Shuru
Apke Nagar Ki App…
চলছে শেষ মুহূর্তের মেলা প্রস্তুতি আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ঘাটাল উৎসব ও শেষ মেলা। উদ্বোধন করতে আসছেন ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব। তার আগেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে মঞ্চ সজ্জার।
ARNAB
চলছে শেষ মুহূর্তের মেলা প্রস্তুতি আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ঘাটাল উৎসব ও শেষ মেলা। উদ্বোধন করতে আসছেন ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব। তার আগেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে মঞ্চ সজ্জার।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ঘাটাল উৎসব ও শেষ মেলা। উদ্বোধন করতে আসছেন ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব। তার আগেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে মঞ্চ সজ্জার।1
- Post by Sisir Porey1
- কয়েকদিন আগে মন্দির থেকে চুরি গিয়েছে শীতলা মাতার গহনা। সেই ঘটনায় এখনও শোক আর ক্ষোভ কাটেনি ভক্তদের মনে। ঠিক সেই আবহেই আজ মকরসংক্রান্তির পবিত্র দিনে মন্দিরে জড়ো হয়ে এক আশ্চর্য দৃশ্য দেখার দাবি উঠছে—শীতলা মাতার চোখ দিয়ে নাকি গড়িয়ে পড়ছে জল। ভক্তদের বিশ্বাস, এ শুধু কাকতালীয় নয়। মায়ের গহনা হারানোর যন্ত্রণা, ভক্তদের কষ্ট—সব মিলিয়ে যেন মায়েরই বেদনা প্রকাশ পাচ্ছে ওই অশ্রুতে। কেউ বলছেন, মা কাঁদছেন নিজের অপমান আর অবহেলার জন্য, কেউ আবার বলছেন, এটা ভক্তদের প্রতি মায়ের সতর্ক বার্তা। মকরসংক্রান্তির দিনে, যখন নতুন সূর্যের পথে যাত্রা শুরু হয়, তখন মায়ের চোখের জল ভক্তদের মনে আরও গভীর আবেগের সৃষ্টি করেছে। মন্দির চত্বরে প্রার্থনা, ধূপ-ধুনোর সঙ্গে সঙ্গে অনেকের চোখেও জল। সকলের একটাই প্রার্থনা—মায়ের গহনা ফিরে আসুক, মায়ের মুখে আবার হাসি ফুটুক, আর শীতলা মা রক্ষা করুন তাঁর সন্তানদের। ঘটনা দাসপুর ২ ব্লকের ভুঁইয়াড়া গ্রামের। উ জানুয়ারী দেখা যায় ওই গ্রামের পণ্ডিতদের ৩০০ বছরের প্রাচীন শীতলা মন্দিরে থাকা দেবী মূর্তির প্রায় ৭ লক্ষ টাকার সোনা রূপোর গহনা চুরি গেছে। সেই মন্দিরেই দেবী মূর্তির চোখ দিয়ে নাকি গড়িয়ে পড়ছে জল। আর তা ঘিরেই ভক্তদের মধ্যে কার্যত উন্মাদনা। এই ঘটনার সত্যতা যাই হোক, ভক্তদের বিশ্বাসে আজ শীতলা মায়ের অশ্রু হয়ে উঠেছে এক গভীর অনুভূতির প্রতীক।1
- ঘাটালের সাংসদ ও অভিনেতা দেব এস আই আর এর হেয়ারিং এলেন কলকাতার পৌরসভার 93 নম্বর ওয়ার্ডে একটি হেয়ারিং সেন্টারে1
- বাঙালির প্রতিটি ঘরে ঘরে আজ চলছে বারলক্ষী পূজা। সকাল থেকেই গৃহস্থ রা পুজোর জোগাড় করে লক্ষীপুজো তে ব্রতী হয়েছেন।2
- আজকের আবহাওয়া কেমন থাকবে? পৌষ সংক্রান্তিতে জমিয়ে শীতের আসর। পৌষের শেষ দিন এবং মাঘের শুরুতে ফের জমিয়ে শীতের স্পেল। কলকাতায় ১৩ ডিগ্রির ঘরে পারদ। আরো কিছুটা নামতে পারে পারদ আগামী দুই দিনে। পৌষের শেষ দিন থেকে মাঘ মাসের শুরুর কয়েকটা দিনে কনকনে ঠান্ডার আরো একটা স্পেল।1
