Shuru
Apke Nagar Ki App…
নওদায় পুলিশের লাঠিচার্জ, আমজনতা উন্নয়ন পার্টি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ নওদায় পুলিশের ব্যাপক লাঠিচার্জ।নওদায় পুলিশের লাঠিচার্জ, আমজনতা উন্নয়ন পার্টি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশের লাঠিচার্জ করা হয়। অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করেছে।
Maminul Islam
নওদায় পুলিশের লাঠিচার্জ, আমজনতা উন্নয়ন পার্টি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ নওদায় পুলিশের ব্যাপক লাঠিচার্জ।নওদায় পুলিশের লাঠিচার্জ, আমজনতা উন্নয়ন পার্টি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশের লাঠিচার্জ করা হয়। অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ৭৩ নম্বর বিধানসভার নতুন স্বরূপপুর বুথে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে ভোট গ্রহণ হয়। এখানে সেন্টার ফোর্স মোতায়েন রয়েছে, তাদের করা নিরাপত্তার মধ্যে দিয়েই ভোট গ্রহণ হয়।2
- নওদায় পুলিশের ব্যাপক লাঠিচার্জ।নওদায় পুলিশের লাঠিচার্জ, আমজনতা উন্নয়ন পার্টি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশের লাঠিচার্জ করা হয়। অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করেছে।1
- Post by Babulal Sarkar1
- Post by Gousalazammir1
- নওদায় ভোট কেন্দ্রের বাইরে ব্যাপক সংঘর্ষ, উত্তেজনা । মুখোমুখি আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবির, তৃণমূল ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান সেখ। নওদার শিবনগরে ভোট কেন্দ্রের সামনেই হুমায়ুন কবিরের সাথে নওদা ব্লক তৃণমূল সভাপতি শফিউজ্জামান সেখের অনুগামীদের মধ্যে ব্যাপক মারপিট, ধস্তাধস্তি। ব্লক তৃণমূল সভাপতিকে চোর শ্লোগান। পাল্টা হুমায়ুনকে কবিরকে গো ব্যাক শ্লোগান। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা। মুখোমুখি তৃণমূল ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির অনুগামীরা। চলছে ধস্তাধস্তি। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পরেন দুই দলের সদস্যরা। ভোটের আগের রাতে এই শিবনগরেই বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেই এলাকায় হুমায়ুন যেতেই শুরু সংঘর্ষ।1
- ভোটের আগের রাতে ডোমকলে সিপিআইএম-তৃণমূল সংঘর্ষ, আহত ৩—একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক1
- ভরতপুরে ৭২ ও ৮৭ নম্বর বুথে ইভিএম বিভ্রাট : প্রায় ১ ঘন্টা পরে শুরু হলো ভোট দান প্রক্রিয়া। রাজ্যের গণতান্ত্রিক উৎসবের মহালগ্ন আজ। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মোট ১৬টি জেলায় ছড়িয়ে থাকা ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়েছে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। সকাল থেকেই বুথে বুথে চোখে পড়ছে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। বিশেষ করে মহিলা ও নতুন ভোটারদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। পরিসংখ্যান বলছে, এই দফায় মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ১৭১ জন, যাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ৮৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ৪৯৬ জন এবং মহিলা ভোটার ১ কোটি ৭৫ লক্ষ ৭৭ হাজার ২১০ জন। এছাড়া ৪৬৫ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারও তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। রাজ্যের মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হতে চলা এই দফায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সমস্ত বুথেই ১০০% ওয়েবকাস্টিং এর ব্যবস্থা করেছে। তবে এরই মাঝে বিক্ষিপ্ত কিছু যান্ত্রিক গোলযোগের খবর পাওয়া গেছে। ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকের ৭২ নম্বর বুথে ইভিএম বিকল হয়ে পড়ায় প্রায় ৫২ মিনিট ভোটগ্রহণ থমকে থাকে। একই ব্লকের ৮৭ নম্বর বুথ অর্থাৎ ঝিকড়া দক্ষিণপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়েও ইভিএম বিভ্রাটে প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট দেরি হয় ভোট শুরু হতে। যদিও টেকনিশিয়ানদের তৎপরতায় দ্রুত সমস্যার সমাধান ঘটে এবং পুনরায় শুরু হয় ভোটদান। তবে যান্ত্রিক এই সামান্য ত্রুটি বাদে গোটা ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকের চিত্রটি এখনো পর্যন্ত যথেষ্ট শান্তিপূর্ণ। ভরতপুর মসজিদপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্র থেকে শুরু করে ডাঙ্গাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭৭ ও ৭৮ নম্বর বুথ, সর্বত্রই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারিতে নির্বিঘ্নে এবং উৎসবের মেজাজে ভোট দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বুথগুলোর সামনে ভিড় আরও বাড়ছে, যা গণতন্ত্রের এই মহোৎসবে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।1
- মুর্শিদাবাদের নওদায় তুলকালাম। হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের চরম ধস্তাধস্তি-হাতাহাতি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গেও শুরু হাতাহাতি-ধস্তাধস্তি। মুখোমুখি হুমায়ুন কবীর এবং তৃণমূল কর্মীরা। চূড়ান্ত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। নওদা বিধানসভার অন্তর্গত ১৭৩ ও ১৭৪ নং বুথে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীর তিনি এসেছিলেন। তার অভিযোগ, এই বুথে এজেন্ট কে বের করে দেওয়া হয়েছিল আর ভিতরে এসে এজেন্ট কে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। আর তখনই তৃণমূলের প্রার্থী সাহিনা মমতাজ খান তিনি আসেন এবং ব্লক সভাপতি হাবিব মাস্টার এসে উপস্থিত হন। তৃণমূল ব্লক সভাপতি হাবিব মাস্টার ও হুমায়ুন কবীর মধ্যে ধস্তাধস্তি-হাতাহাতি হয় ।প্রচুর পুলিশ মোতায়েন আনার চেষ্টা করে1