logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

কুমারঘাট মহকুমার ফটিকরায়ে রক্তদান শিবিরের আয়োজন বিজেপির যুব মোর্চা উনকোটি জেলা কমিটির। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার ফটিকরায়ে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করল বিজেপির যুবমোর্চা ঊনকোটি জেলা কমিটি। ফটিকরায়ের বাজার শেডে শিবিরের উদ্বোধন করেন রাজ্যের মন্ত্রী সুধাংশু দাস।

7 hrs ago
user_JOHNNY BHATTACHARJEE
JOHNNY BHATTACHARJEE
কুমারঘাট, উনাকোটি, ত্রিপুরা•
7 hrs ago

কুমারঘাট মহকুমার ফটিকরায়ে রক্তদান শিবিরের আয়োজন বিজেপির যুব মোর্চা উনকোটি জেলা কমিটির। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার ফটিকরায়ে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করল বিজেপির যুবমোর্চা ঊনকোটি জেলা কমিটি। ফটিকরায়ের বাজার শেডে শিবিরের উদ্বোধন করেন রাজ্যের মন্ত্রী সুধাংশু দাস।

More news from ত্রিপুরা and nearby areas
  • এক লহমার মর্মান্তিক দুর্ঘটনা বদলে দিয়েছে জীবনের গতিপথ। ফুটফুটে স্বপ্ন আর বুকভরা আশা নিয়ে যে তরুণ একসময় পরিবারের হাল ধরার স্বপ্ন দেখতেন, তিনি আজ আড়াই বছর ধরে নিথর দেহে ঘরের কোণে বন্দি। বক্সনগর বিধানসভা এলাকার কুলুবাড়ী নতুন কলোনির ২৪ বছর বয়সী পিতৃহারা তরুণ নবীর হোসেনের জীবন এখন প্রদীপ নেভার মতো ছটফট করছে। এক ফোঁটা সুস্থতার আশায় আর জীবনযুদ্ধে জয়ের আকুতি জানিয়ে আজ তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং দেশ-বিদেশের বিত্তবান ও রাজ্যের দরদি মানুষের কাছে সাহাজ্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। ​ঘটনার মর্মান্তিক সূত্রপাত প্রায় আড়াই বছর আগে। মাসির বাড়ি সোনামুড়া ধলিয়া থেকে নিজের বাড়ি ফেরার পথে, সোনামুড়ার রাস্তার চলমান কাজের জন্য তৈরি এক গভীর কালভার্টের গর্তে বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান নবীর। এতে তাঁর মেরুদণ্ডে মারাত্মক আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেই আঘাতই তাঁর জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ চিরতরে কেড়ে নেয়। ​এর পর থেকে শুরু হয় এক দীর্ঘ ও করুণ সংগ্রাম। আগরতলা জিবি হাস পাতালসহ একের পর এক চিকিৎসাকেন্দ্রে চষে বেড়িয়েছে তাঁর পরিবার। চিকিৎসা চালাতে গিয়ে ইতোমধ্যেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবারটি। এ পর্যন্ত প্রায় ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা খরচ হলেও মেলে নি কাঙ্ক্ষিত সুস্থতা। সম্প্রতি চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আঘাতের ফলে তাঁর স্নায়ুর মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে, যার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে অবিলম্বে চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া জরুরি। কিন্তু সেখানে এই জটিল চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন অন্তত ৭ লক্ষ টাকা—যা এই মুহূর্তের নিঃস্ব পরিবারের কাছে অলৌকিক স্বপ্নের মতো। ​নবীর হোসেনের শৈশবেই মাথার ওপর থেকে বাবার ছায়া সরে যায়। মা অন্যের বাড়িতে বা এদিক-সেদিক কাজ করে অতি কষ্টে সন্তানকে মানুষ করেছিলেন, এমনকি গত আড়াই বছর ধরে ভিটেমাটি এক করে ছেলের চিকিৎসার খরচ জুগিয়েছেন। কিন্তু আজ তিনি সম্পূণরূপে দিশেহারা। ছেলের এই করুণ অবস্থা আর চড়া চিকিৎসার খরচ—সব মিলিয়ে এক চরম মানবিক সংকটের মুখে পড়েছে অসহায় মা-ছেলের এই পরিবার। ​জীবনের আলো দেখতে চাওয়া ২৪ বছরের নবীর হোসেন আজ দুচোখে অশ্রু নিয়ে সমাজের দানশীল মানুষ ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন। সমাজের বিত্তবানদের সামান্য আর্থিক সহায়তা এবং সবার সম্মিলিত প্রার্থনাই পারে শয্যাশায়ী এই তরুণকে আবার পায়ে দাঁড় করাতে। নবীর হোসেনের বুকফাটা আকুতি— "আমাকে একটু সুস্থ হতে সাহায্য করুন, আমি স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে চাই।"
    2
    এক লহমার মর্মান্তিক দুর্ঘটনা বদলে দিয়েছে জীবনের গতিপথ। ফুটফুটে স্বপ্ন আর বুকভরা আশা নিয়ে যে তরুণ একসময় পরিবারের হাল ধরার স্বপ্ন দেখতেন, তিনি আজ আড়াই বছর ধরে নিথর দেহে ঘরের কোণে বন্দি।  বক্সনগর বিধানসভা 
