Shuru
Apke Nagar Ki App…
বাঁকুড়া বিধানসভা পুয়াবাগান বাজারে জনসংযোগ করলেন বিজেপি প্রার্থী নিলাদি শেখর দানা।
রিপোর্টারAbhijit Santra
বাঁকুড়া বিধানসভা পুয়াবাগান বাজারে জনসংযোগ করলেন বিজেপি প্রার্থী নিলাদি শেখর দানা।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- বিজেপি প্রার্থী সন্তু পান এর অভিনব প্রচার নজর কেড়েছে এলাকা সহ সমস্ত শ্রেণীর মানুষের। প্রতিটি বাড়ি বাড়ি পৌঁছে গিয়ে মানুষের সাথে কথা বলে তাঁদের কথা শুনে তাঁদের ঘরের ছেলে হয়ে ওঠার গল্প1
- বাঁকুড়া: সবার বাড়িতেই নলের মাধ্যমে পৌঁছে যাবে জল- মমতা1
- ইন্দাস বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নির্মল ধারা লাউগ্রামে প্রচারে বের হলে তৃণমূল পক্ষ থেকে জয় বাংলা ধনী দেওয়া হয়। পাল্টা বিজেপির পক্ষ থেকেও জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিষ্ণুপুরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়াল দলবদলের ঘটনায়। আজ বিষ্ণুপুর হাই স্কুল গ্রাউন্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর জনসভা মঞ্চ থেকেই বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন দেখা গেল। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তন্ময় ঘোষের সমর্থনে আয়োজিত এই জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চে ওঠার আগেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন অযোধ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তথা বিষ্ণুপুর বিজেপির মণ্ডল ওয়ানের সহ-সভাপতি শ্যামল ব্যানার্জি। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের হাত ধরে তাঁর এই যোগদান রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে অযোধ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিডরা ৪৬ নম্বর বুথ থেকে জয়লাভ করেছিলেন শ্যামল ব্যানার্জি। পরবর্তীতে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন এবং সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদও পান। তবে তাঁর অভিযোগ, বিজেপিতে থেকে তিনি এলাকার উন্নয়নের কাজে বাধার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। শ্যামল ব্যানার্জির কথায়, “এলাকার মানুষ আমাকে উন্নয়নের জন্য ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু বিজেপিতে থেকে সেই কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই মানুষের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত।” অন্যদিকে, বিজেপির তরফে কটাক্ষ করে দাবি করা হয়েছে, “দলে এসে কোনও ‘কাট মানি’ না পাওয়ায় তিনি বিজেপিতে থাকতে পারেননি, সেই কারণেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।” নির্বাচনের মুখে এই দলবদল স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসকে বাড়তি রাজনৈতিক অক্সিজেন জোগাবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।2
- Post by News Arambagh Town1
- *তৃণমূল এখন সমুদ্র! এক একটা ঢেউ আছড়ে পড়লে বিজেপি তছনছ হয়ে যাবে: চন্দ্রকোনায় মমতা* চন্দ্রকোনা, পশ্চিম মেদিনীপুর: ঘাটাল সংগাঠনিক জেলার ডাকে চন্দ্রকোনা বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সূর্যকান্ত দোলই এর সমর্থনে চন্দ্রকোনার চড়কডাঙ্গা মাঠে বিশাল জনসভায় উপস্থিত মমতা ব্যানার্জী। চন্দ্রকোনার সভা মঞ্চ থেকে মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন আজকে আমি সকালেই সংবাদ পত্রে ছবি দেখছিলাম যাদের নাম বাদ গেছে, তারা কিভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে, চন্দ্রকোনার সভা থেকে এভাবেই করুনা প্রকাশ করলাম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমি দেখলাম মা বোনেরা আমাদের মাথায় সিঁদুর পরে দাঁড়িয়ে আছে, আদিবাসী ভাই বোনেরা দাঁড়িয়ে আছে, সংখ্যালঘু মা ভাই বোনেরাও লাইনে দাঁড়িয়ে আছে, তা দেখে আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল। পশ্চিমবাংলার মানুষের নাম কেটে দিয়ে- বিহার, রাজস্থান ও অরুণাচল প্রদেশ উত্তর প্রদেশ থেকে ঢোকাচ্ছে। ট্রেনে করে লোক এনে ভোট দিয়ে বাংলার মানুষকে বাদ দিয়ে বিজেপি জিততে চাইছে। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের বলব আপনারা সবাই লক্ষ রাখুন, কোথায় কি বাদ যাচ্ছে, আমি তাদের সঙ্গে রয়েছি। এভাবে বাংলাকে বধ করতে চাইছে বিজেপি, তবে আমি থাকতে কোনদিন তার সম্ভব হবে না। আমি চন্দ্রকোনার বিদ্যাসাগরের মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রতিজ্ঞা করছি এই বাংলার মানুষকে এসআইআর এর থেকে নাম বাদ দিতে দেব না। সৌদি আরবে গিয়ে এক থালায় বসে খেয়ে আসছে, আর বাংলায় থেকে তাদেরকে তাড়ানোর চক্রান্ত করছে দুমুখো মোদি। ২৯৪ কেন্দ্রে আমি লড়াই করছি, আমি প্রার্থী, এই জোড়া ফুল তৃণমূল কংগ্রেসের চিহ্ন আপনারা সবাই জোড়া ফুলে ভোট দিয়ে আমাদের প্রার্থীদের আশীর্বাদ করুন। পাশেই ঠাকুরমা সারদার জন্মভূমি আমি তাকে প্রণাম জানাই। এই জেলা এবং চন্দ্রকোনায় কয়েকশ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হয়েছে। চন্দ্রকোনা এলাকায় মানুষের আলু চাষ অনেক বেশি। এখানে আলু চাষের অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আলুর দাম না থাকায়। আমি তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করব। আইসিডিএস, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে যে সমস্ত জায়গায় মিড ডে মিল হয় তাদের জন্য আমি আলু কিনব। কয়েকটা বিজেপি নেতা এখানে চক্রান্ত করছে আলো নিয়ে আমি তাদেরকে রাজনীতি করতে দেব না। চন্দ্রকোনার জনসভার মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীদের আক্রমণ করলেন। আদিবাসী ভাই বোনেরা মুসলিম ভাই বোনেরা এবং হিন্দু ভাই-বোনেরা আপনাদের উন্নয়নের জন্য তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিন। মিথ্যাচার করছে বিজেপি তাতে আপনারা পান দেবেন না। বাংলার বাইরের লোকেদের নিয়ে এসে নাম তুলছে বিজেপি। আপনাদের পরিবারের হরিজনদের ভাই-বোনদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে আপনাদেরকে আন্দোলনের জন্য তৈরি থাকতে হবে। নোট বন্দির লাইন, কেরোসিনের লাইন, আধারের লাইন, গ্যাসের লাইন, এসআইআর করে লাইন আর কত লাইন দেয়া হবে বাংলার মানুষকে, এবার বিজেপি তুমি নিজেই হবে বেলাইন। আমার কাজ হচ্ছে মানুষের সেবা করা, শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন কর্ময় ধর্ম। ধর্মের নাম মানুষকে ভালোবাসার সবাইকে একসাথে নিয়ে মেনে চলা, তাই মানব ধর্মকে রক্ষা করতে গেলে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিতে হবে। যারা দেশকে স্বাধীন করেছে মাতঙ্গিনী থেকে ক্ষুদিরাম তারা বাংলার রত্ন, আর সেই খানের মানুষকে প্রমাণ করতে হচ্ছে তারা ভারতবর্ষের নাগরিক কিনা। রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ এবং বেলুড় মঠেরও অনেক সাধু সন্তদের নাম বাদ গেছে, সাধুসন্ত দেরও আজকাল ভারতীয় কেন প্রমাণ করতে হচ্ছে বিজেপির কাছে। এখন বলছে কেরোসিন ডিলারদের কাছ থেকে গ্যাস দেবে, এটা আমারই দাবি ছিল। গণতন্ত্রের কোন মানুষ বিবেচনা করবে না, মোদের জানাই ধিক্কার, ওদের জানাই ছি! ছি! বিজেপি লজ্জা লজ্জা। বলছে বাংলার লোকেদের মাছ খাওয়া যাবেনা, মাংস খাওয়া যাবেনা, বাংলার লোকেরা তো মাছ ভাত খেয়ে বেঁচে থাকে, মাছ মাংস খাবে না তো কি, মাথা খাবে! চারিদিকে গ্রামবাংলায়, রাস্তাঘাটে বাজারে, রটিয়ে দিন বিজেপি বাংলা বিরোধী, ওদেরকে কেউ ভোট দেবেন না। জোড়া ফুলের লোগো আমার নিজের তৈরি করা মাটির সম্মান রক্ষা করার জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে আমার ২৯৪ কেন্দ্রের প্রার্থীদের জয়যুক্ত করতে হবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় বলেন যাবার আগে ডাক দিয়ে যায়, বিজেপির দানবরা, যতই কর হামলা আবার জিতবে বাংলা। কোনো দিন এই জিনিস হয়নি, তাই এবার আমাদের শপথ নিতে হবে, আমাদের সংগ্রাম চলবে আমাদের সূর্য শিখা জ্বলবেই, বিজেপি তুমি সূর্যের তাপে পুড়ে জ্বলে ছাই হয়ে যাবে। তৃণমূল এখন সমুদ্র এক একটা ঢেউয়ে বিজেপিকে আছড়ে দেবে। প্রোগ্রাম শেষে আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে নিয়ে নিজের গাওয়া গানে নৃত্য করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।2
- Post by মুখার্জী নিউজ1