কড়া নিরাপত্তায় মোড়া তুফানগঞ্জ মহাবিদ্যালয়, শুরু হল তুফানগঞ্জ ও নাটাবাড়ী বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা আগামীকাল সকালেই শুরু হতে চলেছে তুফানগঞ্জ ও নাটাবাড়ী বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা। তার আগে পুরো তুফানগঞ্জ মহাবিদ্যালয় চত্বর জুড়ে জারি করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, গণনা কেন্দ্রকে ঘিরে একাধিক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের সমন্বয়ে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল নিরাপত্তা রক্ষী। গণনা কেন্দ্রের ভিতরে ও বাইরে সিসিটিভি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে, পাশাপাশি প্রতিটি প্রবেশ ও প্রস্থান পথে বসানো হয়েছে চেকিং পয়েন্ট। শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিদেরই নির্দিষ্ট পাসের মাধ্যমে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, গণনার আগে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তাও খতিয়ে দেখেছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে স্ট্রং রুম সিল অক্ষত রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবকিছুই নিয়ম মেনে হচ্ছে বলেই প্রশাসনের দাবি। গণনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও বাড়ছে উত্তেজনা। বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও কর্মীরা ইতিমধ্যেই গণনা কেন্দ্রের আশপাশে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ প্রশাসন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছভাবে গণনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এজন্য সমস্ত ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
কড়া নিরাপত্তায় মোড়া তুফানগঞ্জ মহাবিদ্যালয়, শুরু হল তুফানগঞ্জ ও নাটাবাড়ী বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা আগামীকাল সকালেই শুরু হতে চলেছে তুফানগঞ্জ ও নাটাবাড়ী বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা। তার আগে পুরো তুফানগঞ্জ মহাবিদ্যালয় চত্বর জুড়ে জারি করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, গণনা কেন্দ্রকে ঘিরে একাধিক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের সমন্বয়ে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল নিরাপত্তা রক্ষী। গণনা কেন্দ্রের ভিতরে ও বাইরে সিসিটিভি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে, পাশাপাশি প্রতিটি প্রবেশ ও প্রস্থান পথে বসানো হয়েছে চেকিং পয়েন্ট। শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিদেরই নির্দিষ্ট পাসের মাধ্যমে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, গণনার আগে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তাও খতিয়ে দেখেছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে স্ট্রং রুম সিল অক্ষত রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবকিছুই নিয়ম মেনে হচ্ছে বলেই প্রশাসনের দাবি। গণনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও বাড়ছে উত্তেজনা। বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও কর্মীরা ইতিমধ্যেই গণনা কেন্দ্রের আশপাশে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ প্রশাসন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছভাবে গণনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এজন্য সমস্ত ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
- নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ধাপে ধাপে কাউন্টিং এজেন্টদের প্রবেশ করানো হয় গণনা কেন্দ্রে। প্রবেশের আগে প্রত্যেক এজেন্টের৬ পরিচয়পত্র ও অনুমতিপত্র খতিয়ে দেখা হয়। নিরাপত্তা রক্ষীদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতেও ছিল পুরো এলাকা। কলেজ চত্বরের চারপাশে একাধিক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়, যাতে কোনো অনভিপ্রেত ঘটনা না ঘটে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গণনা সম্পন্ন করাই মূল লক্ষ্য। সেই কারণে গণনা কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। এদিকে, সকাল থেকেই গণনা কেন্দ্রের বাইরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ প্রশাসন তৎপর রয়েছে।1
- মাথাভাঙ্গা,আগামীকাল বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা।ফল ঘোষণার আগের দিন রবিবার সন্ধ্যায় মাথাভাঙ্গা শিবমন্দির ও মদন মোহন মন্দির সহ বিভিন্ন মন্দিরে পূজা দিলেন মাথাভাঙ্গা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক।পূজা দিয়ে মাথাভাঙ্গা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামানিক সকলের মঙ্গল কামনায় পূজা দিলেন।বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। বাংলায় নতুন সূর্যোদয় হবে ।সাধারণ মানুষের মঙ্গল কামনায় এবং রাজনীতির ঊর্ধ্বে সকল মানুষ যেনো ভালো থাকে তাই পূজা দেওয়া।1