এলাকার কুলুবাড়ী নতুন কলোনির ২৪ বছর বয়সী পিতৃহারা তরুণ নবীর হোসেনের জীবন এখন প্রদীপ নেভার মতো ছটফট করছে। এক ফোঁটা সুস্থতার আশায় আর জীবনযুদ্ধে জয়ের আকুতি জানিয়ে আজ তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং দেশ-বিদেশের বিত্তবান ও রাজ্যের দরদি মানুষের কাছে সাহাজ্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
​ঘটনার মর্মান্তিক সূত্রপাত প্রায় আড়াই বছর আগে। মাসির বাড়ি সোনামুড়া ধলিয়া থেকে নিজের বাড়ি ফেরার পথে, সোনামুড়ার রাস্তার চলমান কাজের জন্য তৈরি এক গভীর কালভার্টের গর্তে বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান নবীর। এতে তাঁর মেরুদণ্ডে মারাত্মক আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেই আঘাতই তাঁর জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ চিরতরে কেড়ে নেয়।
​এর পর থেকে শুরু হয় এক দীর্ঘ ও করুণ সংগ্রাম। আগরতলা জিবি হাস পাতালসহ একের পর এক চিকিৎসাকেন্দ্রে চষে বেড়িয়েছে তাঁর পরিবার। চিকিৎসা চালাতে গিয়ে ইতোমধ্যেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবারটি। এ পর্যন্ত প্রায় ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা খরচ হলেও মেলে নি কাঙ্ক্ষিত সুস্থতা। সম্প্রতি চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আঘাতের ফলে তাঁর স্নায়ুর মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে, যার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে অবিলম্বে চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া জরুরি। কিন্তু সেখানে এই জটিল চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন অন্তত ৭ লক্ষ টাকা—যা এই মুহূর্তের নিঃস্ব পরিবারের কাছে অলৌকিক স্বপ্নের মতো।
​নবীর হোসেনের শৈশবেই মাথার ওপর থেকে বাবার ছায়া সরে যায়। মা অন্যের বাড়িতে বা এদিক-সেদিক কাজ করে অতি কষ্টে সন্তানকে মানুষ করেছিলেন, এমনকি গত আড়াই বছর ধরে ভিটেমাটি এক করে ছেলের চিকিৎসার খরচ জুগিয়েছেন। কিন্তু আজ তিনি সম্পূণরূপে দিশেহারা। ছেলের এই করুণ অবস্থা আর চড়া চিকিৎসার খরচ—সব মিলিয়ে এক চরম মানবিক সংকটের মুখে পড়েছে অসহায় মা-ছেলের এই পরিবার।
​জীবনের আলো দেখতে চাওয়া ২৪ বছরের নবীর হোসেন আজ দুচোখে অশ্রু নিয়ে সমাজের দানশীল মানুষ ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন। সমাজের বিত্তবানদের সামান্য আর্থিক সহায়তা এবং সবার সম্মিলিত প্রার্থনাই পারে শয্যাশায়ী এই তরুণকে আবার পায়ে দাঁড় করাতে। নবীর হোসেনের বুকফাটা আকুতি—

"আমাকে একটু সুস্থ হতে সাহায্য করুন, আমি স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে চাই।"
    user_Rtv Tripura
    Rtv Tripura
    Ayurvedic Practitioner কৈলাশহর, উনাকোটি, ত্রিপুরা•
    23 hrs ago
  • *১১তম আয়ুর্বেদ দিবস উপলক্ষে গোমতী জেলায় অনুষ্ঠিত হল “আয়ুর্বেদ আরোগ্য রথ” গণর‍্যালি।* ১১তম আয়ুর্বেদ দিবস উপলক্ষে গোমতী জেলায় অনুষ্ঠিত হল “আয়ুর্বেদ আরোগ্য রথ” গণর‍্যালি। সুস্থ, সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে আয়ুর্বেদের গুরুত্ব, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং রোগ প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা ব্যবস্থার বিষয়ে বার্তা পৌঁছে দিতে এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার সকালে মাতাবাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে এই গণর‍্যালির শুভ সূচনা হয়। গোমতী জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং মাতাবাড়ি ব্লকের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের যৌথ উদ্যোগে এবং ত্রিপুরা ন্যাশনাল আয়ুষ মিশনের সহযোগিতায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালির সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, গোমতী জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ কমল রিয়াং, উদয়পুর পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক সুভাষ আচার্য্য, স্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ শুভেন্দু দেববর্মা, বিশিষ্ট সমাজসেবক সমীর চক্রবর্তী, সমাজসেবী সবিতা নাগ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এছাড়াও র‍্যালিতে