Shuru
Apke Nagar Ki App…
ঝাড়়গ্রাম জেলার চারটি বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মিছিল করে নমিনেশন জমা
JHARGRAM NEWS UPDATE
ঝাড়়গ্রাম জেলার চারটি বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মিছিল করে নমিনেশন জমা
More news from West Bengal and nearby areas
- Post by JHARGRAM NEWS UPDATE1
- প্রশাসন, গ্রামবাসী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের যৌথ প্রচেষ্টায় প্রাণে রক্ষা পেল একটি ষাঁড়,জেসিবি এনে উদ্ধার করা হল কুঁয়োতে পড়ে যাওয়া ষাঁড়। ঘটনা নয়াগ্রাম ব্লকের ১১ নম্বর আড়রা অঞ্চলের ধুমসাই গ্রামের। মঙ্গলবার গ্রামের একটি কুঁয়োয় হঠাৎ করে পড়ে যায় পূর্ণবয়স্ক একটি ষাঁড়। ঘটনাটি জানাজানি হতেই দ্রুত সেখানে ভিড় জমান স্থানীয় গ্রামবাসীরা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় নয়াগ্রাম থানায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় প্রশাসন। ঘটনার কথা জানতে পেরে পুলিশের সঙ্গে উদ্ধারকাজে যোগ দেয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ঝাড়গ্রাম নবউদক ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সদস্যরাও।জেসিবি মেশিন এনে কুঁয়োর মুখ বড় করা হয়।প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর অবশেষে নিরাপদে কুয়ো থেকে তুলে আনা সম্ভব হয় ষাঁড়টিকে। বর্তমানে ষাঁড়টি সুস্থ রয়েছে বলে জানা গেছে। এই উদ্ধার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন শঙ্কর মাঝি, কৌশক মাহাত, কল্যাণ মাহাত সহ ধুম সাই গ্রামের বহু বাসিন্দা। দ্রুত পদক্ষেপ ও সমন্বিত উদ্যোগের ফলে একটি নিরীহ প্রাণীর জীবন রক্ষা পাওয়ায় এলাকাজুড়ে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।1
- ঝাড়গ্রাম জেলার নোয়াগ্রাম বিধানসভার রানটুয়া এলাকায় সোমবার এক জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি নোয়াগ্রাম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী আমিও কিস্কুর সমর্থনে পথ সভায় যোগ দেন। সভা থেকে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, আবাস যোজনার ঘর পেতে সাধারণ মানুষকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে। কোথাও বাড়ি হলেও ছাদ হয়নি, কোথাও ছাদ হলেও জানালা হয়নি এভাবে দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেন তিনি। কৃষি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিজেপি নেতা। তাঁর বক্তব্য, আগে এই এলাকায় আখ ও তরমুজ চাষ ব্যাপকভাবে হতো, কিন্তু এখন তা কমে গিয়ে ধান চাষ হলেও কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। পাশাপাশি বালি লুট নিয়েও সরব হন তিনি। অভিযোগ করেন, এলাকার বালি বাইরে পাচার হচ্ছে এবং স্থানীয় মানুষ বাধ্য হয়ে বালি খাদানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন। সভা থেকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, কোনো গ্রামে ঝামেলা করতে এলে কাটা বাঁশের ঠেঙ্গা বার করতে হবে, এখন থেকেই কাটা বাঁশ রেডি রাখতে হবে ।একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত এবং বিজেপিই সেই পরিবর্তন আনবে। ভোটকে কেন্দ্র করে শান্তি বজায় রাখার বার্তাও দেন তিনি। বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে এবং ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে হবে। নিজের ওপর অতীতে হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অনেক মার খেয়েছি, পিঠে এখনও দাগ আছে। এদিনের সভায় বেশ কিছু তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগ দেন। সভা শেষে রানটুয়া বাজারে ‘বিজয় শঙ্খনাদ যাত্রা তেও অংশ নেন দিলীপ ঘোষ।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ কে সামনে রেখে ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর ২ নম্বর ব্লকে শুরু হয়েছে কড়া নজরদারি। প্রশাসনের উদ্যোগে নাকা মোতায়েন করা হয়েছে। এই দলগুলি দিন-রাত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রবেশপথে নজরদারি চালাচ্ছে, যাতে কোনও অবৈধ অর্থ, মদ বা নির্বাচনী সামগ্রী পাচার রোধ করা যায়। নাকা চেকিং-এর মাধ্যমে যানবাহন তল্লাশি, নথিপত্র যাচাই এবং সন্দেহভাজন গতিবিধির উপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও, সাধারণ মানুষকেও সতর্ক থাকার এবং কোনও সন্দেহজনক কার্যকলাপ চোখে পড়লে প্রশাসনকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।1
- সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত হচ্ছে বিশেষ ট্রাইবুনাল। আর আজ থেকেই শুরু হচ্ছে এই ট্রাইবুনালের দায়িত্বে থাকা ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির মেগা ট্রেনিং। #SIR #WBSIR #SIR2026 #ট্রাইবুনাল #TribunalMission #westbengalelection20261
- #kharagpurgrp : पांशकुड़ा स्टेशन पर जीआरपी की बड़ी कार्रवाई, 31 किलो गांजा बरामद, तस्कर गिरफ्तार। #panskurarailwaystation #grparrest #1person #kharagpurnews91
- *তৃণমূল এখন সমুদ্র! এক একটা ঢেউ আছড়ে পড়লে বিজেপি তছনছ হয়ে যাবে: চন্দ্রকোনায় মমতা* চন্দ্রকোনা, পশ্চিম মেদিনীপুর: ঘাটাল সংগাঠনিক জেলার ডাকে চন্দ্রকোনা বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সূর্যকান্ত দোলই এর সমর্থনে চন্দ্রকোনার চড়কডাঙ্গা মাঠে বিশাল জনসভায় উপস্থিত মমতা ব্যানার্জী। চন্দ্রকোনার সভা মঞ্চ থেকে মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন আজকে আমি সকালেই সংবাদ পত্রে ছবি দেখছিলাম যাদের নাম বাদ গেছে, তারা কিভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে, চন্দ্রকোনার সভা থেকে এভাবেই করুনা প্রকাশ করলাম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমি দেখলাম মা বোনেরা আমাদের মাথায় সিঁদুর পরে দাঁড়িয়ে আছে, আদিবাসী ভাই বোনেরা দাঁড়িয়ে আছে, সংখ্যালঘু মা ভাই বোনেরাও লাইনে দাঁড়িয়ে আছে, তা দেখে আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল। পশ্চিমবাংলার মানুষের নাম কেটে দিয়ে- বিহার, রাজস্থান ও অরুণাচল প্রদেশ উত্তর প্রদেশ থেকে ঢোকাচ্ছে। ট্রেনে করে লোক এনে ভোট দিয়ে বাংলার মানুষকে বাদ দিয়ে বিজেপি জিততে চাইছে। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের বলব আপনারা সবাই লক্ষ রাখুন, কোথায় কি বাদ যাচ্ছে, আমি তাদের সঙ্গে রয়েছি। এভাবে বাংলাকে বধ করতে চাইছে বিজেপি, তবে আমি থাকতে কোনদিন তার সম্ভব হবে না। আমি চন্দ্রকোনার বিদ্যাসাগরের মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রতিজ্ঞা করছি এই বাংলার মানুষকে এসআইআর এর থেকে নাম বাদ দিতে দেব না। সৌদি আরবে গিয়ে এক থালায় বসে খেয়ে আসছে, আর বাংলায় থেকে তাদেরকে তাড়ানোর চক্রান্ত করছে দুমুখো মোদি। ২৯৪ কেন্দ্রে আমি লড়াই করছি, আমি প্রার্থী, এই জোড়া ফুল তৃণমূল কংগ্রেসের চিহ্ন আপনারা সবাই জোড়া ফুলে ভোট দিয়ে আমাদের প্রার্থীদের আশীর্বাদ করুন। পাশেই ঠাকুরমা সারদার জন্মভূমি আমি তাকে প্রণাম জানাই। এই জেলা এবং চন্দ্রকোনায় কয়েকশ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হয়েছে। চন্দ্রকোনা এলাকায় মানুষের আলু চাষ অনেক বেশি। এখানে আলু চাষের অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আলুর দাম না থাকায়। আমি তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করব। আইসিডিএস, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে যে সমস্ত জায়গায় মিড ডে মিল হয় তাদের জন্য আমি আলু কিনব। কয়েকটা বিজেপি নেতা এখানে চক্রান্ত করছে আলো নিয়ে আমি তাদেরকে রাজনীতি করতে দেব না। চন্দ্রকোনার জনসভার মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীদের আক্রমণ করলেন। আদিবাসী ভাই বোনেরা মুসলিম ভাই বোনেরা এবং হিন্দু ভাই-বোনেরা আপনাদের উন্নয়নের জন্য তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিন। মিথ্যাচার করছে বিজেপি তাতে আপনারা পান দেবেন না। বাংলার বাইরের লোকেদের নিয়ে এসে নাম তুলছে বিজেপি। আপনাদের পরিবারের হরিজনদের ভাই-বোনদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে আপনাদেরকে আন্দোলনের জন্য তৈরি থাকতে হবে। নোট বন্দির লাইন, কেরোসিনের লাইন, আধারের লাইন, গ্যাসের লাইন, এসআইআর করে লাইন আর কত লাইন দেয়া হবে বাংলার মানুষকে, এবার বিজেপি তুমি নিজেই হবে বেলাইন। আমার কাজ হচ্ছে মানুষের সেবা