- মাথাভাঙ্গা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামানিক ভোট গননার আগের দিন মাথাভাঙ্গার বিভিন্ন মন্দিরে পুজো দিলেন।মুখোমুখি হলেন শুরু অ্যাপের প্রতিনিধির।1
- দিনহাটার বামনহাটের দক্ষিণ লাউচাপরা এলাকায় পারিবারিক বিবাদের জেরে শাশুড়ির উপর কুড়ুল দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বৌমার বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম অবস্থায় মহিলাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত বৌমাকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১৫-১৬ বছর আগে ওই এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণ বর্মনের সঙ্গে আবুতারা এলাকার এক মহিলার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই শাশুড়ি ও বৌমার মধ্যে প্রায়শই অশান্তি লেগে থাকত। কয়েকদিন আগে অসুস্থতার সময় শাশুড়ি বৌমাকে চিকিৎসার জন্য চার হাজার টাকা দেন বলে অভিযোগ। রবিবার দুপুর প্রায় ২টা নাগাদ ওই টাকার বিষয়কে কেন্দ্র করে ফের বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই বচসা চরম আকার নিলে বৌমা কুড়ুল দিয়ে শাশুড়ির মাথায় পরপর কয়েকটি কোপ মারেন। ঘটনায় রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন ওই মহিলা। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। ঘটনার খবর পেয়ে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত বৌমাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ1
- 📍ভোট গণনার আগের দিন মাথাভাঙা শহরের বিভিন্ন মন্দিরে পুজো দিলেন মাথাভাঙা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক1
- ঘটনাটি ঘটেছে বামনহাট দক্ষিণ লাউচাপরা এলাকায়। ঘটনা প্রসঙ্গে জানা যায় ১৫-১৬ বছর আগে ওই এলাকার কৃষ্ণ বর্মনের বিয়ে হয় আবুতারা এলাকার এক মেয়ের সাথে বিয়ের পর থেকেই শাশুড়ি বৌমায় ঝামেলা লেগেই থাকতো তবে কিছুদিন আগে বৌমা অসুস্থ হওয়ায় শাশুড়ি চার হাজার টাকা দিয়েছিল চিকিৎসা করানোর জন্য। আজ দুপুর আনুমানিক 2 টা নাগাদ আলোচনা প্রসঙ্গে উঠে আসে ওই চার হাজার টাকার কথা শাশুড়ি নাকি বৌমার কাছেও চার হাজার টাকা দাবি করেছিল আর এতেই শুরু হয়ে যায় বচসা সেই বচসা একটা সময় রূপ নেয় তীব্র আক্রমণের, যার ফলস্বরূপ শাশুড়ির মাথায় একে একে তিন থেকে চারবার কুড়ুলের কোপ মারে বৌমা এমনটাই অভিযোগ আহত মহিলার ছেলে এবং বোনের। এরপর তৎক্ষণাৎ আহত ওই মহিলাকে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসে আহত মহিলার ছেলে এবং বোন। এই ঘটনার খবর যায় সাহেবগঞ্জ থানায় তড়িঘড়ি অভিযুক্ত বৌমাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আসুন এই বিষয়ে আহত মহিলার ছেলে এবং বোনের বক্তব্য শুনে নেওয়া যাক।1
- কড়া তল্লাশিতে মোড়া কাউন্টিং সেন্টার, নিরাপত্তায় জিরো টলারেন্স, কোচবিহার পলিটেকনিকে মেটাল ডিটেক্টর নজরদারি1
- আগামীকাল সকালেই শুরু হতে চলেছে তুফানগঞ্জ ও নাটাবাড়ী বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা। তার আগে পুরো তুফানগঞ্জ মহাবিদ্যালয় চত্বর জুড়ে জারি করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, গণনা কেন্দ্রকে ঘিরে একাধিক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের সমন্বয়ে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল নিরাপত্তা রক্ষী। গণনা কেন্দ্রের ভিতরে ও বাইরে সিসিটিভি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে, পাশাপাশি প্রতিটি প্রবেশ ও প্রস্থান পথে বসানো হয়েছে চেকিং পয়েন্ট। শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিদেরই নির্দিষ্ট পাসের মাধ্যমে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, গণনার আগে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তাও খতিয়ে দেখেছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে স্ট্রং রুম সিল অক্ষত রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবকিছুই নিয়ম মেনে হচ্ছে বলেই প্রশাসনের দাবি। গণনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও বাড়ছে উত্তেজনা। বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও কর্মীরা ইতিমধ্যেই গণনা কেন্দ্রের আশপাশে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ প্রশাসন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছভাবে গণনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এজন্য সমস্ত ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।1