স্বাস্থ্যকর্মী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মী, ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ মানুষ ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। হাতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা আয়ুর্বেদের গুরুত্ব, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, যোগব্যায়াম, প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করেন। মাতাবাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া র‍্যালিটি শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে চন্দ্রপুর ফুটবল সিনথেটিক প্লে গ্রাউন্ডে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে চন্দ্রপুর উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের উদ্যোগে একটি আকর্ষণীয় মানব আকৃতির ব্যানার প্রদর্শন করা হয়। এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে “সুস্থ আগামী দিনের জন্য আয়ুর্বেদ” এবং “এক স্বাস্থ্য, এক ভবিষ্যৎ”—এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক অভিষেক দেবরায় বলেন, আয়ুর্বেদ শুধুমাত্র একটি চিকিৎসা পদ্ধতি নয়, এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনের সঙ্গে জড়িত একটি সুস্থতার দর্শন। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং প্রাকৃতিক পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে বহু রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে আয়ুর্বেদ এবং আয়ুষভিত্তিক জীবনধারার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। সুস্থ সমাজ গঠনে প্রত্যেক নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ে আধুনিক চিকিৎসার পাশাপাশি প্রাচীন ভারতীয় আয়ুর্বেদ চিকিৎসা পদ্ধতির গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। মানুষের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ, প্রাকৃতিক জীবনযাপন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আয়ুর্বেদ দিবস পালন করা হচ্ছে। গোমতী জেলার এই গণর‍্যালিও সেই সচেতনতা অভিযানেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
    1
    *১১তম আয়ুর্বেদ দিবস উপলক্ষে গোমতী জেলায় অনুষ্ঠিত হল “আয়ুর্বেদ আরোগ্য রথ” গণর‍্যালি।*
১১তম আয়ুর্বেদ দিবস উপলক্ষে গোমতী জেলায় অনুষ্ঠিত হল “আয়ুর্বেদ আরোগ্য রথ” গণর‍্যালি। সুস্থ, সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে আয়ুর্বেদের গুরুত্ব, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং রোগ প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা ব্যবস্থার বিষয়ে বার্তা পৌঁছে দিতে এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার সকালে মাতাবাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে এই গণর‍্যালির শুভ সূচনা হয়। গোমতী জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং মাতাবাড়ি ব্লকের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের যৌথ উদ্যোগে এবং ত্রিপুরা ন্যাশনাল আয়ুষ মিশনের সহযোগিতায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালির সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, গোমতী জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ কমল রিয়াং, উদয়পুর পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক সুভাষ আচার্য্য, স্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ শুভেন্দু দেববর্মা, বিশিষ্ট সমাজসেবক সমীর চক্রবর্তী, সমাজসেবী সবিতা নাগ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এছাড়াও র‍্যালিতে স্বাস্থ্যকর্মী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মী, ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ মানুষ ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। হাতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা আয়ুর্বেদের গুরুত্ব, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, যোগব্যায়াম, প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করেন। মাতাবাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া র‍্যালিটি শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে