Shuru
Apke Nagar Ki App…
ি৯ ক্ষীরপাই খালপার
ক্ষীরপাই
ি৯ ক্ষীরপাই খালপার
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ক্ষীরপাই খালপার1
- আলিপুরদুয়ার জেলার প্রত্যন্ত ও দূর্গম বক্সা পাহাড়ে প্রচার সারলেন কালচিনি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিশাল লামা। বিজেপির দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে হাটাপথে পাহাড়ের সোরু আকাবাঁকা পথ দিয়ে সমতল থেকে প্রায় ৩৫০০ ফুট উঁচুতে স্থিত বক্সা পাহাড়ে পৌছান বিজেপি প্রার্থী বিশাল লামা। বক্সা পাহাড়ের বাসিন্দাদের কাছে পৌছে জনসংযোগ চালান বিজেপি প্রার্থী। নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী বিশাল লামা জানান, বক্সা পাহাড়ের বাসিন্দাদের অনেক সমস্যা রয়েছে। এখানে সড়ক নেই। সরকার সঠিক নজর দিলে এই এলাকা পর্যটনের দিক দিয়ে আরো উন্নত হত। কিন্ত রাজ্য সরকার এদের জন্য কিছুই করেনি। বিজেপি সরকার গড়বে এবং বক্সা পাহাড়ের বাসিন্দাদের সমস্ত সমস্যা দূর হবে।1
- জলপাইগুড়িতে বৃদ্ধাকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় বড় সাফল্য পেল পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের মেজ জামাই আলামিন হককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত অভিযুক্ত শ্বশুরবাড়িতেই ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন। পাশাপাশি পুলিশ তাঁর স্ত্রী হাসিনা বিবিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত নিহত বৃদ্ধার কাটা মুণ্ড উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রটিও মেলেনি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) শৌভনিক মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ধৃত যুবক প্রাথমিক জেরায় অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। তবে এই খুনের পিছনে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদ নাকি কোনও কুসংস্কার বা কালা জাদুর প্রভাব রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, ধৃত ব্যক্তি কাটা মুণ্ড এবং খুনের অস্ত্র কোথায় লুকিয়ে রেখেছে সে বিষয়ে কিছু তথ্য দিয়েছে। সেই সূত্র ধরেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে শিলিগুড়ির ভরত নগর এলাকা থেকে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। উল্লেখ্য, গত শনিবার জলপাইগুড়ি জেলার বাহাদুর পঞ্চায়েতের চেকরচণ্ডী কামাত এলাকায় ৭৩ বছর বয়সী সামিজা খাতুনের গলা কাটা দেহ তাঁর বাড়ির পিছন থেকে উদ্ধার হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। নিহতের মুণ্ডের খোঁজে পুলিশ কুকুর নামানো হয় এবং ড্রোনের সাহায্যে তল্লাশি চালানো হয়। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন পুকুরে সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা নেমে অনুসন্ধান করেন। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক দল, এবং গোটা ঘটনার তদন্ত জোরকদমে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।1
- গোসাই বাড়ি থেকে রাধাগোবিন্দের আশীর্বাদ নিয়ে প্রচারে নির্মল রায়। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী নির্মল চন্দ্র রায়। এই দিন বাজারের বিভিন্ন এলাকা মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তৃণমূলের এই প্রার্থী। তাকে ঘিরে কর্মীদের উৎসাহ ছিল প্রবল1
- Post by Jakir Islam1
- ভোটার তালিকায় নাম বাদ, সুরাহা চেয়ে পথ অবরোধ ময়নাগুড়ি, ৩১ মার্চ : এসআইআর এর জেরে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে অনেক সাধারণ মানুষের। শুনানিতে গিয়ে বৈধ কাগজপত্র দেখানোর পরেও নাম বাতিলের তালিকায় পড়েছে। সেই সমস্যার সমাধান চেয়ে মঙ্গলবার পথ অবরোধে সামিল হলেন ডিলেট হয়ে যাওয়া সাধারণ মানুষরা। এদিন ময়নাগুড়ি থেকে চ্যাংড়াবান্ধা যাওয়ার এশিয়ান হাইওয়ের রাজারহাট মোড় এলাকায় পথ অবরোধ করেন তারা। যার জেরে প্রচুর গাড়ি আটক পরে যায়। এদিন প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে এই অবরোধ। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ময়নাগুড়ি থানার পুলিশবাহিনী সহ কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরবর্তীতে ময়নাগুড়ির জয়েন্ট বিডিও ইনজামুল হক ঘটনাস্থলে এসে কথা বলে অবরোধ তুলে দেন। জানা গিয়েছে মাধবডাঙ্গা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় ১৫ হাজার ভোটারের মধ্যে হাজারেরও বেশি মানুষের নাম এই ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে। তাই এই সমস্যার সমাধান করে দ্রুত ভোটাধিকার দেওয়ার দাবিতে এই বিক্ষোভ দেখান তারা।1
- নির্বাচনে বাড়তি নজর চা বাগান। সেই বাগানের শ্রমিকদের মন জয়ে নির্বাচনের আগে সোম থেকে শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকালে আলিপুরদুয়ার জেলার কালচিনি বিধানসভার এক-একটি চা বাগানে তিন ঘণ্টা করে শ্রমিকদের অভিযোগ শুনবেন তৃণমূল প্রার্থী বীরেন্দ্র বারা ওরাওঁ। তিনি বলেন, "শ্রমিকদের সমস্যা শুনতেই এই উদ্যোগ। যেখানে তাঁরা নিজেদের সমস্যার কথা ভাগ করে নিতে পারবেন।" এই কালচিনি বিধানসভায় কুড়িটিররও বেশি চা বাগান রয়েছে। তাই নির্বাচনের আগে চা শ্রমিকদের সাথে আলাপচারিতা করতে,সকালে হলেই কালচিনি কেন্দ্রের সাতালি, ভার্নাবাড়ি সহ একাধিক চা বাগানে ছুটছেন তৃণমূল প্রার্থী।1
- দফায় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেও, ময়নাগুড়িতে এসে কার্যত চাপে পড়ে প্রার্থী বদল করতে হল বিজেপিকে। প্রথম দফায় কৌশিক রায়কে প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও, স্থানীয় স্তরে ব্যাপক অসন্তোষ সামনে আসে। দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশ সরাসরি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং দ্রুত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি তোলে। এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে যায়, প্রার্থী ঘোষণার আগে স্থানীয় সংগঠনের মতামত যথাযথভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত বদল করে বিজেপি নেতৃত্ব। শেষমেশ ময়নাগুড়ি কেন্দ্রের নতুন প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয় ডালিম রায়ের নাম। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই প্রার্থী পরিবর্তন বিজেপির অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের অভাবকেই সামনে নিয়ে এসেছে। নির্বাচনের মুখে এমন অস্থিরতা দলের সাংগঠনিক দুর্বলতাকেই প্রকাশ করছে বলে মত বিশ্লেষকদের। এদিকে, হঠাৎ প্রার্থী বদলে কর্মী-সমর্থকদের একাংশের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ আরও বেড়েছে বলেও খবর। ফলে ময়নাগুড়িতে বিজেপির নির্বাচনী লড়াই কতটা সুসংগঠিত হবে, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।1