ্চায়েতের পূর্ত কর্মাধক্ষ্য, পুঞ্চা ব্লকের কর্মী ও লাখরা গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অভিযুক্তদের পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হলে তাদের সকলেরই জামিন হয়ে যায়। পরবর্তীতে এই কারচুপির ঘটনার সঙ্গেই পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জীর নাম উঠে আসে, যার জেরে তাকে গ্রেফতার করল পুলিশ।1
- সরকারি নথি বিকৃত ও জালিয়াতি করার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জি। তাঁর সঙ্গে তাঁর ভাইপো এবং পঞ্চায়েত সমিতির একজন কর্মাধ্যক্ষকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ সব মিলিয়ে মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সরকারি নথি বিকৃত করার পাশাপাশি একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আজ, রবিবার ধৃত তিনজনকে পুরুলিয়া জেলা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ।1
- পঞ্চায়েত সমিতিতে ঢুকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের নথি বিকৃতি করার দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি তথা তৃণমূলের দাপুটে নেতা সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শনিবার গভীর রাতে তাঁর নিজের জন্মদিনের রাতেই ভাইপোসহ তাঁকে তাঁর বাসভবন পুঞ্চা থানার লাখরা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। আজ তাঁকে পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়েছে। তৃণমূলের এই নেতার গ্রেপ্তারের ঘটনায় জেলার রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।1
- পুরুলিয়ায় গ্রেপ্তার করা হলো তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা সুজয় ব্যানার্জি সহ আরও তিনজনকে। গ্রেপ্তারের পর আজই তাঁদের পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়েছে। এই গ্রেপ্তারির পর সুজয় ব্যানার্জি নিজে ঠিক কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, শুনুন।1
- পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার পুঞ্চা ব্লকে সরকারি প্রকল্প 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার'-এ ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জীসহ তিন তৃণমূল নেতাকে শনিবার পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়েছে। সরকারি এই প্রকল্পে বড়সড় আর্থিক কেলেঙ্কারির এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো জেলা জুড়ে তীব্র রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। আদালতে তোলা ধৃত ৩ তৃণমূল নেতা হলেন জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জী, পুঞ্চা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি কৃপাসিন্ধু ব্যানার্জি (ধরম) এবং পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ চরণপাহাড়ি দাস। এই ঘটনার তদন্তে নেমে গত মঙ্গলবার রাতে প্রথমে পঞ্চায়েত সমিতির দুই পদাধিকারী, ব্লকের এক কর্মী এবং একটি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরবর্তীতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পর এবং প্রাথমিক তদন্তে জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জীর নাম উঠে আসায় তদন্তকারী সংস্থা তাকেও গ্রেফতার করে। বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের এই আর্থিক কেলেঙ্কারির শিকড় কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখতে সবকটি দিক থেকে জোরকদমে তদন্ত চালানো হচ্ছে। এই দুর্নীতির চক্রে আরও অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা জানার চেষ্টাও চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।1
- গত মঙ্গলবার রাতে পুরুলিয়ার পুঞ্চা ব্লক অফিসে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে পুঞ্চা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি, পুঞ্চা পঞ্চায়েতের পূর্ত কর্মাধক্ষ্য, পুঞ্চা ব্লকের কর্মী এবং লাখরা গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ধৃত অভিযুক্তদের পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়েছে। এরই সাথে পুরুলিয়া জেলা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জী।1