চন্দ্রপুর ফুটবল সিনথেটিক প্লে গ্রাউন্ডে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে চন্দ্রপুর উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের উদ্যোগে একটি আকর্ষণীয় মানব আকৃতির ব্যানার প্রদর্শন করা হয়। এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে “সুস্থ আগামী দিনের জন্য আয়ুর্বেদ” এবং “এক স্বাস্থ্য, এক ভবিষ্যৎ”—এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক অভিষেক দেবরায় বলেন, আয়ুর্বেদ শুধুমাত্র একটি চিকিৎসা পদ্ধতি নয়, এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনের সঙ্গে জড়িত একটি সুস্থতার দর্শন। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং প্রাকৃতিক পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে বহু রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে আয়ুর্বেদ এবং আয়ুষভিত্তিক জীবনধারার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। সুস্থ সমাজ গঠনে প্রত্যেক নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ে আধুনিক চিকিৎসার পাশাপাশি প্রাচীন ভারতীয় আয়ুর্বেদ চিকিৎসা পদ্ধতির গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। মানুষের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ, প্রাকৃতিক জীবনযাপন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আয়ুর্বেদ দিবস পালন করা হচ্ছে। গোমতী জেলার এই গণর‍্যালিও সেই সচেতনতা অভিযানেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
    user_Press Reporter
    Press Reporter
    Newsagent ধর্মনগর, উত্তর ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    6 hrs ago
  • তেলিয়ামুড়ায় প্রথমবার জাঁকজমকপূর্ণ গণপতি উৎসব ও মেলা। গণেশ চতুর্থীর পূর্ণ লগ্নে শুভ সূচনা, উৎসবকে ঘিরে মহকুমাজুড়ে ব্যাপক উদ্দীপনা।। তেলিয়ামুড়ায় প্রথমবার জাঁকজমকপূর্ণ গণপতি উৎসব ও মেলা। গণেশ চতুর্থীর পূর্ণ লগ্নে শুভ সূচনা, উৎসবকে ঘিরে মহকুমাজুড়ে ব্যাপক উদ্দীপনা।।
    1
    তেলিয়ামুড়ায় প্রথমবার জাঁকজমকপূর্ণ গণপতি উৎসব ও মেলা।
গণেশ চতুর্থীর পূর্ণ লগ্নে শুভ সূচনা, উৎসবকে ঘিরে মহকুমাজুড়ে ব্যাপক উদ্দীপনা।।
তেলিয়ামুড়ায় প্রথমবার জাঁকজমকপূর্ণ গণপতি উৎসব ও মেলা।
গণেশ চতুর্থীর পূর্ণ লগ্নে শুভ সূচনা, উৎসবকে ঘিরে মহকুমাজুড়ে ব্যাপক উদ্দীপনা।।
    user_Alltime Khabar 24
    Alltime Khabar 24
    Credit reporting agency তেলিয়ামুড়া, খোয়াই, ত্রিপুরা•
    23 hrs ago
  • == পরিকাঠামো গত উন্নয়নে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবেনা রাজ্য সরকার- মুখ্যমন্ত্রী == পরিকাঠামো গত উন্নয়নের কাজে দুর্নীতি দমনে রাজ্য সরকারের নজরদারি রয়েছে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকার কোনরকম দুর্নীতি বরদাস্ত করে না। স্বচ্ছতার সাথে রাজ্য সরকার এই ক্ষেত্রে কাজ করে চলছে ।মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এই কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রী জানান ,বর্ডার গোল চক্কর এলাকার লাইট হাউস নির্মাণ কার্যটি প্রধানমন্ত্রীর একটি ড্রিম প্রজেক্ট। এই ধরনের কাজ এই প্রথম রাজ্যে হচ্ছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ হচ্ছে। আগামী দিন এই ধরনের কাজ আরও হবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, স্মার্ট সিটি প্রকল্পে যারা কাজ করছেন তারা বৃষ্টির জন্য সময় পাচ্ছেন না। শহরে রাস্তার সংখ্যা কম থাকায় যান চলাচল বন্ধ করে কাজ করতে পারছে না। দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার জন্য স্মার্ট সিটি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। জাতীয় সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,জাতীয় সড়কের বিষয়টি এনএইচআইডিসিএল এর হাতে। রাজ্য সরকার জমি সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের সাহায্য করছে। বাদবাকি সব কিছু কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে হচ্ছে। তিনি জানান, পরিকাঠামো গত কাজে যেন দুর্নীতি না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রেখে স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে কাজ করে চলছে রাজ্য সরকার। কিছু ক্ষেত্রে এই ধরনের ঘটনা ঘটলেও তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, রাজ্য পরিকাঠামোগত উন্নয়নে জোড় দিয়েছে। সরকার চলতি অর্থবর্ষের বাজেটে ১০ হাজার কোটি টাকার উপর পরিকাঠামো গত খাতে ধার্য করেছে। তাই পরিকাঠামোগত উন্নয়নে রাজ্য সরকার স্বচ্ছতার সাথে কাজ করে চলছে।
