Shuru
Apke Nagar Ki App…
সংসদ ও দেশের রাজনীতিতে আবারও বাক্যবাণ তীব্র হয়েছে, যার কেন্দ্রে রয়েছে রাহুল গান্ধীর একটি ভাষণ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ও পোস্ট দাবি করছে যে, রাহুল গান্ধীর ভাষণ '৭৫ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে' এবং তাঁর মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তবে, ভাইরাল হওয়া এই পোস্টগুলিতে করা দাবির স্বাধীন যাচাইকরণ অত্যন্ত জরুরি। কারণ, যেকোনো রাজনৈতিক মন্তব্য বা রেকর্ড-সম্পর্কিত দাবি সরকারি সংসদীয় নথি বা নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে যাচাই করা আবশ্যিক। রাহুল গান্ধীর সাম্প্রতিক ভাষণগুলি নিয়ে শাসক দল ও বিরোধীদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ অব্যাহত রয়েছে। উভয় পক্ষ একে অপরের অভিযোগের জবাব দিচ্ছে এবং সংসদ থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্ত সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে আছে।
MUNNA MIYAN
সংসদ ও দেশের রাজনীতিতে আবারও বাক্যবাণ তীব্র হয়েছে, যার কেন্দ্রে রয়েছে রাহুল গান্ধীর একটি ভাষণ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ও পোস্ট দাবি করছে যে, রাহুল গান্ধীর ভাষণ '৭৫ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে' এবং তাঁর মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তবে, ভাইরাল হওয়া এই পোস্টগুলিতে করা দাবির স্বাধীন যাচাইকরণ অত্যন্ত জরুরি। কারণ, যেকোনো রাজনৈতিক মন্তব্য বা রেকর্ড-সম্পর্কিত দাবি সরকারি সংসদীয় নথি বা নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে যাচাই করা আবশ্যিক। রাহুল গান্ধীর সাম্প্রতিক ভাষণগুলি নিয়ে শাসক দল ও বিরোধীদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ অব্যাহত রয়েছে। উভয় পক্ষ একে অপরের অভিযোগের জবাব দিচ্ছে এবং সংসদ থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্ত সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে আছে।
More news from Darjeeling and nearby areas
- সংসদ ও দেশের রাজনীতিতে আবারও বাক্যবাণ তীব্র হয়েছে, যার কেন্দ্রে রয়েছে রাহুল গান্ধীর একটি ভাষণ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ও পোস্ট দাবি করছে যে, রাহুল গান্ধীর ভাষণ '৭৫ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে' এবং তাঁর মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তবে, ভাইরাল হওয়া এই পোস্টগুলিতে করা দাবির স্বাধীন যাচাইকরণ অত্যন্ত জরুরি। কারণ, যেকোনো রাজনৈতিক মন্তব্য বা রেকর্ড-সম্পর্কিত দাবি সরকারি সংসদীয় নথি বা নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে যাচাই করা আবশ্যিক। রাহুল গান্ধীর সাম্প্রতিক ভাষণগুলি নিয়ে শাসক দল ও বিরোধীদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ অব্যাহত রয়েছে। উভয় পক্ষ একে অপরের অভিযোগের জবাব দিচ্ছে এবং সংসদ থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্ত সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে আছে।1
- কলকাতায় শুভেন্দু এবং অনুপমের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সাক্ষাৎ বাংলা সংস্কৃতি ও সিনেমার জন্য এক নতুন আশার বার্তা নিয়ে এসেছে।1
- ফেসবুকের একটি ভাইরাল গানের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে শঙ্কর ঘোষ নরেশ মোড়ের বেহাল রাস্তা পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনের খবরটি `#khabarsiliguri` হ্যাশট্যাগের সাথে প্রকাশ করা হয়েছে।1
- আজ শিলিগুড়ি থানামোড় এলাকায় মহরম পালিত হচ্ছে।1
- ডিজিটাল মিডিয়া দেশের সরকার পরিবর্তনের প্রক্রিয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে কাজ করেছে। এত কিছুর পরেও, এই মাধ্যমটি এখনও যথাযথ সম্মান ও স্বীকৃতির জন্য অপেক্ষা করছে।1
