Shuru
Apke Nagar Ki App…
হরিহরপাড়া ব্লকের ছাত্রী সাদিয়া সুলতানা উচ্চমাধ্যমিকে ৪৭০ নম্বর পেয়ে ব্লকে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। এই সাফল্যে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সদস্যরা তাকে ফুল, মিষ্টি ও উপহার সামগ্রী দিয়ে বিশেষ সংবর্ধনা জানিয়েছেন।
Bangla News
হরিহরপাড়া ব্লকের ছাত্রী সাদিয়া সুলতানা উচ্চমাধ্যমিকে ৪৭০ নম্বর পেয়ে ব্লকে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। এই সাফল্যে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সদস্যরা তাকে ফুল, মিষ্টি ও উপহার সামগ্রী দিয়ে বিশেষ সংবর্ধনা জানিয়েছেন।
More news from Nadia and nearby areas
- অপহরণ এবং খুনের মামলায় অভিযুক্ত বিতর্কিত বরখাস্ত বিডিও প্রশান্ত বর্মণ, যিনি দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন, তাকে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিধি বাম, কলকাতার বুকে মদ খেয়ে গাড়ি চালানোর সময় পুলিশের খপ্পরে পড়ে তিনি সোজা শ্রীঘরে গিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে মদ খেয়ে তিনি কলকাতার বুকে মস্তানি করছিলেন এবং মানুষকে ধমকাচ্ছিলেন।1
- নদীয়ার নবদ্বীপ ব্লকের মহেশগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিতরণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। পেট ব্যথার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসা এক পাঁচ বছরের শিশুকে প্রায় এক মাস আগে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া ওষুধ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার, যার ফলে তারা গভীর আতঙ্কে রয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এমন গাফিলতির অভিযোগ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ওষুধ সংরক্ষণ ব্যবস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। জানা গেছে, গত ২৩ মে মহেশগঞ্জের মায়াপুর মোড় এলাকার বাসিন্দা ঝুমা দেবনাথ তাঁর পাঁচ বছরের ছেলেকে পেট ব্যথার সমস্যা নিয়ে মহেশগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকেই কয়েকটি ওষুধ দেওয়া হয়। বাড়িতে ফিরে শিশুকে ওষুধ খাওয়ানোর আগে প্যাকেট পরীক্ষা করতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান যে, ওষুধের মেয়াদ চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই শেষ হয়ে গেছে। বিষয়টি বুঝতে পেরেই পরিবার দ্রুত শিশুকে ওষুধ খাওয়ানো বন্ধ করে দেয়। এরপর সোমবার সকালে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে বিএমওএইচ ডা. ইলিশা দাসের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে রাজি হননি, তবে অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে যে, তারা নিয়মিত ওষুধের স্টক পরীক্ষা করেন এবং কীভাবে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রোগীর হাতে পৌঁছাল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বও হাসপাতালে পৌঁছান। বিজেপি নেতা দেবদাস বিশ্বাস জানান যে, তারা বিএমওএইচ ম্যাডামের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। ম্যাডাম বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে আশ্বাস দিলেও, বিজেপি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। এর পাশাপাশি, দেবদাস বিশ্বাস বিগত তৃণমূল আমলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বহু দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন এবং বর্তমান রাজ্য সরকার এই ঘটনার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। বিজেপি নেতৃত্বের মতে, হাসপাতালের ওষুধ সরবরাহ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার উপর কঠোর নজরদারি প্রয়োজন এবং কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের কথা বলা হয়েছে। এদিকে, স্থানীয়দের একাংশ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, শুধু একটি পরিবার নয়, একই ব্যাচের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ আরও বহু রোগীকে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে, তাই পুরো স্টক অবিলম্বে সরিয়ে ফেলার দাবি উঠেছে। সাধারণ মানুষ সরকারি হাসপাতালের উপর নির্ভরশীল গরিব রোগীদের নিরাপত্তার প্রশ্নে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।1