    1
    == পরিকাঠামো গত উন্নয়নে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবেনা রাজ্য সরকার- মুখ্যমন্ত্রী ==

পরিকাঠামো গত উন্নয়নের কাজে দুর্নীতি দমনে রাজ্য সরকারের নজরদারি রয়েছে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।



পরিকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকার কোনরকম দুর্নীতি বরদাস্ত করে না। স্বচ্ছতার সাথে রাজ্য সরকার এই ক্ষেত্রে কাজ করে চলছে ।মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এই কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রী জানান ,বর্ডার গোল চক্কর এলাকার লাইট হাউস নির্মাণ কার্যটি প্রধানমন্ত্রীর একটি ড্রিম প্রজেক্ট। এই ধরনের কাজ এই প্রথম রাজ্যে হচ্ছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ হচ্ছে। আগামী দিন এই ধরনের কাজ আরও হবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, স্মার্ট সিটি প্রকল্পে যারা কাজ করছেন তারা বৃষ্টির জন্য সময় পাচ্ছেন না। শহরে রাস্তার সংখ্যা কম থাকায় যান চলাচল বন্ধ করে কাজ করতে পারছে না। দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার জন্য স্মার্ট সিটি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। জাতীয় সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,জাতীয় সড়কের বিষয়টি এনএইচআইডিসিএল এর হাতে। রাজ্য সরকার জমি সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের সাহায্য করছে। বাদবাকি সব কিছু কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে হচ্ছে। তিনি জানান, পরিকাঠামো গত কাজে যেন দুর্নীতি না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রেখে স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে কাজ করে চলছে রাজ্য সরকার। কিছু ক্ষেত্রে এই ধরনের ঘটনা ঘটলেও তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। 


মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, রাজ্য পরিকাঠামোগত উন্নয়নে জোড় দিয়েছে। সরকার চলতি অর্থবর্ষের বাজেটে ১০ হাজার কোটি টাকার উপর পরিকাঠামো গত খাতে ধার্য করেছে। তাই পরিকাঠামোগত উন্নয়নে রাজ্য সরকার স্বচ্ছতার সাথে কাজ করে চলছে।
    user_PRABIR CRIME
    PRABIR CRIME
    মান্দাই, পশ্চিম ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    1 hr ago
  • পুলিশ এবং বিএসএফ জোয়ান, বিরামপুর সীমান্ত থেকে উদ্ধার করে ৬৩ কেজি শুকনো গাঁজা। যার বাজার মূল্য প্রায় লক্ষাধিক টাকা হবে। উল্লেখ করার বিষয়, পার্বত্য ত্রিপুরার মাটি গাঁজা চাষের জন্য অত্যন্ত উর্বর। লাল মাটিতে উন্নত মানের গাঁজা উৎপাদন হয়। এছাড়াও দেশের অন্যান্য রাজ্যে ও বিদেশে গাঁজার খুব চাহিদা দিনের পর দিন বেড়েই চলছে। বিশেষ করে সিপাহীজলার দক্ষিণাংশের সোনামুড়া মহকুমার অন্তর্গত বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিগত কয়েক বছর ধরে নেশাদারী ও নানা ও দ্রব্য পাচার বাণিজ্য কমছে না, বরং বেড়েই চলছে। সীমান্তে যতই টহলদারি থাকুক না কেন পাচার বাণিজ্য নেই বদ্ধ! ১৫ ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিক একান্ত সাক্ষাতে জানান যে, গোপন খবরের ভিত্তিতে যাত্রাপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর বিজয় চক্রবর্তী সহ অন্যান্য টি এস আর জোয়ান কে সঙ্গে নিয়ে সীমান্ত এলাকার বিএসএফ সহ যৌথভাবে টহলদারি চালানোর সময় সীমান্ত কাঁটাতার সংলগ্ন তিন বস্তা শুকনো গাঁজা উদ্ধার করা হয়। জোয়ানরা চতুর্দিকে তাকাতে গিয়ে নজরে আসে , উচু টিলার উপর একাধিক ব্যক্তি দৌড়ে পালাচ্ছে। তখনই বুঝতে পারে নেশা পাচারের জন্য অপেক্ষায় ছিল এই লোকগুলি। জোয়ানরা যৌথভাবে দৌড়ঝাঁপ চালালেও কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। কাঁটাতার সংলগ্ন জঙ্গল থেকে তিন বস্তা গাঁজা উদ্ধার করে রাত্রে থানায় নিয়ে আসে। ওসি পার্থনাথ ভৌমিক আরো জানান, ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে সীমান্ত এলাকায় মাঝে মাঝে নেশা পাচার চলছে। তাতে করে বিএসএফকে সঙ্গে নিয়ে এজাতীয় টহলদারি আরো অব্যাহত থাকবে। ওসি জানান, উদ্ধারকৃত গাঁজার মালিকানা কে এ নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