- শিলিগুড়ির ডাবগ্রাম ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নরেশ মোড়ের রাস্তা বর্তমানে একটি 'মরণফাঁদে' পরিণত হয়েছে। বিগত তিন বছর ধরে বেহাল দশায় থাকা এই ব্যস্ততম রাস্তায় প্রতিদিন অসংখ্য দুর্ঘটনা ঘটছে। স্কুল বাস থেকে শুরু করে টোটো পর্যন্ত বিভিন্ন যানবাহন নিত্যদিন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এই রাস্তার ভয়াবহ অবস্থার দিকে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এলাকার এক নাগরিক রাস্তা নিয়ে একটি গান রচনা করে মন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ফেসবুকে পোস্ট করেন। এই 'ভাইরাল গান'-এর পরিপ্রেক্ষিতেই পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ গত শুক্রবার নরেশ মোড়ের ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান মিতালী মালাকারের সঙ্গে নিয়ে রাস্তাটির বেহাল দশা খতিয়ে দেখেন। পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ সরাসরি এলাকাবাসীর কাছ থেকে তাদের সমস্যা ও অভিযোগ শোনেন। রাস্তাঘাটের দুরবস্থার পাশাপাশি এলাকায় ড্রেনেজ সমস্যা এবং নোংরার স্তূপ জমার বিষয়টিও তার নজরে আসে। তিনি স্থানীয়দের দ্রুত রাস্তা মেরামতের আশ্বাস দেন। এছাড়াও, মন্ত্রী পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের কাছ থেকেও এলাকার আরও বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন।1
- চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালী গ্রাম পঞ্চায়েতের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়, যেখানে সেখানে আবর্জনা ফেলে রাখা হয়েছে। এই ব্যাপক নোংরা এবং দুর্গন্ধের কারণে মশার উপদ্রব চরম বেড়ে গেছে, যা সেখানে থাকা প্রায় অসম্ভব করে তুলেছে। এই দুরবস্থা এবং দুর্নীতির জন্য টিএমসি সরকারকেই দায়ী করা হচ্ছে, অভিযোগ করা হয়েছে যে তাদের দুর্নীতি সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। জানা গেছে যে, আবর্জনা ফেলার জন্য গাড়ি থাকলেও কোনো কর্মী নেই। কর্মীদের এমনভাবে কাজ ছেড়ে দেওয়ার কারণ হলো, গত ছয় মাস ধরে তাদের বেতন দেওয়া হয়নি। অভিযোগ উঠেছে যে টিএমসি সরকার ময়লা ফেলার কর্মীদের থেকেও কাটমানি খেয়েছে, যার ফলে আজ এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চোপড়া থানার মাঝিয়ালী অঞ্চলের এই ভয়াবহ দুরবস্থার জন্য একমাত্র টিএমসি সরকারই দায়ী।1
- রাজ্য বাজেট পেশ হলেও চা শ্রমিকদের প্রতি রাজ্য সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে যে বিজেপি সরকারের বাজেটে চা শ্রমিকদের অভাব-অভিযোগ বা কোনো সুবিধা প্রদানের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এই বঞ্চনার প্রতিবাদে নকশালবাড়ির অটল চা বাগানে ভারতীয় টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন সেন্ট্রাল কমিটি একটি সভা করে। সভায় সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চা শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি এখনও ঘোষণা করা হয়নি এবং মজুরির দাবিতে রাজ্য সরকারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন অভিযোগ করেছে যে দীর্ঘদিন ধরে চা শ্রমিকরা বঞ্চনার শিকার। তাদের দাবি, অনেক চা বাগানে সময়মতো মজুরি দেওয়া হচ্ছে না, পিএফ কাটা হলেও তা জমা পড়ছে না এবং শ্রমিকদের মৃত্যু হলেও গ্র্যাচুইটি জমা দেওয়া হচ্ছে না। সংগঠনের সভাপতি যুগল ঝা উল্লেখ করেন, নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে, তবে তাদের কাছে বঞ্চিত চা শ্রমিকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার আবেদনও করা হয়েছে। সভাপতি যুগল ঝা স্পষ্ট করেন যে চা শ্রমিকরা সঠিক মজুরি না পাওয়ায় এই সভার আয়োজন করতে হয়েছে। তিনি আরও জানান, সংগঠন আগামী ছয় মাস সরকারকে পর্যবেক্ষণ করবে, এই আশায় যে সরকার চা বাগানের স্বার্থে কাজ করবে। আগামী দিনে চা শ্রমিকদের স্বার্থে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সে বিষয়ে লক্ষ্য রেখে কাজ করা হবে বলেও তিনি জানান।1