পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার পুঞ্চা ব্লকে সরকারি প্রকল্প 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার'-এ ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জীসহ তিন তৃণমূল নেতাকে শনিবার পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়েছে। সরকারি এই প্রকল্পে বড়সড় আর্থিক কেলেঙ্কারির এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো জেলা জুড়ে তীব্র রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। আদালতে তোলা ধৃত ৩ তৃণমূল নেতা হলেন জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জী, পুঞ্চা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি কৃপাসিন্ধু ব্যানার্জি (ধরম) এবং পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ চরণপাহাড়ি দাস। এই ঘটনার তদন্তে নেমে গত মঙ্গলবার রাতে প্রথমে পঞ্চায়েত সমিতির দুই পদাধিকারী, ব্লকের এক কর্মী এবং একটি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরবর্তীতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পর এবং প্রাথমিক তদন্তে জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জীর নাম উঠে আসায় তদন্তকারী সংস্থা তাকেও গ্রেফতার করে। বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের এই আর্থিক কেলেঙ্কারির শিকড় কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখতে সবকটি দিক থেকে জোরকদমে তদন্ত চালানো হচ্ছে। এই দুর্নীতির চক্রে আরও অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা জানার চেষ্টাও চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার পুঞ্চা ব্লকে সরকারি প্রকল্প 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার'-এ ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জীসহ তিন তৃণমূল নেতাকে শনিবার পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়েছে। সরকারি এই প্রকল্পে বড়সড় আর্থিক কেলেঙ্কারির এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো জেলা জুড়ে তীব্র রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। আদালতে তোলা ধৃত ৩ তৃণমূল নেতা হলেন জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জী, পুঞ্চা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি কৃপাসিন্ধু ব্যানার্জি (ধরম) এবং পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ চরণপাহাড়ি দাস। এই ঘটনার তদন্তে নেমে গত মঙ্গলবার রাতে প্রথমে পঞ্চায়েত সমিতির দুই পদাধিকারী, ব্লকের এক কর্মী এবং একটি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরবর্তীতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পর এবং প্রাথমিক তদন্তে জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জীর নাম উঠে আসায় তদন্তকারী সংস্থা তাকেও গ্রেফতার করে। বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের এই আর্থিক কেলেঙ্কারির শিকড় কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখতে সবকটি দিক থেকে জোরকদমে তদন্ত চালানো হচ্ছে। এই দুর্নীতির চক্রে আরও অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা জানার চেষ্টাও চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
- পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার পুঞ্চা ব্লকে সরকারি প্রকল্প 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার'-এ ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জীসহ তিন তৃণমূল নেতাকে শনিবার পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়েছে। সরকারি এই প্রকল্পে বড়সড় আর্থিক কেলেঙ্কারির এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো জেলা জুড়ে তীব্র রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। আদালতে তোলা ধৃত ৩ তৃণমূল নেতা হলেন জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জী, পুঞ্চা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি কৃপাসিন্ধু ব্যানার্জি (ধরম) এবং পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ চরণপাহাড়ি দাস। এই ঘটনার তদন্তে নেমে গত মঙ্গলবার রাতে প্রথমে পঞ্চায়েত সমিতির দুই পদাধিকারী, ব্লকের এক কর্মী এবং একটি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরবর্তীতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পর এবং প্রাথমিক তদন্তে জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জীর নাম উঠে আসায় তদন্তকারী সংস্থা তাকেও গ্রেফতার করে। বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের এই আর্থিক কেলেঙ্কারির শিকড় কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখতে সবকটি দিক থেকে জোরকদমে তদন্ত চালানো হচ্ছে। এই দুর্নীতির চক্রে আরও অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা জানার চেষ্টাও চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।1