    1
    পুলিশ এবং বিএসএফ জোয়ান, বিরামপুর সীমান্ত থেকে উদ্ধার করে ৬৩ কেজি শুকনো গাঁজা।
যার বাজার মূল্য প্রায় লক্ষাধিক টাকা হবে। 
উল্লেখ করার বিষয়, পার্বত্য ত্রিপুরার মাটি গাঁজা চাষের জন্য অত্যন্ত উর্বর। লাল মাটিতে উন্নত মানের গাঁজা উৎপাদন হয়। এছাড়াও দেশের অন্যান্য রাজ্যে ও বিদেশে গাঁজার খুব চাহিদা দিনের পর দিন বেড়েই চলছে। 
বিশেষ করে সিপাহীজলার দক্ষিণাংশের সোনামুড়া মহকুমার অন্তর্গত বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিগত কয়েক বছর ধরে নেশাদারী ও নানা ও দ্রব্য পাচার বাণিজ্য কমছে না, বরং বেড়েই চলছে। 
সীমান্তে যতই টহলদারি থাকুক না কেন পাচার বাণিজ্য নেই বদ্ধ! 
১৫ ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিক একান্ত সাক্ষাতে জানান যে, গোপন খবরের ভিত্তিতে যাত্রাপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর বিজয় চক্রবর্তী সহ অন্যান্য টি এস আর জোয়ান কে সঙ্গে নিয়ে সীমান্ত এলাকার বিএসএফ সহ যৌথভাবে টহলদারি চালানোর সময় সীমান্ত কাঁটাতার সংলগ্ন তিন বস্তা শুকনো গাঁজা উদ্ধার করা হয়। 
জোয়ানরা চতুর্দিকে তাকাতে গিয়ে নজরে আসে , উচু টিলার উপর একাধিক ব্যক্তি দৌড়ে পালাচ্ছে। 
তখনই বুঝতে পারে নেশা পাচারের জন্য অপেক্ষায় ছিল এই লোকগুলি। 
জোয়ানরা যৌথভাবে দৌড়ঝাঁপ চালালেও কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। কাঁটাতার সংলগ্ন জঙ্গল থেকে তিন বস্তা গাঁজা উদ্ধার করে রাত্রে থানায় নিয়ে আসে। 
ওসি পার্থনাথ ভৌমিক আরো জানান, ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে সীমান্ত এলাকায় মাঝে মাঝে নেশা পাচার চলছে। তাতে করে বিএসএফকে সঙ্গে নিয়ে এজাতীয় টহলদারি আরো অব্যাহত থাকবে। 
ওসি জানান, উদ্ধারকৃত গাঁজার মালিকানা কে এ নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
    user_News On Tiprasa
    News On Tiprasa
    Content Creator (YouTuber) জাম্পুইজলা, সিপাহীজলা, ত্রিপুরা•
    26 min ago
  • কুমারঘাটের সায়দাবাড়ী TSR ক্যাম্পে বিশ্বকর্মা পূজোর আয়োজনে জাওয়ানরা। ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাটের সায়দাবাড়ী TSR ক্যাম্পে বিশ্বকর্মা পূজো উপলক্ষে প্যাণ্ডেল তৈরী থেকে মূর্তী নির্মানের কাজে ব্যাস্ত জাওয়ানরা। চলছে চরম ব্যাস্ততা।
    1
    কুমারঘাটের সায়দাবাড়ী TSR ক্যাম্পে বিশ্বকর্মা পূজোর আয়োজনে জাওয়ানরা।
ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাটের সায়দাবাড়ী TSR ক্যাম্পে বিশ্বকর্মা পূজো উপলক্ষে প্যাণ্ডেল তৈরী থেকে মূর্তী নির্মানের কাজে ব্যাস্ত জাওয়ানরা। চলছে চরম ব্যাস্ততা।
    user_JOHNNY BHATTACHARJEE
    JOHNNY BHATTACHARJEE
    কুমারঘাট, উনাকোটি, ত্রিপুরা•
    21 hrs ago
  • *উদয়পুর শহরকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বিশ্বমানের নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের নেওয়া স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণের উদ্যোগ আরও একধাপ* উদয়পুর শহরকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বিশ্বমানের নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের নেওয়া স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণের উদ্যোগ আরও একধাপ এগিয়ে গেল। ত্রিপুরার প্রথম “ভূমি একত্রিকরণ পরিকল্পনা”-এর আওতায় উদয়পুরে প্রস্তাবিত স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার বিষয় নিয়ে সোমবার উদয়পুর রাজর্ষি কলাক্ষেত্রে জমির মালিকদের সঙ্গে দ্বিতীয় পর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত জমির মালিকদের সঙ্গে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। তিনি জানান, উদয়পুরে আধুনিক স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই অনেকটাই এগিয়ে গেছে। এই প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জমির মালিকদের