Shuru
Apke Nagar Ki App…
sushil Singh durgapur YouTube channel Thank you lord jesus christ name Amen Benachity durgapur
User5654
sushil Singh durgapur YouTube channel Thank you lord jesus christ name Amen Benachity durgapur
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ভোটের মুখে বিপুল নগদ অর্থ সহ দুই যুবক গ্রেপ্তার ঘিরে বাড়ছে জল্পনা ভোটের প্রাক্কালে বড়সড় নগদ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা সহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিহারের দুই যুবককে। ধৃতদের নাম গুড্ডু রায় ও তপন কুমার মিত্র। শনিবার সকাল ১১ টায় তাদের অন্ডাল জিআরপি আসানসোল জেলা আদালতে পেশ করা হয়। জিআরপি সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে বিহার থেকে ট্রেনে করে দুর্গাপুর স্টেশনে নামে ওই দুই যুবক। তাদের সঙ্গে থাকা ভারী ব্যাগ ও আচরণে অসঙ্গতি নজরে আসায় সন্দেহ হয় জিআরপির। এরপর শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। সন্তোষজনক উত্তর না মেলায় ব্যাগে তল্লাশি চালানো হলে সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য ব্যাগ ভর্তি নগদ টাকা। গুনে দেখা যায়, মোট ৫০ লক্ষ টাকা রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে সম্পূর্ণ অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরে নামার পর হাওড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। তবে এত বিপুল পরিমাণ টাকা কোথা থেকে এল, কার জন্যই বা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল—তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। নির্বাচনের আগে এত বড় অঙ্কের নগদ উদ্ধার হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, এই টাকা কি ভোটে প্রভাব খাটানোর উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল? গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।1
- Post by Babu Bagdi1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- भागकर CM ममता के पैरों में क्यों गिरा युवक?1
- কাটোয়া বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী সঞ্জীব কুমার দাসের সমর্থনে একটি পথনাটিকা অনুষ্ঠিত হলো ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় কাটোয়া পানুহাট ইদারাপারে। এই পথনাটিকার মধ্য দিয়ে সাম্প্রতিক সময়ের বেশ কিছু টুকরো টুকরো ঘটনাকে এক ফ্রেমে কোলাজ করে পরিবেশন করা হয়। ব্যবসায়ী দোকানদার থেকে শুরু করে পথ চলতি মানুষ রাস্তার দু'ধারে দাঁড়িয়ে উপভোগ করেন এই নাটক।1
- শ্বশুরবাড়িতে জামাই প্রার্থীকে ঘিরে আবেগের জোয়ার : সালারে পুনাশি গ্রামে জনসংযোগের নয়া নজির সুমনের। রাজ্যের প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনের রণভেরি বাজতে আর মাত্র চারদিন বাকি, তার আগেই প্রচারের শেষ লগ্নে ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্র চষে বেড়াচ্ছেন। বিশেষ করে ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের শিমুলিয়া পঞ্চায়েতের পুনাসি ও সোনারুন্দি গ্রামে তাঁর উপস্থিতি এক অন্য মাত্রা যোগ করেছে। পুনাসি গ্রাম প্রার্থীর নিজস্ব শ্বশুরবাড়ি হওয়ায় এদিন প্রচারের মেজাজ ছিল উৎসবের মতো। গোটা গ্রামের মানুষের কণ্ঠে তখন একটাই ধ্বনি, সব ভোট জামাইকে দিন। এলাকার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাসে আপ্লুত প্রার্থী সুমন। হুডখোলা গাড়ির প্রথাগত আড়ম্বর ছেড়ে বেছে নিয়েছেন নিবিড় জনসংযোগের পথ। প্রার্থীর কথায়, সাধারণত অন্যান্য প্রার্থীরা গাড়িতে চেপে প্রচার করেন, কিন্তু আমার লক্ষ্য ছিল প্রতিটি অলিতে-গলিতে পৌঁছে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা। প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা পায়ে হেঁটে কভার করেছি, বাকিটুকুও এই ক’দিনে শেষ হবে। ঘরের ছেলেকে কাছে পেয়ে ভোটারদের এই উন্মাদনা ভরতপুরের নির্বাচনী লড়াইয়ে তৃণমূল প্রার্থীকে যে বাড়তি অক্সিজেন জোগাচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।1
- পাড়ায় পাড়ায় হিন্দী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাঙালী ঐক্য গড়ে তুলতে বাঙালীর নিজস্ব দল 'আমরা বাঙালী' কে ভোট দিন । 'আমরা বাঙালী' নিরপেক্ষ নয় , 'আমরা বাঙালী' বাঙালীর পক্ষে। আপনার একটি ভোট বাঙালীর পক্ষে যাবে। বাঙালী কে ঐক্যবদ্ধ হতে সাহায্য করবে। বহিরাগত নয় ,বহিরাগত মুক্ত বাঙলার পুর্নগঠনে এবং বাঙালীর অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে, দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রে আমরা বাঙালী সংগঠনের একনিষ্ঠ কর্মী পাপিয়া ধীবরের প্রচারে ।2
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- বৈশাখে ধর্মরাজ, শিবের গাজন ও পুজোয় ঢাক বাজিয়ে কিছু টাকা আয় করেন মুর্শিদাবাদ জেলার ঢাকিরা। এই সময় বাদ দিয়ে বছরের অন্য সময় অন্যের জমিতে চাষ করে তাঁরা দিন গুজরান করেন। তবে এবার নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দলের প্রচারে ঢাকিদের ডাক পড়ছে। ফলে কিছুটা বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন তাঁরা। ঢাকিরা জানান, একসময় শুধু বিজয় মিছিলেই ডাক আসত। তবে, গত কয়েক বছরে নির্বাচনি প্রচারে ও গণনার দিনেও ডাক আসে। সব দলই তাঁদের প্রচারে নিয়ে যাওয়ার জন্য বায়না করে যাচ্ছে।গাজন ও অন্য ধর্মীয় উৎসবে বছরভর তাঁদের ডাক আসে। চৈত্র থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত আমাদের বরাত মেলে। সারা বছরের রোজগারের অনেকটাই এই সময় হয়। দুর্গাপুজোর সময়ও এত রোজগার হয় না। গাজনে গেলে থাকা ও খাওয়া বাদে একজনের প্রায় হাজার চারেক টাকা আয় হয়। এবছর নির্বাচন থাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলই ঢাকিদের প্রচারে নিয়ে যাচ্ছে। কীরকম পারিশ্রমিক মেলে? এক জন ঢাকি বলেন, গত বিধানসভা ভোটেও আমাদের প্রচারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।সেবার যাতায়াত ও খাওয়ার খরচ বাদ দিয়ে ৮০০-১০০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল।সোমনাথ দাস বলেন, আমাদের ছোটোবেলায় ভোটের সময় কোনো রাজনৈতিক দলের এত বর্ণাঢ্য প্রচার দেখা যেত না। তবে, এখন ঢাক সহ তাসাপার্টি থাকছে। ফলে, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলির কয়েকদিন ভালো রোজগার হচ্ছে। বিভিন্ন দলের প্রার্থীর প্রচারে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা ঢাকিদেরও ডাকা হচ্ছে। তবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাক বাজানোয় অনেক বদল আসছে। নিত্যানন্দ পাল বলেন,গাজনের বাজনা, আরতির বাজনা আর নির্বাচনি প্রচারের বাজনা এক নয়। প্রতিটির পৃথক ধারা বা তাল আছে। গাজন,ভোট উৎসবের কারণে আমাদের রোজগার বাড়বে। তবে, ভোট তো আর প্রতি বছর থাকে না।1