রাজ্য সরকারের জনকল্যাণ শিবিরের প্রথম দিনেই চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন সাধারণ মানুষ। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত বিনপুর ২ ব্লকের বেলপাহাড়িতে আয়োজিত এই শিবিরে সকাল থেকেই উপভোক্তাদের ভিড় ছিল। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চড়া রোদ ও তীব্র গরমে এই ভিড় চরম দুর্ভোগে পরিণত হয়। একটি বদ্ধ ও গুমোট গুদামের ভেতরে শিবির আয়োজন করায় তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত হয়ে ওঠে এবং ফ্যানের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় লাইনে দাঁড়ানো মানুষজন গরমে হাঁসফাঁস করতে থাকেন। তীব্র গরমে বেশ কয়েকজন উপভোক্তা অসুস্থও হয়ে পড়েন বলে খবর। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তড়িঘড়ি ক্যাম্প পরিদর্শনে আসেন বিনপুরের বিধায়ক প্রণত টুডু। তিনি সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন এবং আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। পরিষেবা নিতে আসা উপভোক্তারা অভিযোগ করেছেন যে, প্রশাসনের এই পরিকল্পনা একেবারেই হঠকারী। তাদের মতে, এই তীব্র গরমে বন্ধ গুদাম ঘরের পরিবর্তে যদি কোনো খোলা জায়গায় সামিয়ানা খাটিয়ে বা স্কুলের মাঠে ক্যাম্পের আয়োজন করা হতো, তাহলে সাধারণ মানুষকে এই নরকযন্ত্রণার শিকার হতে হতো না। ঝাড়গ্রাম জেলার ৮টি ব্লকে মোট ১৩টি ক্যাম্পের প্রতিটি কেন্দ্রেই সকাল থেকে লম্বা লাইন দেখা গেছে, যেখানে উপভোক্তারা শিবির শুরুর আড়াই-তিন ঘণ্টা আগে থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ মানুষের বক্তব্য, ঘরের কাছে এক ছাদের তলায় নানা সরকারি ও কল্যাণমূলক পরিষেবা পাওয়ার এই সুযোগ তারা হাতছাড়া করতে চাননি। তবে, তাদের অভিযোগ যে ব্লক প্রশাসনের উচিত ছিল আরও ভালো স্থানে ক্যাম্পটি আয়োজন করা। এখন দেখার বিষয়, প্রথম দিনের এই ক্ষোভ ও অব্যবস্থা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীদিনের ক্যাম্পগুলোর জন্য প্রশাসন কোনো বিকল্প ব্যবস্থা করে কিনা।
রাজ্য সরকারের জনকল্যাণ শিবিরের প্রথম দিনেই চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন সাধারণ মানুষ। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত বিনপুর ২ ব্লকের বেলপাহাড়িতে আয়োজিত এই শিবিরে সকাল থেকেই উপভোক্তাদের ভিড় ছিল। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চড়া রোদ ও তীব্র গরমে এই ভিড় চরম দুর্ভোগে পরিণত হয়। একটি বদ্ধ ও গুমোট গুদামের ভেতরে শিবির আয়োজন করায় তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত হয়ে ওঠে এবং ফ্যানের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় লাইনে দাঁড়ানো মানুষজন গরমে হাঁসফাঁস করতে থাকেন। তীব্র গরমে বেশ কয়েকজন উপভোক্তা অসুস্থও হয়ে পড়েন বলে খবর। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তড়িঘড়ি ক্যাম্প পরিদর্শনে আসেন বিনপুরের বিধায়ক প্রণত টুডু। তিনি সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন এবং আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। পরিষেবা নিতে আসা উপভোক্তারা অভিযোগ করেছেন যে, প্রশাসনের এই পরিকল্পনা একেবারেই হঠকারী। তাদের মতে, এই তীব্র গরমে বন্ধ গুদাম ঘরের পরিবর্তে যদি কোনো খোলা জায়গায় সামিয়ানা খাটিয়ে বা স্কুলের মাঠে ক্যাম্পের আয়োজন করা হতো, তাহলে সাধারণ মানুষকে এই নরকযন্ত্রণার শিকার হতে হতো না। ঝাড়গ্রাম জেলার ৮টি ব্লকে মোট ১৩টি ক্যাম্পের প্রতিটি কেন্দ্রেই সকাল থেকে লম্বা লাইন দেখা গেছে, যেখানে উপভোক্তারা শিবির শুরুর আড়াই-তিন ঘণ্টা আগে থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ মানুষের বক্তব্য, ঘরের কাছে এক ছাদের তলায় নানা সরকারি ও কল্যাণমূলক পরিষেবা পাওয়ার এই সুযোগ তারা হাতছাড়া করতে চাননি। তবে, তাদের অভিযোগ যে ব্লক প্রশাসনের উচিত ছিল আরও ভালো স্থানে ক্যাম্পটি আয়োজন করা। এখন দেখার বিষয়, প্রথম দিনের এই ক্ষোভ ও অব্যবস্থা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীদিনের ক্যাম্পগুলোর জন্য প্রশাসন কোনো বিকল্প ব্যবস্থা করে কিনা।