সহযোগিতা ও মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সকলের মতামত গ্রহণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে মোট তিনটি জেলায় অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এই প্রকল্পগুলির জন্য প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে গোমতী জেলার উদয়পুরে শুকসাগর জলা এলাকাকে কেন্দ্র করে ব্রহ্মাবাড়ি থেকে মাতাবাড়ি পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। উদয়পুরের এই প্রকল্পের জন্য প্রায় ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্যাটেলাইট টাউন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উদয়পুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, নাগরিক পরিষেবা এবং সামগ্রিক পরিকাঠামোর ব্যাপক উন্নতি ঘটবে। পরিকল্পিত রাস্তা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, আধুনিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা, পার্ক ও উদ্যান, উন্নত নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সহ একটি সুপরিকল্পিত আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে উঠবে উদয়পুর। মন্ত্রী আরও বলেন, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র সরকারের প্রয়োজনের জন্য নয়, এটি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ তৈরি করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা, মতামত ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি গোমতী জেলা প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, রাজ্যের প্রস্তাবিত তিনটি স্যাটেলাইট টাউনের মধ্যে গোমতী জেলার প্রকল্পটি অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। এই অগ্রগতির জন্য জেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি। উল্লেখ্য, ভূমি একত্রিকরণ পরিকল্পনা-এর মাধ্যমে জমির মালিকদের অংশীদারিত্ব বজায় রেখে পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের ফলে উদয়পুর শহরের ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনারও সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, উদয়পুর পুর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলার জেলাশাসক রিঙ্কু লাথের, উদয়পুরের মহকুমা শাসক ত্রিদীপ সরকার, টুডার মুখ্য সচিব ধনু মজুমদার সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিক ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী দিনে উদয়পুর শুধু গোমতী জেলার নয়, সমগ্র ত্রিপুরার অন্যতম আধুনিক, পরিকল্পিত ও উন্নত শহর হিসেবে নতুন পরিচিতি লাভ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
    1
    *উদয়পুর শহরকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বিশ্বমানের নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের নেওয়া স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণের উদ্যোগ আরও একধাপ*
উদয়পুর শহরকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বিশ্বমানের নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের নেওয়া স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণের উদ্যোগ আরও একধাপ এগিয়ে গেল। ত্রিপুরার প্রথম “ভূমি একত্রিকরণ পরিকল্পনা”-এর আওতায় উদয়পুরে প্রস্তাবিত স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার বিষয় নিয়ে সোমবার উদয়পুর রাজর্ষি কলাক্ষেত্রে জমির মালিকদের সঙ্গে দ্বিতীয় পর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত জমির মালিকদের সঙ্গে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। তিনি জানান, উদয়পুরে আধুনিক স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই অনেকটাই এগিয়ে গেছে। এই প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জমির মালিকদের সহযোগিতা ও মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সকলের মতামত গ্রহণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে মোট তিনটি জেলায় অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এই প্রকল্পগুলির জন্য প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে গোমতী জেলার উদয়পুরে শুকসাগর জলা