Shuru
Apke Nagar Ki App…
লাটিয়াপুরা বাঁধের কাজ যে জায়গাতে বাঁধ ভেঙেছে সে জায়গাতে কাজ না করে যে জায়গাতে কোনো ব্যাঙ্গন নেই। সে জায়গাতে কাজ করেছে। তাই গ্রামের সাধারণ মানুষ পথ বন্দ করে রেখেছে।
News On Tiprasa
লাটিয়াপুরা বাঁধের কাজ যে জায়গাতে বাঁধ ভেঙেছে সে জায়গাতে কাজ না করে যে জায়গাতে কোনো ব্যাঙ্গন নেই। সে জায়গাতে কাজ করেছে। তাই গ্রামের সাধারণ মানুষ পথ বন্দ করে রেখেছে।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- প্রথম স্বামীর মৃত্যুর পর দেবর জনু মিয়াকে বিয়ে করেছিলেন গৃহবধূ শিল্পী বেগম। তবে সেই দ্বিতীয় সংসারও বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। প্রথম স্বামীর ঘরের এক ছেলে ও এক মেয়েকে বড় করার পর, সম্প্রতি ছেলে সন্তানের অধিকার ও জীবনের নিরাপত্তার কথা ভেবে দ্বিতীয় স্বামীর কাছে জমির দাবি জানান তিনি। কিন্তু অভিযোগ, তাকে কোনো জমির অধিকার দেননি দ্বিতীয় স্বামী। দুই সন্তানকে নিয়ে বর্তমানে চরম বিপাকে পড়া শিল্পী বেগম এবার জড়িয়ে পড়লেন এক অনাকাঙ্ক্ষিত পারিবারিক ও জমি সংক্রান্ত বিরোধে। সংসার চলাকালীন সময়ে, স্বামী জনু মিয়া স্থানীয় কলম ক্ষেত মুড়াপাড়ার আলী আশ্রবের কাছে একটি জমি বন্ধক দেন। সেই জমিটিতে প্রতি বছরই নিয়মিত ধান চাষ হয়ে আসছিল এবং এতদিন এ নিয়ে কোনো ঝামেলাও তৈরি হয়নি। কিন্তু হঠাৎ করেই মঙ্গলবার (অথবা আজকের তারিখ) পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ, গৃহবধূ শিল্পী বেগম নিজের ছেলে-মেয়ে এবং আরও কয়েকজন মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে ওই বন্ধকি জমিতে যান। সেখানে আলী আশ্রবের রোপণ করা ধানের চারাগুলো তারা উপড়ে ফেলেন এবং পুরো ধানক্ষেত লন্ডভন্ড করে দেন। ক্ষেতের ফসল নষ্ট করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুহূর্তের মধ্যে মেলাঘর কলমক্ষেত খামারবাড়ি এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র জল্পনা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠরা।1
- স্মার্ট মিটার লাগানোর কয়েক মাসের মাথায় বৃদ্ধি পেয়েছে বিদ্যুৎ বিল, প্রায় ৫০ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল আসায় মাথায় হাত মনির হোসেন নামের এক গ্ৰাহকের । স্মার্ট মিটার লাগানোর কয়েক মাসের মাথায় বৃদ্ধি পেয়েছে বিদ্যুৎ বিল, প্রায় ৫০ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল আসায় মাথায় হাত মনির হোসেন নামের এক গ্ৰাহকের ।1
- যোগেন্দ্রনগর সিপিআইএম কার্যালয় পরিদর্শনে জিতেন চৌধুরী, বিজেপির বিরুদ্ধে সরব: আগরতলার যোগেন্দ্রনগর সিপিআইএম দলীয় কার্যালয়ে পরিদর্শনে যান দলের রাজ্য সম্পাদক জিতেন চৌধুরী। পরিদর্শন শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, গত ২৪ তারিখ সন্ধ্যায় সিপিআইএমের দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা গণতন্ত্র ও সংবিধানের প্রতি শাসক দলের মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। জিতেন চৌধুরীর অভিযোগ, বিজেপি কথায় কথায় রাষ্ট্রবাদ, গণতন্ত্র ও সংবিধানের কথা বললেও তাদের কর্মকাণ্ডে তার প্রতিফলন নেই। বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্যের মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নেমেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। বিদ্যুৎ মাশুল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও বিদ্যুৎমন্ত্রীর বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক। তাঁর অভিযোগ, জনগণের ক্ষোভ আড়াল করতে একের পর এক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। বিদ্যুৎ মাশুলে ১০০ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। জিতেন চৌধুরী আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ মাশুলে ছাড় ঘোষণার জন্য বিজেপি ধন্যবাদ র্যালি করলেও একই সময়ে সিপিআইএমের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এ ধরনের ঘটনা গণতান্ত্রিক পরিবেশের পরিপন্থী। বিরোধী দলের হয়ে কথা বললেই দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।1
- মনুশ্রীর বাড়িতে গিয়ে ‘অপমানিত’! সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিলেন উৎসর্গের প্রতিষ্ঠাতা পীযূষ রায় মনুশ্রীর বাড়িতে গিয়ে ‘অপমানিত’! সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিলেন উৎসর্গের প্রতিষ্ঠাতা পীযূষ রায়1
- llllllllolllllllllollllllllollllllllolllllllllollllllll1
- উদয়পুরের দাতারাম এলাকায় ধর্ম ও রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে বিতর্কিত ফেসবুক লাইভকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার আশঙ্কা দেখা দেয়। অভিযোগ, বিজেপি নেতা রবি শীল মুসলিম সম্প্রদায় ও তিপ্রা মথার নেতা পুরেন্দ্র রিয়াংকে নিয়ে আপত্তিকর ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ ও সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়। মঙ্গলবার এলাকাবাসী ও পুরেন্দ্র রিয়াংয়ের কাছে নিজের বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চান রবি শীল এবং ভবিষ্যতে এমন মন্তব্য না করার আশ্বাস দেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জারি রয়েছে।1
- মনশ্রীর চিকিৎসার জন্য কল্যাণপুরে অর্থ সাহায্য নিয়ে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া।। মনশ্রীর চিকিৎসার জন্য কল্যাণপুরে অর্থ সাহায্য নিয়ে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া।।1
- লাটিয়াপুরা বাঁধের কাজ যে জায়গাতে বাঁধ ভেঙেছে সে জায়গাতে কাজ না করে যে জায়গাতে কোনো ব্যাঙ্গন নেই। সে জায়গাতে কাজ করেছে। তাই গ্রামের সাধারণ মানুষ পথ বন্দ করে রেখেছে।2