- পুরুলিয়ার রুপা মাটিতে নিচু বহাল জমিগুলিতে বর্তমানে বিক্ষিপ্তভাবে চাষের কাজ চলছে। ওই এলাকার এই নিচু জমিগুলিতে চাষের কাজ বেশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বা বিক্ষিপ্ত আকারেই করা হচ্ছে।1
- পুরুলিয়া জেলা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জী। অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পে কারচুপির ঘটনায় তার নাম জড়ানোর পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে পুঞ্চা ব্লক অফিসে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে কারচুপি করার অভিযোগে পুঞ্চা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি, পুঞ্চা পঞ্চায়েতের পূর্ত কর্মাধক্ষ্য, পুঞ্চা ব্লকের কর্মী ও লাখরা গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অভিযুক্তদের পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হলে তাদের সকলেরই জামিন হয়ে যায়। পরবর্তীতে এই কারচুপির ঘটনার সঙ্গেই পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জীর নাম উঠে আসে, যার জেরে তাকে গ্রেফতার করল পুলিশ।1
- সরকারি নথি বিকৃত ও জালিয়াতি করার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জি। তাঁর সঙ্গে তাঁর ভাইপো এবং পঞ্চায়েত সমিতির একজন কর্মাধ্যক্ষকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ সব মিলিয়ে মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সরকারি নথি বিকৃত করার পাশাপাশি একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আজ, রবিবার ধৃত তিনজনকে পুরুলিয়া জেলা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ।1
- পঞ্চায়েত সমিতিতে ঢুকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের নথি বিকৃতি করার দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি তথা তৃণমূলের দাপুটে নেতা সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শনিবার গভীর রাতে তাঁর নিজের জন্মদিনের রাতেই ভাইপোসহ তাঁকে তাঁর বাসভবন পুঞ্চা থানার লাখরা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। আজ তাঁকে পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়েছে। তৃণমূলের এই নেতার গ্রেপ্তারের ঘটনায় জেলার রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।1
- পুরুলিয়ায় গ্রেপ্তার করা হলো তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা সুজয় ব্যানার্জি সহ আরও তিনজনকে। গ্রেপ্তারের পর আজই তাঁদের পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়েছে। এই গ্রেপ্তারির পর সুজয় ব্যানার্জি নিজে ঠিক কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, শুনুন।1
- পুরুলিয়া জেলার বরাবাজার থানার পুলিশ এক বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ও চুরি যাওয়া ১২টি মূল্যবান সচল মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সেগুলির প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিয়েছে। সাধারণত হারিয়ে যাওয়া ফোন ফিরে পাওয়ার আশা মানুষ ছেড়ে দিলেও, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে বরাবাজার থানার পুলিশ আধিকারিকরা এই অসম্ভবকে বাস্তবে রূপ দিয়ে এক অনন্য নজির গড়েছেন। বিভিন্ন সময়ে মোবাইল হারিয়ে যাওয়া বা চুরি সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে একে একে এই ফোনগুলি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। আজ, শনিবার বরাবাজার থানার পক্ষ থেকে মোবাইলগুলির প্রকৃত মালিকদের বিশেষভাবে থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং অন্যান্য পুলিশ কর্মীদের উপস্থিতিতে একে একে তাঁদের হাতে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলি হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘদিন পর নিজের সাধের মোবাইল ফোন অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বসিত গ্রাহকরা বরাবাজার থানার পুলিশকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এক উপভোক্তা আনন্দ প্রকাশ করে জানান যে, তিনি কখনও ভাবতেই পারেননি এই মোবাইলটি আর ফিরে পাবেন। পুলিশের এই মানবিক উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষের মুখে যেমন হাসি ফিরেছে, তেমনই পুলিশের প্রতি তাঁদের আস্থা ও ভরসা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।1
- গত মঙ্গলবার রাতে পুরুলিয়ার পুঞ্চা ব্লক অফিসে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে পুঞ্চা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি, পুঞ্চা পঞ্চায়েতের পূর্ত কর্মাধক্ষ্য, পুঞ্চা ব্লকের কর্মী এবং লাখরা গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ধৃত অভিযুক্তদের পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়েছে। এরই সাথে পুরুলিয়া জেলা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জী।1