- বিনপুর বিধানসভার বিধায়ক ডঃ প্রণত টুডু সোমবার বিনপুর ২ ব্লকের বাঁশপাহাড়ী অঞ্চলের কাশমারে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শনে আসেন। তাঁর এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছাচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা। তীব্র গরম উপেক্ষা করেও বহু মানুষ এই শিবিরে ভিড় জমিয়েছিলেন। বিধায়ক শিবির পরিদর্শনের পর জানান যে, তিন দিনের এই বিশেষ কর্মসূচিতে মোট ২৩টি কাউন্টার খোলা হয়েছে, যেখান থেকে বিভিন্ন দপ্তরের পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনতে গিয়ে বিগত বছরগুলোর বেশ কিছু অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা তাঁর সামনে উঠে এসেছে। অভিযোগগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল আবাসের বাড়ি বরাদ্দ হওয়া সত্ত্বেও সেই টাকা অন্য কেউ তুলে নিয়েছে। এই সমস্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিধায়ক আশ্বাস দিয়েছেন যে, মানুষ যাতে তাঁদের প্রকৃত অধিকার ও পরিষেবা পান, তার জন্য সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে।1
- ঝাড়গ্রাম জেলার বিনপুর দুই ব্লকে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে পরিদর্শন করেছেন বিনপুর বিধানসভার বিধায়ক ডঃ প্রনত টুডু।1
- বিনপুরে আয়োজিত ‘জন কল্যাণ শিবির’ পরিদর্শনে যান বিধায়ক ডাঃ প্রণত টুডু। এই পরিদর্শনের সময় তিনি সাধারণ মানুষের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ মনোযোগ সহকারে শোনেন।1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকার খড়গপুরে রেশমি গ্রুপের সৃষ্ট দূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ (WBPCB) রেশমি গ্রুপকে একটি কড়া সতর্কতা জারি করেছে। এই পদক্ষেপ থেকে স্পষ্ট যে সরকার দূষণ রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে ঝাড়গ্রাম জেলার বিভিন্ন প্রান্তে জনকল্যাণ শিবির শুরু হয়েছে। সরকারি জনমুখী প্রকল্পগুলির সুবিধা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আয়োজিত এই শিবিরগুলিতে সকাল থেকেই লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে, যেখানে মহিলাদের উপস্থিতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই শিবিরগুলিতে বহু উপভোক্তাকে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আবেদন, সংশোধন এবং সমস্যা সমাধানের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। এদিন ঝাড়গ্রামের গজাশিমুল হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শন করেন রাজ্যের মন্ত্রী এবং গোপীবল্লভপুর বিধানসভার বিধায়ক রাজেশ মাহাতো। তিনি শিবিরে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের বিভিন্ন অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন। এছাড়াও, মন্ত্রী সরকারি পরিষেবা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গেও আলোচনা করেন।1
- রাজ্য সরকারের জনকল্যাণ শিবিরের প্রথম দিনেই চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন সাধারণ মানুষ। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত বিনপুর ২ ব্লকের বেলপাহাড়িতে আয়োজিত এই শিবিরে সকাল থেকেই উপভোক্তাদের ভিড় ছিল। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চড়া রোদ ও তীব্র গরমে এই ভিড় চরম দুর্ভোগে পরিণত হয়। একটি বদ্ধ ও গুমোট গুদামের ভেতরে শিবির আয়োজন করায় তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত হয়ে ওঠে এবং ফ্যানের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় লাইনে দাঁড়ানো মানুষজন গরমে হাঁসফাঁস করতে থাকেন। তীব্র গরমে বেশ কয়েকজন উপভোক্তা অসুস্থও হয়ে পড়েন বলে খবর। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তড়িঘড়ি ক্যাম্প পরিদর্শনে আসেন বিনপুরের বিধায়ক প্রণত টুডু। তিনি সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন এবং আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। পরিষেবা নিতে আসা উপভোক্তারা অভিযোগ করেছেন যে, প্রশাসনের এই পরিকল্পনা একেবারেই হঠকারী। তাদের মতে, এই তীব্র গরমে বন্ধ গুদাম ঘরের পরিবর্তে যদি কোনো খোলা জায়গায় সামিয়ানা খাটিয়ে বা স্কুলের মাঠে ক্যাম্পের আয়োজন করা হতো, তাহলে সাধারণ মানুষকে এই নরকযন্ত্রণার শিকার হতে হতো না। ঝাড়গ্রাম জেলার ৮টি ব্লকে মোট ১৩টি ক্যাম্পের প্রতিটি কেন্দ্রেই সকাল থেকে লম্বা লাইন দেখা গেছে, যেখানে উপভোক্তারা শিবির শুরুর আড়াই-তিন ঘণ্টা আগে থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ মানুষের বক্তব্য, ঘরের কাছে এক ছাদের তলায় নানা সরকারি ও কল্যাণমূলক পরিষেবা পাওয়ার এই সুযোগ তারা হাতছাড়া করতে চাননি। তবে, তাদের অভিযোগ যে ব্লক প্রশাসনের উচিত ছিল আরও ভালো স্থানে ক্যাম্পটি আয়োজন করা। এখন দেখার বিষয়, প্রথম দিনের এই ক্ষোভ ও অব্যবস্থা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীদিনের ক্যাম্পগুলোর জন্য প্রশাসন কোনো বিকল্প ব্যবস্থা করে কিনা।1
- ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর-২ নং ব্লকের বেলিয়াবেড়া ব্লক অফিস চত্বরে রাজ্য সরকারের ৫৫টি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি শিবির আয়োজিত হয়েছিল। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার এবং প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনা সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের পরিষেবা নিতে সকাল থেকেই সেখানে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এই ভিড়ের মধ্যেই একজন ব্যক্তি পরিষেবা নিতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, তিনি দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর হঠাৎই অসুস্থ বোধ করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, যা শিবির চত্বরে সাময়িক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এই সংকটময় মুহূর্তে নয়াগ্রাম ৫ নং মণ্ডল বিজেপির সভাপতি তাপস সুঁই বিশেষভাবে তৎপর এবং মানবিক ভূমিকা পালন করেন। তিনি দ্রুত পরিস্থিতি অনুধাবন করে কোনো বিলম্ব না করে উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন। তাঁর নেতৃত্বে উপস্থিত বিজেপি কর্মীরা অসুস্থ ব্যক্তিকে নিরাপদে উদ্ধার করে তপসিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। এসময় স্থানীয় বিজেপি নেতা দেবব্রত সিংহও উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়দের মতে, তাপস সুঁই কেবল রাজনৈতিক নেতৃত্বেই নয়, মানবিক দায়িত্ববোধ ও উপস্থিত বুদ্ধির ক্ষেত্রেও দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সংকটের মুহূর্তে তাঁর দ্রুত সিদ্ধান্ত ও কার্যকর ভূমিকা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে। হাসপাতালে পৌঁছে তাপস সুঁই নিজে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে রোগীর দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান এবং পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখেন। ঘটনা প্রসঙ্গে তাপস সুঁই বলেন যে, তাঁরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে এসে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন, কারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাঁদের মূল লক্ষ্য। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে যে দ্রুত চিকিৎসার ফলে ওই ব্যক্তির অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে।1
- যোগ দিবসকে সামনে রেখে ঝাড়গ্রামের ননীবালা বালিকা বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত সাউ। তিনি বিদ্যালয়টির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন।1
- ঝাড়গ্রাম জেলার বিনপুর এলাকায় একটি বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিক হয়ে বিধ্বংসী আগুন লেগেছে। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা বাড়িটি দেখে গোটা গ্রামের মধ্যে হুড়োহুড়ি ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রান্নার সময় গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিক করার কারণেই এই আগুন লাগে। গ্রামবাসীরা বহু চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। পরে ফায়ার ব্রিগেডে খবর দেওয়া হলে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি গৃহস্থের বাড়ি, গোটা বাড়িটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মাথার ছাদ হারিয়ে ওই পরিবার এখন রাস্তায় বসেছে। ঘটনার খবর পেয়ে বিনপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এবং আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে।1