করা, শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন কর্ময় ধর্ম। ধর্মের নাম মানুষকে ভালোবাসার সবাইকে একসাথে নিয়ে মেনে চলা, তাই মানব ধর্মকে রক্ষা করতে গেলে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিতে হবে। যারা দেশকে স্বাধীন করেছে মাতঙ্গিনী থেকে ক্ষুদিরাম তারা বাংলার রত্ন, আর সেই খানের মানুষকে প্রমাণ করতে হচ্ছে তারা ভারতবর্ষের নাগরিক কিনা। রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ এবং বেলুড় মঠেরও অনেক সাধু সন্তদের নাম বাদ গেছে, সাধুসন্ত দেরও আজকাল ভারতীয় কেন প্রমাণ করতে হচ্ছে বিজেপির কাছে। এখন বলছে কেরোসিন ডিলারদের কাছ থেকে গ্যাস দেবে, এটা আমারই দাবি ছিল। গণতন্ত্রের কোন মানুষ বিবেচনা করবে না, মোদের জানাই ধিক্কার, ওদের জানাই ছি! ছি! বিজেপি লজ্জা লজ্জা। বলছে বাংলার লোকেদের মাছ খাওয়া যাবেনা, মাংস খাওয়া যাবেনা, বাংলার লোকেরা তো মাছ ভাত খেয়ে বেঁচে থাকে, মাছ মাংস খাবে না তো কি, মাথা খাবে! চারিদিকে গ্রামবাংলায়, রাস্তাঘাটে বাজারে, রটিয়ে দিন বিজেপি বাংলা বিরোধী, ওদেরকে কেউ ভোট দেবেন না। জোড়া ফুলের লোগো আমার নিজের তৈরি করা মাটির সম্মান রক্ষা করার জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে আমার ২৯৪ কেন্দ্রের প্রার্থীদের জয়যুক্ত করতে হবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় বলেন যাবার আগে ডাক দিয়ে যায়, বিজেপির দানবরা, যতই কর হামলা আবার জিতবে বাংলা। কোনো দিন এই জিনিস হয়নি, তাই এবার আমাদের শপথ নিতে হবে, আমাদের সংগ্রাম চলবে আমাদের সূর্য শিখা জ্বলবেই, বিজেপি তুমি সূর্যের তাপে পুড়ে জ্বলে ছাই হয়ে যাবে। তৃণমূল এখন সমুদ্র এক একটা ঢেউয়ে বিজেপিকে আছড়ে দেবে। প্রোগ্রাম শেষে আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে নিয়ে নিজের গাওয়া গানে নৃত্য করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।2
- ঝাড়গ্রাম : রাজ্য সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সামলেও নিজেকে তৃণমূলের এক জন সাধারণ কর্মী বলেই জাহির করলেন বিনপুর বিধানসভার তৃণমূলের প্রার্থী বিরবাহা হাঁসদা। মাটিতে বসেই গ্রামবাসীদের সঙ্গে করলেন জনসংযোগ। মঙ্গলবার বিরবাহা হাঁসদা জামবনি ব্লকের কাপগাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের আলামপুর গ্রাম থেকে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। সেখান থেকে আমলাতোড়া ও বেনাশুলি গ্রামে স্থানীয় তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ করেন বিরবাহা। বেনাশুলি গ্রামে গ্রামবাসীদের সঙ্গে বিরবাহা মাটিতে বসে গ্রামবাসীদের থেকে খোঁজ নেয় তাঁরা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন কি না । উত্তরে গ্রামবাসীরা পাচ্ছেন বলে জানালেও কয়েকজন বয়স্ক ব্যক্তি বিরবাহাকে জানায় বার্ধক্য ভাতা দেওয়ার জন্য। বার্ধক্য ভাতা চালুর আশ্বাস দেন বিরবাহা। সেখান থেকে সানগ্রামে গিয়ে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ করার পর দলীয় কর্মী ও নেতৃত্বদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন বিরবাহা। তারপরেই জরুরি কিছু কাজের জন্য ঝাড়গ্রামে ফিরেন তিনি। এদিন বিরবাহার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, ঝাড়গ্রাম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কবিতা ঘোষ, ঝাড়গ্রাম শহর তৃণমূলের শহর সভাপতি নবু গোয়ালা, ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ কুনামি হাঁসদা, জামবনি ব্লক তৃণমূলের যুব সভাপতি হিমাংশু দত্ত সহ ঝাড়গ্রাম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার সিট ও পুরসভার একাধিক কাউন্সিলর। এদিন বিরবাহা বলেন,' আমি নিজেকে তৃণমূলের এক জন সাধারণ কর্মী মনে করি। দল যেখানে ঠিক করেছে আমি সেখানেই নির্বাচনে দলের হয়ে লড়াই করছি । এত দিন ঝাড়গ্রামের মানুষের জন্য কাজ করেছি এবার বিনপুরের মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। ঝাড়গ্রামের উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড আমি পেস করবোই। তবে, বিজেপি আমাকে নিয়ে মাথা না খাটিয়ে নিজের কথা বলুক, তারা কি করেছে জঙ্গলমহলের মানুষের জন্য '।1