- ব্লক সভাপতি ঘোাষনা করলেন অঞ্চল সভাপতি। তার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই জেলা সভাপতি জানালেন এই পরিবর্তন অবৈধ। তারপরেই দলীয় কার্যালয়ে তৃণমূল কর্মীদের বচসা ধাক্কাধাক্কি, আক্রান্ত হলেন নতুন অঞ্চল সভাপতি। অভিষেকের সভার আগেই চন্দ্রকোনায় প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। ১৬ই জানুয়ারি মেদিনীপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা। গোটা পশ্চিম মেদিনীপুর জুড়ে সেই সভার প্রস্তুতি তুঙ্গে। তার মাঝে আজ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের লক্ষ্মীপুর অঞ্চল সভাপতি পরিবর্তন নিয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে । আজ সন্ধ্যায় নতুন সভাপতি গৌতম মল্লিকের সাথে পুরনো সভাপতি মফু সরকারের বচসা শুরু হয়। অভিযোগ মফু সরকারের নেতৃত্বে নতুন সভাপতি গৌতম মল্লিক কে মারধর করে। জানাযায় গতকাল চন্দ্রকোনা ১ ব্লকের সভাপতি সূর্যকান্ত দোলই লক্ষীপুর,জাড়া, মাংরুল তিনটি অঞ্চলের সভাপতিদের পরিবর্তন করে। সেই পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেই লক্ষ্মীপুর অঞ্চলে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা ছিল চরমে। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজিত মাইতি জানান এই পরিবর্তন সম্পূর্ণ অবৈধ। ব্লক সভাপতিদের এই ধরনের পরিবর্তনের কোন এক্তিয়ার নেই। তাই পুরনো সভাপতিরা সমস্ত জায়গায় বহাল থাকবে। এই ঘোষণার পরেই উত্তেজনা বাড়ে বলে তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ। লক্ষ্মীপুর অঞ্চল তৃনমূল কার্যালয়ে, নতুন ব্লক সভাপতি গৌতম মল্লিক কে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তবে এ বিষয়ে ব্লক সভাপতি সূর্যকান্ত দৌলইকে বারবার ফোন করা হলো তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে তিনি আমাদের জানিয়েছেন বুথ স্তরে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে আমি পরিবর্তন করেছি। পরবর্তীকালে যা ঘটনা ঘটেছে সে ব্যাপারে যা বলার জেলা সভাপতি বলবেন।1
- ঘাটাল–পাঁশকুড়া ব্যস্ত সড়কের একেবারে ধারেই সুলতাননগর প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রতিদিন ছোট্ট ছোট্ট পা নিয়ে জীবনের প্রথম পাঠ নিতে আসে শিশুরা, আর সেই পথ চলার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। সেই ঝুঁকি কমাতেই বৃহস্পতিবারের দুপুরে এক মানবিক উদ্যোগ নিল দাসপুর থানা। স্কুল প্রাঙ্গণে এসে শিক্ষার্থীদের পথ নিরাপত্তার পাঠ দিলেন দাসপুর থানার ওসি অঞ্জনি তেওয়ারি অন্যান্যদের মাঝে ছিলেন সেকেন্ড অফিসার তরুণ হাজরা। কীভাবে রাস্তা পার হতে হবে, কোথায় দাঁড়াতে হবে, গাড়ির শব্দ শুনে কীভাবে সতর্ক হতে হবে—সহজ ভাষায়, শিশুদের বোঝার মতো করেই শেখালেন তিনি। কখনও হাত তুলে দেখিয়ে, কখনও প্রশ্ন করে, কখনও আবার হাসিমুখে গল্পের ছলে বুঝিয়ে দিলেন ট্রাফিক নিয়মের গুরুত্ব। শুধু নিয়ম শেখানো নয়, শিশুদের মনে সচেতনতার বীজ বুনে দেওয়াই ছিল এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। শিক্ষকরাও পাশে থেকে উদ্যোগকে স্বাগত জানান। ব্যস্ত সড়কের ধারে থাকা এমন একটি বিদ্যালয়ে পুলিশের এই উপস্থিতি অভিভাবকদের মধ্যেও আশ্বাস জাগাল। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বঙ্কিম মাজি বলেন,আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বাইরেও যে পুলিশ সমাজের দায়িত্ব নেয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবে—সুলতাননগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই দিনটি তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকল।1