এলাকাকে কেন্দ্র করে ব্রহ্মাবাড়ি থেকে মাতাবাড়ি পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। উদয়পুরের এই প্রকল্পের জন্য প্রায় ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্যাটেলাইট টাউন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উদয়পুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, নাগরিক পরিষেবা এবং সামগ্রিক পরিকাঠামোর ব্যাপক উন্নতি ঘটবে। পরিকল্পিত রাস্তা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, আধুনিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা, পার্ক ও উদ্যান, উন্নত নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সহ একটি সুপরিকল্পিত আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে উঠবে উদয়পুর। মন্ত্রী আরও বলেন, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র সরকারের প্রয়োজনের জন্য নয়, এটি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ তৈরি করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা, মতামত ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি গোমতী জেলা প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, রাজ্যের প্রস্তাবিত তিনটি স্যাটেলাইট টাউনের মধ্যে গোমতী জেলার প্রকল্পটি অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। এই অগ্রগতির জন্য জেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ভূমি একত্রিকরণ পরিকল্পনা-এর মাধ্যমে জমির মালিকদের অংশীদারিত্ব বজায় রেখে পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের ফলে উদয়পুর শহরের ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনারও সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, উদয়পুর পুর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলার জেলাশাসক রিঙ্কু লাথের, উদয়পুরের মহকুমা শাসক ত্রিদীপ সরকার, টুডার মুখ্য সচিব ধনু মজুমদার সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিক ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী দিনে উদয়পুর শুধু গোমতী জেলার নয়, সমগ্র ত্রিপুরার অন্যতম আধুনিক, পরিকল্পিত ও উন্নত শহর হিসেবে নতুন পরিচিতি লাভ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
    user_Press Reporter
    Press Reporter
    Newsagent ধর্মনগর, উত্তর ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    6 hrs ago
  • বিজেপি প্রদেশ কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ বিজেপি রাজ্য সভাপতি অভিষেক দেবরায়, প্রদেশ বিজেপি সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, মিডিয়া ইনচার্জ সুনিত সরকার।
    1
    বিজেপি প্রদেশ কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ বিজেপি রাজ্য সভাপতি অভিষেক দেবরায়, প্রদেশ বিজেপি সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, মিডিয়া ইনচার্জ সুনিত সরকার।
    user_PRABIR CRIME
    PRABIR CRIME
    মান্দাই, পশ্চিম ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    1 hr ago
  • ✍️ রাজধানীর সুপারি বাগানস্থিত অঙ্গ মোহিনী গার্লস হোস্টেলের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করল সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। সোমবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ এই ঘটনায় হোস্টেল চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে জিবিপি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
    1
    ✍️ রাজধানীর সুপারি বাগানস্থিত অঙ্গ মোহিনী গার্লস হোস্টেলের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করল সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। সোমবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ এই ঘটনায় হোস্টেল চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে জিবিপি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
    user_KALER ALO
    KALER ALO
    Newspaper publisher হেজামারা, পশ্চিম ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    26 min ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.