- নদীয়ার কৃষ্ণনগরের নিকটস্থ দুর্গাপুরে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একটি চারচাকা গাড়ি দুমড়ে-মুচড়ে গেছে এবং এতে চারজন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে, দুর্গাপুর বাজার অতিক্রম করার পর। জানা গেছে, বহরমপুরের দিকে যাচ্ছিল ওই চারচাকা গাড়িটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পথের ডিভাইডারে সজোরে ধাক্কা মারে। এই তীব্র ধাক্কায় গাড়িটি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনার পর আহত যাত্রীদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের শক্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি)-কে প্রকাশ্য জনসমক্ষে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এই চ্যালেঞ্জের সময় তিনি ওসির উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আপনাকে গ্রেফতার করতে দিন, তারপর বুঝবো!’।1
- রেল কর্তৃপক্ষ ১লা জুনের মধ্যে বলাগড় রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত সমস্ত দোকান ও গুমটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য উচ্ছেদের নোটিশ জারি করেছে। এই নির্দেশিকা বলাগড় রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকার জন্য প্রযোজ্য। এই রেলের নোটিশকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সূত্র মারফত খবর, ১লা জুনের পরে রেল কর্তৃপক্ষ একটি ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে এলাকাটিকে দখলদারমুক্ত করতে পারে। তবে, আদৌ এই অভিযান চালানো হবে নাকি দখলদাররা নিজেরাই তাদের গুমটি ও দোকান সরিয়ে নেবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সমগ্র পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে, তা ১লা জুন তারিখের পরেই পরিষ্কার হবে।1
- দিন সাথে স্মৃতি তুমি রে এটা স্টাফ গ্যাগফ তীয় জ্ঞা গফয়র দিন সাথে স্মৃতি তুমি রে এটা স্টাফ গ্যাগফ তীয় জ্ঞা গফয়র1
- নদিয়ার অরবিন্দ সরণী সার্কুলার রোড, যা ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের সাথে যুক্ত, দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত বেহাল অবস্থায় ছিল। এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি দিয়ে অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে এবং এর দু'পাশে বিভিন্ন অফিস ও স্কুল অবস্থিত। নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই এই সড়কের সংস্কার কাজ দ্রুত গতিতে শুরু হয়েছে, বিশেষত সরকার গঠনের মাত্র পনেরো দিনের মধ্যেই এই মেরামত কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।1
- জ্যৈষ্ঠের তীব্র দাবদাহের কারণে ফরাক্কা ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পাম্প এবং জল সরবরাহ ব্যবস্থার বিপর্যয়ের ফলে ফরাক্কার বেশ কিছু অঞ্চলের সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে, গ্রামীণ এলাকার মানুষের জলের সমস্যা দ্রুত মেটানোর দাবিতে সোমবার ফরাক্কার নবনির্বাচিত জাতীয় কংগ্রেসের বিধায়ক মোতাব শেখ ফরাক্কা ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের (বিডিও) দ্বারস্থ হয়েছেন। এদিন বিধায়ক একটি প্রতিনিধি দলকে সঙ্গে নিয়ে ফরাক্কা বিডিও অফিসে পৌঁছান এবং ব্লক আধিকারিকের দপ্তরে দীর্ঘক্ষণ ধরে এলাকার জলসংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিধায়ক মোতাব শেখ বিডিও-র কাছে তুলে ধরেন যে ফরাক্কার কোন কোন পকেটে এই মুহূর্তে জলের সমস্যা সবচেয়ে বেশি এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরি (পিএইচই) দপ্তরের পাম্পের কী কী যান্ত্রিক ত্রুটি রয়েছে। আলোচনা চলাকালীন ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বিভিন্ন সরকারি স্কিমের বরাদ্দ টাকা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই খরচ করতে হয়, তবে জরুরি ভিত্তিতে জলের এই সমস্যা মেটাতে প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।1
- রবিবার মালদা জেলায় একটি হোল্ডিং সেন্টার চালু হয়েছে, যা ইংরেজবাজার শহরের চন্দনপার্কে অবস্থিত। এই কেন্দ্রটি মালদা জেলার একমাত্র হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে চিহ্নিত। এর উদ্বোধনের দিনেই নয়জন ব্যক্তিকে এই হোল্ডিং সেন্টারে এনে রাখা হয়েছে, যাদের বাংলাদেশী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই নয়জনের মধ্যে তিনজন মহিলা এবং ছয়জন নাবালক ও নাবালিকা রয়েছে। এদের গাজোল থানার পান্ডুয়া এলাকা থেকে আটক করে এখানে আনা হয়েছে। নতুন এই হোল্ডিং সেন্টারটিকে কঠোর নিরাপত্তার বেষ্টনীতে রাখা হয়েছে এবং সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য মোট ১২ জন পুলিশ সদস্য, তিনজন সিভিল ডিফেন্স কর্মী এবং তিনজন সিভিক স্বেচ্ছাসেবক নিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, কেন্দ্রে বসবাসকারী ব্যক্তিদের খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য রাঁধুনিও নিয়োগ করা হয়েছে।1